পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/৩৩৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


- ১১শ সংখ্যা । ] জাতিভেদ ও প্রাচীন সভ্যতা । প্রবাসী I ৬৭১ م وغ MeeSMeMSMSMeMMeeMMM MM SMMMS SSSSSS MMMSSMSMSMSMeeSAeeMMMeMSMJ SAAAAAS SSAAAASSSS S S S S S S S S S S S S S S S S S S S S S S S S S S S S S S S S S S S S S S BBBS BBBB BB BBBB BBBB BBBB BBB BBB BB BBS BBB BBS BBBS BB BBB BB BBS BBB BB BBB BS BBBB BBBB BBBB BB BBS BBB BBBBB DB BBBBB BBS BBB BBS রণশায়ী হইলেম । ( ৬৯২ খৃঃ ) জাতি উৎপল্প হুইয়াছিল । শাস্ত্রে পঞ্চম জাতির অস্তিত্ব BBBBB BB DD BBBB DD K BBBB BBS BBBBB BBBS BBB B BBBB BBBBB BB আবদুল্য ঈশ্বল্পভক্ত ছিলেন । ওযর-ব-দিনার নামক স্বীকায় করা হয় নাই – BBB BBBB B BBBB BBBS BBBBB BB BB BBB BBBB BBB BB BS BBB BBB একজন সম্লান্ত ব্যক্তি লিথিয়াছেন,—“উপাসনীকালে অন্য কাহাকেও আবদুল্যার নারি তদ্‌গতচিত্ত দেখি মই ।” বস্তুতঃ তিনি উপাসনাকালে এরূপ লিশ্চল হইতেন যে, একবার একটা কপোত প্রস্তরমূৰ্ত্তি ভ্ৰয়ে তাহার মস্তকের উপর উপবেশন করিয়াছিল। আবহুলা ধৰ্ম্মামৃষ্ঠানতৎপর ছিলেন। উপাসনা এবং উপবাস তাহার অতি প্রিয়কাৰ্য্য ছিল । তিনি আত্মীয় স্বজনে অতিশয় স্নেহশীল ছিলেন । তাহার সাহসের ইয়ঞ্জ ছিল না। আবদুল্যার মাতার স্থায় তজস্বিনী বীররমণীও পুত্ৰশোকে মৰ্ম্মাহত হইলেন, এবং সে শোকতার সহ করিতে লা পারিয়া অচিরে প্রাণত্যাগ করিলেন । আবদৃল্যার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেষ্ট খলিফার পদ লইয়৷ প্রতিদ্বন্দ্বিতার অবসান হইল, এবং সমগ্র ইসলাম সাম্রাজ্য আমূল মালেকের আধিপত্য স্বীকার করল। ইসলাম সাম্রাজ্যের একাধিপত্য লাভাস্তে আন্সল মালেক প্রবল প্রতাপে ত্রয়োদশ বৎসর শাসনদণ্ড পরিচালনা করিয়া ৭০৫ খৃষ্টাব্দে পরলোকগমন করেন । (১) জাতিভেদ ও প্রাচীন সভ্যতা । জাতিভেদ কি প্রকারে উৎপন্ন হইল এ বিষয়ে নানা মুনির নানা মত। তবে অধিকাংশের মত এই যে, সৃষ্টির প্রারম্ভ হইতেই জাতিতেদ চলিয়া আসিতেছে । যখন মানবের (১) আলীর শাসনকালে ৩৫ ছিক্তির অফ ইসলাম সাম্রাজ্যের আধিপতা লক্টর কলহের সূত্রপাত হয়। ইহার ৩৫ বৎসর পরে অীক্ষা ল মালেক আবদুলাকে সংহার করিয়া এই কলহের অবসান করেন। এই BBB BBBB BBBBB BBBS BB BBB BD DDDD SSS ttS BtB BBBS BBBBB BB BBBB BBBBB BBB BBBBS করে এবং স্তহার পূর্ববৰ্ত্তী খলিফাত্রয় বলপুৰ্ব্বক খলিফার পদ অধিকার করিয়াছিলেন। পারস্তের অধিবাসিগণ এই মতাবলম্বী। স্বস্নিগণ আবুবকর ওমর, ওসমান ও আলী, ঢারি জনকেই প্রকৃত খলিফ BBBS BBB BBBS BBBBB BB BB BBB BBBBBBB বিরুদ্ধবাদী, এবং মাধির ও তৎপুত্র এজিদের পক্ষপাতী। সিরিয়ার অধিবাসীগণ এই মতাম্বলম্বী। স্বল্পীগণ মারওয়ানকে খলিফা বলিয়া BBB BDD BS BBB BBDDB BBBB BBBS BDD BBBtt করিয় থাকেন। উহার আসল নীলেকের শাসনকাল আবদুলার পরলোকগমনের পর হইতে খণনা করেন। ত্ৰাহ্মণঃ ক্ষত্রিয়ে বৈশ্বাস্ত্রয়ে বর্ণ স্ট্রিঞ্জাতস্থঃ । চতুর্থ একজাতিস্তু পূত্রে লাস্তি তু পঞ্চমঃ। "ত্রাহ্মণ ক্ষত্ৰিয় বৈং এই তিন বর্ণ দ্বিজাতি, চতুর্থ জাতি খুদ্র, জি নহে। পৃষ্টম আর কোন জাতি মাই।” মূমু ১-৪। এই চারি জাতি স্বয়ং ব্ৰহ্মার দেহ হইতে উৎপন্ন হইয়াছে। বেদের পুরুধস্থক্তে নাকি আছে পুরুষের যুথ হইতে ব্ৰাহ্মণ, বাহু হইতে ক্ষত্রিয়, উরু হইতে বৈহু এবং পদ হইতে শূদ্র উৎপন্ন হুইয়াছিল । শুনিয়াছি মিনৰ্বা ( minerva) দেবী রূপীেবনে স্বশোভিতা ও অস্ত্রশস্ত্রে মুসজ্জিত হইয়া যুদ্ধনিনাদ করিতে করিতে জুপিটারের মস্তক হইতে উৎপন্ন হইয়াছিলেন। চতুৰ্ব্বর্ণের উৎপত্তিও কি এই ভাবেই কল্পনা করিয়া লইতে হুইবে ? ব্রাহ্মণগণ কি আচাৰ্য্যবেশে ব্ৰহ্মার মুখ হইতে নির্গত হইয়াই মন্ত্রোচারণ করিতে আরম্ভ করিয়াছিল ? ক্ষত্ৰিয়গণও কি বৰ্ম্মচৰ্ম্ম ও ধনুৰ্ব্বাণ সহ উৎপন্ন হইয়া বলিয়ছিল "যুদ্ধং দেহি, যুদ্ধং দেহি ?” বৈশুগণ কি ৷ লাঙ্গলসহ জন্মগ্রহণ করিয়াই হলচালনত্রতে ব্ৰতী হইয়াছিল ? শূদ্রগণও কি ভূমিষ্ঠ হইবা মাত্রই অপর তিনবর্ণের সেবা মনোনিবেশ করিয়াছিল ? পুরাণের টীকাকারগণ এ সমুম্বর প্রশ্ন উত্থাপন করেন নাই, সুতরাং এবিষয়ে আমাদিগকেই একটা মীমাংসা করিতে হইতেছে। যদি বল মানবসৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গেই জাতুিভেদের সৃষ্টি হইছে, তাহ হইলে পূৰ্ব্বোক্ত সমুদয় কথাই স্বীকার করিয়া লইতে হয়। তুমি হয় ত বলিবে, সেকি কখন হয় ? জন্মগ্রহণ করিয়াই কি কেই মন্ত্রোচারণ করিতে পাবে ? শিশুর পক্ষে কি সংগ্রামে প্রবৃত্ত্ব হওয়া সম্ভব ? নব্যদলের সকলেই এই কথা বলিয়া থাকে। আজকালকার লোকে স্বল্প বিশ্বাস করিতে পারিতেছে না যে, সৃষ্টির প্রারম্ভ হইতেই জাতিভেদ চলিয়া আসিতেছে। যদি বল সৃষ্টির সময় জাতিভেদের কোন চিহ্ন লইয়া মানব জন্মগ্রহণ করে নাই, কেবল ভিয় ভিন্ন প্রকৃতি লইয়া ভূমিষ্ঠ হইয়াছিল ; শৈশবকাল অতিবাহিত হইবার পর যখন ইহার কার্যাক্ষেত্রে প্রবেশ করিল, তথম ইহানের প্রকৃতি প্রকাশিত হই। পড়িল, যাহার যেমন প্রকৃতি, যে সেই প্রকৃতির অনুরূপ কাৰ্য্য বাছিয়া লইল । এখানে অস্বীকার করা হইতেছে। এই জাতিভেদ সংস্থাপিত হইতে ২াও বৎসর লাগিয়াড়ে, না ২/৩ সহস্ৰ কিশ্ব ২৩ লক্ষ বৎসর লাগিয়াছে তাহ পরে বিবেচিত হইবে । জাতিভেদের উৎপত্তি বিষয়ে শাস্ত্রে হার একটী মত 3 : "ইহুলোকে বস্তুতঃ বর্ণের ইতর থিশেষ নাই, এই জগৎ ব্রাহ্ম (-বন্ধিময় ) : পূৰ্ব্বে ভগবান ব্ৰহ্ম হইতে স্বল্প হইয়৷ ক্ৰমে ক্রমে কাৰ্য্য ধারা ভিন্ন ভিন্ন বর্ণে পরিগণিত গুইয়াছে। ন বিশেধেtহুপ্তি বর্ণীনাং সৰ্ব্বং স্ত্রীক্ষমিল্ল শ্লগ২ ব্রহ্মণ পুৰ্ব্ব স্বস্টং হি কৰ্ম্মভি বর্ণতা: খতম্। BB BBBB BBBB BBB BBBB BBS BBBBBBS BDD BB BB BBBS BBB BBBB BBBB BBBS BBBB BB BBBS BBB BB BBBt BBBB BBBBD C BBBD DDDDD কলিয়াছে, তাছার স্বৈস্তৃত্ব প্রাপ্ত হুইয়াছে। যাহার। তমোগু৭ প্রভাবে হিংসাপরতন্ত্র, লুব্ধ সৰ্ব্বকৰ্ম্মোপজীবী, মিথ্যাবাদী ও শৌচত্ৰষ্ট হইয়াছে, তাহার শূদ্ৰত প্রাপ্ত চইয়াছে। এই প্রকার কৰ্ম্মম্বারাই দ্বিজ্ঞগণ পৃথক পৃথক বর্ণলাভ করিয়াছে।” - মুহাম্ভারত,শাস্তুিপৰ্ব্ব ১৮৯। অর্থাৎ স্মৃষ্টির সময়ে কেবল ব্রাহ্মণইজন্মগ্রহণ করিয়াছিল । পরে গুণ ও কৰ্ম্মভেদে ব্রাহ্মণগণুই বিভিন্ন জাতিতে বিভক্ত হইয়াছে। বাহারা সত্ত্বগুণোপেত তাহারাই ব্ৰাহ্মণ । আর যাহারা সত্ত্বগুণ পরিত্যাগ করিয়া রজোগুণসম্পন্ন হইয়াছে তাহারা ক্ষত্রিয়াদি জাতিতে পরিণত হইয়াছে । এ মত সম্পূর্ণ আদার্শনিক। সত্ত্বগুণই যাহদের প্রকৃতি যুজে ও তমোগুণ তাহাঁদের মধ্যে কি প্রকারে প্রবেশ করিবে ? পাপপ্রবণতা লা থাকিলে মানুষ কথন পাপী হইতে পারে না । সুতরাং সত্ত্বগুণময় ব্রাহ্মণগণ যে ভ্ৰষ্ট হষ্টয় শূদ্রাদি নীচ জাতিতে পরিণত হইবে, ইহা স্বীকার করা যায় না। আর পূৰ্ব্বেই বলা হইয়াছে যে, ব্রাহ্মণত্বের চিহ্ন লইয়া কেহ ভূমিষ্ঠ হইবে ইহাও অসম্ভব। জন্মগ্রহণ করিব মাত্রই লোকে যন্ত্রেচারণ করিবে বা বাড়ী বাড়ী পূজা করিয়া বেড়াইবে ইহা কেহ স্বীকার করিতে পারে মা ৷ তবে জাতিভেদের উৎপত্ত্বি হইল কি প্রকারে ? ইহু বুঝিতে হইলে সভ্যতার উৎপত্তি বিষয়ে আলোচনা করিতে বাহুল্য না চইলেগু কৰ্ম্মবিভাগের আবশ্বকত হয় না। এই কৰ্ম্মবাহুল্য সভ্যতার একট লক্ষণ। কিন্তু মানুষ সভ্যতা লষ্টয়া জন্মগ্রহণ করে নাই। মানব যখন প্রথম ভূপৃষ্ঠে আবির্ভূত হইয়াছিল, তখন সমাজ গ্রাম নগর ইত্যাদি কিছুই ছিল না। বিধাতার প্রসাদে মানবই এসমুদয় শুষ্টি করিয়াছে । > || আদিম মনুষ্য ও জাতিভেদ I সভ্যতার চারিটি স্তর। প্রথম স্তরের মাম্বধ সৰ্ব্ববিষয়েই প্রায় পশুবৎ আচরণ করিত । ক্রণের বাল্যাবস্থায় যেমন মানব ও পশুতে বিশেষ কোন পার্থক্য লক্ষিত হর না,সভ্যতার শৈশবকালেও তেমনি মানব ও পশুতে কোন পার্থক্য ছিল না । পশুপক্ষী যেমন সৰ্ব্বদাই আহার অন্বেষণে ব্যস্ত থাকে, আদিন যন্ত্রকেও সেই প্রকার খাদ্যসংগ্রহের জন্তু বাস্ত থাকিতে হইত। অযত্নপ্রস্থত কলমুলই ইহুদিগের একমাত্র আহাৰ্য্য ছিল। ইহারা ধনুৰ্ব্বাণ লইয়া জন্মগ্রহণ করে নাই দে যুগয়া দ্বার স্ট্রীবনধারণ করবে। আর ধন্থৰ্যাণ থাকিলেই যে লক্ষ্যভেদ করা যায় তাহ লহে ; ইহা শিক্ষা করা বড় আয়াস ও পরিশ্রমসাধ্য। লোষ্ট্রাদি নিক্ষেপ করিয়াও যে দুই একট প্রাণীবধ করিবে ইহাদিগের এ ক্ষমতাও ছিল না। আর দুরস্থিত প্রাণীকে যে বধ করা যায়, এ জ্ঞানলাভও সময় ও বহুদর্শনসাপেক্ষ। সুতরাং দেখা যাইতেছে যে, ফলমূল ভিন্ন আদিম মন্ত্রন্থের অন্ত কোন আহাৰ্য্য ছিল না। কল্পনার চক্ষে ফলমুলাহারীর জীবন সুখকর হইতে পারে, কিন্তু কাৰ্য্যগত জীবনে ইহা অপেক্ষ কষ্টকর ও অনিশ্চিত অবস্থা আর থাকিতে পারে না। প্রকৃতি দেবী সহজে আহরোপযোগী ফলমূল প্রদান করেন না, ইনি মানবের নিকট কিছু অপেক্ষা করিয়া থাকেন। কিন্তু আদিম যুগের মানুষেৰ সমুদয় ক্ষমতাই অপরিস্ফুট ছিল স্বতরাং ফলমূলোৎপাদন বিষয়ে মানুষ প্রকৃতিকে কোন সাহায্যই করিতে পারে নাই, এই জন্তই এসময়ে আহাৰ্য্য অত্যন্ত দুষ্প্রাপ্য ছিল। যাহারা আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা কিম্ব এসিয়া প্রদেশের বন্যভূমির