পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/৩৭৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৭৩৪ - এরূপে হয় না ; অধিকন্তু খোসামোদ করিতে হয়। আধুনিক বৈজ্ঞানিক প্রণালী মতে কাৰ্য্য করিলে লাভ অবশু অধিক ও অধিক নিশ্চিত হইবে ইহাতে আর সন্দেহ নাই। এখানে প্রজাদিগকে তাকাবি দেওয়া ইচ্ছাধীন। তবে ইহার জন্য রাজসরকার হইতে যথেষ্ট সাহায্য পাওয়া যাইতে পারে। এবং জমীদারকে কেবল আবাদি জমীর উপর কর দিতে হয়। যদি কেহ কৃপথনমাদি দ্বারা জমি আবাদ করিতে চান তিনি যুক্তিসঙ্গত টাকা কুবি বান্ধ হইতে কম স্বদে পাইতে পারেন। যদি কেহ টাকা ধার করার এক বৎসরের মধ্যে টাকা পরিশোধ করেন তাহাকে ৪ টাকা o তিল যৎসবের মধ্যে তাহাকে ৬ টাকা শতকরা বাৎসরিক সুদ দিতে হয় । প্রবন্ধট অদ্যকার মত শো করিবার পূৰ্ব্বে মহারাজা সিন্ধিয়ার ছুট৷ সদাশয়তার বিষয় অত্যন্ত উপদেশপ্রদ মনে করায় নিয়ে বিষয় দুটা লিখিত হইল – (১) মহারাজ কৃষি ব্যাঙ্কে প্রায় ৫ কোটা টাকা জমা করিয়া তাহার পৃথক্ হিসাব রাথিয়াছেন। ইহার যে সুদ পাওয়া যায় তাহ রাজসরকারে বায়িত না হইয়া তদ্বারা কূপ ও পুষ্করিণী খনন, অতিথি সেবা, ইত্যাদি নান সস্থ্যয়ে খরচ করেন । ইহার সহিত অন্ত কোন প্রকার খরচের সংস্রব নাই। ইহা তাহার ব্যক্তিগত তহবিলের টাকার অংশ ৷ (২) তিনি যখন পালার নাবক স্থান পরিদর্শন করিতে আপিয়াছিলেন (সাডোরার পরেই পালারা ষ্টেশন ) তখন ঐ স্থানের একটী ধনী হীদারকে স্থানীয় সুবিধ অসুবিধার বিষয়ে জিজ্ঞাসা কয়ার সে বলে ; “মহারাজ আমার এখানে খাজনা আমার করা কষ্টকর। গ্রামে অনেক গরীব লোকের বাস । তাছার নিতান্ত অর্থহীন। আপনি যদি অনুমতি করেন তাহা হইলে তাহাদিগকে তাড়াইয়া দিয়া তাহাম্বের অনেকগুলিব স্থানে ২১ট পয়সাওয়ালা লোক বসাই। কিম্বা আমি নিজেই সব আবাধ করিয়া লই ।” মহারাজ উত্তর করিলেন, “তুমি বেশ বলিয়াছ। তাহা হইলে আমার &াজনা রীতিমত ও বিনা ক্লেশে আদায় হয়। গ্রামও দু ੋ। লোকই দখল করে। আমার কোন আপত্তি নাই কিন্তু "আমার এই বলিবার আছে যে আমাকে যে লোক ‘গীব প্রবাসী । ৯ SAMMMMM MMMMMMMS MS MSMSMSMS SS ৫ম ভাগ । SSAS SSAS SSMMM SMMMS SSSSSS পরবর’ অর্থাৎ দীন-প্রতিপালক বলে সেই খেতাবটাঁ আমার কৰিয়া যায়। আমার ঐ খেতাবট অতীব বাঞ্ছনীয়। অতএব তুমি আয় কখনও গরীবেsউচ্ছেদসাধন স্বপ্নেও মনে করিবে না। আমার অমন অর্থে প্রয়োজন নাই।” মহারাজের ভগ্নীপতি বোর্ডের সভ্য গুন হষ্টত কলা পাছাড়ে যাত্রা করেন। আমি তাহার সহিত সাক্ষাৎকরিতে যাই, ৪ আমাদের দেশীয় লোক যাহাতে স্থির ভাবে নিৰ্ব্বিত্বে চিরস্থায়ীরূপে বাস করিতে পারেন তদ্বিষয়ে তাহীকে জানাই । তিনি অতি আনন্দ সহকারে আমার মতের অনুমোদন করেন। তাহার সৃহিত সাক্ষাৎ করিয়া যখন গুহের বাহিরে অ্যসি তথন পূৰ্ব্বোক্ত জমীদার-তনয়ের সহিত আমার সাক্ষাৎ হয়। কথার কথায় তিনি আমাকে বলেন যে তাহার দাড়ি বাড়িয়াছে, তাহার ঘরকে ধোপা নাপিতেও এক ঘরিয়া করিয়াছে। ੇ কারণ জিজ্ঞাসা করায় তাহার পিতার সম্বন্ধে উক্ত গল্পট করিল ও পিতৃকৃত পাপের নিমিত্ত সে লোকটী বিশেষ অনুতপ্ত বলিয়া বোধ হইল। অনেকেই লিপিয়াছেন যে র্ত্যহাদের আমার এখানে আসিবার রেল খরচ পর্য্যন্ত লাই সুতরাং আসি তাহাদের জামিন হইয়। টাকা দিতে পারিব কি ? এবম্বিয প্রশ্নের বিষয় উল্লেখ করাও নিম্প্ররোজন। তবে আমি এই মাত্র বলিতে পারি যে এখানে অন্ততঃ ছয় শত টাকা { থাই খরচ আদি বাদে ) লইয়া আসিলে ২০০ অথবা কিছু বেশী টাকাও ব্যাঙ্ক হইতে লইতে পারা যায়। এখানে থাকিযায় খরচ অতি কম এবং ঐ ৬০০ কিম্বা ১,০০০ টাকাও এক সময় প্রথমেই লাগে না। ১ বৎসর মধ্যে ঐ টাকা লাগিবে। পূৰ্ব্বেল্লিখিত সুবিধাগুলি এখনও প্রায় বৰ্ত্তমান রহিয়াছে। এবং যদি কেহ এস্থানে আসিতে চান, তাহার অতি শীঘ্র অসি৷ বিশেষ প্রয়োজন । কারণ খাবার সংগ্রহ, গরু কেন, জমী ঠিক করা প্রভৃতি নানারূপ কাৰ্যা আছে । অনেকে আসা solo “l intended to start at once for your place but”—“আমি ঐ স্থানে চাষ আবাদ করিতে মনস্থ করিয়া তথায় যাইতে উদ্ধত- হইয়াছিলাম কিন্তু”—“উত্তর পাইলেই গোয়ালিয়রে • রওনা হইব—” ইত্যাদি নানারূপ আশাপ্রদ পত্র পঠিয়া অত্যন্ত আনন্দিত হইতাম কিন্তু যুগপৎ দুঃথিত্তও হইতাম। কারণ এখন আমার দেশ নাড়ী o ax ১২শ সংখ্যা -


- Info-farmerBot (আলাপ)

জ্ঞান হইয়াছে। এখন প্রায় সহস্ৰমারা চিকিৎসক হইতে বসিয়াছি। নচেৎ ৫৩৭ চিঠির জবাব লিখিয়া ২ জুন লোক আনিতে পারি লাষ্ট, এই দুঃথেতেই মারা যাইতাম। এবার একস্তি আশা করি আর বৃথা মিথ্যা প্রশ্ন দ্বারা লাঞ্ছিত না করিয়া কৃষিপ্রয়াসী ভদ্রলোক আমার এখানে আসবেন কিম্বা যদি যথার্থ আসা স্থিল হর তাহা হইলে পত্র দিবেন। কারণ এত সমস্ত পত্রের সমস্ত জ্ঞাতব্য বিষয়গুলি যথাসাধ্য লিখিলাম। বোধ হয় আর অযথা প্রশ্নের সম্ভাবনা নাই। অবশেষে একান্ত বিনীতভাবে নিবেদন এই যে কেহ আমাকে পর লিখিলে কিম্বা এখানে আসিলে আমি সৰ্ব্ববিষয়ে যথাসাধ্য তাহার কার্য্য করিতে বিরত হইব না। তবে প্রশ্নের প্রথমে যেন তিনখানি “প্রবাসী” পড়িয়া কোন কথা জিজ্ঞাসা করেন । ইতি । বশ্বস্বদ ঐভীমচন্দ্র চটোপাধীর । থেরীগাথা । প্রাচীনকালের স্ত্রী-শিক্ষা প্রচলনের দৃষ্টান্ত দিতে হইলে প্রায়শঃই খনা এবং লীলাবতীর নাম করা হয়। দুইটিষ্ট কল্পিত নাম কাজেই ঐ দৃষ্টান্ত দেখিয়াই অনেক পাঠকের মনে ধারণা হয়, যে স্ত্রী-শিক্ষা বুঝি এদেশে ছিল না । প্রাচীন সংস্কৃত সাহিত্য হইতে এ বিষয়ের যথার্থ দৃষ্টান্ত পাওয়া যায় না তাহা নহে, কিন্তু সংস্কৃত অপেক্ষা आीन প্রাকৃত সাহিত্যে উছার অধিক প্রমাণ পাওয়া যায়। কুক্ষণে এ দেশের প্রাচীন প্রাকৃত বা সাধারণ লোকব্যবহৃত ভাষার নাম হইয়াগিয়াছে পালি। এই ভাষা সংস্কৃতজ্ঞের নিকট আত সহজ হইলেও, না-জানি সে কি ভাষা মনে করিয়া কেত বড় তাহার চর্চা করেন না। এ দেশের প্রাচীন ইতিহাসের উপাদান সেই প্রাকৃত সাহিত্যে যত আছে, সংস্কৃত সাহিতো তত নাই। প্রাচীন প্রাকৃত সাহিতা হইতে থেরাগাথা নামক গ্রন্থের কিঞ্চিৎ পরিচয় প্রধান করিব। . - ভগবান বুদ্ধদেব যখন মুক্তির নবসংবাদ প্রচার করিয়াছিলেন, তখন-সহস্ৰ সহস্র পুরুষ রমণী মুক্তি কামনায় স্ত্যহার থেরগাথা । - - ৭৩৫


- আশ্রয় গ্রহণ করিয়াছিলেন । যে সকল পুরুষ রমণী সাক্ষাৎভাবে বুদ্ধদেবের উপদেশ লাভ করিয়া কৃতাৰ্থ হইয়াছিলেন, তাঙ্গাদের অনেকের রচনা ত্রিপিটক নামক বৌদ্ধ ধৰ্ম্মগ্রন্থে সুরক্ষিত মাছে । জ্ঞানবৃদ্ধ পুরুষদিগের নাম হইয়াছিল থের বা স্থবিব, এবং জ্ঞানবৃদ্ধ রমণীরা গেরী নামে প্রসিদ্ধি লাভ করিয়াছেন। থেরািগাপ গ্রন্থে ৭৩ জন পুতশীল রমণীর রচনা পাওয়া যায় । থেরাদিগের মধ্যে অঞ্জনরাজকুমারী মহাপজাপতী গোতীষ্ট প্রধান। ষ্টলিষ্ট মাতৃহীন বুদ্ধদেবকে কোলেপিঠে করির মানুষ করিয়াছিলেন। যখন মহাপুরুষের সকল পরিবারবর্গ নবধৰ্ম্মে দীক্ষিত ইষ্টলেন, তখন গোতীর প্ররোচনায় বুদ্ধদেব ভিক্ষুণী আশ্রম স্থাপন করিয়াছিলেন। ধৰ্ম্মচর্চা এবং ধৰ্ম্মপ্রচারের পথে রমণীর অধিকার এবং স্বাতন্ত্রা সৰ্ব্বপ্রথমে যাহার করুণায় স্থাপিত, সেই করুণাময়ী মহাপজাপর্তা গোতীর চরণে প্রণত হইতেছি । বুদ্ধদেব যে সকল উপদেশে খেরদিগকে দীক্ষিত করিতেন, থেীগণু তাহা পথে রচনা করিয়া গান করিতেন, এবং সেই গাথা শুনাইয় অন্ত রমণীগিকে উপদেশ দিতেন। প্তাহারা নিজেরাও ভাবপ্রণোদিত হইয়া অনেক গাথা রচনা করিয়া গিয়াছেন । ধৰ্ম্মের ইতিহাসে এবং সাহিত্যের ইতিহাসে এই খুষ্টপূৰ্ব্ব পঞ্চম শতাব্দীর গাথাগুলি অমূল্য । যখন সুগতের বচনে গুপ্ত থেরিকা গাহিয়াছিলেন :-— রীগং মানং অবিজ্ঞাঞ্চ উচ্চংচ বিৰক্ৰিয় সংযোজনানি ছেত্তান দুকুখসূদন্তং করিসূসদি। - ( ১৯ গাখ; } তখন যে কত রমণী ক্ষুদ্রতা অবিস্তা এবং ঔদ্ধত্য পরিহার করিয়া দুঃখাস্তসাধন করিয়া চিয়প্রশাস্তুত ল্যত করিয়া ছিলেন, তাহার ইয়ত্ত নাই। ভারত-রমণীকুলের আদি । শুরু আদিকা মহাপজাপতী গোতনী, বুদ্ধবীরকে নমস্কার । করিয়া বলিয়াছিলেন –“যে ম দ্বকথা পমেচেসি অঞএম { অন্তং) চ বহুকং জনং,” সে কথা অক্ষরে অক্ষরে সত্য। শাক্যসিংহের পরিযায়বর্গ যখন ধৰ্ম্মদীক্ষা লাভ কঙ্গে, তখন তাহার ভগিনী নন্দ থেরা চইল্লাছিলেন । ধরাবর্গের আমি একজন নল আছেন বলিয়া এই নদীনন্দ বা জনপদকল্যাণী নন্দ নাসে উল্লিখিত ইয়াছেন । এই জনপদকল্যাণী সুন্দরীর সম্বন্ধে বৌদ্ধ ইতিহাসে 2. - - - - - _ - — —- .