পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/১৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


- ৩২ প্রবাসী । [ ৫ম ভাগ। . - -- - --- --- - - - এখনো আমার গায় পৃলিচিহ্ন যেখা যায়, বুলীয়ে শীতল কর দিও মোরে তার পর * আসি নাই ভেঙ্গে পেলা-ঘর ; ছ’নয়নে নিঞ্জার অঞ্জুন ! -- a খেলিতে গেলিতে ভুলে আসিয়াছি তব কুলে, ই প্রমথনাথ বায় চৌধুরী। । তব.তরে কঁাদিল অস্তুর । এখনো নয়নে মোর লাগে নি নেশার ঘোর, আসি নাই ভজিতে তোমায় ; ধলিভল দীর্ঘ পথ পড়ে আছে মায়াবৎ, যেতে হবে ফিরিয়া সেথায় ! থাক বন্ধু, ধৈর্য্য ধরি, আমার দুদিন হরি' ভরিবে না তোমার ভাণ্ডার : একটি জীবন-কলি কি হবে অকালে দলি', মিটিবে কি পিপাসা তোমার ; তৰু তুমি তাই বলি স্বৰূরে যেও না চলি, কাছে কাছে পাই যেন সাড়া : যখন অীরাম তলে চুলিব পথের পরে যাত্রা লাগি দি ও মোরে তাড়া ! বিলম্বে এস না প্রিয়, ীেবনেল এ অমিয় - তাই আমি পিয়াব তোমার ; ভুগিও না হে নিৰ্ম্মম, যৌবন-প্রত্যুষ মম সঁপিয়াছে প্রাণ তব পায় ! দানের সময়-শেষে শুধুই দেখিবে এসে অক্ষয়ের বিকল বেদন । - হে স্বন্দর, হে মোহন, তব যোগা ৰ্মিবেদন যৌবনের সৌন্দর্য্য-সাধনা ৷ আসিও পূর্ণিম-রাতে স্বপ্ন হয়ে আঁথি-পাতে, ੇ নিও তামাল সকল : নদীর নিৰ্ম্মল তীরে বিছাইয়া দিও ধীরে তব হস্তে শয়ন শীতল ! কুহুস্বরে গুঞ্জবণে, জোৎস্নাস্নিগ্ধ সমীরণে, কুঞ্জবনে উঠিবে উল্লাস ; - যঁধীর মধুর গ্রাণে তামাল সকল প্রাণে, উচুলিবে বসন্ত-বিলাস । তপন নিকটে এসে দাড়াইও বঁধু বেশে, চারি চক্ষে হুইবে মিলন ; — ীের কেতু | - o থত মাঘমাসের শেষে স্বর্যাবিশ্বে যে কৃষ্ণচিন্তু দেখা গিয়াছিল, তাহা বহুলোকে প্রত্যক্ষ করিয়াছিলেন। সেই কয়েক দিনের শতাতিশয্য এক্ষণে স্মরণীয় ব্যাপায়ে পরিণত হুইয়াছে। স্বৰ্য্যবিশ্বে রঞ্চচিহ্লের উদয় এবং এখানে অতিশয় শীতসঞ্চার এক সময়ে হইয়াছিল। এজন্য সাধারণ লোকে উভয়ের মধ্যে কাৰ্য্যকাপণ সম্বন্ধ অনুমান করিয়াছিলেন। স্বর্যাবিশ্বে ক্লঞ্চচিন্তু দর্শন সকলের ভাগ্যে ঘটে না। কারণ চিন্তু বৃহৎ না ইলে, তাহ দূরবীক্ষণ বিন দেখিবার সস্তাবনা থাকে না। বস্তুতঃ সূর্যাবিন্ধে চিষ্ট্রের উদয় নূতন ব্যাপার নহে, পালি চোখে দেখাও নূতন নহে। এসম বৎসর যার না, যে বৎসর একটি না একটি চিষ্ট্রের উদয় হয় না। যখন গ্যালিলিও প্রথম দূরবীক্ষণ নিৰ্ম্মাণ করেন, সেই খ্ৰীঃ ১৬শ শতাব্দীর প্রথম ভাগ হইতে স্বর্যাবিশ্বে চিহ্লের উদয় পাশ্চাত্যদেশে নিরীক্ষিত হইয়া আসিতেছে। এদেশে পুৰ্ব্বকালে দৃষ্ট হইয়াছিল কি না,তাহ “আমাদের জ্যোতিষীও জ্যোতিষ" নামক গ্রন্থে বিবৃত হইয়াছে। লেখকের অনুমানে এদেশের পূৰ্ব্বাচার্যাগণ তামসকীলক নামে সৌরচিছু বর্ণনা করিয়া গিয়াছেন। তামস-কৃষ্ণবর্ণ, কীলক-গিল, যেন স্বৰ্য্যবিশ্বে । বিন্ধ দেখা যায় । তামস কীলকের সামান্ত নাম রাহুস্থত কেতু ছিল। রাহুমুত-অন্ধকারময়, কেতু—চিহ্ল, বুঝিতে আপত্তি নাই। এক একটা সৌরকেতু এত বড় হয় যে, তাহা শুধু চোথেষ্ট যেখিতে পাওয়া যায়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে যে বৃহৎকেতু দেগা গিয়াছিল, তাহাব প্রতিরূপ ! প্রদর্শিত হইল। সূৰ্য্যবিশ্বেল ফোটগ্রাফ হষ্টতে ঐ তিন † প্রতিরূপ অঙ্কিত হুইয়াছে। বৃহৎ কেতু ব্যতীত અ૧ ফেব্রুয়ারি দিবসে অন্য একটা কেতু ৪ খালি চোখেই দেথা । গিয়াছিল। তাহারও প্রতিরূপ ফোটগ্রাফে দেখা যাইতেছে। অন্ত যে কয়েকটি ক্ষুদ্র কেতু অঙ্কিত হইয়াছে, তৎসমুদয় খালি চোথে দেথা বায় নাই। } • - తా-తా- -or ১ম সংখ্যা । | -- - সৌর কেতু দেখিলাল নিমিত্ত কোন উপায়ে সৌরতেঙ্গঃ হ্রাস করা আবশ্যক। খালি চোখেই হউক, আর দূরবীক্ষণ যোগেই হউক, প্রখর স্বর্ঘ্যের প্রতি দৃষ্টিপাত করিয়া কেহই চক্ষু দগ্ধ করিতে ইচ্ছা করেন না। যদি থালি চোখেই চক্ষু দ্বগ্ন হয়, দূরবীক্ষণে চকুর কি বিষম অনিষ্ট হইতে পারে, তাছা মনে রাখা কর্তব্য। চকুর তারা কতটুকু। তাহার ভিতর দিয়া বে রবিকর প্রবেশ করে, তাহাতেই চক্ষু ঝলসিয়া যায়। দূরবীক্ষণরূপ চক্ষুর তারা অনেক বড়। তাহার ভিতর দিয়া যত তেজ চক্ষুতে আসিয়া পড়ে, তাঁহাতে চক্ষু কেবল দগ্ধ মহে, ভক্ষ্মীভূত হইতে পায়ে । কেহ কেহ বাগ্রতা বশতঃ এই সামান্ত কথাটি ভুলিয়া যান। যদি খালি চোখেই দেখিবার বাসনা হয়, তাহা হইলে, অস্তগমনোমুগ্ধ স্বৰ্য্য দেখাই প্রশস্ত। আকাশ কুহেলিকাচ্ছন্ন হটলেও রবিকর মৃত্যু হইয়া আসে। ইহাদের অভাবে কাচখণ্ড দ্বীপের ভূষা মাথাইয়া চক্ষুর সম্মুখে ধরা দেশীয় রীতি আছে। কয়েক খানি হরিৎ বর্ণ কাচ উপরি উপরি রাখিয়া চক্ষুর সম্মুখে ধরা যাইতে পারে। রঞ্জিত কাচখণ্ডের বর্ণ এত গাঢ় হওয়া উচিত যেন সেই কাচের ভিতর দিয়া ঘরবাড়ী কিছুই দেখিতে সা পাওয়া যায়। তথাপি মধ্যান্ত্রের সুৰ্য্য নিরীক্ষণ করিলে চক্ষুর অনিষ্ট হইতে পারে। অতএব পূৰ্ব্বাহ ও পরাহুই প্রশস্ত কাল। কোন অন্ধকাল্পময় গৃহের রন্থপথে স্বৰ্য্যকিরণ প্রবিষ্ট হইলে এবং সেই কিরণে সাদা কাগজ ধরিলে স্বৰ্য্যবিম্ব অক্লেশে দেখা যাইতে পারে, বিশ্বে বৃহৎ কেভু থাকিলে তখন তাহ প্রত্যক্ষ হইয়া থাকে। দূরবীক্ষণ পাইলে, কথাই নাই। কিন্তু দূরবীক্ষণ ছোটই হউক বড়ই হউক, রঞ্জিত কাচ অবস্থা প্রয়োগ করিতে হয়। স্বৰ্যবিৰে কেতু আছে কি না, তাহ দেখিবার নিমিত্ত দূরবীক্ষণকে কোন আশ্রয়ের উপর স্থাপন করিয়া স্বর্যের প্রতি লক্ষ্য করিতে হয়। তার পর দূরবীক্ষণের সন্মুখস্থিত কাঁচবদ্ধ ক্ষুদ্র নল সন্মুখ ধিকে টানিয়া বাহির করিলে এবং তাহার কিছু দূরে একথও সাদা কাগজ ধরিলে তাঁহাতে স্বৰ্য্যবিম্বের প্রতিরূপ দেথা যাইবে । সেই নল অল্পে অল্পে ভিতরে চালিত করিলে সেই প্রতিরূপ স্পষ্ট হইয়া উঠিবে। এই উপায়ে এক সময়ে অনেককে স্বৰ্য্যবিম্ব দেপান যাইতে পারে। দূরবীক্ষণের অপর দিকে একথও পুরু কাগজ বদ্ধ কৰিলে - কেতু । - - --- সৌর ·ඌණ් _ সম্মুখের কাগজ ছায়ায় থাকিবে। তপন স্বৰ্যবিম্ব এবং কেতু । অধিকতর স্পষ্ট দৃষ্ট হইবে । কিন্তু এই উপায়ে কেতুর অবয়ব সবিশেষ দৃপ্ত হয় না। সুতরাং রঞ্জিত কাচযোগে দূরবীক্ষণের ভিতর দিয়! সূৰ্য্য দেথা অবিশ্বক হয়। দেখা যায়, সকল বৎসর সমান সংখ্যায় কেতুর উদয় হয় না, কিম্বা সকল কেতুর পরিমাণ সমান হয় না, কিম্বা স্বৰ্য্যবিশ্বের সকল ভাগেষ্ট উদয় হয় না, কিংবা একবার উদং হইয়া ককাল থাকে না। প্রায় একাদশ বৎসর অস্তর কেতুর সংখ্যার বৃদ্ধি বা হ্রাস হইতে দেপা গিয়াছে।” অর্থাৎ কয়েক বৎসর অল্প কেতু দেখা যায়, তার পর কেতু অধিক হইতে থাকে, তার পর কেতুর সংখ্যা পরম হয় ; তার পর সংখ্যার হ্রাস হইতে পাকে ; তার পর সংথ্যা অত্যন্ত অল্প হয়। এই পরম বৃদ্ধি বা পরম হ্রাস প্রায় একাদশ বৎসর অন্তর ঘটে। আমরা সূৰ্য্যমণ্ডলের অর্থাংশ মাত্র দেপতে পাই । সেই অৰ্দ্ধাংশ বিশ্বাকারে দেপিতে পাই । বিম্বেল সহস্ৰাংশ অপেক্ষণ ক্ষুদ্র কেতু গণনার মধ্যে লা স্থান দেখা গিয়াছে যে, গত ১৮৮২ খ্ৰীষ্টান্ধে ৭৮ দিন ১২৯ দিন । رو ميلا . ১৮৮৪ , ری لادۂ এবং ১৮৯৩ ,, । చికి , trసా8 -, - **२ •, কেতু দেখা গিয়াছিল। অন্য পক্ষে, ৩ দিন جزيق وايمالا tryసె , * , సిe = , .

  • సె* : , * , মাত্র দেথা গিয়াছিল । এই হিসাবে ১৯০৪ এবং বর্তমান ১৯৭৫ অন্ধে কেতুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাইবার সম্ভাবন ছিল। বস্তুতঃ গত বৎসর হইতে সংখ্যা বৃদ্ধি পাইতেছে। এই বৎসর পরম বৃদ্ধির বৎসর। প্রায় এমন সপ্তাহ যাইতেছে না, যে সপ্তাহে একটিও কেতুর উদয় হইতেছেন। গত জানুয়ারি মার্সে প্রায় প্রত্যহ একটি না একটি কেন্তু দেখিতে পাওয়া গিয়াছিল । -

কেতুর ক্ষেত্রফল ধরিলেও ঐরূপ নিয়ম পাওয়া যার।