পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/২১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


च्चन्जे- = হইতে প্রত্যক্ষ হয়, তেমনই অগ্নিশিখা স্বর্যের কিরীটের স্থানে স্থানে চন্দ্রের পরিধি হইতে বহুদূর পর্যন্ত জল জল --- - - - করিতে দেখা যায় । হুর্যের কিরীট চন্দ্রের বায়ু নচে ; কারণ কিরীট গোলাকার নছে ; এবং চন্দ্রের বায়ু কোন স্থানে উচ্চ এবং কোন স্থানে নিম্ন হইবার কারণ নাই। এই কিীট অন্ততঃ লক্ষ মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত হইয়া থাকে। কিরীটকে স্বর্যের আবহ বলিতে পারা যায় না। কারণ ধূমকেতু কিরীটে প্রবেশ করিলে ধূমকেতুর আকার প্রকারের কোন বৈপ্লক্ষণা হয় না। আমাদের পৃথিবীর আবহ ৫০/৬০ মাইল উদ্ধে অত্যন্ত বিরল। তথাপি সেই বিরল বায়ুভেদ করিয়া আসিবার সময় বায়ুর ঘর্ষণে উল্কাপিণ্ড উত্তপ্ত ও প্ৰজলিত হইয়া উঠে। কিন্তু ক্ষুদ্র পিগুপুঙ্গময় ধূমকেতু স্বর্ঘ্যের কিরীটে ভীষণ বেগে ধাবিত হইলেও ধমকেতুর কিছুষ্ট হয় না। কিরীটের প্রতি বর্ণ-গেথা-দর্শন নামক যন্ত্র প্রয়োগ করিয়া জ্যোতিষিগণ জানিয়াছেন যে, তাত স্বঙ্গ ধূলিব্যাপ্ত বাষ্প বিশেষ। তুঙ্গাবা রবিকর প্রতিফলিত হওয়াতে তাঙ্গ জ্যোতিরান কিরীটের আকারে দৃষ্ট হয় । সুৰ্য্যের পূর্ণগ্রহণ সময় ব্যতীত অন্য সময়ে কিরীট দেখিতে পাওয়া যায় না। আমাদের পৃথিবীর আবহ এত আলোক বিক্ষিপ্ত করে যে, তাহাতে কিরীটের মূর্ত জ্যোতিঃ লুক্কায়িত হইয় পড়ে। যে লোহিতবর্ণ শিখার উল্লেখ করা গিয়াছে তাঙ্গা দেখিতে না পাইবার কারণ, আমাদের আবঙ্গের আলোক। এই আলোক সত্ত্বেও লোচিত শিখ ধেথিবীর কৌশল উদ্ভাবিত হইয়াছে। জানা গিয়াছে যে, কেতু যেমন প্রদেশ বিশেষের ব্যাপার, শিখা তেমন মঙ্গে । ইহা স্বয্যের সকল প্রদেশে প্রকাশিত হয় । শিপার পরিমাণের তুলনায় কেতুর পরিমাণ যৎকিঞ্চিৎ। কোন কোন শিথী লক্ষাধিক মাইল উচ্চ এবং তদনুরূপ স্থল হইয়া থাকে। কেতুর সংখ্যার হ্রাসবৃদ্ধিচক্রের স্থায় শিখার সংখ্যার হ্রাসবৃদ্ধিচক্র আছে। স্থূলতঃ বলা যাইতে পারে, কেতুর সংখ্যা ও পরিমাণের হ্রাসবৃদ্ধির সময় শিখার সংখ্যা ও পরিমাণের হ্রাসবৃদ্ধি ঘটে । বর্ণলেণ-দর্শন যন্ধের সাহায্যে স্থানা গিয়াছে যে, শিধার উপরিভাগের প্রধান উপাদান হাইড্রোজেন গ্যাস এবং নিম্নভাগের লৌহদ্ধি বহুধাতুল বাপ।

\ প্রবাসী । =– - --- সূর্যের প্রচও উত্তাপে এই সকল ধাতু বাষ্পীয় অবস্থায় আছে। রাত্রিকালে উত্তপ্ত লৌহ যেমন প্রক্সলিত দেপায়, । স্বৰ্য্যেন্ত্র আবহ স্বঞ্চণ বাষ্পরাশি তদ্রুপ প্রচলিত অগ্নির মত দেখায়। প্রসিদ্ধ জ্যোতিী লকিয়াৰ সাহেব স্বর্ষের এই আবহের নাম বর্ণমণ্ডল রাখিয়াছেন । সামান্ত দূরবীক্ষণে কিংবা খালি চোপে বর্ণমণ্ডল দেখিতে - পাওয়া যায় না। যাহা দেখা বায়, তাহার নাম প্রভামণ্ডল। ছোট দূরবীক্ষণে প্রভামণ্ডলের পৃষ্ঠদেশ শাখা খসখসে । কাগজের মত দেথায়, মনে হয় যেন শাদা ভাত নিবিড়কুপে ছড়ান আছে। আশ্চর্যের বিষয়, বিশ্বের প্রান্তভাগ ক্রমশ । কিঞ্চিৎ মলিন দেথায়। এই প্রভামণ্ডল হইতেই তাপ s আলোক আসিতেছে। হয় ত এই মণ্ডল আমাদের আবহের মত ধূলিময় উত্তপ্ত গ্যাসে নিৰ্ম্মিত। - কেতু সকল এই প্রভামণ্ডলের গহবর। গম্বর বটে . কিন্তু গভীর নহে, কিংবা শূন্য নহে। অনেকের অনুমানে, স্বৰ্য্যমণ্ডলে সৰ্ব্বদা ঝটিকা প্রবাহিত হইতেছে। আমাদের আবঙ্গের ঝটিকার বা যাতাবর্তে যেমন এক স্থানের বায়ু । অধোগামী হইয়া থাকে, স্বর্ঘ্যের বাতাবর্তেও তেমনই হইয় থাকে। উৰ্দ্ধগত বাষ্প শীতল হয়, এবং পরে কুষ্টির মত v, সোর হুধাদেহে পতিত হয়। শীতল বাষ্প অপেক্ষকত ক্ষীণপ্রভ অধিকন্তু মেঘে যেমন চন্দ্র বা স্বৰ্য্যকে আচ্ছাদন করে, কেতৃরূপ মেঘেও উজ্জ্বল প্রভামণ্ডল আচ্ছাদিত হয়। હતા. দুষ্ট কারণে কেতুস্থানে স্থাবিশ্ব কৃষ্ণবর্ণ দেখায়। বর্ণ লেখা দর্শন ধন্ত্র প্রয়োগ করিলে জানা যায় যে, কেতু সকল বস্তুত নিম্প্রভ নছে । আরও জানা যায়, সেখানে ভানেডি, টিটোন প্রভৃতি ধাতুয় বাষ্প আবৰ্ত্তাকাৰে ঘূর্ণিত হইতে থাকে। কিন্তু সৌরকেতুর উদয়ে পার্থিব গাত ধাঁয়াদি ঋতুবিপর্যন্ত্র ঘটে কি ? কে জানে ? এ লেশের পূর্বাচাৰ্য্যগণ তামস | কীলকের উদয়ে ঋতুবিপর্যায় আশঙ্কা করতেন। আধুনিক পাশ্চাতা আবহবিৎগণ বিলক্ষণ বিতর্ক করিতেছেন। সে কেতুর বিস্তৃত বিবরণ অধিক দিনের নাই। ਾਂ ব্যাপারও অধিক স্থানের নাই। বহু বৎসর গত না হইরে এই বিতর্কের মীমাংসা হইবার সস্তাবম নাই। অধিকাংশ পাশ্চাত্য আবহবিৎ মনে করেন, সৌরকেতুর উদৰে আমাদের আবহে পৰিবৰ্ত্তন হয় না। ইলেও তাগ এর 塗 1. - ৫ম ভাগ । | সোর - ১ম সংখ্যা । ] - S M S M S M S M S M S M S MMMS বিপর্যায় পৃথিবীব দুই এক স্থানে ঘটিলে সম্বন্ধ প্রমাণিত হয় না, সৰ্ব্বত্র ঘটিলে কথাটা টিকিতে পারে। দ্বিবিধ ব্যাপার কালাস্তবে পুনঃ পুনঃ ঘটতে দেখিলেই তাহাদের মধ্যে কাৰ্য্যকারণ সম্বন্ধ অনুমান করিতে পারা বায় না। প্রভামণ্ডলের অন্যান্য অংশাপেক্ষ কেতুস্থান শীতল বটে, কিন্তু কেতু এত বৃহৎ ছয় না যে, তত্ত্বার স্বৰ্য্য হইতে বিকীর্ণ তাপের সহস্ৰাংশ নূ্যন চক্টতে পারে। যদি পৃথিবীর কোন স্থানে শীতগ্রীষ্মাদির ব্যতিক্রম ঘটে, তাত কাকতালীয় ছায়। অন্য মতাবলম্বীও আছেন। কয়েক বৎসর হইতে ইংলণ্ডের সার নর্মান লকিয়ার সাহেব সৌর বিকারের সহিত আমাদের আবহের বিকারের সম্বন্ধ অনুসন্ধান করিতেছেন। আমাদের গবর্ণমেণ্টের ভূতপূৰ্ব্ব আবহবিৎ ইলিয়ট সাহেব লকিয়ার সাহেবের সহিত যোগ দিয়াছেন । এই সার নর্মান লকিয়ারেল সহিত ডাঃ বিলিয়ম লকিয়ার সাহেব মিলিত হইয়া যুক্তি পরম্পর দ্বারা উহাদের অনুমান সমর্থন করি। তেছেন। তাহদের প্রধান যুক্তি এই। এক্ষণে সকলেই স্বীকার করেন যে, কেতুস্থানে শীতল পদার্থ পতিত হয়। এই পতনের পূৰ্ব্বে সৌর আবহের অংশ বিশেষের উৎক্ষেপ অনিবার্য। উৎক্ষেপে শিখার উৎপত্তি, পতনে কেতুর উৎপত্তি। অতএব কেতুর উদ্বয়ের মুখ্য কারণ, হুর্যোর স্থল বিশেষেয় উত্তাপবৃদ্ধি। অর্থাৎ কোন কারণে সুৰ্য্যতাপের হ্রাসবৃদ্ধি ঘটে। মোটের উপর, হুর্যের উষ্ণত্ত প্রচণ্ড , শতাশিক উষ্ণতামানেল ৬৬০০ অংশ হুইবে । কিন্তু সকল প্রদেশের উষ্ণতা সমান নছে। উষ্ণতার নূনধিক্যে শিখার ও কেতুর উৎপত্তি । পুৰ্ব্বে সৌরকেতুর একাদশ বর্ষাত্মক চক্রের উল্লেখ কর গিয়াছে । বস্তুতঃ সকল চক্রের পরিমাণ একাদশ বর্ষ নহে । কোন বার দশ, কোন যায় তের, কোন যায় বার বর্ণ। ইহাদের মধ্য একাদণ বর্ধ ধরা হইয় থাকে। কিন্তু বস্তুতঃ এই চক্রেরও অার এক চক্র আছে । ত্যহার পরিমাণ ৩৫ বৎসর। পরম হ্রাস স্তষ্টতে পরম হ্রাস প্রায় একাদশ বর্ষে সম্পন্ন হয় বটে, কিন্তু কোন পরম হ্রাসের পর যে পরম বৃদ্ধি হয়, তাহ সাড়ে পাঁচ বৎসর পরে হর না। . কোন - - অকিঞ্চিৎকর যে, তত্ত্বারা উভয়ের মধ্যে কাৰ্য্যকারণ সম্বন্ধ • অনুমান করিতে পারা যায় না। ইহঁরা বলেন যে, ঋতু S S TST SAAAAS -9న বীর তিন বৎসর, তার পরের বার পাঁচ বৎসর, তার পরের বার চারি বৎসর, তার পরের বার আবার তিন বৎসর পরে হয়। এই দুই চক্র—একাদশ ও পঞ্চত্রিংশংবর্ষান্মুকচক্ৰ—বছদিন ইষ্টতে জানা ছিল। লকিয়ারসাহেবল্পর আর এক চক্রের লক্ষণ পাইয়াছেন। তাহাকে শিপার হ্রাসবুদ্ধি চক্র বলা স্বাক্টতে পারে। কেতু ও হুর্য্যের নিরক্ষ প্রদেশে উত্থিত শিথার হ্রাসবুদ্ধি চক্র এক বটে, কিন্তু কেবল নিরক্ষ প্রদেশেই শিখা উৎক্ষিপ্ত হয় না, মেরু প্রদেশেও দেখা যায়। যদি শুৰ্য্যের সকল প্রদেশের শিখ গণনার মধ্যে আনা হইলে শিখার পরম বৃদ্ধি বা পরম হ্রাসের মধ্যে তিন চারি বৎসরের অন্তর লক্ষ্য হয় । - এই চক্রকে লইয়া তিনটি চক্র পাওয়াগেল। প্রথমটির পরিমাণ ৩-৮ বর্ষ, দ্বিতীয়টির ১১৩ তৃতীয়টির ৩৪৮ বর্ষ। ইঙ্গদের মধ্যে এক চমৎকার নিয়মও দেখা যায়। যথা,

  • × >=で*

○"br×"=>>“8 ৩-৮ x ৬=৩৪-২ লকিয়ার সাহেবয়ের অল্পমানে শিখা ও কেতুরূপ সৌর বিকারের সঙ্গে সঙ্গে পার্থিব বিকার বটে । এই পাধিৰ বিকারের একটি লক্ষণ, আমাদের আবহের চাপের হ্রাসবুদ্ধি ; দৈনিক নহে, বার্ষিক নহে, চতুর্বার্ষিক। কেতু ও শিখ ধখন সুৰ্য্যের স্বীপপরিবর্তনের লক্ষণ, এবং যখন সুৰ্য্যের তাপ আমাদের আবহের চাপের মুখ্য কারণ তপন কথাটা শুনিব মাত্ৰ মনে হয়, উভয়ের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ অবশু আছে। - ভারতবর্ষাদি পৃথিবীর নিরক্ষনিকটবর্তী প্রদেশে প্রাক্লভিক ব্যাপারনিচয়ের যে প্রবল পরিবর্তন সম্ভাব, দূরবর্তী প্রদেশে ভাহা মুছভাব ধারণ করে। ভারতবর্ষে চৈত্র হইতে ভাদ্র পর্যান্থ গ্রীষ্মকালে আবহের চাপ নুন, এবং আশ্বিন হইতে ফাল্গুন পর্যন্ত শীতকালে অধিক হইয় থাকে। কিন্তু বর্ষে বর্ষে এই নৃানাধিক্যের পরিমাণ এক থাকে না। প্রায় সাড়ে তিন বৎসর ন্যূনতা ও আধিক্যের পরিমাণের কিঞ্চিৎ ব্যতিক্রম ঘটে, আধিক্য বৃদ্ধি হয়, নুন্নত হাল হয়। কিন্তু সহজেই মনে হইবে যে, যদি ভারতথাও আবহের চাপের মূনাধিক হয়, তাহা হইলে অন্ত কোন খণ্ডে-ভারতের বিপরীত -