পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/৩৬৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


영이 . o --Info-farmerBot (আলাপ) আপনার সদয় সেবায়ু পরিবর্তে আমি রূঢ় ব্যবহার করিয়াছি, আপনিও আমায় ক্ষমা করিবেন"। সলিভান হাসিয়া ভদ্রলোকটির করকম্পন করিয়া বলিলেন, “প্রকৃত খৃষ্ঠানের মত পরের নিগ্রহ আপনি সহ করিয়াছেন । আপনার মহন্ধে আমি বেলেস্তারের জালা হইতে নিষ্কৃতি পাইয়াছি ; অতএব, আমুন আজ হইতে আমরা বন্ধু হই"। সেখানে হান্তরগুপ্তের তুফান উঠিল। নিন যে একটা চুম্বন বাজেশ্বরচ করিয়াছিলেন, তাহা সৰ্ব্বস্থানকালের জাগ্ৰতপ্রহরী অন্তর্যামী ছাড়া আর সকলের অজ্ঞাতই রহিয়া


Info-farmerBot (আলাপ) ১৪:৩৩, ২১ মে ২০১৬ (ইউটিসি)

গেল। কবি অন্তৰ্য্যামীর বাচাল গুপ্তমী, অজ্ঞাত কাহিনী । বিজ্ঞাত করাই তাহার ব্যবসা ! ' . ঐচারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। - প্রয়াগে কুম্ভমেলা । আমি বোধ হয় দেখাইয়াছি যে ভোগবাসন পরিতৃপ্তি করিবার জন্য জীব জগতে আসে। যে পৰ্য্যস্ত সকল প্রকারের ভোগবাসনা নিঃশেষে পরিতৃপ্ত না হয়, সে পৰ্য্যন্ত তাহার বন্ধন অবশুম্ভাবী। সুতরাং এখন এক কথার বলা চলে, এই বাসনা সকল আমাদের জন্ম-মৃত্যুরূপ মহাবনের কারণ। বন্ধন মুক্ত হইবার জষ্ঠ দুই প্রকারের বিধি আছে। এক “বিচার,” দ্বিতীয় “বিচারসহিত ভোগ " প্রথমটা মানসিক ব্যাপার, দ্বিতীয়টা মানসিক ও শারীরিক . মিশ্রিত। একটী ক্ষুদ্র দৃষ্টান্ত দিয়া এই দুই বিধির প্রয়োগ বুঝাইব । মনে করুন আমার পরপীড়ক অত্যাচারী (Tyrants) রাক্ষসপ্রকৃতি লোকেয় নাম শুনিলে গায়ের রক্ত ফুটিতে থাকে, কোথার হাতিয়ার আছে খুজিতে আরম্ভ করি। বিচার করিতে আরম্ভ করিলাম, মানুষ কেন অত্যাচারী হয় ? সে কেন বুঝে মা যে তাহাকে পীড়ন করিলে সে কি করিত ? তাহার ত ছেলে, বন্ধু, আত্মীয় স্বজন আছে তাঁহাদের কাছে সে কত দয়ালু, কেমন শাস্ত : লোকে পরপীড়ন করিয়া অর্থবলের, শারীরিক ও মানসিকবলের অপব্যবহার করে কেন ? কোন উপায় কি নাই যাহাতে তাহার এই রাক্ষলভাব তাহার হৃদয় হইতে চলিয়া বায় ? আমি যদি উহাকে উহারই মত গড়ন প্রবাসী । e [ ৫ম ভাগ ।


-

কার্য আরম্ভ করি, তবে উন্থায় এবং আত্মীয় স্বজনের কত দুঃখ, কত মনঃকষ্ট 2 ওত মানুষ ; ওর মনে কি এ সব বিচার আসে না ? জগতে এমন কি কেহ নাই যে উহাকে উহার দোষ বুঝায়ু দেয়? ওক এতই অমান্থব ও কাহারও কথা শুনিবে না ? ইত্যাদি অসংখ্য প্রকারের চিন্তা-তরঙ্গ আমার মনে উদয় হঠয়া লয় হইতে লাগল এবং আমার রক্তফোটা বদ্ধ হইল। কিন্তু বিচারে সব ইচ্ছ ত নিঃশেষে চলয় খায় না । যতটা সম্ভব আমি বিচারে আমার ইচ্ছ ংঘমিত করিলাম। আমি বলিতে ভুলিয়াছি-ইচ্ছা মেটিমুট দুই রকমের বাঙ্গীয় ও পাৰ্ব্বতা। যে ইচ্ছা শুদ্ধ কেবল বিচারেয় দ্বারায় দূরীভূত হয়, সেট ব্যপায়; আর যেট কোন মতে যাবে না যে পর্যন্ত সে আপনাকে কার্যে পরিণত হইতে না দেখিবে, তাহ পাৰ্ব্বতা । সে যাবে না, কিছুতেই স্বাবে না বিচারে তাহাকে তাড়াইয়া দাও সে ক্ষণিক এদিক ওদিক ভ্রমণ কম্বিয়। আবায়ু আসিবে আবার তোমাকে বলিবে "ওগো আমি আছি আমি যাই নাই--আমাকে - তুমি বিচায়ে বশ করিয়াছ মাত্র। কিন্তু আমি যার নাই আমি বেশ সবলে আনন্দে তোমার আঞ্জাবত্তী হইয় চলিতে রাজী আছি। তুমিত আমাকে আনিয়াছ--মার্মিইত তুলি ! তুমিও যা আমিও তা আমি তোমার সঙ্গেয় সার্থী-- আমাকে কাৰ্য্যৰূপে পরিণত করিয়া তোমার সম্বে,আমার চিরবিচ্ছেদ সম্পাদন কর। তুমি খুব লোক ! আমিই সব লোককে বশ করি, হাজার হাজার রকমে মিজেত কার্য করাই, আরো দশ ভাইকে তাহাদের দ্বারা আজ্ঞা প্রতিপালন করাইয়া লই ; কিন্তু মহাশয় আমি নিজেই আপনার কাছে স্থান পাই না অপয়কে আনিব কি প্রকায়ে ? যাইহোক আপনার সঙ্গে আমার এই বন্দোবস্ত যে আপনি আমাকে আনিয়াছেন এবং আমি আপনার আভন্ন অংশরূপে বিরাজ মান ও শরীর ধারণের অণ্ঠতম কারণ ; সুতরাং কার্যের দ্বারা আমায় শেব কম্বিয় ফেলুন ; আমিও চিরবিদায় शहे !" বলিয়াছ, এই জাতীয় ইচ্ছ পাৰ্ব্বত্য। কার্ঘ্যে পরিণত ণ করলে ইহারা যায় না। প্রারব্ধ ইহাবই অন্ততম সংজ্ঞা এই জাতীয় ইচ্ছাসমষ্টির বাম জীব। সুতরাং পাৰ্ব্বত ইচ্ছ বা প্রারব্ধ কাৰ্য্যরূপ প্রকরণের দ্বারা নিঃশেষে ক্ষয় হয় বা পরিতৃপ্ত হয়। এখন যখন আমি বুঝিলাম যে স্বামার ১২শ সংখ্যা । । - SS M MM M M M S M S M S M S M S পরপীড়ক অত্যাচারী রাক্ষস প্রকৃতির লোকের নাম শুনিলে যে আমার তুর্কশীরের রক্ত টগ্‌বগ্‌ করে সেটা বাষ্পীয় ষ্টক্ষা নয় সেট পাৰ্ব্বষ্ঠা কুতরাং তখন সেটা বিচারের সঠিত কার্যো পরিণত কবষ্ট জগতের নাবতীয় ভূমি, বিজ্ঞান ও শাস্ত্রসন্মত। আমি একটা গীতা চটতে শ্লোক উদ্ধত করিব। তাহার অর্ণ স্পষ্ট। "মঞ্জ মাঙ্গত ভাবে বৃদ্ধির্যন্ত ন লিপ্যতে। হত্বাপি স ইমালোকান নায় হস্তি ন বস্থাতে” ॥ অহংকৃত ভাবের নামই বিচার না করিয়া কার্যা করা, আম বিচার সহিত যদি সমস্ত জগতের কেহ নাশ করেন তথাপি कर्ड cकन रुफ्रान् दक्ष ठन न । विEांश मश्रेिऊ करी করার নাম ভোগ। বিচার রচিত কাৰ্য্য করার নাম উপভোগ। আল একটা শ্লোকাঙ্ক মহাভারত শান্তিপৰ্ব্ব হইতে উদ্ধৃত করিব। “ন জাতু কামা: কামোপভোগেন শাম্যতে।" সুতরাং দেখা যাইতেছে শুদ্ধ কতকগুলা কাৰ্য্য করিলে হয় না। 叠 আমাদিগকে (জীবদিগকে ) সমস্ত যাসন বিচার ও ভোগ দ্বারা দূর করিতে হইবে। তবে আমরা জীবন্মুক্ত, ও দেহের আবঙ্গকতা লাশ হুইলে, বিদেহমুক্ত হইব । যদি বাস্তবিক কেহ মুক্ত হইতে ইচ্ছা করে তবে তাহাকে ইচ্ছার উপর ইচ্ছা ক্রমাগত বাড়াইয়া চলিলে চলিবে না। প্রথমে দেখিতে হইবে, বুঝিতে ইষ্টবে জানিতে হইবে যে আমার (জীবের) জন্ম কেন এবং মিভিন্ন স্বভাবসম্পন্ন জীব কোন কোন পাৰ্ব্বত্য প্রারব্ধ ইচ্ছা লইয়া ইহলোকে আসিয়াছে—এবং ইহলোক তাহার তৎতৎ প্রারব্ধ ভোগের উপযোগী কি না । বদি উপযোগী, সৰ্ব্বপ্রকারে উপযোগী হয় তৰে ত আর কোন কথাই নাই, কিন্তু যদি উপযোগী না হয় তবে উপযোগী করিতে হইবে । সৰ্ব্বপ্রকার স্বভাববিশিষ্ট জীবের সর্বাঙ্গন মঙ্গলবয় ও সৰ্ব্বত্র স্ফক্তিপ্রাপ্ত সমাজ ব্যতীত সৰ্ব্বপ্রকালের বীপীয় এবং প্রারব্ধ পাৰ্ব্বত্য ভোগবাসনার নিঃশেষ হইবার সম্ভাবনা নাই। যদি বিচার এবং ভোগের দ্বারা জীবন্মুক্ত হইতে চাও, তবে জীবের অবস্থা রাখতে দেবপ্রকৃতি হয় তাহার চেষ্টা কয়। গীভার লেই মহাপুরুষ বলিয়াছেন, দেৰী সম্পছিমোক্ষীয়, নিবন্ধায়া-আস্থীৰতা । যাহার দেবপ্রকৃতি কাহাকে বলে এবং বাস্তবিক তাহার তাৎপৰ্য্য কি জানিতে চাহেন তাহারা গীতার ১৬ অধ্যায় পাঠ করুন। প্রয়াগে কুম্ভমেলা । SSMSSSMSSSMSSSMSSSMSSSMS SMM MM SMAAAS SSAAAASSSS S S ৭২১ যতক্ষণ পর্যাস্ত জগতের একজনও জীব নিজের ইচ্ছা বিচাররহিত কর্ঘ্যে পরিণত কুরিবে সে পর্যন্ত সকলেরই যতই কম লেক না কেন, অনিষ্টের সম্ভাবনা আছে। সেই . জন্ত যাহাতে মানবদিগের মধ্যে বিচারের সহিত ইচ্ছ কাৰ্য্যে পরিণত হয় তাহার চেষ্টা করা উচিত। এ কথা অমিয়া বুঝি আমরা জানি, আমাদের পূর্বপুরুষেরা করিয়া দেখিয়াছিলেন, তাহারা কতকটা উহাদের অহংকাৰ্য্যে সিন্ধিলাভ করিয়াছিলেন । কামরা তাহাদের বংশধর, উত্তরাধিকারী, আমাদের সম্পত্তি আমরা রক্ষা করিব ও ইচ্ছামত দান করিব । যখন ভূমণ্ডলস্থ অন্যান্ত স্থলে* সহিত আমাদের (তারতবর্ষীমুদিগের) সম্বন্ধ স্থাপিত হয় নাই, তখন যাহা কিছু করিতাম তাঙ্গই আমরা ভারতপণ্ডের লোকের জন্যই. করিতাম ও এই মহাদেশের লোককে বুঝাইতে চেষ্টা কবিতাম। ক্রমে বখন সম্বন্ধ বাড়িতে লাগিল ততই আমাদের কার্যাক্ষেত্র পরিবর্দ্ধিত হইতে লাগিল। দায়িত্ব বাড়িতে লাগিল, এক বহু হইতে চলিল, আমরা কখনই আমাদের কাৰ্য্যে অবহেলা করিয়া শাৎপদ তই নাই। ভয়ে দরিদ্রতায় বা অন্য কোন কারণে আমরা আমাদের পূর্বপুরুবদত্ত সস্থত্তি ত্যাগ করি নাই। যাহা কখন করি নাই তাই বা এখন কেন করিব করিতে গেলেই তা হইবে কেন ? বীপের বেটা বাপের মত হইবেই হইবে। নিজের মোক্ষ এবং জগতে দেবভাব বিস্তার, এইট কি আমাদের সমস্ত সম্পত্তি নয় ? এই সে দিনেও কপিলবস্তুর রাজপুত্র গৃহ ঐশ্বৰ্য্যাদি ত্যাগ করিয়া ভারতের প্রতিবাসী দেশস্থ লোকদিগকে ভারতের ধর্শ্ব দান করিয়া তাহাদের অজ্ঞানতা দূর করিয়াছিলেন। শুীমদেশ, প্রণালী-উপনিবেশ, লঙ্কাদ্বীপ, কাম্বোডিয়া, চীন, তিব্বত, জাপান এবং কোরিয়া প্রভৃতি দেশ সকল সাক্ষাৎভাবে ও গৌণভাবে বুদ্ধ ও তৎশিষ্ণবর্গের নিকট কি ধৰ্ম্মশিক্ষা পান নাই ? নিশ্চয় পাইয়াছেন। যখন রেল ছিল মা, এ রকমের জাহাজ ছিল না, ভার ছিল না, তখন তাহারা । ভারতবর্ষের মহান উদেশ্ব তৎকালীন সভ্য, অৰ্দ্ধসভ্য রাজা । সকলে প্রচার করিতে পারিয়াছিলেন ; এখনত আমাদেs_ অনেক সুবিধা। তবে সব চেয়ে একটা অহুবিধা এই, এখন আমাদের রাজা আমাদের হইতে ভিন্ন, আমাদের উদ্দেশু