পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/৩০৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


سobرن SAASAASAASAA S SSSSSSMMSSS MM M S SSAAAS আধ্যাত্মিক উন্নতির কথা ছাড়িয়া দিয়া, এখন যে দেশী জিনিষের প্রচলনের চেষ্ট হইতেছে, তজ্জন্ত কিতাবে “স্ব” এর উন্নতি আবশ্বক, তাহার কথাই ধরা যাকৃ। সকলেই জানেন, যে, সাধারণতঃ মানুষ নিজের ক্ষতি করিতে চায় না। কিন্তু যখন প্রকৃত স্বদেশভক্তি জন্মে, তখন ক্ষতিকে ক্ষতি বলিয়া মনে হয় না । আমরা কিন্তু বণিক্‌ ও কারিকরদিগকে স্বদেশভক্তির প্রভাযে স্বার্থত্যাগ করিতে বলিতেছি না। আমরা তাহাদিগকে তাহীদের প্রকৃত স্বার্থ কিসে সিদ্ধ হয়, তাঁহাই বুঝিয়া সিদ্ধির উপায় অবলম্বন করিতে বলিতেছি। মানুষে এবং ইতর প্রাণীতে একট প্রভেদ এই যে, মানুষ ভবিষ্কৃতের কথা ভাখিরা, ভবিষ্কৃতের মঙ্গলামঙ্গল চিন্তা করিয়া কাজ করে, ইতর প্রাণীয় তাহ করে না । আমরা বণিক ও কারিকরদিগকে তাহদেরই ভবিষ্যৎ মঙ্গলের জন্ত, র্তাহাদের পুত্রপৌত্রাদির মঙ্গলের জন্য দেশী দ্রব্যের প্রতি মন দিতে বলিতেছি । ঠাহীরা অনেকে নিজেদের প্রকৃত স্বাৰ্থ বুঝিতেছেন, কিন্তু অনেকে বুঝিতেছেনও না। অনেকে দেশী জিমিযের কাটুতি দেখিয়া উহার দাম খুব বাড়াইয় দিতেছেন ; বুঝিতেছেন না যে তাহাতে লোকে আবার সস্ত বিলাতী জিনিষ কিনিতে প্রবৃত্ত হইবে । স্বতরাং এস্থলে কারিকর ও বণিকৃদের স্বদেশের উন্নতির কথা ভাবিতে গেলে প্রথমেই র্ত্যহাদের "শ্ব"এর উন্নতির অঁগ্রে প্রয়োজন মনে হইতেছে। এই উন্নতি তাহদের শিক্ষার, জ্ঞানের, বুদ্ধির, নীতির উন্নতি । তার পর আর একদিক দেখুন। আমরা চাই, দেশ চিনি ; কিন্তু ব্যবসাদারের বিদেশী চিনিকেই মাড়ির নান উপায়ে তাহার রং দেশীর মত করিয়া বস্তাবন্দী করিয়া আমাদিগকে ঠকাইতেছেন। কারণ বিদেশী চিনিতে লাভ বেশ । আমরা চাই দেশী কাপড় । ব্যবসাদারের সুযোগ পাইয়া দেশী কাপড়ের খুব দাম চড়াইয়া লাভ করিতেছেন। ইহাতে তবু প্রতারণা নাই ; কিন্তু কোন কোন ব্যবসাদার বিলাত কাপড়ে দেশী ছাপ মারিয়া ক্রেতাদিগকে ঠকাইতেছেন । এইরূপ লোকদের “স্ব’ নৈতিক হিসাযে উন্নত না হইলে, তাহাঁদের স্বদেশের মঙ্গল কেমন করিয়া হইবে ? ইংরাঞ্জ কারিকর ও দোকানদার দেশী কারিকল্প ও দোকানদারগণ অপেক্ষ সাধু কি না, সে বিচারে আমাদের - -- প্রবাসী।


> --

-l-l. -- --l. - ----ും প্রয়োজন নাই। কিন্তু একথা সকলেই জানেন, যে অনেকে . বেশী দাম দিরাও ইংরাজের লিকট হইতে জিনিষ লয়, এই ধারণায়, যে তাহা হইলে ঠকিতে হর না, দরদস্তুর করিতে হয় ন। এই ধারণা সত্যই হউক আর মিথ্যাই হউক, ইহুতি ঠিকৃ যে আনাদের দেশী কারিকর ও ধ্যবসাদারদের সম্বন্ধেও এইরূপ ধারণ জন্মিলে তাহীদের ক্রেতীর সংথ্যা বাড়ে। আমাদের দেশের যড় ব্যবসাধার ও কারখানার মালিকদের মধ্যে সংলোক অনেক আছেন ; কিন্তু অধিকাংশ কারিকর ও যাযধাদারকে বিশ্বাস করা যায় না, এইরূপ ধারণ কেন জন্মিল ? তাহতে কি তাহাধের কোন দোষ নাই ? আমরা স্বীকার করি, ক্রেতাদেরও বোধ আছে, তাহার “একদর” যলিলেও আলেকে বিশ্বাস করেন না। কিন্তু দোষ একপক্ষের বা ভভর পক্ষেরই হউক, এখানেও দেশের উন্নতির আগে, “স্ব”এর উরতির প্রয়োজন দেখা যাইতেছে। - ছুভার, মুচি, খঞ্জি, সেক্টর প্রভৃতি কারকরের কথা রাখে না, যে দিল ফরমাইসি জিনিষ দিবে বলে, সে দিন দেয় না, দরদস্তুরও অনেক করে। ইংরাজের যদি এই সকল কাজে হাত দের, তাহা হইলে এই সকল কারিকরদের অম্লমারা যাইবে । বাস্তবক ও দেখতেছি যে আমরা অনেকে স্বদেশ যলিরা যে সকল জুতা পরিতেছি, তাহা ভারতবর্ষে ইংরাজপরিচালিত কারখানার নিৰ্ম্মিত। কারিকর দেশী, কিন্তু বেশীর তাগ লাভ বিদেশী লোকে পাইতেছে। দেশী কারিকর নিজে কারবার চালাইতে পারিলে এমন হইত না। তাহার মূলধন নাই বটে ; কিন্তু তাহার "স্ব"এরও উন্নতির প্রয়োজন দেখা যাইতেছে। , - - আমাদের দেশে মজুী বিলাত অপেক্ষ অনেক যন্ত। তবুও আমাদের শ্রমজীবী ও কারিকরদের সাহায্যে উৎপন্ন ঞ্জিনিষ বিদেশী জিনিষের সঙ্গে দামে টক্কর দিতে পারে না । *কেন ? এরূপ যে কেবল তাহাঁদের দুৰ্ব্বলতা বা নৈপুণ্যের অভাব প্রযুক্ত হয়, তাহা নর। তাহাদিগকে না থাটাইলে । তাহার খাটিযে না, ফঁকি দিবে; বিদেশী শ্রমজীবী ও কারিকর অপেক্ষ দেশ লোকদিগের নিকট কাজ লইতে হইলে তাঁহাদের উপর বেশ চোখ রাখা ( Supervision ) [ ৫ম ভাগ | ১০ম সংখ্যা । ] s ~~----- -- - --- দেশী অনেক জিনিষ এথন হইতেছে, আগেও হইত। অনেক জিনিষ, দেশী যলিলেই, বাহিরে দেখিতে বেশ হষ্টলেও অনেকেরই মনে যেন একটা সন্দেহ হয় যে উক্তার ভিতর কোথায় কি একটা ফঁকি আছে। সকল কারিকরই কি প্রতারক ? তা নয়। কিন্তু অনেকের দোষে এই সন্দেহ জন্মিয়াছে। কাজেকাজেই এখন প্রত্যেকের "স্ব" উন্নত না হইলে দেশর উপর বিশ্বাস কেমন করিয়া জন্মিবে ও বদ্ধমূল হইবে - বিশে শিল্প ও কলার উন্নতির একট কারণ নে? কারবার। আমাদের দেশে যৌথ কারবারের সংখ্যা কম। তাহার একটা কারণ এই যে আমাদের পরস্পরের প্রতি, কার্যদক্ষতা ও সাধুতা হিসাবে, বিশ্বাস নাই। যৌথ কারবারের কথা উঠিলেই, কভ লোক আছেন, যাহারা শেপপ্রাপ্ত পূৰ্ব্ব পূর্ব এইরূপ কারবারগুলির ফর্দ আওড়াউয়া দেন। তাহারা যে মিথ্যা কথা বলেন, তা ত লয়। অথচ যৌথ কারবার না চালাইলেও উপায় নাই। সুতরাং আমাদিগকে কাৰ্য্যক্ষমতা ও সাধুতা হিসাবে বিশ্বাসযোগ্য হইতে হইবে। অর্থাৎ সেই পুরাতন কথা, "স্ব"এর জাত আবার আসিল । আমাদের দেশের লোকের অদৃষ্টর উপর অতিরিক্ত বিশ্বাস থাকায় উদ্যোগিতা দেখা যায় না। অথচ এই দেশেই প্রাচীন কাল হইতে যল হইতেছে, “উদূযোগিনম্ পুরুষসিংহমুপৈতি লক্ষ্মী”। অদৃষ্টবাদ না ঘুচিলে দেশের উন্নতি কোথা হইতে হইবে ? স্বতরাং এখানেও “স্ব”এর উন্নতির প্রয়োজন দেখা যাইতেছে। * যখন স্বদেশী আন্দোলনের আরম্ভ হয়, তখন অনেকেই বলিয়াছিলেন, বাঙ্গালী কি প্রতিজ্ঞ স্থাখিতে পারবে ? আমরা কি প্রতিজ্ঞ রাখিতে পারিব? এখনও অনেকে সেই সন্দেহ প্রকাশ করিতেছেন। প্রতিজ্ঞ না রাখতে পরিবার কারণ নানা প্রকার হইতে পারে। দেশী চিনি ব্যবহারে যথেষ্ট জিনিৰ মা পাওয়া প্রভূতি অরবিধা আছে, কষ্ট আছে, কোন কোন বিষয়ে ফ্যাশনা ও বাহারের কিছু কমৃতি হর ; খরচ বেশী হয়, এবং BBBBB BBS BBBBB BBBBBS BBBS BBBBBS BBB BB BB BBS BBBBDD DD DDDDDD - তেছি, দেশের আগে “স্ব”এর উন্নতি আসিয়া পড়িতেছে 1 | উৎপীড়ন, আছে। তাল হইলে কথাটা এই দাড়াইতেছে, স্ব ও দেশ । \ుaపే


------ یہی ہمہ .. .ണ്.--സു

--- যে, আমরা দেশের মঙ্গলের জন্য অসুবিধা ও কষ্ট সহিতে পারিব কি না, আর্থিক ক্ষতি সহিতে পারিব কি না, কিছু কম বাহার দেওয়া ও বাবুয়ানি করা আমাদের পোষাইবে কি না, এবং রাজপুরুষদের ধমক, গুর্থার ও পুলিসের লাঠি এবং সম্ভবতঃ জেলে বাওয়া আমরা অগ্রাঙ্ক করিতে পারিব কি না, সে বিষয়ে আমাদের সন্দেহ আছে। এই সন্দেহ যাইবে কেমন করিয়া পরস্পরের মুখ তাকাতাকি করিলে যাইবে না। ভগবানের দিকে তাকাইলে যাইবে। প্রকৃত স্বদেশভক্তি ও ভগবদৃভক্তিতে কোন বিরোধ নাই। ভগবানু চান যে আমরা মানুষ হই, আমাদের জাতিটা মানুষ হউক, দেশের মঙ্গল হউক। যাহারা তাহার এই ইচ্ছা! সহিত নিজ নিজ ইচ্ছা মিলাইয়া দিয়াছেন, প্তাহাদের ভয় নাই। তাহারা সব কষ্ট ও অসুবিধা সহিতে পারেন, অর্থনাশ অগ্রাহ করিতে পারেন, নিজের ও জাতির মঙ্গলের জন্ত জবড়জঙ্গ সাজিতে পারেন, ধমক লাঠি গলাধাক্কা সহিতে পারেন, জেলে যাইতে পারেন, এবং দরকার হইলে প্রাপট দিতে পারেন। আমরা প্রত্যেকে বিশ্বাসবান হই, তাহা হইলে, প্রতিজ্ঞায় অটল থাকিতে পারিব কি না, এ সন্দেহ আমাদের চিত্তের ত্রিসীমায় আসিতে পরিবে না। আমাদের দেশে এরূপ বিশ্বাসবাৰু স্বদেশভক্তের সংখ্যা খুব বেশী না হইলেও, হুখের বিষয় এরূপ লোকের একান্ত অভায় নাই। আমাদের স্বভাবের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে এরূপ লোকের সংখ্যা যত বাড়িবে, ততই দেশের উদ্ধার নিকটবৰ্ত্তী হইয় আসিবে } সকলেই জানেন, দেশের মঙ্গলের জন্ত একদল সাহসী উদ্যমশীল লোকের দরকার। র্তাহার চাকরীর জন্ত লীলায়িত হুইবেন না, নানা কাজ শিপিবেন, নানা কাজে হাত দিবেন ;— কখন বা কৃতকার্য হইবেন, কখন বা বিফলকাম হইবেন ; দশবার পড়িবেন, দশবার উঠিবেন। এরূপ লোক বিবাহিত ও পরিবারগ্রস্ত হইলে চলিবে না। একটা পেট চালানো খুব সোজা; তাঙ্গতে খুব সাহস এবং উদ্ধমও থাকে। এইরূপ সাহসী উদ্যমশীল লোক বাল্যবিবছিভ সমাজে মিলে না । সুতরাং দেশের উন্নতির জন্ত একটিসামাজিক প্রথার পরিবর্তন আবহুক । যে কারণেই হউক, আমাদের দেশে শারীরিক শ্রমের এবং