পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/৩২৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*28b- প্রবাসী [ ৫ম ভাগ । করিলে যদি কাটা যায় তবেই ইহার আঁশ কর্কশ হয় ও সার দেওয়া ছফ্টবে। গোয়াল প্রতি ছয় মাসে বদলাইয়া । সহজে ছিড়ে ; তাই কলিকাতায় বাজারে ইহার আদর নাই। কলাগাছের আঁশ হইতেও অধিকতর ফল পাইতে চেষ্টা করা উচিত। যে জাতীয় ফসলের মূলে খুব কম বা গেড়ে ( rootnodules ) জন্মে সেই জাতীয় ফসল অধিকতর পরিমাণে উৎপন্ন হওয়া বাঞ্ছনীয় ৯ । ইহাতে জমীর উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। যে দেশে কৃষকদের সার কিনিবার সামর্থ্য নাই, সেই দেশে জমীর উৎপাদিক,শক্তি বন্ধনের ইহাই প্রকৃষ্ট উপায়। যদি সম্ভবপর হয় তবে প্রতি ভূমিখণ্ডে প্রতি দুই বৎসরে একবার এই জাতীয় ফসল উৎপন্ন হওয়া উচিত । মহীশূরে ধান, রাগী ও জোয়ারের ক্ষেতে ছয় ফুট অন্তর এক এক সারি বরবটা গাছ দেখিয়া আমি খুলী হইয়াছিলাম। দুই মারি চ-গাছের মাঝে বুনিবার জন্ত আমি এই বৎসর আসামের চা-কর ( tea-planters )-দিগকে একশত মণ ধনিচার বীজ দিয়াছি। দুই সারি কার্পাস গাছের মধ্যে এক সারি ধনিচ গাছ জন্মান ভাল। ইহাতে এক দিকে সারের কাজ হইযে, পক্ষান্তরে উৎকৃষ্ট তুলার চাষে যে ছায়ার প্রয়োজন তাহারও কাজ হইবে । চীনাবাদামের মূলে খুব গেড়ে জন্মে। উক্ত সম্বলপুর কার্পাসের ম্যায় দ্বিবর্ষাধিকজীবী (perennial ) কার্পাস গাছের মাঝে মাঝে চীনাবাদামের চাষ হইতে পারে। শণ ও অড়হরের মূলেও খুব গেড়ে হয়। ইহাদের চাষে যে জমী উৰ্ব্বর হয় পাবনা ও ময়মনসিংহের কৃষকের তাহা অবগত আছে। তাহারা বণে যে, জীতে পাঁচ বৎসর ধরিয়া পলি সঞ্চিত হইলে যে ফল হয় একবার শণ জন্মাইলেও সেই ফল হর । কর্মীতে সার দেওয়ার আরও দুইটি উপায়ের কথাবলিব। গৃহপালিত পশ্বাদিকে খইল কিনিয়া খাওয়াইতে হইবে এবং তাহদের মলমূত্র ও তাহারা যে বিচালির উপর শয়ন - করে স্তাহ মাঠে লইয়া গিয়া চড়াইয়া দিতে হইবে। এই পে প্রতি এক যোড়া বলদের জন্য যাসিক পাঁচ টাকা • খরচ করিলে বলদগুলিরও স্বাস্থ্য ভাল থাকিবে, ক্ষেতেওঁ মাঠের বিভিন্ন অংশে স্থাপন কবিলে শুধু যে প্রকারান্তরে জমীর বিভিন্ন অংশে সীর দেওয়া হয় তাহা নহে, ইহাতে মনুষ্য ও পশু সকলেরই স্বাস্থ্য ভাল থাকে। বর্তমান ব্যবস্থায় মুত্র জমীর ভিতয় প্রবেশ করিয়া ক্ষেতে সারের কাজ ও করিতেই পায় না, বরং পার্শ্ববৰ্ত্তী স্থানের স্বাস্থ্যহানি করে। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় পশ্বাদির মড়ক কম হইবে, গৃহস্তেরও স্বাস্থ্য ভাল থাকিবে। দ্বিতীয় উপায়টি এই ৷ স্থাহিরের লোক আসিয়া যেন আপনাদের জমাদারীব এলাকা হইতে হাড় সংগ্ৰহ করিয়া নিতে মা পারে। হাড়গুলি সারের মত ব্যবহার করিতে যদি আপনাদের আপত্তি হয় তবে নিম্নোক্ত উপায় অবলম্বন করুন। প্রতি গ্রামে একজন ডোম থাকিবে এবং দুই তিন গ্রামের লোক মিলিয়া মৃত পশ্বাদি পুতিবার জন্য একটি স্থান নিদিষ্ট করিবে । মড়া পশুগুলিকে এইরূপে সরাইয়া ফেলিলে বাহিরের লোকেরা তাঁহাদের সন্ধান পাইবে না, পশ্বাদির গলিত শব হইতে সচরাচর যে সকল মহামারীর উদ্ভব হইয়া থাকে তাহারও আশঙ্কা থাকিবে না। এইরূপে নির্দিষ্ট ভাগাড়গুলির উপর ফলের গাছ, পখাদিল্প আহাৰ্য্য গাছ ও জ্বালানিকাঠের গাছ জন্মাইলে প্রোথিত শবজনিত সার প্রকারান্তরে ক্ষেত্রাদিতে ছড়াইয়া পড়িবে। এইরূপে গাছ জন্মাইবার অশেষ উপকারিতা আছে। ক্ষেতের পাশে গাছ থাকিলে তাহা হইতে পাতা ঝরিয়া ক্ষেতের সার যোগায়। এখন আমাদের দেশে যে প্রণালীতে গুড় প্রস্তুত হয় - তাঁহাতে অনেক লোকসান হয় । ইক্ষুরসের অম্লত্বদমনের যথাসাধ্য চেষ্ট না হওয়ায় চিনির পরিবর্তে গুডের ভাগই বেশী হইয়া পড়ে। প্রথমতঃ চূণ দিয়া আগুনের অল্প আঁচে ইক্ষুরস পরিষ্কৃত করিয়া পরে উহা ফুটাইয়া লইলে শতকরা পনার ভাগ মাত্র গুড় উৎপন্ন হয় । বৰ্ত্তমান প্রণালীতে প্রা শতকরা চল্লিশ ভাগ গুড় উৎপন্ন হইয়া থাকে। কর্ষণযন্ত্রাদির ব্যবহার সম্বন্ধে সম্প্রতি এইটুকু বলিলেই যথেষ্ট হইবে যে, ড্রিল ও বলদচালিত নিডেনের (bullock BB BBBB BBBB SBBBBSBttttBB BBB BBB LLLLS BBBB BB BBBB BBB উচিত। শস্ত যখন শ্রষ্টব্য। - g গজাইতে থাকে তথন ক্ষেতের জঞ্জাল পরিষ্কার করিলে ও | | - - তাহার যাটা খুঁড়িয়া আলগা করিয়া দিলে তাঁহাতে সার কাপাসশিল্পের দেওয়ার কাজ করা হয়। শ্ৰীনগেন্দ্রচন্দ্র সোম। --- বিশ্ব-মাতা। ’মা’ বলে একলা আমি ডাকিতাম তোরে এতদিন, একলাই তোর বুকে পুলকে মা রহিতাম লীন ; ক্টোর ও অপার স্নেহে নাহি ছিল কোনো অংশ আর, একলাই সবটুকু করিতাম ভোগ অনিবার। মোর কথা বিনে তোর নাছি ছিল অপর ভাবনা, মোর পাশে বসে সদা রহিতি মা ভুলিয়া আপনা; আমি চিনিতাম তোরে তুই শুধু চিনিতি আমায়, আছিলাম কত স্বৰী দুজনাতে ডুবে দু’জনায়। নিরর্থি ম তোরে আজ একি মহা অপরূপ রূপে, আপন বিকায়ে কবে লিমা জগতে চুপে চুপে,তোর মুখ পানে ওই কোটি ছেলে ’মা’ বলিয়া চায়, কোটি ভাগে তোর স্নেহ ঝরে পড়ে সবার মাথায়। সারা হৃদিখানি তোর ভরে গেল বিশ্বের চিস্তায় – জগত-জননী হয়ে ভুলে কি মী যাইবি আমায় ? ! ঐঞ্জীবেন্দ্রকুমার দত্ত । ভারতীয় কাপাস শিম্প । কাশীর শিল্পকলা-আলোচনা-সমিতির জন্ত “The past present and future prospects of the cotton industry” শীর্ষক যে প্রবন্ধ শ্ৰীযুক্ত বিঠলদাস দামোদর ঠাকুরী কর্তৃক রচিত হয় তাহাতে অতিশয় সংক্ষেশেষ ZಳT ভারতীয় কাপাসশিল্পের প্রাচীন সমুন্নতি, উচ্ছেদ এবং কুন্থানের আশার বেশ একটা ইতিহাস প্রাপ্ত ইগুয়া যায় । জগতে ভারতীয় কাপাসশিয়ের প্রাচীনত্ব সম্বন্ধে এখন স্বার দ্বিমত নাই। নানাজাতীয় ঐতিহাসিকগণ নানা ভাষায় ঠাথর উল্লেখ করিয়া গিয়াছেন। সংস্কৃত গ্রন্থাদিতে তিল ক্ষত্র বৎসর পুৰ্ব্বেও ইহার অস্তিত্বের নিদর্শন পাওয়া যায়। ল সমূদয়ের পুনরুল্লেখ এখানে অনবগুক। তৎপরে এই __ ভারতীয় কাপাস শিল্প । -്~~------ - - 38వ ~~ - - - চরমোন্নতি সম্বন্ধে এই টুকু বলিলেই যথে৪ হইবে যে, ইহা ভারতের কোটি কোটি নরনারীর অভাব মোচন করিয়াও দেশদ্ধেশাস্তরের প্রয়োজন সিদ্ধ করিত, এবং আবরোর, সবৃনম প্রভৃতি নায়ে প্রসিদ্ধ ঢাকাই মসলিন - এবং ভারতীয় কাপাসজাত বিবিধ বস্তু শত শত বৎসর ধরিয়া জগতের মহেশ্বৰ্য্যশালী নৃপতিবৃন্দেরও সমাদরের বস্তু ছিল। ঢাকাই মসলিন তাহদের মহিষী ও যুরোপের বরবাপনীগণের অঙ্গশোভা সম্পাদন করিত। ইহার মত স্বল্প ও স্বন্দর বস্ত্র জগতের আর কোথাও প্রস্তুত হইত না। অথচ বঙ্গের তত্ত্ববায়গণ উছা মোট চরকায় স্থত কাটিয়া সামান্ত মোট উাতে স্বহস্তে বয়ন করিত। বিস্ময়ের বিষয় এই যে য়ুরোপের বাপশক্তিচালিত কলের স্বতাও বঙ্গদেশের এই হাতে কাটা স্বতার সমতুল্য হইত না। অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে সেই জন্ত ম্যাঞ্চেষ্টর ও ব্লাকবার্ণের তত্ত্ববায়ুগণ তাহাদের কারখানার জন্য বহুপরিমাণ ভারতীয় স্থতার আমদানী করত। উনবিংশ শতাব্দীয় মধ্যভাগে ও ( ১৮৪৬ ) ঢাকায় ভক্তিার টেলার পরীক্ষা করিয়া দেখেন ১৩৪৯৫a স্বতার ওজন ২২ গ্রেণ মাত্র হইয়াছিল। ইছার নিকট বিলাতের বান্প ও তাড়িতচালিত অত্যুন্নত কলকেও হারমানিতে হইয়াছে । এ সকল এক্ষণে ইতিহাসের বিষয় হইলেও জগতের বিস্ময়ইণ এই ভারতীয় কাপাস|শল্পের এমন শোচনীয় অধোগতির মূল কোথায় ? বাপীয় বনধন্ত্রের উদ্ভাবনষ্ট এই অভাবলী পরিবর্তনের মূল কারণ I ১৭৭১ যা ১৭৭২ অব্দে তাহার স্বত্রপাত হয় । ঐ সময় ব্লাকবার্ণের তত্ত্ববায়গণ আর্করাইট, হারগ্রাভস্ প্রভৃতির উদ্ভাবিত কলের সাহায্যে প্রয়োজনমত্ত गाने কাপসিবন্ত্র প্রস্তুত করিতে আরম্ভ করে তৎপরে ১৭৭৯অঙ্গে যখন মিউলজেনি নামক কল উদ্ভাবিত হইল তথন কাপাসশিল্পেতিহাসে এক যুগান্তর উপস্থিত হইল । ওখন 画开索শায়ারের স্বশিক্ষিত বয়নশিল্পকলাভিজ্ঞ কারিকরগণ বাপশক্তিচালিত যন্ত্র সাহায্যে স্বদুর ভারতের গঙ্গাতটবর্তী পূর্ণ কুটারবাসী অশিক্ষিত হিন্দু তত্ত্ববারের হাতের কাপড়ের প্রায় । সমতুলা বস্ত্র উৎপাদন করিতে সমর্থ হুইল আপনাদিগকে ধন্ত জ্ঞান করিতে লাগিল। কিন্তু তাহার অব্যবহিত পরেই ই শক্তি অভাবনীয় পরিবর্তন আনয়ন করিল। |