পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/২০২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


- ... ○cmb প্রবাসী । [ ৫ম ভাগ । - করিলে “নানছা হো” ( নানছ নদী ) নামক নদীব পাড়ে উপস্থিত হইতে হয়। তথায় চীন গবর্ণমেণ্টেল এক থান আছে ; কতকগুলি চীনা সিপাষ্ট ও একজন কাপ্তান তথায় থাকে। ইহা ভিন্ন ব্ৰহ্ম গবর্ণমেণ্টের পুত্ত্ববিভাগের (P.w.o) কৰ্ম্মচারিগণের থাকিবার আড্ডা আছে। এই “নানছা হো” নদীর উপর ব্ৰহ্ম গবর্ণমেণ্ট হইতে এক লৌহসেতু নিৰ্ম্মাণ করা হইয়াছে । গত বৎসর এসিষ্টাণ্ট ইঞ্জিনিয়ার বাবু অশ্বিনীকুমার মুখোপাধ্যায় এই রাস্তা প্রস্তুত করেন । এবৎসর ওভারসিয়ার বাবু রোহিনীকুমার সেন এই লৌহসেতু নিৰ্ম্মাণ কবিয়াছেন। বলা বাহুল্য এই সেতুর কার্য্য স্বচারুরূপে সম্পন্ন হওয়ার রোহিণী বাবু সধ-ওভাবসিয়ার হইতে ওভারসিয়ারের পদে উন্নীত হইয়াছেন । “নাল ছান হো" হইতে প্রায় ৮ মাষ্টল পাতাড়া ব্যস্ত। অতিক্রম করিয়া সমতলে মাসে নামক শান বস্তিতে উপস্থিত হইতে হর। তথা হইতে প্রায় ১১ মাইল গেলে “লোং-ছান-গাষ্ট” নামক এক প্রসিদ্ধ বাজারে উপস্থিত হইতে হর। এই সকলই কাঙ্গাই উপত্যকার মধ্যে। দুই ধারে পাহাড়, মধ্যে সমতল ধান্ত-ক্ষেত্র । সেই সমতলের মধ্যে এক থরতর নদী প্রবাহিত । ঐ নদী টপেষ্ট নামে ভাবের নিকট ইরাবতী নদীতে মিলিত হইয়াছে। এই উপত্যকাট যেমন স্বাভাবিক দৃষ্ঠে সুন্দর তেমনি ধনধান্তে লগীযুক্ত। গ্রামগুলি পরিষ্কার, মুক্ত স্থানে স্থাপিত, বাঁশ ঝাড় ও মাঝে মাঝে দুই চারিট অশ্বগ বৃক্ষ ভিন্ন অ্য কোন বৃহৎ বৃক্ষণদি বড় দেবী বায় না। লো-নচাং-গষ্ট - হইতে কাঙ্গাই একদিনের পথ। কাঙ্গাই হ’ভাগে বিভক্ত – পুরাতন এবং নৃতন কাঙ্গাই। দূর হইতে পুরাতন কাঙ্গাইয়ের দৃষ্ঠ অতি মনোহর। ক্ষুদ্র সহরটা পাহাড়ের নিয়ে সমতল অপেক্ষ কিছু উপরে স্থাপিত এথানে একটা বাজার আছে এবং বান্ত্ৰিগণের জন্ত অনেক পথিকাশ্রম আছে । ইহা ভিন্ন সরকারী এক আশ্রম আছে, তাহা অতি উৎকৃষ্ট । তাহার মধ্যে একভাগে লোকজন থাকিতে পারে, অপর ভাগে হইলেও বর্ষাকালে সকল দিল ইহা পার হওয়া অসম্ভব । যখন পাহাড়ে অত্যন্ত বৃষ্টি ছয় তখন ইহার তেজ এত বৃদ্ধি হয় যে কোন জন প্রাণী অবশু পক্ষীগণ বাদে) এক পার হইতে অপর প্রান্তে যাইতে পারে না । এখানে নৌকা নাই তেরাং ফাপা বাশের ভেলায় চড়িয়া এই নদী পার হইতে হর । জলের বপন অত্যস্ত বেগ তপন এই ভেলায় চড়িয়া পাব হওয়া ও সঙ্কটজনক । সময়ে সময়ে কোন কোন ভেল। উলটিয়া যাওয়ার বাত্রিগণকে জলমগ্ন হইতে হয়। প্রতি বৎসর দুই চারি জন এই প্রকান পাব হইতে মৃত্যু গ্রাসে পতিত হর । নদী পার হইয়া প্রায় এক মাইল গেলে নুতন কাঙ্গাই সহরে উপস্থিত হইতে হয় । তথায়একটা বাজার আছে। বাজারের মধ্য দিয়া কতক দূর গেলেই সম্মুথে এক প্রকাণ্ড প্রাচীর দৃষ্ট হয়। ঐ প্রাচীরের দ্বষ্ট পাশ্বে দৃষ্টট বৃহৎ দরজা। তাহার একট পার হষ্টয়া ভিতরে গেলে এক বৃহৎ আঙ্গিন । ঐ আঙ্গিনার মধ্যে প্রস্তরময় স্তম্ভ দৃষ্ট হয়। উঠাতে হাতি বাধা থাকে। এই আঙ্গিনার সমূপে এক দরঞ্জা । ঐ দরজা অতিক্রম করিয়া গেলে আর এক আঙ্গিন ; আয়ার দুই পাশ্বে দ্বিতল আলম্ব দুইটা কাষ্ঠনিৰ্ম্মিত গৃহ । ঐ গৃহের মধ্যে সিপাই, পেয়াদ ও পাইকগণ থাকে। এই আঙ্গিনার সম্মুখে আর এক দরজা । ঐ দরজা অতিক্রম করিয়া গেলে প্রস্তরময় তৃতীয় আঙ্গিনা। ঐ আঙ্গিনাট দেখিতে সুন্দর। মধ্যে দুইটা ঝাউ গাছ সদৃশ মন্দব বৃক্ষ। সম্মুখে এক বৃহৎ গৃহ। উছার মধ্যে উভয় পার্গে কতকগুলি চীনদেশ আশা-সোটা প্রভূতি রক্ষিত হইয়াছে । মধ্যস্থলে নানা রঙ্গে রঞ্জিত এক বৃহৎ দরজা। ঐ দরজা সৰ্ব্বদা বদ্ধ থাকে। কেবল কোন বড় লোক, বা স্বভা স্বয়ং ভিতল হইতে বাহিলে বা বাহির হইতে ভিতরে যাইতে হইলে উগ্ৰ খোলা হয়। উহার পাশ্ব দিয়া একটী ক্ষুদ্র পথ আছে, তাহা দ্বার ভিতরে যাওয়া যায়। ভিতরে এই গুহেয় এক পার্শ্বে স্বভার দ্বাল-রক্ষক এক কৰ্ম্মচারী থাকে। স্বভার নিকট কোন চিঠি দরখাস্ত s ংবাদাদি প্রেরণ করিতে হক্টলে এই দ্বাবলক্ষক কৰ্ম্মচারীব নিকট পেশ করিতে হয় । ভিতরে গেলে চতুর্থ আঙ্গিনা। এই আঙ্গিনার পূর্ব পার্থে এক দ্বিতল গৃহ । তাহার নিয়ে অভ্যাগত ভদ্রলোকগণের মালবাহী অশ্ব ও অশ্বতরগণের থাকিবার স্থান । নূতন কাঙ্গাই এখান হইতে প্রায় তিন মাইল দূরে, উপত্যকার অপর পারে পাহাড়ের পাদদেশে স্থাপিত। নদী পার হইয়া অবশু নুতন কাঙ্গাই যাইতে হয়। এই নষ্ট ক্ষুদ্র seথনা করিবার এবং স্বভাব আসিয়া বসিবার বৈঠকখানা । উখর মধ্যে চীনা ধরণের চেগার, টেবল ও অষ্ঠাষ্ঠ আসিল লছে । দ্বিতল গুহের উপর সম্ভ্রান্ত অতিথিগণের থাকিবার স্থান। আঙ্গিনার পশ্চিম পার্শে আর এক ष्ट्रिडया १६, eহার নিয়ে প্রধান কৰ্ম্মচারীর দপ্তর। উপরে দ্ববন্ত্রীস্থান । সম্মুখে আর এক প্রকাও গুহ । উহার এক পার্থে তুভ-কুমারদিগের বসিবার স্থান । এই গুহের মধা দিয়া ভিতরে গেলে স্বভার ও তাঁহার পুত্ৰগণের বাসস্থান ! हेक्ष० छात्रात्र नना श्रानिाच्न दिङङ ! 4°F কৰ্ম্মচৗপাল দুগুধের পাশ্ব দিয়া একটা ক্ষুদ্র দলজ পরি হইলে গু’ধারে প্রাচীর মধ্যে একটা গলি বিশেষ। ঐ গলি দিয়া গেলে দক্ষিণ দিকে অব ক্ষুদ্র আঙ্গিন। ঐ আঙ্গিনার পার্থে এক গুণি গুহ । উপায় একজন কৰ্ম্মচারী থাকে । ঐ গুঙ্গে অস্ত্রশস্ত্র থাকে। প্রায় দুই শত উইনচেষ্টাল রিপাটিঃ হাইফল, বহু সংখ্যক বার্ধ ভর বন্দুক, এবং সেকেলে ধরণের কয়েকটা তোপ বা কামান আছে। ইত্যর মধো একটু বলুক দেখিয়া বড় কৌতুক জন্মিল । বলুঙ্কট প্রায় সাড়ে পাঁচ হাত লম্বা হইবে ; এবং ওজনে এত ভারি যে এক হাত দ্বারা নাড়াচাড়া কষ্ট। ঐ বন্দুক চালাইতে হইলে অপর এক ব্যক্তির স্বন্ধের উপর রাখিয়া তবে আগুনের মাহীয়ে আওয়াজ করা হয় । যে কএকটী কালান দেখিলাম তাহা বোধ হইল যেন কোন লোহার পুলের চুঙ্গি বিশেষ। লখাও প্রায় চাৰি পাচ হাত হইবে। এই আঙ্গিন হইতে বহির হইয় পূৰ্ব্বোল্লিপিত গলিতে কতক দূরে গেলে, দক্ষিণ দিকে আর এক ধরঙ্গ । ঐ ঘরজী দিয়া ভিতরে গেলে জেল বা কারাগীর । ৭৮ জন কয়েদা দেখিলাম। বাহদের কেহ নাই তাছাদের থাবার সরকার হইতে দেওয়া হয়। এক ময়লা অন্ধকারময় গুহে কয়েদীগণ থাকে। সম্প্রতি দুই জন কয়েদী নাট খুঁড়িয়া হুরুঙ্গ কাটিয়া পলাইয়াছে। কাঙ্গাইয়ের বুদ্ধ স্থতার নাম তাও-পেলিয়ান ; ইঙ্গর মুখে বেশ লম্বা দাড়ি আছে। কিন্তু শান ও চীন জাতির মধ্যে বাড়ি গোপ প্রায়ই নাই। এই স্বভা একজন বিচক্ষণ লোক। ইনি এইক্ষণ অবসর গ্রহণ করিরাছেন। ইহার জ্যেষ্ঠ পুত্র "তাও আড় এখন স্বভার কার্য চালাইতেছেন। গ্রন্থ সমালোচনা ৷ 5ణసె - - -- যে একখানি ফটাে পাঠাইলাম, তাহ বুদ্ধ শুভার, জাতীয় পোষাক পর ॥৬ ār: ইরামলাল সরকার । - গ্রন্থ সমালোচনা । প্রতাপসিংহ–নাটক, দ্বিজেন্দ্রলাল রায় প্ৰণত । এই নাটকে ইর হেৰী ওঁহো মাতাকে একস্থানে শুকতার থেইয়। বলিয়াছেন, SYDD D BBBBB BBBS BBBB BBS পুরোহিত।" প্রযুক্ত পারগণের মধ্যে cप्रश्श्रद्धद्रिन। ८थमत्रtछात्र मंत्रीनिनी, ** প্রতাপসিংহ স্বয়ং সত্যরাজ্যের পুরোহিত ৷ ইইপির চরিত্র -কভারার স্বও নিৰ্ম্মল এবং জ্যোতিঃপূর্ণ। গঙ্গায়সম্পসহীন প্রতাপের অসামাপ্ত কীৰ্ত্তি দেখিয়া বিকালীরপতি বলিয়াছেন—“ঙ্গতির এমন দিন আসে, ঘে দিন পঙ্গু সোজা হয়ে ডাঃ. কুণ্ঠরোধ অন্ত্রধরে, খঞ্জ রণবাস্থের তালে প ফেলে অগ্রসর হয় " বে দুদিনে এই আশার ক উচ্চারিত হইয়ছিল, পাঠকেরা যেন তাহ বিশেল করিয়া মরণ করেন। __ মাষ্ট্রকৌশলের হিসাবে প্রতাপসিংহে কোথাও কোন স্থত ক্রটি আছে কি না, তাহার প্রতি লক্ষ কপিতেৎ পারি নাই , নাটকগনি পডিয়া ৰুদ্ধ হইয়াছি, আশাস্থিত হইছি, শুৎসাহিত হইয়াছি। প্রতাপের থে আহাস্থ্যের ফলে সম্রাট ভাবিয়ছিলেন যে জুরী হুইয়াও তিনি বিজিত এবং প্রতাপ ঘৰাগ জয়, সেই মাগস্থা ধান করিতে করিতে কাব্যকৌশলের বিচারের কথা মনে পড়ে নাই। গতি পক্ষেই প্রতাপ । কাহিনী সেই গান, বাহ আৰ্যাবস্তু ছেয়ে পড়ে। সকলকে সামুনয়ে । অনুরোধ করিতেছি, একবার দ্বিজেন্দ্রলালের প্রতাপসিং পড়ন । একটু দীর্ঘ হইলেও এই গ্রন্থ হইতে রাজভক্তির গান সম্পূর্ণ উদ্ধৃত করিতেছি, আশা করি রসক্স পাঠকেরা এটি কণ্ঠস্থ করিবেন। আজি এ শুভদিলে, শুভক্ষণে উডারে দি জয়ধ্বজায় : উপাধি পেয়েছি যা প্ল্যখতে তত হবে বজায় । আমাছের গুক্তি যা এ, সে যে গে; মানের ধারে : এখন ত উচিত কায, এদিক ওদিক বুকে চলাই - সাথে কি বাবা বলি, শুতোর চোটে বাব বলা । লজি এ শুভরাতি জ্বালাবে বাতি, ঘরে ঘরে ভক্তি ভাবে : - লৈলে যে চাকুরি যাবে—লৈলে যে চাকুরি যাবে। আমাদের ভক্তি যা এ, এযে গে পেটের চারে : নিয়ে স্থা চেরাকুওলে, নিয়ে স্বাই দিয়েশলাই - সাথে কি বাবা বলি, গুতোর চোটে বাঘ বলা । আমরা সব মোগলভক্ত.মোগলভক্ত, স্বলে জোরে উদ্ধা ধাঞ্জাই— পাহার ফির্টে স্বারে, সেটা খেল ভুলে ৰ ঘাই । আমাদের ভক্তি যা এ, এটা যে প্রাণের দ্বায়ে ; কি জানি কখন ফাদি পিছন থেকে পড়ে গলায়: সাধে কি বাঘ বলি গুতোয় চোটে বাধা বলায় । জয় জয় মোগল বাস্ত্ৰ মোগল ব্যাক্স. বলে চেচাই উচ্চপ্পন্থে :ফায়ণ সেটার যতই অভাব, ততই সেট বলতে হবে -

  • কাঙ্গাই শ্বভার সঙ্গে ইংরাজ কৰ্শ্বচরিগদের মিত্রত দিন দিন বুদ্ধি পাইতেছে। এখন পাঠক নিজে যুকিয়? লইবেন ।