পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/৩৭৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


or ১২শ সংখ্যা । ] | সকল ব্যাপারেশ্লষ্ট সত্যতা একে একে প্রতিপন্ন চফ্টতে লাগিল, তখন লেবিভিউ ( IPeter Lebedew } নামক জনৈক বৈজ্ঞানিক আলোকের চাপ লষ্টয়া পরীক্ষা আরম্ভ করিয়াছিলেন, এবং অল্পদিনের মধ্যেষ্ট ম্যাক্সওয়েলের গণনালব্ধ ফলের সহিত পরীক্ষালিস্ক ফলের সম্পূর্ণ ঐক্য দেখিতে পাইলাছিলেন । পুথিবীর উপর পড়িয়া স্বৰ্য্যালোক ভূপৃষ্ঠে কি পরিমাণ ধাক্কা দেয়, তাহা ও সম্প্রতি হিসাব "কল্পিয়। জানা গেছে। নিকোলস্ ও হল নামক দুষ্ট জন বৈজ্ঞানিকের মতে, ইহার পরিমাণ প্রায় কুড়ি লক্ষ মণ ভরের সমান । সমগ্ৰ চুপুষ্ঠের তুলনায়, এই চাপ অতি অল্প সন্দেহ নাই, কিন্তু লঘু জিনিসের উপর ইহার কার্য বড়ই অদ্ভুত। মনে কর, একটি কামানের গোলাকে ভাঙিয়া, আটটি সমান ওজনের ক্ষুদ্র গোলকে পরিণত করা গেল। অথও অবস্থায় একটি গোলকেল যে পৃষ্ঠফল ছিল, পণ্ডিত হওয়ায় ছোট আটটি গোলকের পৃষ্ঠকল নিশ্চয়ই তাহার দ্বিগুণ হইয়া ট্রাডাক্টবে। অথচ ষ্টতাদের সমবেত ডার, পূর্কের অথও গোলকের ভারের সঠিত সমানই থাকিয়া যাইতেছে। ইচ্ছা শুষ্টতে স্পষ্ট বুঝা যায়, গোলকগুলিকে ক্রমে আরো বহু অংশে বিভক্ত করিয়া স্বল্প অ্যকারবিশিষ্ট করিতে থাকিলে, আদিম গোলকের পৃষ্ঠঞ্চলের তুলনায় তাহারট দেহপ্রস্থত ক্ষুদ্র গোলকগুলির সমবেত পৃষ্ঠঞ্চল, অতান্ত অধিক হইয়া ট্রাড়ায়। কিন্তু কোন পদার্থের উপরকার আলোকের চাপ, তাহার পৃষ্ঠফলের পরিমাণ অনুসারে পরিবর্তিত হইয়া থাকে। স্বতরাং অখণ্ড গোলক পূৰ্ব্বে যে আলোকচাপ পাইতেছিল, খণ্ডিত হইয়া সেই গোলকই এখন পূৰ্ব্বাপেক্ষ অনেক অধিক চাপ পাটতে থাকিবে। জিলাৰ করিয়া দেখা গিয়াছে, সাধারণ মৃত্তিকা-কণার ব্যাল এক ইঞ্চির এক লক্ষ ভাগের এক ভাগের সমান হইলে, তাহার উপকার আলোকচাপ এত অধিক হইয়া দাড়ায় যে তখন তাছার গুরুত্ব ও চাপের পরিমাণ একই দেখা গিয়া থাকে । এই প্রকায় জড়কশা * হুর্যোর নিকটবর্তী চইলে, স্বৰ্য্য তাহাদিগকে টানিৰ লইতে - পারে না, কারণ তখন সৌরালোকের চাপ ও স্বর্ঘ্যের আশুণজনিত টান, প্রত্যেকেরই উপরে সমান বলে বিপৰীত দিকে কাজ করিয়া, সেগুলিকে সাম্যাবস্থায় রাখিয়া দেয়। | ১-১••••• ইঞ্চি স্থূল জড়কশ ছোট জিনিস হইলেও, .| হিমাচলবাসী বাঙ্গালী সন্ন্যাসী “সোহংস্থানী” । ఇరిపి বৈজ্ঞা নকদিগের নিকট এ জিনিসটা খুব ছোট নয়। ইহা BBB BBB BBBB LSBBB BBB DDBB BBB নাড়াচাড়া করিয়া থাকেন। সুতরাং পূৰ্ব্বোক্ত জড়কণাগুলিকে আরো ক্ষুদ্রতর করিয়া ফেলিলে, তাহাজের উপরিস্থ আলোকের চাপ যে তাহদের গুরুত্ব অপেক্ষ অধিক হইয় *াড়াইবে, তাহ। আমরা বেশ বুঝিতে পারি। কোন পদার্থের উপর বিপরীত দিক হইতে দুষ্টট বিষম শক্তি কাৰ্য্য করিলে, প্রবলতর শক্তির দিকেই জিনিসটার গতি হয়। কাজেই এস্থলে সৌরালোকের চাপ কর্তৃক স্বর্ঘ্যের টান সম্পূর্ণ বার্থ হইয়া পড়িলে, জড়কণাগুলি যে স্বৰ্য্য ইষ্টতে দূরে বাটতে আরম্ভ কহিবে, তাহা বুঝা কঠিন নয়। অতিক্ষুদ্র জড়কশার উপর আলোকচাপের এই অদ্ভুত কাৰ্য্য আবিষ্কৃত হওয়ার পর, নবা জ্যোতির্ষিগণ বলিতেছেন, ধূমকেতু স্বর্যোব খুব নিকটে আসিয়া পশিলে, তাহার উপাদানগুলি বাষ্পীভূত হইয়া এত স্বহ্ম অণুর আকার ধারণ করে যে, তখন তাহাঙ্গের উপরকার আলোকের চাপ, স্থধ্যের টান অপেক্ষ অনেক অধিক ধাড়ায়। কাজেই লেস্থলে আলোকের চাপ দ্বারা চালিত হুইয়া, অণুগুলি পৰ্য্য হইতে দূরে যাওয়ারই অসম্ভাবন। উক্ত জ্যোতিষিগণের মতে, এই প্রকায় আলোকচাপ কর্তৃক চালিত স্থঙ্ক জড়কশ খারাষ্ট ধূমকেতুর পুচ্ছ গঠিত হইয় থাকে । ধূমকেতুর পুচ্চ সম্বন্ধীয় এই ব্যাখ্যানটি সম্পূর্ণ অভ্রাত্ত বলিয়া মনে হইতেছে । নানা জ্যোতির্ষিক রহস্তের মধ্যে এট প্রকারে একটি মূলতত্ত্ব অবগত হইয়া জ্যোতিবিদগণ উৎফুর ' ছইয়া উঠিয়াছেন। শুনা যাইতেছে মেরুপ্রদেশীয় জয়শালোক (Aurora Boreasis), ossTonto 1 Zodiacal fight) এবং স্বর্যের ছটামুকুটের (Corona ) উৎপত্তি-রহস্তও ঐ আলোকচাপের পাহায্যে প্রকাশ হুইয়া পড়িয়াছে। শ্ৰীজগন্ধানঙ্গ স্নায় । হিমাচলবাসী বাঙ্গালী সন্ন্যাসী “সোহংম্বামী” । - সভ্য হউক, আর মিথ্যাই হউক, ছৰ্বল ভীরু বলিয়া বাঙ্গালীর যে একটা বদনাম আছে, সেই জাতীয় কলঙ্ক - (ས་ན་ཧྥུ་