পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/১৮৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৩৪৬ প্রবাসী । -- - দেশী ভাষায় শিক্ষা বিভাগেৰ জন্ত লিখিত ও তৎকর্তৃক প্রকাশিত ৷ ২১, ২২ শ্ৰীমন্ত সম্প২রাও গায়কবাড়ের জন্ত লিখিত ও তৎকতুক প্রকাশিত। ২৩ অহমদাবাদের গুজরাতী ভাষা-সমিতির জন্য রচিত ও তৎকর্তৃক প্রকাশিত। নরসিংহরাও ভোলানাথ দিবাতিয়া । ১৮৫৯ খৃষ্টাব্দে আহমধাবাদে ইষ্ঠায় জন্ম হয় । তাহাল পিতা পরলোকগত রাও বাহাদুৰ ভোলানাথ সারাভাই গুজরাতে একেশ্বরবাদের ও সমাজসংস্কারের প্রবর্তক ও প্রধান সহায়রূপে প্রসিদ্ধ ছিলেন । শ্রীযুক্ত সাদাভাই অহ্মদাবাদ প্রার্থনাসমাজের সংস্থাপক । ঐযুক্ত সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর মহাশয় তাহার জীবনচলিত লিথিয়াছেন । নরসিংহবও ভোলানাথ দিবীতিয়া । স্কুলের নিয়শ্রেণীতে তাহাৰ কোল বুদ্ধিমত্তার চিহ্ন দেখা যায় নাই । তিনি সংস্থত ও গণিতে বড় কাচা ছিলেন এবং ঐ ছুটি বিষয় ষোটেই ভালবাসতেন না। কিন্তু এণ্টেন্স ক্লাসে উঠিয়া ঐ দুটিতেই খুব পারদশিত দেপাষ্টতে লাগিলেন । [ ৫ম ভাগ । ১৫ বৎসরেই এন্টেন্স দিতে পারিতেন, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মের প্রতিবন্ধকতা হেতু ১৬ বৎসরে পাস হন এব: গুণানুসারে তৃতীয় স্থান অধিকার করেন । তিনি এলফিনষ্টোন কলেজে শিক্ষালাভ কবেন । তিনি ডাক্তার ভাওলেকলের একজন প্রিয় ছাত্র ছিলেন । তিনি ১৮৮৯ সালে ষ্ট্যাটিউটর সিবিলিয়ান নিযুক্ত হইয়া তদবধি নানা জেলায় সহকার কালেক্টরের কার্যা করিয়াছেন । কুসুমমাল নামক স্টাহাব প্রথম গীতিকবিতা সংগ্ৰহ ১৮৮৬৮৭ সালে বাহির হয় । এই কবিতাগুলি গুজরার্তা কাব্যরচনায় এক নূতন পন্থ প্রবত্তিত করে। এগুলি পাশ্চাত্য কবিতার প্রতাবে অনুপ্রাণিত। ইহার পর নরসিংহরাও কতকগুলি নবপ্রকাশিত পুস্তকের সমালোচনালেখেন এবং অক্ষদাবাদ প্রার্থনা সমাজে পঠিত কতকগুলি উপদেশ রচনা করেন । কুহুমমালার সঙ্গে সঙ্গে তিনি গুজরাতী বর্ণবিন্যাস বা বানান সম্বন্ধে একটি বৃহৎ প্রবন্ধ লেখেন। ১৮৯৬ সালের মাঝামাঝি তিনি হৃদয়বীণা নামক আয় একখানি কবিতা পুস্তক প্রকাশিত করেন। উত্তর কানাড় জেলার ভীমকান্ত প্রাকৃতিক দৃশু দেখিয়া তাহার হৃদয় কবিত্বে পূর্ণ হয়। হৃদয়বাণী তাঁহারই ফল । দেশী জিনিস ব্যবহার । Those who were responsible for the boycotting te,,luuem have doubiless been lired by the esaurple „f the Chinesc aiul thev ale olitiulistic erougli te assume that a boycott of European goods in Bengal could be mask as damaging and as “ficctive its Ue Chinese boycott of American goods has to all appear. ances been The assumption will cause a smile on the Furopean side for more reasons than one." s hr Sterfesurasil. while in the opposite event to on case of sailure , it will reud, the movement and its suppolars absurd fhe Fnglishman. “বিদেশীয় দ্রব্য আর ব্যবহার কিরিব না, বাঙ্গালী কলিকাতার টাউন হলের বিরাট সভার, গ্রামে গ্রামে, নগরে নগরে, প্রতিজ্ঞা করিয়াছে । সম্বল্প খুব ভাল, কিন্তু সঙ্কল্প ৬ষ্ঠ সংখ্যা । ] - রক্ষা করিবার বিধিমত উপায় করিতে হইবে, নচেৎ সমগ্র বাঙ্গালীজাতিকে জগতের সম্মুখে হেয় হইতে ইষ্টৰে । কেবল তাহাই নহে । দেশায় শিল্পের উন্নতি দ্বারা দেশের ধন দেশে রক্ষা ও দেশের ধন বৃদ্ধির একটি প্রধান উপায় কাৰ্য্যে পরিণত হইবে না। পঞ্চম্বলিত, পরাধীন বাঙ্গালীর ম্বে কিঞ্চিৎ৪ মাধ্যত্ব আছে তাহা দেথাইবার সময় উপস্থিত হইয়াছে। এ সময় যদি আমাদের দ্বঞ্চলত প্রকাশ পায়, তবে আময়া কখনও মাথা তুলিতে পারিব না । আমরা ধমক দিয়াছি, সে ধমক কাৰ্য্যে পরিণত করিতে হইবে । মুগে ৰলিয়াছি, এখন কাজে করিয়া দেখাইতে চইবে । ভারতের সমগ্র ইংরাজসমাজ কুঞ্চিত অধরে, অবিশ্বাসের হাসি হাসিয়া আমাদের পরাজয় দেখিবার জন্য ব্যঞ্জ, সমস্ত ভারতবাসা আমাদের কার্য্যকলাপের প্রতি উৎসুক নেতে চাহিয়া আছে, এ সময় ঘরের কোণে ফিরিয়া আসিয়া প্রতিজ্ঞা তুলিয়া মুখ লুকাইলে চলিবে না। কিন্তু ইংরাজেরা যেন মনে না করেন যে আমাদের প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ হইলে উছা কেবল আমাদেরই কলঙ্কের কারণ হইবে উহাতে ইংরাজ-শাসনের অনিষ্টকারিতা স্পষ্টরূপে લપાવર হইবে । লোকে দেখিবে, মে দেশ পূৰ্ব্বে অপ্তান্ত দেশকে বস্থাদি যোগাইত, ইংরাজশাসনের গুণে এক্ষণে তাহা নিজের লক্ষ্যরক্ষায়ও অসমৰ্থ । আমরা আমাদের কৰ্ত্তব্য বুঝিতে পারিয়াছি; কিন্তু ইষ্টসিন্ধিব উপায় স্থির করিতে সকলকেই চেষ্টান্বিত দেখিতে চাই। কোন আমদানীকারক কিম্ব কোন চেম্বার অধু কমসকে বলিলে চলিবে না, "তোমাদের পাসে পড়ি তোমরা বিলাতী বস্ত্র আমধান করি ও না, পাছে আমরা সস্তা ও সুবিধায় লোভ সামলাইতে ন পারিয়া কিনির পরির ফেলি। আমরা প্রতিজ্ঞা করিলাম, তোমরা মাথেষ্টাবকে জদ কর ।” তাহারা আমাদের জন্ত কেন ক্ষতি সহিবে ? তাহারা দেশীয় দ্রব্যাদিতে টাকা আবদ্ধ করুক, আর আপনার যদি না কিনিলেন ? আপনাদের যদি এই মনের অবস্থা সে পর্যন্ত না রহিল ? কাগরও নিকট ভিক্ষা করিয়া কি লাভ যাহার ইচ্ছা যত বিলাতী মাল আমদানী করুক না কেন, আমাদের না কিনিলেই হইল, লা পরিলেই হইল । মাল তোমার বস্তাপচা চউক, তোমার সুবিধা, অমুবিধা তুমি তথম বুঝিয়া লইবে । আর কাহারও মুদ্বাপেক্ষী --- -- দেশী জিনিস ব্যবহার । ❖8ዓ - - --- ইষ্টলে চলিবে না, নিজের পায়ের উপর দঁাড়াইতে শিখিণ্ডে হইবে, নিজের উদ্ধারের উপায় নিজে করিয়া লইতে হুইবে । কি উপায়ে দেশীয় দ্রব্যাদির সমধিক প্রচলন হষ্টতে পারে, এই প্রবন্ধে তদ্বিষয়ে কতকগুলি প্রস্তাব করিব। এবিষয়ে যদি ব্যবসায়ী ও বিচক্ষণ ব্যক্তিরা এসময়ে নিজেদের মতামত প্রকাশ করেন তাহা হইলে আমরা শীঘ্রষ্ট একটা স্বসাধা কার্যাপ্রণালী স্থির করিতে পারিব । গ্রামে গ্রামে লোকেদের স্বদেশীয় দ্রব্যাদি ব্যবহার করিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ করিবার জন্ত প্রতিনিধি পাঠাইলেই হইবে না, কি প্রকারে প্রত্যেক গ্রামে দেশায় দ্রব্যাদি সহজে পাওয়া যাইতে পারে, তাহার উপায় প্রথমে করিতে হইবে । লোকের ধারে দ্বারে দেশায় প্রবাদি পল্লছাইয়া দাও, প্রতিজ্ঞাবদ্ধ না হইলেও তাহারা উহ। ব্যবহার করিতে আরম্ভ করিকে । দেশীয় দ্রব্যাদি সহজে না পাইলে কেবল অঙ্গীকার করিষ্কাই বা কি ফল ? আমরা নয় দশ বৎসর ধরিয়া কেবল মাত্র দেশ জিনিসের প্ৰধানতঃ দেশী কাপড়ের ) ব্যবসা করিয়া এই কার্ষোর নানা অসুবিধা বুঝিয়া এই প্রবন্ধ লিখিতেছি । আমরা সচরাচর যে সকল দ্রব্য ব্যবহার করি, ডাহা মোটামুটী তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যাইতে পায়ে । ১ম । সখের দ্রব্য, গন্ধ দ্রব্য, সিগারেট ইত্যাদি । ২য় । যাহা একান্ত আবশ্বক নহে ; যথা:–কাচের বাসনকোসন, ল্যাম্প, ইত্যাদি। ৩য় । যাই অতি আবশ্বকীয়, ন হইলে চলে না। যথা:-বস্থাদি, তৈজসপত্রাদি, চিনি, লবণ ইত্যাদি । সথের দ্রব্যাদি আমাদিগকে একেবারে বজ্জন করিতে । হইবে । দ্বিতীয় শ্রেণীর দ্রব্যাদি যাহা দেশস্থ পাওয়া যায়, তাই ব্যবহার করিতে হইবে, ও যাহা না পাওয়া যায় ভাই যতদূর সম্ভব ব্যবহার করিব না। যদি ব্যবহায় করিতে হয়, তবে এসিয়ায় (যেমন জাপানে ) প্রস্তুত, অভাবে ইউরোপের জিনিস ব্যবহার করিব । তৃতীয় শ্রেণীর কোন বা বিদেশীয় কোন কারণেই কখনও ব্যবহার করিব না । অনেকে বলিতেছেন, ম্যানচেষ্টারকে জঙ্ক করিতে হইবে। তবে কি জাৰ্ম্মেন ও আমেরিকান বস্থাদি পরিধান করিডে