পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/২৫৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৪৭২


-- ---

করিয়া অন্ধকার ঘরে আনিলে, তাহাতে আবার পূর্বের স্থায় জীবাণুবৎ পদার্থ জন্মিতে দেখা গিয়াছিল । অধ্যাপক উন্ড হেণ্ড, আজকাল ইংরাজ জীবাশ্বতত্ত্ববিদগণের শীর্ষস্থানীয় । বার্ক সাহেব এই ব্যাপারটি দেখাইবার জন্ত ইহঁাকে আহবান করিলেন । বার্ক যাহা দেখিয়াছিলেন, উড হেড ও তাঁহাই দেখিলেন, কিন্তু সেই স্থপস্থ জীবাণুবৎ পদার্থকে তিনি জীবাণু বলিয়া স্বীকার করিতে পারিলেন না । যতপ্রকার জীবাণু এপর্য্যন্ত আবিষ্কৃত হইয়াছে, তাহার কোনটিরই কার্যের সহিত উহাদের কোনই ঐক্য দেখা গেল না। উড়হেড প্রথম দর্শনে ঐগুলাকে কোনপ্রকার দানাদার (crystalised) জিনিষ বলিয়া মনে করিয়াছিলেন, কিন্তু বিশেষ পরীক্ষায় তাহাকে এ বিশ্বাস ত্যাগ করিতে হইয়াছিল। ঠিক্ হইল,—ঐ জিনিষগুলি সম্ভবতঃ জীবাণু অপেক্ষাও উন্নত কোনপ্রকার জীব। বার্ক সাহেব পূৰ্ব্বোক্ত প্রকারে যে সকল নূতন জীবের স্বতঃজনন আবিষ্কার করিয়াছেন, তাহাদের সংখ্যা খুব অধিক নয়। এই জন্য সেগুলিকে বিশেষ করিয়া দেখিয়া হঠাৎ সন্দেহভঞ্জন কয় যাইতেছে না । জীবের প্রধান লক্ষণ জানিতে চাহলে, জীবতত্ত্ববিদৃগণ বলিয়া থাকেন,—বাহিরের অবস্থা-বৈচিত্র্যের সহিত, নিজের অবস্থার সামঞ্জস্য রাথিয় বে সকল পদার্থ ট'কিয়া থাকিতে পারে, তাহারাই জীব o পদবাচ্য। এই সংজ্ঞ সত্য হইলে, সেই জীবাণুবৎ স্বতঃজাত - পদার্থগুলিকে আর জীবন বলিয়া থাকা যায় না। বার্ক সাহেব ঐগুলির আকার প্রকার উৎপত্তি লম্ব প্রভৃতি বিশেষ ভাবে পরীক্ষা করিয়া, সকল কাৰ্য্যেই অধুনা জীব লক্ষধ স্পষ্ট দেখিতে পাইয়াছেন। কাজেই দেখা যাইতেছে, রেডিয়ামের তেজ ও আরো কয়েকটি নির্জীব জিনিসের যোগে এক সঞ্জীব পদার্থের উৎপত্তি হইয়া পড়িতেছে। সুতরাং পৃথিবীর বর্তমান অবস্থায় স্বতঃজনন বে একেবারে অসম্ভব, একথা আর বলা চলে না । তেজ নির্গত করা এক রেডিয়মেরই বিশেষ ধৰ্ম্ম নয় । পদার্থ মাত্রই বে অল্পধিক পরিমাণে তেজনিঃসরণক্ষম, অধ্যাপক টমসন, রদারফোর্ড, ও ক্রুকস প্রমুখ বিখ্যাত বৈজ্ঞানিকগণ নানা পরীক্ষায় তাহা স্পষ্ট প্রতিপন্ন করিয়াছেন । এই সকল দেখিয়া শুনিয়া এখন স্বতঃজননবদিগণ বলি প্রবাসী। S AAAAAA SAAAAAMMMMM MSMSM MS MS MMSMMSMSMMS MSMSAMSASMMSMMSMSMSMS SS { ৫ম ভাগ । তেছেন, জীবের স্বতঃজনন আজও প্রতিমুহূর্তেই চলিতেছে। স্বভাবতঃ এখনকার স্বতঃঞ্জীত জীবগুলির আত্মরক্ষার সম্বল খুব অল্প, তাই তাহারা জীবনসংগ্রামে জয়ী হইয় আমদ্বিগকৈ দেখা দিতে পাবিতেছে না, নচেৎ আমরা প্রতিদিনই স্বতঃজনন দেখিতে পাইতাম । ঐজগদানন্দ রায় । কেন ভালবাসি ? আমার এ অম্লয়াগ জন্মে নাই প্রথম দর্শনে অজ্ঞাত কারণে । নহে ইহা আকস্মিক, ইহা নহে মধুর স্বপন,— আত্ম-বিশ্ববৃণ | তোমায় যে ভালবাসি তবে কি তা’ রূপের লাগিয়া ? —তাও নহে প্রিয়া । চেতনা-বিহীন মনে শুদ্ধ ইহা মহা জাগরণ,— আত্ম-নিবেদন – ইহা গুণ-মুগ্ধ ভক্ত হৃদয়ের সঞ্চিত বিস্ময় সঞ্জাত প্রশর ! - কাছে কাছে রহি নিত্য যে অনস্ত নির্ভরের সনে অকুষ্ঠিত মনে আমারে আপন জেনে আপনারে দিয়ে বলিধান বিকাইলে প্রাণ – যে অপুৰ্ব্ব স্বাৰ্থত্যাগে সতীগ্রেমে মম প্রতিস্তরে একান্তু অস্তরে আমারি সেযায় সদা নিজ সৰ্ব্বসুখ তেরাগিয়া রয়েছ মজিয়া — যে মহত্ত্বে কর তুমি অনুগত আশ্রিতের প্রতি দয়া নিরবধি – - যে সদ্‌গুণে মোর গৃহে ফেরে নাই আজো কোন দিন অতিথি মলিম ;— যে প্রগাঢ় ভক্তিভরে সাশ্রমেত্রে পুঞ্জ’ সঙ্গোপনে রাধিক-স্ত্রমণে ;– ৮ম সংখ্যা । ] হলভ সে গুণরাশি হেরি', দেবি, তব অনুপম, এ অস্তুর সাম শ্রদ্ধায় বিস্ময়ে মুগ্ধ হইয়াছে ক্রমে, ধীরে ধীরে । পুলকাশ নীরে আজি আমি বন্দী তাই তব প্রেমে হে দেব-ললন। গাহি এ বন্দন৷ তাই হে তোমারি আজি আনন্দ-বিহ্বল পুর্ণতানে, পরিপূর্ণ প্রাণে । তোমাতে ষে অপারার রূপজ্যোতিঃ হেরিতে মা পাই তাহে ক্ষতি নাই – তোমাতে যা আছে তাহ নিতা,-সেই গুণরাশি লয়ে’ আছি তৃপ্ত হ’রে। রূপেরে চাহি না আমি। রূপ নাহি রহে চিরতরে, তাহা পড়ে ঝরে,— প্রশ্নটিত যুথিকার মত সে বে শুকাইয়া যায় আঁধার সন্ধ্যায়! যাহা নিতা রহে, যাহা সস্তুপণে ক্রমে দীপ্তি পায় অম্লান প্রভায়—- আছে সেই বস্তুরাশি অমূল্য, অতুল্য, অনুপম —ম্পর্শমণি সম– তোমারি মাঝারে সখি । তাই, আজি লয়েঃ তব নাম আমি পুর্ণকাম — আপনারে ধন্ত মানি’ হইয়াছি প্রণয়-বিভোর অয়ি প্রিয়া মোর। ঐদেবকুমার স্থায় চৌধুরী। মক্কাযাত্রা । আমাদের ছাপাখানার খাজাঞ্চী বাবু সে দিন মক্কা গিয়া হজ্ব করিয়া আসিয়াছেন। তাহার প্রমুথাৎ মক্কাসংক্রান্ত যে সকল সংবাদ জ্ঞাত হইয়াছি, এস্থলে তাহাই লিখিব। মক্কাযাত্রীদিগকে সমুদ্রপথে যাইতে হয়। তারতবর্ষের লোক প্রায় বম্বে বনারে জাহাজে উঠিয়া থাকেন। কৰে মক্কাযাত্ৰা । - SSSSJ SSS JSSS SSS SSAS SSAS SSAS - 9אף8 -


নগরে মুসলমানযান্ত্রিগুণের থাকিবার জন্ত কয়েকটি পান্থশালা আছে। পান্থশালা হইতেই মক্কা যাইবার এবং পরে বাটী প্রত্যাগমন করিবার টিকিট ক্রয় করিতে হয়। পূৰ্ব্বে বন্ধে পর্যন্ত রিটার্ণ টিকিট পাটবার নিয়ম ছিল। কিন্তু কন্ধেক বৎসর হইতে তাহার পরিবর্তন হইয়াছে ; এখনকার নৃতল নিয়ম অনুসারে বম্বে হইতে জেদী বলয়, ও জেল হইতে যাত্রীর বাটা পর্যন্ত ফিরিয়া আসিবার ভাড় চুকাইয়া দিতে হয়। ইহার কারণ এইরূপ শুমা যায় দে দরিদ্র যান্ত্রিগণ তীর্থ হইতে বম্বে প্রত্যাগত হইবার পর এত নি:সৰল হইয়া পড়িত যে আর তাহাদের হাতে দেশে ফিরিবার পয়সা থাকিত না। এবং অর্থাভাবে কর্তৃপক্ষ ও বম্বেবাসী মুসলমানগণকে বিব্রত করিয়া বেড়াইত, ভিক্ষাবৃত্তি ভিন্ন অপর উপায়ে জীবন-ধারণ পর্যাস্তু অসম্ভব হইয় উঠত। এখন আর সে ভয় থাকে না । স্বতরাং দেখিতে গেলে বর্তমান নিয়ম ভালই হইয়াছে। খাজাঞ্চী বাবুর ভ্রাতা রেব রাজ্যের আমিষ্টান্ট সার্জন। তিনি ভ্রাতার নিকট প্রত্যাগমন করিবার মানসে রেবার রেল-ষ্টেশন সাতনা পর্যান্ত রিটার্ণ টিকিট লইয়াছিলেন। যে সকল জাহাঙ্গে যাত্রিগণকে মক্কা যাইতে হয়, সে গুলি মোগল কোম্পানী নামক এক সওদাগর কোম্পানির সম্পত্তি । ভাল ভাল বিলাতী জাহাজ একটুকু পুরাতন । হইলে মোগল কোম্পানী সে গুলিকে সস্তাদরে ক্রয় করিয়া ব্যবসা চালাইয়া থাকেন । জাহাজগুলি সে জন্ত বোধ হয় খুব ভাল ন হইতে পারে। তবে, খাজাঞ্চী মহাশয় দে জাহাজে বাত্রা করিয়াছিলেন, এবং অপর ধেটিতে প্রত্যাগমন করিয়াছিলেন, তিনি বলেন, এই দুই জাহাজেই বিশেষ কোন ক্লেশ হয় নাই। অবহু ডেকের যান্ত্রিগণকে অপেক্ষাকৃত একটুকু অধিক কষ্টে থাকিতে হয়। জলধাত্রার ভাগটা এক প্রকার নিরাপদেই কাটিয়াছিল। সমুদ্রের উপর বছবার বহু স্থলে বর্ণিত সাধারণ ঘটনা ভিন্ন, বিশেষ কিছু বর্ণনাযোগ্য ঘটনা হয় নাই । সমুদ্রতরঙ্গে জাহাজ অত্যন্তু নড়িতে থাকিলে আরোহীগণের sea-sickness নামক এক প্রকার পীড়া হয়। তাহাতে অত্যন্ত বমি হইতে থাকে। কিন্তু ইহাদের জাহাজে এই পীড়া অতি অল্প লোকেরই হইয়াছিল। খাজাঞ্চ বাৰুর একেবারেই হয়