পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/৩৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Jeb-4 গবৰ্ণমেণ্ট বিদেশী গবর্ণমেণ্ট যে কথন এত ছাত্র নিজ বায়ে বিদেশে পাঠাইলেন, তাহা স্বপ্নেও ভীলা উচিত নয়। আমাদের নিজের চেষ্টায় যাইভে তইযে । কিন্তু সে পথে জাতি যাইবার ভয় আছে । এষ্ট জাতি বাওয়া পদার্থটি বুঝ বড় শক্ত। জাহাজে সমুদ্রপথে বন্মায় গেলে জাতি যায় না, মাঞ্জাজ গেলে জাতি যায় না, সিংহল গেলে জাতি যায় না ; কিন্তু জাপান, ইউরোপ, তামেরিকা গেলে জাতি যায় । ঘরে বসিয়া নিষিদ্ধ পানীর ও খাদ্য উদরসাৎ করিলে * জাতি যায় না, বিদেশে তজ্জন্ত জাতি যায়। যে নিজের খাওয়াদাওয়া সম্বন্ধে সত্যবাদী ও সত্যাচারী, তাহার জাতি যার ; যে তদ্বিষয়ে মিথ্যাবাদী ও ভও, তাহার জাতি থাকে। অস্থিচূর্ণের সাহায্যে পরিষ্কৃত লবণ ও চিনি থাইলে জাতি যায় না। নানাজাতীয় ও নানাধক্ষ্মী লোকদের খুথ-ও-অরমও-সহযোগে নিৰ্ম্মিত চুরুট ও সিগারেট থাইলে জাতি যায় না। অসচ্চরিত্র হইলে জাতি যায় না। জেলে গেলেও জাতি যায় না। কিন্তু বিদ্যাশিক্ষার জন্য বিদেশে গেলে জাতি যার। ঘোরতর অপরাধী আওামাল হইতে ফিরিয়া আসিলে সেও জাতিতে থাকিতে পারে। কিন্তু বিদেশপ্রত্যাগত বিদ্যার্থীর জাতি যায়। গো মহিষ ছাগল বিড়ালাদির ক্টোয়, এমন কি উচ্ছিষ্ট, জিনিষ খাইলে জাতি যায় না। কিন্তু মনুষ্যবিশেষের ( এমন কি জ্ঞানী সচ্চরিত্র মনুষ্যেরও) পূষ্ট কিছু থাইলে জাতি যায়। স্বতরাং বলিতে হইবে যে ঐ সকল ইতর প্রাণী অপেক্ষা মানুষ নিকৃষ্ট ! যাহা হউক, ইছা অবান্তর কথা । জাপানীরা যেমন নান বিজ্ঞান ও শিল্প বাণিজ্যাদি শিখিবার জন্য বিদেশ গিগাছিল, আমাদিগকেও তেমনি যাইতে হইবে ; কেবল ব্যারাষ্টরী ও সরকারী চাকরীর জন্ত গেলে চলিযে ন। স্বদেশে ফিরিয়া আসিয়া কি খাইব, ইহা ভাবিলে চলিবে না। যুবকগণকে বলি, অকালে বিবাহ করিয়া যায়প্রস্ত হইও না , বিদেশে যাও ; বিদ্যা আহরণ করিয়া আন ; এক একথান ধুতি ও একমুঠ ভাতের অভাব হইবে না ; তাহার বেশ কিছু চাহিও ল) ; স্বদেশের জন্য এই তপশ্চা করিয়া গছ ২৪। কত জাপানী যুৱক আমেরিকায় গিয় মাঠে মজুী করিয়া, মুদ্ধির দোকালে কুলিগিরি করিয়া, হোটেলে ধাসন মাঙ্গিয়া, সন্ধ্যায় মিউনিসিপলিটব য়াস্তার প্রবাসী । [ ৫ম ভাগ । লষ্ঠল জালিয়া টাকা রোজগাব করিয়া লেখাপড় শিথিয়াছে। " তবেত জ্যপান এত বড় হইয়াছে। “জাপান প্রাচfজাতি, আমরাও প্রাচ্যঞ্জাতি ; অতএব জাপানের গৌরবচ্ছটায় । আমরাও উদ্ভাসিত হুইতেছি" ; এই ভাবিয়া আরামে নিদ্রা গেলে কি হইবে ? ঘরের কোণে বালিকাবধূর অঞ্চল ধরিয়া প্রেমের অভিনয় করিয়া কি কেহ কথনও মঙ্গস্থলাভ কবিয়াছে ? চাণক্য । মুদ্রাবাক্ষসে বিশাপলন্ত চাণকের যে চিত্র প্রধান করিয়াছেল, তাই কুটিল রাজনীতির একখানি ঞ্জাবস্ত আলেখ্য। চাণক্য সম্বন্ধে অনেক ঐতিহাসিক প্রবাল এড়চ্চেশে প্রচলিত ছিল, বিশাখস্বত্ত সেই প্রবাদকে ঢাকা-চরিত্রের ভিত্তিস্বরূপ দাড় করান নাই ; তাঙ্গর প্রবল কল্পনাশক্তি পেষ্ট সকল প্রচলিত প্রবাদগুলিকে সামান্ত উপলক্ষে পরিণত করিয়া চাণক্যের প্রতিভা এক স্বতন্ত্র ক্ষেরে গড়িয়া তুলিয়াছে । প্রবাদগুলির দুই একটি এখানে উল্লেখযোগ্য কুশ কণ্টকে পদ গত ইষ্টয়াছিল, এইজন্ত প্রতিহিংসেন্ধু চাণক্য ২য় সংখ্যা । ] s o

চাণক্য । &సి আশ্রয় করিয়া চন্দ্রগুপ্তের বিপক্ষতার উদ্ভূত। চাণক্য চিন্তা করিয়া স্থির করিলেন, রাক্ষসকে চন্দ্র গুপ্তের পক্ষভুক্ত করিতে না পারিলে গুপ্ত-সিংহাসন একান্ত নিৰ্ব্বিল্প হইতে পারে না, মৃতরাং রাক্ষসকে বশীভুত করা চাই। নাটকের মুপম্বন্ধে বিশাশ্বদন্তু চাণকের মুখে এই অভিপ্রায় য্যক্ত করিয়াছেন, কিন্তু তাঁহা কোন পল্পবিত বক্তৃতা দ্বারা গুরুতররূপে স্বম্পষ্ট করিয়া তুলেন নাই। সপ্তম অঙ্কের শেষ পৰ্য্যন্ত পৌঁছিলে পাঠক বুঝিতে পরিবেন, নাটক খানি আদান্ত এই অতিসন্ধিটি বিকাশ করিয়াছে। পাঠক সেই উচ্চেগুটি প্রথম হইতেই বিশেষভাবে লক্ষা করিলে শেষাঙ্কে এরূপ চমৎক্লত হইতেন না,–গুঢ় নাট্যশিল্প উদ্দেগুটি ঈষৎ মাত্র ব্যক্ত করিয়া তাহা নাটকীয় সমস্ত কাৰ্য্যের অভ্যস্তরে লুক্কারিত লাধিয়াছে, অথচ তাহার বিকাশে তিলমাত্রও ক্রটি হয় নাই। প্রচলিত উপকরণগুলি বিশাখদন্তু আশ্রয় করেন নাই,— তাহার কারণ এই যে মুদ্রাক্ষসে চাণক্য-নীতি অবিকাংশ স্থলেই শক্রর অবলম্বিত নীতির মধ্যে আপনাকে সার্থক করিয়াছে। যে নীতি উদ্দিষ্ট পথে পৌছবার জন্ত নান উপায় আশ্রয় করিয়া কৃতকাৰ্য্য হয়, তাহা প্রশংসনীয়, কিন্তু তদপেক্ষা প্রশংসনীয় সেই নীতি যাহা নিজে কোন পন্থা প্রাস্তরব্যাপী কুশমূলে তক্র ঢালিয়া তাহ নিঃশেষ করিতে T. চেষ্টত ছিলেন। মহারাজ নন্দ কর্তৃক অপমানিত হইয়৷ খুজিয়া লয় না, শত্রর নীতিকে নিজের উড়িষ্ট লক্ষে প্রতি তিনি মুক্ত শিথীয় হস্তক্ষেপ পূৰ্ব্বক সৰ্ব্বসমক্ষে শপথ করিয়া- করিয়া তহি বিফল করে এবং সেই বিফলতার মধ্যে আপন ছিলেন–নন্দবংশ ধ্বংস না করিয়া শিগাবন্ধন করবেন না। সফলতার ভিত্তি সম্যকরূপে গড়িয়া তুলে। চাণক্য নানা এই সঙ্কল্লামুসারে তিনি অভিচারাদি প্রক্রিয়ার দ্বারা নন্ম- উপারে নন্দকুল ধ্বংস করিতেছেন—তাঙ্গ বর্ণনা করিতে পরিষায় ধ্বংসের মুথে প্রেরণ করেন ; নন্দবংশেল শেষরাজা হইলে কবিকে চাণক্যের উদ্দেশুকে সুস্পষ্ট করিয়া, পন্থাগুলিকে সৰ্ব্বার্থ-সিদ্ধি চাণকের ক্রোধ ইষ্টতে নিরাপত হইবার জন্ত । স্বনিদিষ্ট করিয়া দেথাইতে হইত। কিন্তু র্যক্ষস-মন্ত্রী চন্দ্রBBBBBB BBttBBBS BBBBB BB BBBDD DDDDS SSSSSS BBB BB BBB BBB B BBB BB B অদ্য কোন নাটককার এই বিচিত্র ও গুরুতর উপকরণ- পাইতেছেন-চাণক্য কৌশলক্রমে সেই উপায়গুলির মুখ গুলি হাতে পাইয়া ইহাল দ্বারাই চাণক্যের চরিত্র গড়ি৷ * উণ্টাইয়া দিয়া রাক্ষস ও উহার স্বঙ্গদবর্গকে বিদ্ধ করিতেছেন তুলিতেন, কিন্তু বিশাখদৱ তাহ করেন নাই ; এই সকল f –নিজে শুধু আত্মরক্ষা করিয়া কণ্টক স্বাব কটক উন্মোচন প্রবাদের কিছু আলো যে তদন্ধিত চিত্রে আসিয়া না পড়িয়াছে । * করিতেছেন-এই ব্যাপার বর্ণনায় কবি কুটিল রাজনীতিকে এলল লঙ্কে, কিন্তু ঈষ্ঠ স্থার সেট চরিখের প্রধান অংশ- -উজ্জতব সোপানে পৌছাইয়াছেন --সন্দেহ নাই, এবং ইছাই আলোকিত হয় নাই ; যে আলোতে হার ছবি শুস্পষ্ট করিবার জষ্ঠ কবি প্রাপ্ত উপকরণ ছাড়িয়া একটু দূরে চাণকাছইয়াছে, তাe! বিশাপধৰুেপ কল্পনাপ নিজস্ব। | চরিত্রেয় ভিত্তি গড়িয়াছেন । BBBBB BB BBB BBBSBB BBB BB BBBS রাক্ষস চন্ধ গুপ্তক্ষে বধ করিবার জন্য বিষকন্ঠ প্রেরণ ভক্তিপরায়ণ রাক্ষস মন্থী মেচ্ছ যাঙ্গতনয় মণরকেতুকে শুরিলেন, কিন্তু র্যাঙ্গকে অন্তরঙ্গ সঙ্গদ জ্ঞানে এই কার্যের - - S AASAASSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSS- - - - - জন্ত নিযুক্ত করিলেন,–সে চাণকোর লুপ বিষকন্তু চন্দ্রগুপ্তের নিকট না আনিসু। সে পৰ্ব্বতেশ্বরকে প্রদান - করিল,শাসঙ্গিনীর বিষ-স্পর্শে ম্লেচ্ছ রাজা নিহত হষ্টলেন,— চন্দ্রগুপ্ত কুসুমপুরে প্রবেশ করিবেন,–মাচত বৰ্কারক, এবং ভাস্কর দারুবা তাহাকে হত্যা করিবার ভারগ্রহণ করিয়া ছিলেন,—সতর্ক চাণক্য যে উপার অবলম্বন করিপ্লাছিলেন, BBBB BBBB BB BB DDB BBBBBBSBBBB BB হইলেন, উক্ত দুই গুপ্তচর স্বীয় জালে ধৃত হইয়া বিনষ্ট হইল । চন্দ্রগুপ্তের শয্যাগুহে একটি ছিদ্রমুখে পিপীলিকাসমূহ অণুকণী লইয়া বাহির হইতেছে দেখিয়া সন্দিগ্ধ চাণক্য সেই গৃহে অগ্নি প্রদান করেন । গৃহনিম্নে বিবরে লুকায়িত ষড়যন্ত্রকারিগণ সেই অগ্নিতে ভস্মীভূত হইয়া যায়। বৈস্তু অভয়দত্ত চন্দ্রগুপ্তকে বিষ দেওয়ার জন্য নিযুক্ত হইয়া স্বর্ণপাত্রে যে পানীর প্রদান করেন, তাহলে বর্ণান্তর লক্ষ্য করিয়া চাণক্য সেই পানীয় বৈড়রাজকে স্বয়ং পান করিতে যাধা করেন। অভয়দত্ত এষ্ট ভাবে মৃত্যুমুথে পতিত হইলেন । চন্দ্রগুপ্ত ও চাণক্যের মধ্যে বিরোধ জন্মাইবার চেষ্টার রাক্ষস কতকগুলি মাগধী বন্দীকে নিযুক্ত করিয়াছিলেন। চাণক্য প্রকাশ স্থলে চন্দ্রগুপ্তের সঙ্গে বিরোধেল অভিনয় করিয়া দেখাইলেন, রাক্ষসের ষড়যন্থ সার্থক হইয়াছে। কিন্তু এই বিরোধ সম্পূর্ণ মিথা, অথচ এতদুপলক্ষে যে ফল দাড়াইল তাহাতে মলয়কেতুর সঙ্গে ব্রাহ্মসের প্রকৃত মনান্তর হইয়া গেল । স্বতরাং দেখা বাইতেছে যে চাণকঃনিজে অঙ্গপ্রয়োগ না করিয়া রাক্ষসের নিক্ষিপ্ত অস্ত্রকে রাক্ষসের বিরুদ্ধে প্রক্তিক্ষেপ করিতেছেন-এইরূপ বর্ণনার লক্ষ্যের প্রতি অতিন স্থায় আনুগত্যের দরুণ ঘটনাগুলিকে কতকটা বিসদৃশ করিয়া ভুলিবার আশঙ্ক থাকে, কিন্তু যিশাখদন্ত্রের কল্পনা ও বর্ণনাশক্তি এমনই পরিপক্ষ যে ঘটনাগুলি সৰ্ব্বত্র নিখুঁত ; যাহারা গৃঢ় ভাবে নাট্যশিমের পরীক্ষা না করিবেন, তাহদের চক্ষে কবির উদেখ এড়াইয়া বাইবে—অথচ গল্পপীঠের ভুপ্তির কোন ব্যাঘাত হুইবে না । পূৰ্ব্বেই উক্ত হইয়াছে চাণক্য ব্লাক্ষস-মন্থীর স্থাৎ শকপক্ষকে ধ্বংস করিলাল জন্য বিবিধ প্রকাশ নীতি অবলম্বন করেন নাই,--তিনি শুধু চরনিয়োগ করিয়াই ফাস্ত ছিলেন।