পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/২৭১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


&tు ধ্বনি উঠিতেছে, এই শত্ব কি স্বর্গে কবির কর্ণে অমৃতের ছায় স্পর্শ করিতেছে না ? ক্ষুব্ধ, মথিত সমুদ্রবৎ বাঙালীর হৃদয় তরঙ্গে তরঙ্গে ডাকিতেছে, বন্দেমাতরম্ বন্দেমাতরম্ ! প্রবল ঝঞ্জাতাড়িত বাঙালীর হৃদয়ে বায়ু গজিয়া বলিতেছে, বন্দে মাতরম্ ! বন্দে মাতরমূ! আবার অাশা বলিতেছে, বনে মাতরমূ! হৃদয়ের দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বলিতেছে, বন্দে মাতরমূ! নদীর কলকণ্ঠে, দক্ষিণ বাতাসের মৰ্ম্মরে কহিতেছে, বন্দে মাতরম্ ! মাত সৰ্ব্বত্র, সৰ্ব্বত্র উহার বন্দনা ! কবির ভবিষ্যদ্বাণী পূর্ণ হইল, আবাল-বৃদ্ধ-বনিত বাঙালী তাঙ্গর মন্ত্রশিষ্য হইল। সপ্তকোটিকণ্ঠকলকলনিনাকরালে । ভাই, মন্ত্র গ্রহণ করিয়াছ, এখন সাধন কর। সাধন . কর, | তুমি বিয়া তুমি ধৰ্ম্ম - তুমি হৃদি তুমি মর্শ - তুংহি প্রাণী শরীরে । সাধন কর, - বাহুতে তুমি ষ শক্তি হৃদয়ে তুমি ষ ভক্তি - তোমারই প্রতিম গড়ি श्रृंझिरुङ्गु ज्वभिु ! সাধন কর, “আমাদের মা নাই, বাপ নাই, ভাই লাই— স্ত্রী নাই, পুত্ৰ নাই, ঘর নাই, বাড়ী নাই, আমাদের আছে কেবল সেই সুজলা, মুফলা, মলয়ঞ্জসমীরণশীতল, শস্তশুমিল,” সুখদা বরদা জননী জম্মভূমি। মুথে বল, বন্দে মাতরম্ | কণ্ঠে গান কর, বলে মাতরমূ। - কুজলাং সুফলাং মলয়জশীতলাং শস্যশ্বামলাং মাতরমূ! শুভ্রজ্যোৎস্নাপুলকিতযামিনীম্ 會 ফুল্লকুহমিতক্রমদলশোভিনীম্ | হহাসিনীং সুমধুরভাষিণীম্ সুখদাং বরদাং মাতরম্ । গুপ্তকোটিকণ্ঠকলকলনিনাদকরালে দ্বিসপ্তকেটিভুজৈধৃতখর-করবালে কে বলে মা তুমি অবলে । থহুবলধারিণী নুসুমি তারিণীম্ - রিপুদলবারিণীম মাস্তম্। তুমি বিস্থা তুমি ধৰ্ম্ম - তুমি হৃদি তুমি মৰ্ম্ম - | প্রবাসী । --l.-- SSMSSSMSSSMSSSMSSSMSSSMSSSMSSSMSSSMSSSMSSSMSSSMSSSMSSSMSSSMSSSMSSSM SMS SS -ു.-ു. --l. [ ৫ম ভাগ । তৃংহি প্রাণী শরীরে । বাহুতে তুমি ষ শক্তি হৃদয়ে তুমি যা ভক্তি তোমারই প্রতিম গড়ি মলিয়ে মন্দিরে। ত্বহি দুৰ্গা দৃশগ্ৰহরণধারিণী কমল কমলদলবিহারিণী বী বিদ্যাদায়িনী নমামি ত্বশি। নমামি কমলামু অমলামু অতুলাম্ স্বঙ্গলীং সুফলাম্ মাতরং বলে মাতরমূ। হামলাং সরলাম্ স্বস্মিতাং ভূষিতাম্ ধরণীং ভরণীম্ - মাতরম্ । শ্ৰীনগেন্দ্রনাথ গুপ্ত।


হিন্দী কবি কেশবদাস মিশ্র ও । বিহারীলাল রায় । - দেখিতে পাওয়া যায় যে ষোড়শ ও সপ্তদশ শতাব্দীতে হিন্দী সাহিত্যজগতে অনেকগুলি কীৰ্ত্তিমান কবির আবির্ভাব হইয়াছিল। তন্মধ্যে সুরদাস ও তুলসীদাসের জীবনচরিত ইতিপূৰ্ব্বে প্রবাসীতে প্রকাশিত হইয়াছে। হিন্দী সাহিত্যে সুরদাস ও তুলসীদাসই সৰ্ব্বশ্রেষ্ঠ স্থান অধিকার ಇಕ್ಬ সক্ষম হইয়াছেন। তাহদের উভয়েরই নাম বাঙ্গালীগণের সম্পূর্ণ অবিদিত মহে। অন্ততঃ তুলসীদাসের দোহাবণী ত অনেক পল্লিগ্রামবাসী বাঙ্গালীর মুখেও নানাপ্রকার বিকৃতরূপে শুনিতে পাওয়া যায়। কিন্তু স্বর ও তুলসী ভিন্ন আরও কয়েকজন খ্যাতনামা কবি হিন্দী সাহিত্যভাণ্ডারে তাহদের অক্ষয় কীৰ্ত্তিরত্ন রাথিয়া গিয়াছেন। “স্বর স্বর, তুলসী সলী, উড়গণ কেশোদাস । - আমি কী ধৰ্ঘোতসম যুই তই করত প্রকাল।” এই দোহাটি প্রায়ই অনেকের মুণে শুনিতে পাওয়া যায়। উহাতে স্বরদাসকে হিন্দী কাব্যাকাশের স্বর্য ও তুলসীদাসকে চন্দ্র বল হইয়াছে । এবং কেশোদাস’ অর্থে কেশবদাস প্রভৃতি তাহার সমসাময়িক এবং সমশ্রেণীস্থ কবিগণের - - - I ৯ম সংখ্যা । ] - ---, --> --> -- উড়গণ অর্থাৎ নক্ষত্ররাজির সচিত উপমা দেওয়া হইয়াছে । অপর ক্ষুদ্র কবিগণ খন্থোতের মত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আলোককণা লইয়া যত্র তত্র প্রকাশিত হইয়াছেন। হিন্দী সাহিত্যের প্রাচীন তব প্রায়ই অন্ধকারে আচ্ছা আছে। এই অন্ধকার হইতে অনেক জাজ্জ্বলামীন মক্ষত্র সাহিত্যতত্ত্বান্বেষীল নয়ন মন মোহিত করিয়া থাকেন । প্তাহীদের কাব্য সকল নানারূপে নানা স্থলে দেখিতে পাওয়া যায়। কিন্তু ঐ সমস্ত নক্ষত্রপুঞ্জের মধ্যে দুইটি খুব বড় বড় নক্ষত্র গভীরতম অন্ধকারের মধ্যেও দর্শকের মন স্বতঃই আকষ্ট করেন। তাহাদের নাম কেশবদাস ও বিহারীলাল । উক্ত কবিয়ের সহিত বাঙ্গালী পাঠকগণের একটুকু পরিচয় করানই এই প্রবন্ধের উদেখা । ভারতবর্ষের প্রায় সকল প্রাচীন কবিরই সময় নিরূপণ করা অত্যন্ত কঠিন কাৰ্য্য। কিন্তু সুখের বিষয় কবি কেশবদাসের কাল্প নিৰ্দ্ধারণ করিতে অধিক ক্লেশ পাইতে হয় না। কবি স্বরচিত গ্রন্থগুলিতে সে গুলিব রচনাকাল লিখিা গিয়াছেন, এবং অপর ঐতিহাসিক ঘটনা দ্বারা তাহার আকবর শাহের দরবারে উপস্থিতি প্রমাণিত হইয়াছে। - কেশব রসিকপ্রিয়ানামক গ্রন্থের প্রায়তে লিখিয়াছেন – নদী বেতব তীর, কই তীরথ তুস্বাক্স , স্বৰ্গর ওড়ছে ঘহবসৈ ধর্ণীতল মে থয় । দিন প্রতি জওঁ দুনে লইৈ জই দয়া সকলন। এক তই কেশব স্বকবি, জীনত সকল কছান । বলে বির িবিচার গুহ নৃপমণি মধুক শান্ত্রি, শহরবার কাশীশ রবি, কুলমওল যশ লন্থি : তাঁকে পুত্র প্রসিদ্ধ মহিমণ্ডল দুলহ কাম । ইন্দ্রজীত তাকে অনুক্স. সকল ধঞ্চকে কম। তিন কবি কেশবদাস সে। কমপ্লে ধৰ্ম্মসনে । সব ইথ লৈ করিয়ো কষ্ট রসিকfময় কল্পি দেয় । সংবত সোরস্থ সে ঘর স্বতে জড়তালাল । কাতিক হদি তিপি সপ্তদী বা কলন রজনীম ! অতি রতি খুতি স্থতি এক কলি দ্বিনি fবত্বেক বিলাস । রসিকনকে রসিকপ্রিয় কানুহে কেশববাদ।-ইত্যাদি। এই কবিতা পীঠে বুঝা যায় যে বেতন নগর তীরে, গঙ্গানাউঞ্চেলিক ভলগঞ্জ বহুসমৃদ্ধিশালীমগর ছিল। জগৎপ্ৰসিদ্ধ কৰি কেশব সেখানে বাস করিতেন। এই নগরের নৃপতি মধুকর শাহ। তিনি কক্ষ গহরবার লৈাৎপন্ন। তাহার পুত্রের নাম দুলহরাম। তাহার অনুজ হিন্দী কবি কেশবদাস শ্র ও বিহারীলাল রায় । -- - &64 --- ---


--معمہ ہو۔یہ۔۔-- সকল ধর্মের ধাম স্বরূপ রাজা ইন্দ্রজিং। ঐ রাজা ইন্দ্রজি কেশবের সহিত ধৰ্ম্মসাক্ষ্য পূর্বক বন্ধুতা স্থাপন করেন। তাহারই আজ্ঞামত বিক্রমীয় ১৬৪৮ সঙ্গৎসরে কাপ্তিক শুক্ল সপ্তমী তিথিতে, সোমবারে রসিকপ্রিয় রচিত হইয়াছে। ठेऊानि । কেশবদাস সনাঢ্যশ্রেণীস্থ ব্রাহ্মণ ছিলেন। তাহার উপাধি মিত্র ছিল। তাহার পূর্বপুরুষগণ প্রায় সকলেই কবি ছিলেন। সে কালে কবিগণ রাজার নিকট অতিশয় - সম্মানিত হইতেন। কেশবের পিতামহ কৃষ্ণ দত্ত রাজা - প্রতাপ রুদ্রের কবি ছিলেন এবং কয়েকটি কঠোর সংগ্রামে তাহার অধীনে যুদ্ধকার্য্যে লিপ্ত হইয়াছিলেন। রাজ প্রস্তাপ বৃন্দ্র বৃন্দেলখণ্ড প্রদেশে ওড়ছা নামক রাজধানীর স্থাপনকর্তা। এখনও উক্ত নগরের ধ্বংসাবশেষ অনেক লোক । দেখিতে গিয়া থাকেন। ধাসী হইতে ওড়ছা ৮ মাইল মাত্র। ওড়ছার ভগ্ন সৌধমালা দেখিলে বেশ বুঝিতে পার । যায় যে এককালে উহা অতান্ত সমৃদ্ধিশালী ছিল । কেশবদাস রাজা মধুকর শাহের পুত্র রাজা ইন্দ্ৰজিতের - রাজকবি ছিলেন। রাজা ইন্দ্রজিং স্বয়ংও উত্তম কবিতা রচনা করিতে পারিতেন, এবং সৰ্ব্বদাই কবিগণ ও বিস্মণ্ডলী দ্বারা পরিবেষ্টত থাকিতেন। তাহার প্রেমপত্রী একটি স্ত্রীলোক ছিল। তাহার নাম "প্রবীণ কাম । সে সীমান্ত গণিকা ছিল না। সে বিদুৰী বলির খ্যাতিলাভ করিয়াছিল এবং সঙ্গীত ও সাহিত্যে বিশেষ অনুরাগিনী ছিল । তাহার রূপ e বিদ্বত্তার যশ:সৌরভ দেশদেশাস্তরে ব্যাপ্ত হইয়া আকবর শাহের শ্রবণগোচর হয়। আকবর ! তাহাকে দরবারে পাঠাইয় দিবায় জন্ত ইন্দ্ৰজিতের প্রতি আদেশ করেন। কিন্তু আদেণ প্রতিপালিত না হওয়ায় ইন্দ্ৰজিতের এক কোটি মুদ্র অর্থও হয়। এই উপলক্ষে, কেশবদাসকে ইন্দ্রজিতের আবেদন লইয়া দিল্লী যাইতে श्झ ! তথায় কেশব স্বীয় বিদ্বন্ত দ্বারা আকবরের সচিব রাজ বীর- । বলের চিত্ত আকর্ষণ করিয়া তাহার সাহায্যলাভে সমর্থ হন। বীরবল আকববের নিকট সুপারিশ করিয়া অপূৰ্ণও রহিত করাইয়াছিলেন, কিন্তু প্রধাণ রায়ের দিল্লী আগমন রহিত হয় নাই। আকবর অত্যস্ত গুণগ্রাহী লোক ছিলেন । তিনি প্রবণের কবিত্ব শক্তির পরীক্ষা লইয়া অভ্যর -সন্তুষ্ট