পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/২৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


88 দর্শনীয়—হিন্দুললনার অবস্থা বুঝিতে হইলেও একান্ত ত্যাগপরায়ণ, চিত্যনলদগ্ধা প্রেমের অপূৰ্ব্ববলসম্পন্ন স্বল্প সংখ্যক সতীক চিত্রই আমাদের লক্ষা হইবে। বর্তমান অবস্থা । কিন্তু এখন সমাজের অবস্থা কি ? একান্নভুক্ত পরিবার-সুবিপুল অম্লচ্ছত্র আজ ভাঙ্গিয়৷ পড়িয়াছে রমণীর শুধু স্বামীসোঁহাগিনী হইবার আশয়ই প্রশংসিত হইতেছে ; স্বামীর পরিবারের সঙ্গে সংযোগ রাপিবার -জন্য যে আশৈশব শিক্ষার প্রযোজন এখন আর তাহ নাই ; মৃতরা অষ্টাবর্ষ বয়সে ভিন্নগুহে প্রবেশের ব্যবস্থা এখন অবিধি। শুধু দাম্পত্য প্রয়োজনের পক্ষে এরূপ অল্পবয়স হস্তিকর । সেই প্রাচীন অম্লচ্ছত্র আবার বৃহৎ পরিবারকে এক স্থলে বাধিয়া রাখিবার যোগ্য হইয়া দঁাড়াইবে কি না বলা যায় না,–কিন্তু তাহা ঘটিলেও গৃহস্থালী যেরূপ ছিল, এখন তাহ ঠিক তেমন হইবে না। বিধবার জষ্ঠ এখন আর গৃহে স্থান নাই। এখন তিনি আর গুহকী নহেন। তিনি প্রতিক্ষণ বুঝিয় থাকেন, সংসারে প্রশংসাহীন দাসীর বৃত্তি করিলেই তাহার জন্য একটি সংকীর্ণ স্থান থাকেনতুবা সংসারে তিনি অনাবশ্বক বাহুল্য মাত্র। তাহার চরিত্র-গৌরব ও শুচিত্বের কোন প্রশংসা সমাজ প্রদর্শন করেন না। চারিদিকে বিলাসের উৎসব, এবং সেই বিলাসের বহ্নি প্রজ্জ্বলিত রাখিবার জন্তু মুক জন্তুর দ্যায় তাহাকে শুধু কাঠকুটা বহিয়া আনিতে হয়—এই অবস্থায় বৈধব্যব্রত রক্ষা পাওর কঠিন। ব্যভিচার ও উদ্বন্ধমে মৃত্যুর সংখ্যা বিধবাগণের মধ্যে ক্রমশঃ বাড়িয়া চলিতেছে। এখন আর ধৰ্ম্মের নাম করিয়া বিধবা-বিবাহের বিরোধী হওস্বার যুক্তি নাই।--মন্দিরে রাথিয়া পুজা করিতে পারিলে দেবীকে দেবী বলিয়া পরিচয় দেওর সাজে ; যাহাকে আঁস্তাকুড়ে ফেলিয়৷ দিন রাত গঞ্জনা করিতেছ, তাহাকে দেবী বলিয়া প্রতিপন্ন করিতে যাওয়া বৃথা । আর চারিদিকে বিলাসের স্রোত,— এখানে তাহার উপর ধিয়া নিত্য গঙ্গাস্বানের ব্যবস্থা জারি করা বৃথা। যাহারা স্বেচ্ছায় মরিয়া প্রেমের আদর্শ অত্যুজ্জল করিয়া দেখাইয়াছেন—তীহাদের স্থল পূরণ করিষ্কার জুহু দুখন কৃত্রিম পবিত্রতার হাড়িকাঠ রচনা করিয়া ছাগবলির স্থায় বিধবাদিগকে হত্যা করিয়াছ, তখন সরকার প্রবাসী । ৫ম ভাগ । | ১ম সংখ্যা । ] - . f. BBBB BBBBBB BB BBB BBBBBS BBBS S BBBBBB BBB BB BB BBB BBB BB BBS সৰ্ব্ববিষয়ে হিন্দুসমাজে একটা সংস্কারের প্রয়োজন হষ্টয়াছে। কিন্তু সেই সংস্কার করিবার সময় প্রাচীন তাদর্শেল প্রতি অবজ্ঞাপ্রদর্শন উচিত নহে, বরং প্রাচীন সমাজের যাহা কিছু ভাল ছিল তাহা যথাসম্ভব রক্ষা করিয়া সময়োপযোগী সংস্কারের ব্যবস্থা করা দরকার। আমরা কি ছিলাম--তাং করা সহজ হইবে। আর একটি কথা, গোলাপ ফুলটি পচিয়া উঠিলে তাহার পূৰ্ব্বপরিচয় পাওয়া শক্ত হইয় উঠে। যাহা মাথায় য়াখি বার যোগী, শেষে তাহ ছুইতে ঘুণ হয়। কিন্তু তথাপি । তাহার এক সময়ে যে মগন্ধ ছিল, তাহা আবিষ্কার করিবার প্রয়োজন আছে। হিন্দুসমাজ এখন জীর্ণ, পাপপঙ্কিল ও মৃত হইয় পড়িয়াছে, এখন ইহার আদর্শটা একটা শবদেহের দ্যায় বিকৃত হইয়। গিয়াছে। পাদ্রীরা যে স্থামে ইহাকে পুণা বলিয়া প্রচার করে, আমরা সে স্থলে, কি হারাইয় সমাজ একান্ত দীন ও হেয় হইয়াছে, তাহ নিবিষ্টচিত্তে চিন্তা করিতে পারিলে লাভবান হইব।--অামার মনে হয় আদর্শ হইতে বিচুত করিয়া দেখিলে এই সকল গীতি অনেক স্থানেই বিসদৃশ বোধ হইবে । হস্তীর কর্ণকে স্বপ ভ্রম হইতে পারে। কিন্তু আদশটি সমগ্রভাবে হৃদয়ঙ্গম করিলে জাতীয় জীবনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভাবগুলিল সঙ্গে যথার্থ পরিচয়ের স্ববিধ পাওয়া যাইবে। রমণীগণের দুরবস্থা । রমণী বৈধব্যপালন করিয়াছেন, স্বামীল চিতায় পুড়িয়া মরিয়াছেন, দাসীর হার সংসারের কার্য্য করিয়াছেন এবং নিজে না খাইয়া পরকে খাওয়াইয়াছেন—এই সকল কণা বিকৃত করিয়া পাষ্ট্রীর আমাদিগের নারীজাতির প্রতি অত্যাচার প্রচার করিয়া থাকেন। কোন বিশেষ উচ্চ আদর্শে দীক্ষিত করিতে হইলে—স্বাৰ্থত্যাগ ও কণ্ঠস্বীকারই একমাত্র সফলতার পন্থা : স্পাটাবাসিগণ বীরত্বে দীক্ষিত হুইবার জন্তু এবং জাপগণ স্বদেশাহরাগ সাধনকল্পে কত না অদ্ভুত তাগৈশ্বীকার ও কঠোরতার মধ্যে জীবনযাপন করিয়াছেন । সেই কঠোরতা ও প্রাণত্যাগ-প্রত্যেক উচ্চ লক্ষ্যের জন্য প্রয়োজন ৷ তক্ষন্ত দুঃখ করা বৃথা-বৃহৎ | • হালুকক সাহেবে “ Physical Training for রমণীগণকে একটা বিশেষস্থলে দাড় করাষ্টবার জন্য সমাজ চেষ্টত ছিলেন, তজ্জন্ত তাহাদিগকে নানারূপ আত্মত্যাগ করিতে হইয়াছে। তাহারা স্বাসীর বৃষ্টি আচরণ করিয়া প্রকৃতরূপে দেবী হইয়াছেন। কারণ অফুরাগেয় সহিত বিনাবেতনে দাস্তবৃত্তি . করাতেই প্রকৃত দেবত্ব। এ বিষয়ের জন্স আপসোস করা বৃথা,-আমাদের বরঃ এই আপসোস বে সমাজে এখন সত্যের জন্ত-প্রেমের জন্ত আর কেহ চিতার পুড়িয়া মরে না। দেশের চিত নিৰ্ব্বাণ হয় নাই, প্রেম ও সত্য যে চিতা প্রজ্জ্বলিত করে না, প্লেগ ও কলেরা তাঙ্গ নিবিতে দেয় নাই। যে মৃত্যুর চিত্র মামুষের চক্ষে স্বর্গের দ্বার দেখাইয় দেয়,-মৃতকে অমৃতে অভিষিক্ত করে -সেই মৃত্যু আমরা দেপি ন তৎস্থলে হেয় গলিত শৰ আজ শত জানিতে পরিলে কি হইব বা হইতে পারিব, তাছা বিবেচনা শত সহস্ৰ সহস্ৰ চিতায় পড়িয়া দগ্ধ হইতেছে । পুরুষগণের উচ্ছৃংখলতা ও স্বার্থপরতা হিন্দুসমাজের অধঃপাতের কারণ। নারীর জন্ত যে স্বাৰ্থত্যাগ ও আত্মবিলোপের উচ্চ আদর্শ নির্দিষ্ট হইয়াছিল, পরবের নিজ লিঙ্গ জীবনে সেই আদর্শকে প্রতিষ্ঠিত করিবার চেষ্টা করিলে অনেক সুক্ষলের আশা করিতে পার ঘাইত। বাহাই হউক, - প্রাচীন সমাজ যে সমস্ত গুণে সমৃদ্ধ ছিল, তাহ আমাদের - দেহে ও প্রাণের মধ্যে-রক্তপ্রবাহে এখনও কাৰ্য্যকর। তাছা মৃগু বা লুকায়িত থাকিলেও ঠিক পন্থায় একবার দাড়াইলে জাগ্ৰত ইয়া স্বপ্রকাশ হইতে পারে—এই জনাই প্রাচীন আদর্শটিকে ভাল করিয়া চিনিয়া লওরা দরকার। ঐদীনেশচন্দ্র সেন । জাপানীধরণে বালকবালিকাদিগের ব্যায়াম । Children by Japanesc Metliods” অর্থাৎ "জাপানীধরণে বালকবালিকাদিগের ব্যায়াম” নামক গ্রন্থ৪ আমাদের হস্তগত হইয়াছে। ইহাতে বায়ামের আবশ্বকতা সম্বন্ধে যাগ বলা হইয়াছে, প্রথমতঃ তাহারই উল্লেখ করিতেছি । _ জাপানীধরণে বালকবালিকাদিগের ব্যায়াম। 86. আমাদের দেহ পোষণের জন্ত যাহা কিছু অবিস্তক, . তন্মধ্যে গুণানুসারে বায়ু, জল, থাপ্ত ও বায়াম সৰ্ব্বপ্রধান। বায়ু না হইলে কয়েক মিনিটেই আমাদের স্বত্যু ঘটে । জল পান করিয়া আমরা কয়েক দিন বাচিতে পারি - থাপ্ত ব্যতীত কয়েক সপ্তাহও আমাদের দেহে প্রাণ থাকিতে পারে ৪ । বায়াম না করিয়াও আমরা বাচিতে পারি বটে, কিন্তু তদ্রুপ জীবনধারণ মানুষের মত বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন জীবের উপযুক্ত নহে। স্বাস্থ্যের পূর্ণ উৎকর্ষলাভ করিতে হইলে ব্যাঙ্কাৰ করা উচিত এইটুকু বলিলে যথেষ্ট হয় না ; বলিতে হয়, ইহ অবশ্রাকৰ্ত্তব্য’ । - পাকস্থলীতে ভুক্ত প্রব্যের পরিপাক হইয় তাহ রক্তে পরিণত হয়। নিঃশ্বাসের সহিত ফুসফুসে যে অক্সজেন বা অনুজ্ঞান প্রবেশ করে তাহ এই রক্তস্থ দুহিত ও গলিত পদার্থের সহিত রাসায়নিক যোগে যুক্ত হইয়া তাই দ্বন্ধ করিয়া ফেলে ; তাহাতেই রক্ত পরিষ্ঠত হয়। দ্বম-কলের জোরে এক বায়খার জল নলের ভিতর দিয়া গিয়া যেমন সঙ্করময় ছড়াইয় পড়ে, ঠিক সেইরূপে হৃৎপিণ্ডের জোরে এই বিশুদ্ধীকৃত রক্ত রক্তবহানাষ্ট্ৰীসমূহের যোগে শরীরের সর্ক অংশে প্রেরিত হয়। এই ব্যাপারেরই সংক্ষিপ্ত নাম ‘রক্ত সঞ্চালন । প্রতি মুহূর্বে শরীরের প্রত্যেক অংশ আল্লাধিক পরিমাণে ক্ষয়প্রাপ্ত হইতেছে ; রক্ত ব্যতীত এই ক্ষতির পুরণ হয় না। ট্রাকশরীরগঠনের সূক্ষ্মতম মৌলিক উপাদানের নাম কোষ (cell)। কতকগুলি কোষের সমবারে পেশা (Tissue } &W, কতকগুলি পেশার সমবায়ে মাংসস্ত্র ( Fibre ) «' ; *** কতকগুলি সুত্রের যোগে মাংসপেশী উৎপন্ন হয়। এইরূপে উক্ত মৌলিক উপাম্বান ( কোষ ) হইতেই স্বায়ুমণ্ডলী, ত্বক, চুল, নথ ও শরীরের জন্তান্ত অংশের উদ্ভব হুইয়া থাকে। রক্তসঞ্চালন দ্বারাই ক্রমাগত এই গঠনকিল সম্পন্ন হয়; আবারইছা দ্বারাই গঠিত অংশসমূহ সঞ্জীবিত থাকে। বায়ামের সহিত এই সকল শারীরিক ব্যাপারের কি সমৃদ্ধ আছে, তাহা এখন আমরা বুঝিতে চেষ্টা করিব। . DD BB BB BS BB BBB BB BBBBB BBBB BBBS কি কেৰল কঠিন স্ত্ৰৰ থাইলে এক সপ্তাছের বেশ বঁচিতে পারে শা গত ১৮ই ফাস্থলের "সঞ্জীবনী” । বিচিত্র-সংগ্ৰহ ।