পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/১৮২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


- S8.9 - - - তোমার হাত ধোরে উল্টো সাতটা পাক্ থেয়ে, সেই দোষটা কাটিয়ে নেবে। - ব্ৰঙ্গ—গেরো স্থাখো! আবার একজন বামুন কেন ? সাত পাক ছেড়ে আমি তিন-সাত-একুশ পাক থেতে বাজি আছি। কুঞ্জ—মস্তয় পোড়ে বে হয়েছিল কি না, সেই জন্তে ফের মস্তর পোড়ে পাকটা কাটিয়ে নিতে চায়। ব্ৰজ—আঃ, বেঞ্জীয় কুসংস্কার । কুঞ্জ—ত না হলে রাজি হয় না । ব্ৰজ—{ স্বগত ) মেয়েটি নয়ত পরী। তা যা বলে তাই কত্তে হবে। ( প্রকাণ্ডে ) রাজি আছি তাই ; যা হয় শীঘ্রই করে ফেল। এখানকার কোন বামুন যেন থাকে না । অন্য কেউ যেন টের না পায়। কুঞ্জ-তার জন্তে ভেবো না - সব বন্দোবস্ত করে দিচ্চি । আমি এখন যাই ! ' ' ( প্রস্থান ) ব্ৰজ-(চিৎ হইয়া পড়িয়া চিন্তা ) বহু বিস্ত্রানি যা বলেছে তাই ! চতুর্থ দৃশ্ব । তর্কালঙ্কার—{ সজোরে ; ওহে ব্ৰঙ্গ, একবার বাইরে এসো তো ! ফটিক-( অধিকতর জোরে ) ওহে ব্ৰঞ্জ বাৰু, শীঘূধির এস হে ; আঃ, এখনো বেরুচ্চি না যে । প্রতিবেশী—মশাই, এই দেখুন, পষ্ট ফটােগ্রাফ। বিয়ের সময় বখন সাতপাক ঘুচ্চিলেন, তথনকার এই ফটােগ্রাফ, । এ তো আর জাল হয় না । এক সঙ্গে এমন করে মিলিয়ে ছবি তুল্লে কে ? তর্কা—আমি জানি—একদিন ঐ বিধবার বিবাহের কথা তুলেছিল ; আমি ধমূকে দিয়েছিলুম। ব্ৰজ বাবু।– প্রবেশ করিয়া ) এত গোলসাল কেন ? প্রতিবেশী—বটেই ত ! ফটিক—বাঃ রে ব্ৰজ বাৰু ! তর্ক-তুমি নিকে করেছ ব্ৰজ বাবু ? কলমা পড়েছ ? ব্ৰজ—কি সৰ্ব্বনাশ ! প্রতি—এই ছষি দেখুন ! সত্যিকার ছবি ! এই এখানে কলকাতার বিধবার বিয়ের পূরৎ, ঐ কুঞ্জ যাবু, ঐ বিস্তাসাগর মহাশয়ের দু’জন লোক আর প্রবাসী । [ ৫ম ভাগ । ব্ৰঞ্জ—{ স্বগত ) এ সৰ্ব্বলtশ কে কল্লেরে । ( প্রকাখে ) ওহে ওটা খেলা খেলা ; উল্টা পাকৃ! তৰ্ক-উন্ট পাকৃ কিরে পাষণ্ড । কটক—খুব উল্টা পাক্ দিতে শিখেছ, বাঃব্ৰজ—আচ্ছা কুঞ্জকে ডাক, সে সব জানে । তর্কী—ঐ ত কুঞ্জ আসছে। কি হে কুঞ্জ, সব বলত। কুঞ্জ-— গম্ভীর ভাবে ) ত, উনি চিঠি পত্র লিখে, বামুন আনিয়ে যথারীতি বিধবার বিবাহ যখন করেছেন, তখন অস্বীকার কৰ্মেন কেন ? সাক্ষীও আছে। ব্রজ-ওরে কুঞ্জ, বা দেখি ওটা উন্ট পাক কিনা ? সত্যি বল । কুঞ্জ-বিবাহ অস্বীকার করে পরিবের মেয়েকে ডোবাতে চাচ্ছ ? তা কি হয় ? ব্রঙ্গ— চিৎ হইয়া পড়িয়া ) এরি নাম উল্টাপাক রে কুঞ্জ ? তুই আমাকে মজালি রে মজালি ! ( সকলের হাস্ত-এবং কুঞ্জের গম্ভীরভাবে মস্তক আন্দোলন ) ব্ৰজ—(স্বগত) ফাকি দিয়ে জাত মেরেছে ! যাক, এখন পেট ভক্লক । মেয়েট পরী ! কপালে ধিয বিবাহই হ’ল। ( উঠিয়া বসিয়া প্রকাশ্বে }তা বেশ করেছি, বিধবাবিবাহ করেছি ! তর্কালঙ্কার--বেপূ—আমরা তবেচন্নাম : তুমি মোছনমান হলে । ফটিক-বায, আমার কথা শুনলে না, এখন সোজাপাক ছেড়ে উল্টাপাক দিলে ? { সকলের প্রস্থান ) I মেধেীর প্রবেশ ও গান ] গান । ( পিলু বারোয়—যৎ । ) তুমি ফেয়ে ডালে ডালে, শন ফেরেন পাতার পাতায় । “ধরি মাছ না চুই পানি” র চালাকি কি চলে হেথায় ? বঁাকাপথের এই ত সাঞ্জা, উলট পাকে করে সোজা, তুমি চাও কন্তে মজা, লোকে ) কঁঠাল ভাঙে তোমার মাথায় । ( যবনিকা পতন । ) बैंक्छिग्ररुका भङ्ग्रामान्न। l -- - ৬ষ্ঠ সংখ্যা । । স্বদেশী-প্রচেষ্টা । ১৯০২-৩ সালে ভারতবর্ষে বিদেশ হইতে নিম্নলিপিত প্রধান প্রধান জিনিসগুলি আসিয়াছিল – পরিচ্ছদ, অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাগুলি, বঙ্কি, ষ্টমারৎ ও এঞ্জিনিয়ারিঙ্গের জিনিসপত্র, মানাবিধ গাড়ী, রাসায়নিক বিবিধ দ্রব্য, বড় ঘড়ি ও জেব ঘড়ি, তুলা, কাপাসের স্বত, কাপাসবঞ্জ, ভৈষজ্যদ্রব্য ও ঔষধ, রং করিবার ও চামড়া কষ করিবার মালমসলা, শশের জিনিস, ফল ও শাক, কাচ ও কাচের জিনিস, শস্ত (grain) ও দাল, মাঠ বা গাছের নির্যাস ও রজনাদি, ধাতুর বাসনাদি ছুরী কঁাচী ও ছাতীয়ার, ক্টাচা ও তৈয়ারি চামড়া, ঘোড়া, বৈজ্ঞানিক যন্ত্রাদি, গজদন্ত এবং গজদন্তনিৰ্ম্মিত দ্রব্যাদি, অলঙ্কার ও রত্ন, কষকরা চামড়া ৪ তাহার জিনিস, মানাবিধ মদ, কলকারখানা, দিয়াশলাই, লোহা, ইস্পাত, পিতল, তামা, দস্তা, টিন, সীসা, পারা, জাৰ্ম্মেল “রৌপ্য", অন্যান্য ধাতু, খনিজ প্রাণিজ উদ্ভিজ্জ এবং essential তৈল, নানাবিধ রং, কাগজ ও পেষ্টবোর্ড, চীনের বাসন ও মাটর বাসন, পাছ দ্রব্য, রেলের গাড়ী ইত্যাদি, লবণ, রেসম ও রেশমের কাপড়, সাবান, গরম মসলা, মণিহারী জিনিস, চিনি, চা, চায়ের বাক্স, তামাক, খেলনা এবং থেলিবার উপকরণ, ছাতা, কাঠ ও কাঠের জিনিস, উল বা পশম ও পশমের জিনিস, ইত্যাদি। এতদ্ভিন্ন সোণ রূপায় আমদানীও ছিল । আমরা স্বদেশী জিনিস ব্যবহার করিব বলিয়t প্রতিজ্ঞা করিতেছি । সঙ্গে সঙ্গে বিলাতী যা বিদেশী জিনিস ব্যবহার করিব মা এষ্ট প্রতিজ্ঞাও করা হইতেছে। সমস্ত জিনিস সম্বন্ধে এরূপ প্রতিজ্ঞ করা বাঞ্ছনীয় নয়, কর যাইতে পারে না, এবং কেহ এরূপ সৰ্ব্বব্যাপী প্রতিজ্ঞ করিয়াছেন বলিয়াও c&f8 ¥q ai i *MWä-sqtBèrà (Swadeshi Alovement) ক্ষেত্র এরূপ সৰ্ব্বব্যাপী নহে।

  • অপেক্ষাকৃত অসভ্য অবস্থায় মানুষ যেরূপ পর্ণকুটীরে

বাস করিয়া মোট গ্রাসাচ্ছাদন মাত্রে সন্তুষ্ট থাকিত, সেইরূপ অসভ্য থাকিয়া তদ্রুপ অবস্থায় সস্তুষ্ট থাকিলে সকল দেশের লোকই অন্য দেশজাত দ্রব্য ব্যতিরেকেও জীবনধারণ করিতে পারে । কিন্তু সভ্য মানুষের, উন্নত আদশ জীবনপ্রার্থী স্বদেশী প্রচেষ্টা - S8? -- মানুষের এরূপ জীবনযাপন করিলে চলে না। প্রয়োজনীয় দ্রব্য সম্বন্ধে কোন দেশই সম্পূর্ণ স্বাধীন হইতে পারে না। ইহা ভালই। কারণ সমুদয় দেশ যত পরম্পরের উপর নির্ভর করিবে, যুদ্ধ বিগ্রহ ও বিদ্বেষ ততই কমিয়া যাইবে, এবং সকল মাহুষের মধ্যে সম্ভাব বৃদ্ধি পাইবে । আমাদের এই ভারতবর্ষের কথাষ্ট ধরুন। বিলাসদ্রবা সমস্তই ছাড়িয়া দিলাম। সভা উন্নত জীবনের জন্ত যে সকল ঞ্জিনিস দরকার তাহ সমস্ত ভারতবর্ষে পাওয়া যায় না, এবং কখনও পাওয়া যাইবে না । স্বসভ্য শিল্পবিজ্ঞানে উন্নত জাতিরাও এ বিষয়ে পরস্পরের উপর নির্ভর করে । আমরা ইউরোপীয় ভাষায় লিখিত ও ইউরোপে মুদ্রিত পুস্তক ভিন্ন জ্ঞানলাভ করিতে পারি না । সুতরাং বিদ্বেশ পুস্তক কিনিব মা বলা চলে না । অনেক রাসায়নিক দ্রব্য স্বভাবতই এদেশে জয়ে না অথচ তৎসমুদয় অনেক শিল্পে এবং ঔষুধার্থ ব্যবহৃত হয়। এ গুলিও বাদ দেওয়া চলে না। খুব স্বল্প বৈজ্ঞানিক যন্ত্র এ দেশে হয় না । সেগুলি আপাততঃ বিদেশ ইষ্টতে আনিতেই হইবে। যে কলকারখানার नाशाश আমরা দেশেই কাপড় ও অন্তাষ্ঠ দ্রব্য তৈয়ার করিয়৷ বিদেশী সামগ্রীকে বাজার হইতে দূর করিতেছি, সেই সকল কলকারখানা বছবৎসর পর্যাস্তু ভারতবর্ষে প্রস্তুত হইবার সম্ভাবনা নাই। তাইবে পর ধাতু দ্রব্যের কথা ধরুন। ধে সকল ধাতুর অধিক পরিমাণে ব্যবহার নাই, তৎসমুদল্প ছাড়িয়া দিয়া প্রধান প্রধান ধাতুর বিষয় বিবেচনা করিলে দেখা যায় যে, ভারতবর্ষকে অন্যান্ত দেশের উপর নির্ভর করিতে হয়। দৃষ্টাস্ত স্বরূপ ভাষার উল্লেখ করা যাইতে পারে। পূৰ্ব্বে ভারতবর্ষের নানা স্থানে তাম উৎপন্ন হইত। কিন্তু এখন বিদেশী তামারই বাজারে সম্পূর্ণ প্রাধান্য হইয়াছে। বর্তমান বৎসরে গবর্ণমেণ্ট কর্তৃক প্রকাশিত হল্যাও সাহেবের লেখা Nlıncral - ----- “Review of the Production of India during the years 1898 to 1903" afro পুস্তকে দেখা যায় যে, • Copper was formerly smelled in considerable quantities in South India, in Rajputana, and at warisus parts of the outer Himalnyas where a Killas-like rock persists along the whole range, and is knsawra t.« be ropper-bearing in Kulu, Garhwa, Nepal. Sikkim,