পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/৩৫০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Sసెa - - (ই) এই শিরের বিবিধ বিভাগে একই বিষয়ে অপর দেশে কি প্রকারে উন্নতি সাধিত হইয়াছে তাহলে আলোচনা তথা ও অতিজ্ঞগণের মত সংগ্ৰহ } (উ) প্রথমে জাপান যে পথ অবলম্বন করিয়াছিল - তদনুবত্তী হুইয়া বাঙ্গালোর নিবাসী অধ্যাপক শভূশিব আইয়াকুর মত ব্যক্তিকে খনিক", পৃনিবিদ্যা, ও তৎসম্বন্ধীয় আইনকামুন শিক্ষা করিবার জন্য দেশবিদেশে পাঠান। (খ) জনসাধারণের তাষায় স্বলভ পুস্তকাদি রচনা ; কথকতারচ্ছেলে উপদেশ ও শিক্ষাদান, প্রদর্শনী স্থাপন এবং তথায় সংগৃহীত মালমসলার বিবরণ এবং বহু দর্শন ও অম্বসস্থানের ফল সাধারণে প্রচায় করিবার ব্যবস্থা করা। (৯) ধাতুতত্ত্ব ও খনিবিদ্যায় বিবিধ বিষয়ে দেশের লোককে সৰ্ব্বদা জ্ঞাত রাখিবার জন্ত এবং সকলের সহায়ভূতিলাভের উদেখে নিশিল্পবিস্ত বিষয়ক পত্রিক প্রকাশ ও - SSAAAS S S S S S S S S S S S .دميمي | - - বিদ্যালয় স্থাপন । -- - ভারত গবৰ্ণমেণ্ট এই বিষ্ঠ শিক্ষার উপকারিত উপলব্ধি করিয়া সম্প্রতি শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে খনিবিদ্যার একটা নূতন শ্রেণী খুলিয়াছেন। ছাত্রগণ তথায় একজন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপকের নিকট শিক্ষালাভ করিতেছেন। তাহাদের উৎসাহের জন্ত এবং তাহারা যাহাতে ইংলণ্ড প্রভৃতি স্থানে গিয়া উচ্চ শিক্ষা ও পারদর্শিতা লাভ করেন তাহার উপায় স্বরূপ কতকগুলি বৃত্তি নিৰ্দ্ধারিত করিয়াছেন। ইতিমধ্যেই জ্ঞারিঞ্জন বাঙ্গালীছাত্র বৃত্তি লইয়া বর্মিংহামে খনিবিদ্যা অধ্যয়ন করিতেছেন। যুরোপ ও আমেরিকার ‘ਭਾਲ ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিষয়ক গ্ৰন্থ ভারতীয় স্কুল কলেজের পাঠ্যতালিকার অন্তভূক্ত করা বিধেয় । (এ) মূলধন থাটাইয়া খনিবিশিষ্ট স্থানে কারবাল খোলা এবং যাহারা খুলিবে তাহদের সাহায্য করা। (ঐ) ধাতুরেখা অন্বেষণকারদিগকে উৎসাহ ও সাহায্য স্নান করা । (ঙ) স্বাধীনভাবে তথ্যসংগ্রহ ও অনুসন্ধান করিয়া - বেড়ান। - (৪) প্রকৃতপক্ষে এই সকল কায্যের দ্বারা দেশের ধনবৃদ্ধি করিতে হইলে একটা মণ্ডলী স্থাপন করিয়া মণ্ডলীর নিজস্ব ধনভাওয়ে, প্রদর্শনীৰ্থই, রাসায়নিক পরীক্লাগহ প্রবাসী | | - - { ৫ম ভাগ । -l. - - প্রভৃতি রাখিতে হইবে। এই প্রকারে স্বনিয়তি কার্যপ্রণালীর অবতারণা না করিলে কিছুষ্ট হইবে না। নিজামরাজ্য, রাজপুতানা, গোয়ালিয়র, কচ্ছ, রির্ব এবং কোলাপুর প্রভৃতি দেশীয় রাজ্যের অনেক স্থানে বিবিধ দ্রব্যের আকর পাওয়া যায়। এই সকল রাজ্যের অধিপতিরও প্রজাবুলের প্রতি কৰ্ত্তব্য আছে। সেই কৰ্ত্তবায়রোধেও তাছাদের নিজ নিজ রাজ্যের খনিসমূহ খনন কৰাইয় দেশের ধনবৃদ্ধি করা উচিত। প্রত্যেক ষ্ট্রেটেষ্ট দুই একজন খনিবিছাভিজ্ঞকে এই বিভাগে উপদেষ্ট স্বরূপ নিয়োগ কল্প কৰ্ত্তব্য। তাহদের তত্ত্বাবধানে জরীপ, পরীক্ষা প্রভৃতি কাৰ্য্য চলিবে। তারত গবর্ণমেণ্ট এ বিষয়ে যতদুর সাহায্য করিতে সক্ষম, দ্রেণীর রাজা ও রাজন্তবর্ণযে তদপেক্ষ অনেক বেশ সহায়তা করিতে পারেন, তাহার নিজ নিজ য়াজ্যে অমুকুল নিয়ম সকল প্রচলন করিতে এবং উৎসাহ, অর্থ ও সুবিধাদানে দেশীয় ধনবৃদ্ধির পথ উন্মুক্ত করিতে পারেন, তাছাতে কোনই সন্দেহ নাই। কৃতজ্ঞতাভাজন রাও বাহাদুর জি, ভি, জোৰী মহাশয় ভারতীয় নিশিল্প সম্বন্ধে বহু পরিশ্রম স্বীকার করিম বিবিধ তথ্যপূর্ণযে অমূল্য সুদীর্ঘ পুস্তিক ইংরাজীতে লিখিছেন, প্রযাগীর পাঠকগণের জন্ত তাহারই মৰ্ম্ম এস্থলে লিখিত হইল । কিন্তু যাহারা ইংরাজী বুঝেন এবং সংগ্ৰহ করিতে পারবেন, তাহাদিগকে আমরা মূল প্রবন্ধটি পাঠ করিতে অনুরোধ করি । ঐজ্ঞানেন্দ্রমোহন দাস । - হাতের তাত । বড়োদা সংস্থানের ডিরেক্টর অব এগ্রিকচার এও, ইন্‌ষ্ট্ৰ প্রযুক্ত রাওলী বি. পাটেল, এম আর এ মি. মহোদয় হাতের তাত সম্বন্ধে বলেন –কোন দেশে বা কোন জাতির মধ্যে বয়নশিল্প প্রথম উদ্ভাবিত হইয়াছিল তৎসম্বন্ধে কিছু মতভেদ আছে। খুব সম্ভবতঃ প্রত্যেক প্রাচীন দেশেই অন্যান্য দেশের সাহায্য ব্যতিরেকে এই শিল্পের আবির্ভাব হইয়া থাকিবে। ভারতীয় হাতের তাতের অবস্থা বর্তমানেও পে তিন সহস্ৰ বৎসর পূৰ্ব্বেও তদ্রপই ছিল; অথচ কলের ৫াতের সহিত প্রতিযোগিতা করিয়াও ইহা গোপ ” ...। ১১শ সংখ্যা } হাতের র্তাত । - చిన) - ------ --- ----- --- -- BB BD BBS BB BB BBBB BBBB B BBBBBBS BBB BB BB BBBB BB BBB BDDS B BBBBB সাপেক্ষ উপায়সমূহ এখন অবলম্বিত হওয়ায় কলের তাতে উৎপন্ন দ্রব্যজাত যেরূপ দ্রুতগতিতে ভারতের অভ্যন্তরস্থ সুদূর পল্লীগ্রামে পর্যান্ত প্রবেশলাভ কবিতেছে তাঙ্গতে ভারতের হাঁতের তাতগুলির উন্নতিসাধনকল্পে কোন উপর অবলম্বন না করিলে, পাশ্চাত্য দেশসমূহের হাতেব তাতের স্থায় ভারতীয় হাতের তাতের অস্তিত্বলোপ ও অবশুঞ্জাবী। ভারতীয় তাতীর কাপাসবন্ধের সহিত লেশমা ও পশমী কাপড় চোপড় ও বুনিয়া, থাকে। কিন্তু কাপসিবক্সের বয়নশিল্পষ্ট সৰ্ব্বাপেক্ষ অধিকসংখ্যক তাতাল উপজীবিক । কাজেই ইহার উন্নতিসাধনেই সৰ্ব্বপ্রথমে আমাদের মনোযোগ দেওয়া উচিত। আমিও এই সম্বন্ধেই কিছু বলিব। ১৯০১ সনের আদমশুমারীর গুণন অকুসারে ভারতে এখন প্রায় ২৭ লক্ষ ভঁাতী তুলার কাপড় চোপড় তৈয়ার করিয়া থাকে। পূৰ্ব্ব পূর্ব আদমশুমারীতে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের তাঁতীদের নামকরণের কোনও একটি নির্দিষ্ট প্রথা অবলম্বিত না হওয়ায় গত দশ বিশ কিংবা ত্রিশ বৎসরে উাতীদের সংখ্যা কিরূপ হাসপ্রাপ্ত হুইয়াছে তাহ নিৰ্দ্ধারণ করা স্বকঠিন । মধ্য-প্রদেশের পঙ্কনামক তাঁতীদের বাদ দিলে ইহা বলা বাইতে পারে যে, ১৮৯১ ও ১৯০১ সনের মধ্যে তত্ত্ববায়দিগের সংখ্যা (অন্তান্ত শিল্পীদের সহিত তুলনা করিলেও এই বিষয়ে আঁতীদের অবস্থাই ভাল বলিতে হইবে ) বিশেষ কনে নাই। উক্ত পঙ্কদের কিন্তু শতকরা ১৫ জন কমিয়াছে ; ইহার মধ্যে দুর্ভিক্ষরক্ষিসের কবলে গিয়াছে শতকরা ৯ জন। পঙ্কদের মধ্যে শতকয়া ২৭ জন ব্যতাভ অপর সকলেষ্ট পৈতৃক ব্যবসায় ছাড়িয়া দিয়াছে। ইহার পর বঙ্গদেশের অবস্থাই শোচনীয। বাংসার তাতীদের শতকরা ৩৮ জন ব্যতীত সকলেই জাতীয় ব্যবসায় ছাড়িয়াছে । বোম্বাই প্রদেশে বৈদেশিক দ্রুয্যঞ্জাত ও কলচালিত তাতের প্রবল প্রতিযোগিতা বর্তমান থাকা সত্ত্বেও তন্তুবায়গণের দুই ক্টাংশ পৈতৃক ব্যবসায়ই অবলম্বন করিয়া আছে। কোঠ নামধেয় মধ্য-প্রদেশের তন্তুবায়গণই এ বিষয়ে সকলকে পরাজয় করিয়াছে। এখনও তাহীদের শতকরা ৭৩ জন জাতীয় ব্যবসায় পরিত্যাগ কবে নাট । এ দেশে হাতের তাতে কি পরিযাণ কাপড় চোপড় ভারতীয় বাণিজ্যের অবস্থা পৰ্য্যালোচনা করিয়া ১৯৯৪-৯৫ সনের যে বিবরণ প্রকাশ করিয়াছেন, তাঙ্গ হইতে জানা যায় যে ভারতে কলে যে পরিমাণ কাপড় চোপড় উৎপন্ন হয়, হাতের ঠাতে তাতার দ্বিগুণ পরিমাণ উৎপন্ন হইয়া থাকে। মোটামুটি হিসাবে এই গণনা ঠিক এবং এই হিসাব মতে ১৫০ কোটি গজ কাপড হাতের তীতে উৎপন্ন হয়। বদি ধরিয়া লওয়া যায় যে, উক্ত ২৭ লক্ষ তাতী বৎসরে ৩ee দিন থাটে, তবে প্রতি জন এক দিনে ৫০ ফুট কাপড় বুনে। কাজেই অবস্থা যতদূর শোচনীয় হইতে পারে তাঁহাই। ব্যাপারটা আর এক দিক্ দিয়া একটু বুঝিবার চেষ্টা করা বাউকৃ। ১৯০৪-০৫ সনে ভারতে ২১৮ কোটি গজ কাপড়ের আমদানী হইয়াছে ; ভারতীয় কলে উৎপন্ন হইয়াছে ৬৭ কোটি গজ। এই মোট ২৯৫ কোটি গজ হইতে দেশাস্তরে রপ্তানী হইয়াছে প্রায় ১৭ কোটি গজ। ইহা বাদ দিলে, ২৭৮ গজ কাপড় ভারতেই ব্যবহৃত হইয়াছে বলিতে হইবে। ভারতের লোকসংখ্যা ২৯ কোটি। ভারতবাসীরা যেরূপ গরীব তাঁহাতে জন প্রতি বৎসরে ১৫ গজের বেশী কাপড় ব্যবহার করে না । কাজেই বৎসরে ৪৪২ কোটি গজ কাপড় ব্যবহৃত হয়। ইহা হইতে উক্ত বিপেগত ও কলোৎপন্ন ২৭৮ গজ বাদ দিলে বাকী ১৬৪ গজ কাপড়ই ২৭ লক্ষ তাতী দ্বারা হাতের তাতে উৎপন্ন হইয়াছে। অতএব এই হিসাবেও দেখা যায় যে, একজনে এক দিনে ৬ ফুটের যেৰ্শী কাপড় বুনে না। আদমসুমারীর গণনানুসারে উর্তীদের অৰ্দ্ধেক লোক কাপড় বুনে ও অপরাদ্ধ অন্নধ্বংস করে মাত্র । এই গণন হইতে ইহাও জানা যায় যে, ভারতে প্রতি পরিবারে গড়ে ৪ জন লোক আছে। অতএব গড়ে প্রতি তত্ত্ববায় পরিবারে দুই জন কাৰ্য্যকারী লোক আছে। এই দুই জনের এক জন মাত্র বয়নকার্য্যে ব্যাপৃত থাকে, তাহার সহচরী মাকুর নলীতে স্থত। জড়ায়, যখনই দরকার হয় তখন টানা, যোগায়, বয়নকারীকে ‘ব’ (heald ) ও শানার ( rced ) ভিতর দিয়া চালাইয়া টান সাজাইতে সাহায্য করে ও অন্যান্স কাজ করে । টান প্রস্তুত করা ও মাড় দেওয়ার কাজ সাধারণতঃ স্বতন্ত্র লোকে করে। টানা সাজাইতে দুই জনের প্রায় ২॥ - _