পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/৩৮০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রবাসী । [ ৫ম ভাগ । ፃ8õ તાંતિ দেয় না, দিও તઃ লা নিজেদের বুদ্ধি নিৰ্ব্বাহের মূলধন । এই বিদ্যালয়ে দিনে ও ঋত্রিতে শিক্ষা গাটাইয়া সমস্ত কলগুলি দেখিয়া প্রতোক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের দেওয়া হয়। যাহারা অপরাপর স্কুলে শিক্ষা পায় অথবা কোথাও অবিশ্বকতা ও প্রস্তুত-প্রণালী বুঝিয়া আসিতে হয় এবং কাজকৰ্ম্ম করে তাহাদের . .h o দিনের বেলার স্কুলে তিনটি বিভাগ আছে, শিল্প, কলবাসায় ফিরিয়া আসিয়া সমস্ত লিখিয়া অধ্যাপককে দেথাইতে কারখানা, এবং তড়িৎ সম্বন্ধীয় ; এবং প্রত্যেক বিভাগেরই "... BBBBB BBB BBDD BB BDD BBMB BBBS BBB BB BBB BB BBBBB BBB BB BBS BBBBBBB BB BBBB BB BBB KDDBB BBB BB DDS DBB BBBBBB BS BBB BBB BBBBB BB gB BB DDB S BB BB BBB BBBB BBBB S * শিক্ষা দেওয়া শিক্ষালয়ের বেতন দেয়। কেহ কেহ রাত্রে নকল প্রভৃতি হর। একজন ৯ মাসে এখানে যাহা শিপিতে পারে, হস্তকেরানির কাজ করিয়া অর্থ উপার্জন করে, কেচ চুটি নৈপুণ্যশিক্ষাগরে তিন বৎসরে তাহা শেখা যায়। ধাতু ও হইলে বড় বড় কারখানার কুলির কাজ করিয়া পয়সা কাঠের কল প্রভৃতি প্রস্তুত প্রণালী এখানে শিখান হয়। বোলগার করে। একজন একটা কারখানায় মিস্কিদের রাত্রে শিক্ষাবিভাগে বিস্তর লোক আসে। স্কুল সপ্তাহে BBB BB BBB BB BBBB BBB BB BB BBB BB BBB BBS BB BBBB BBBB BB BBS বেতন দিয়া শিক্ষালাভ করে। এইরূপ হার্ভার্ড বিশ্ব- দ্বিতীয় রাত্রে ছাত্রকে নিজে ঐ সকল বিষয়ের DBBB BBB BB BBB BBBB BB BBB DD LLLLLLLLLS BBB BBB DDS BBBB BBBS BB BBBB BBB BBBB BBB DDB S BBBBS BBBS BBB BBB BBB BBS BBBB BB BBS BBB BBB BBB BBB BBBB DB BBBB BBB BBB BB BBB LSBBB BBBB BB BS করিয়াছে। উহাদের কাজ ফুটবারও ভয় নাই। বাৎসরিক স্কুল হইতেই সেন্মি বাহির হর । এইরূপ সহস্ৰ সহস্ৰ BBBBB BBB BBBB BB BB BB BBBBBB BB BBBBB BBBS BBBB BB BBB অধক্ষের বিশ্ববিদ্যালয়ের ষান্ত্রিক বিভাগের অধ্যক্ষকে কয়টি আছে ? পত্র লিথিয়া ৪০ জন বা ৪০ জন শিক্ষিত মিস্ত্রীর দরকার জানাইয়া পাঠান এবং স্কুল ইষ্টতে বাহির হইবার পরই - সকলেরই কাৰ্য যুটিয়া যায়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি রাবণের দেশে ভূত ড়ান। বিভাগে কেবল দন্তচিকিৎসা শিক্ষা দেখুয়া হয়। এই - - काँ বিভাগের লেক্চার দিবীর ঘরে ৫৫০ জন ছাত্রের বসিবার প্রাচীন বৈদিক ধৰ্ম্মের সহিত ಇತರ: উপযুক্ত স্থান আছে। সংশ্ৰব ছিল না। প্রাচীন আৰ্য্যগণ স্বৰ্য্য, অগ্নি, বায়ু প্রভৃ অনেক প্রকার পুরস্কারেরও প্রলোভন দেখান হয়। শক্তিমান পদার্থনিচয়ে ঐশ্বরিক শক্তির আরোপ করিা BB BBBB B BB BBB CC BB BB BBB BBBBB BB BBBB BBBS DD BBBB BBB BBBBB BBS BBB BBBB BB BBBS BBBS BBB DD uB BBB BBB BB BS BBB BBBS সৰ্বোঞ্চ BBBBBBS BBBBBB BB BB BBB BBB BB BBBB BB BB BBBBB Du BBBBB BBBB BBB BB BBBBS BBBS BB BBB Bu BBBB BDD BBBB শ্ৰীহরিমোহন রায় । BBBS BB BBBBB BBBB SLLLLS BB BBB BBBB BBBB BBB BBBBB BBtt S হইতে এক্ষণে সমগ্র দেশের মধ্যে কলাবিগুশিক্ষার আদর্শ সকল স্থানে আর্য্যধৰ্ম্ম প্রচারের পূৰ্ব্বে তথাকার আদিম . শিক্ষক ইষ্টয়া দাড়াষ্টয়াছে। এখন প্রায় ৬ হাজার ছাত্র এই ভূতপ্ৰেতাদির বিশেয প্রতিপত্তি ছিল। কুসংস্কারবর্তাি বিদ্যালয়ে শিক্ষা পায় এবং ৩০ হাজার পাউণ্ড ইহার ব্যয়- পবিত্র আর্য্য ধৰ্ম্ম সে সকল বিশ্বাসকে একেবারে দূর করিতে | ১২শ সংখ্যা । ] পারে নাই, বরং উহাদের সংসর্গে আসিয়া নিজেই কিঞ্চিৎ কুসংস্কারাচ্ছন্ন হষ্টয়া গিয়াছিল। এই জন্তই বােধ হয় সমগ্র ভারতে এবং নিহলে এখনও ভূতপ্ৰেতঘটিত কুসংস্থার প্রায় একই ধরণের দেখিতে পাওয়া ধাৱ । আমাদের দেশে ভূতে পাওয়াটা পূৰ্ব্বকালেষ্ট বেশ ঘটিত, শুনিতে পাওয়া যায়। বোধ হয় তখন "হিষ্টরিয়া” কথাটা এদেশের লোকের নিকট বিশেষ পরিচিত ছিল না। ভূতে পাওয়াটা গীলোকদিগেরই একপ্রকার একচেটিয়া ছিল। সেকালের ভূতে পাওয়া এবং একালের “হিষ্টিরিয়া” এই দুইএর কার্য্যগুলি মিলাইয়া দেখিলে এইরূপ প্রতীতি হয় যে ভূতে পাওয়াট হিষ্টিরিয়ার” পুরাতন সংস্করণ। প্রাচীন সেকালের রমণী ও আধুনিক নব্য রমণীর মধ্যে রাপ্তি নীতি সম্বন্ধে যতটা পার্থক্য লক্ষিত হয়,"ষ্টিরিয়ার” পুরাতন এবং নূতন সংস্করণের মধ্যে অনেকট সেক্টরূপ পার্থক্য দৃষ্টিগোচর হয়। আমরা ঠানদিদিপ্রমুথ প্রাচীনগণের মুখে ভূতঝাড়ানর বর্ণনা শুনিয়াছি যে কোন লোককে ভূতে পাইলে প্রথমে ওয়া আসিয়া ভূতথাড়াইত ; অনেক খাদি পাঠ করিয়া, কখন স্তৰ স্থতি করিম কখন বা তর দেখাইয়া ভূতকে তাড়াইযায় চেষ্টা করিত। ইহাতে কৃতকার্য না হইলে স্ত্রীলোকটকে কোন দেযালর বা সাধুসন্নিধানে লইয়া বাওয়া হইত, এবং ইহাতেও সহজে কৃতকার্য না হইলে অবশেষে শতমুখী বা চৰ্ম্মপাদুকার আশ্রয়গ্ৰহণ করা হইত। এই শেষোক্ত উপাটকে কখনও ব্যর্থ হইতে শুনা যায় নাই। এই ঘটনা হইতে একটি প্রবচনের সৃষ্টি হইয়াছে। এখন কাহারও উপর ধনঞ্জয়ের অধিক কৃপা বৰ্ষিত হইলে লোকে বলিয়া থাকে সরেনি ত, যেন ভূত ঝাড়াইয়াছে। অতএব বুঝা যাইতেছে যে ভূতাড়নের শেষোক্ত ঔষধট কিরূপ छठ्ठझद्र ट्ड्रेष्ठ । সিংহলে আজও ভূতঝাডান হইয়া থাকে। હરે ছুক্তাড়ানর সহিত আমাদের দেশের ভূতাড়ানর অনেকটা মিল দেখিতে পাওয়া যায়। বুদ্ধদেবের পবিত্ত্ব ধৰ্ম্ম সিংহল লির মধ্য হইতে কুসংস্কারগুলিকে সমাকলগে দূরীভূত o করিতে সক্ষম হয় নাই। প্রবাসীর পাঠকের চিত্ৰবিনোদনার্থ

  • এ প্রবন্ধে একটা ভূতাডান বর্ণন কৰি। গরম * জুলাই মাসের নাইটিস্থ সেঞ্চুরী নামক ইংরাজি মাসিক

__ রাবণের দেশে ভূতঝাড়ান। ፃ8ꬃ ~ബ്-- - পত্র হইতে সংগৃহীত। ঘটনাটী যত কৌতূহলোদ্দীপক উহার বর্ণনাকারিণী বিদূৰী ইংরাজ রমণীর অনুসন্ধিৎসা ততোধিক কৌতুহলোদ্দীপক। তিনি দিন রাত্রি সঙ্গে সঙ্গে থাকিয়া ঘটনটির আস্কোপাস্ত ভাল করিয়া স্বচক্ষ দেখিয়া লিখিয়াছেন ৷ ঘটনাট এই – - একদিন বেল দ্বিপ্রহরের সময় কলম্বোর সন্নিহিত একট গ্রামে একটা সিংহলী বালিকা যকবেঞ্জ বৃক্ষের ছায়ায় বসিয়া ধান কুটিতেছিল। হুর্যোর উত্তাপ তখন বড়ই প্রখর, এবং নিকটে ঐ বৃক্ষট ছাড়া দ্বিতীয় বৃক্ষ ছিল না। উক্ত বৃক্ষটীতে একটা মন্ত্র যক্ষেয় (ङ्कछ বিশেৰ)ফুস করিত । যে সময় বালিকাটা তথায় বসিয়াছিল সে সময় ছুতদিগের প্রভাব বুদ্ধি-পাষ্টয়া থাকে। সেইজন্য বালিকা शृक्{ श्हेrउहे ভূতের প্রতাব নিবারণ করিবার উপায় অবলম্বন করিয়াছিল; স্নান করিয়া কেশ এবং দেহ নারিকেল তৈল দ্বারা সিক্ত করিয়াছিল। কিছুক্ষণ পরেই মন্ত্র ধক্ষেয় বালিকাকে দেখিতে পাইল ; অননই স্বীয় প্রভাব দ্বারা তাহাকে অভিভূত করিল। তৎক্ষণাৎ এক অভাৱনীয় শৈত্য আসিয়া বালিকার সর্বশরীর কণ্টকিত করিল, সে কঁাপিতে লাগিল ; তাহার সমস্ত শরীর কাঠবৎ কঠিন হইয়া গেল ; এবং তাহার চক্ষুদ্ধর দীপ্তিমান ও স্থির হইল। যে বালিকা পূৰ্ব্বে শাস্তুস্বভাবা এবং সদগুণশালিনী ছিল সে এখন হইতে উচ্ছৃঙ্খলত এবং দুষ্ট প্রকৃতির পরিচয় প্রদান করিতে লাগিল। একজন বৌদ্ধপুরোহিতকে সংবাদ দেওয়া হইল। তিনি আসিয়া ধৰ্ম্মগ্রন্থাদি পাঠ করিলেন, পেরিত। প্ৰেত ? ) সংস্কারহুচক ক্রিয়াদি সম্পন্ন করিলেন । কিন্তু কিছুতেই কিছু হইল না , বালিকা দুষ্ট প্রকৃতি ত্যাগ করিল না। এযায় একজন জ্যোতিত্ববেত্তার আশ্রয় গ্রহণ করা হইল। তিনি গ্রহফলাদি গণনা করিয়া রোগের কারণ নির্ণয় করিলেন এবং दए ব্যয়সাপেক্ষ একটা “বকুন নতনবার । পৈশাচিs তুতের) - , অনুষ্ঠান করিতে অনুজ্ঞা প্রধান করলেন। এই পৈশাচিক নৃত্যের জন্ত এইরুপ আয়োজন কয়৷ e আমাদের দেশে এখনও লোকদিগের মধ্যে এরূপ বিশ্বাস আছে। - ভোরবেল, দুপুত্বৰেলী এবং সন্ধ্যাবেল বিশেষ করিয়া তুতের অধিক অনিষ্টকারী হয়। বাল্যকালে লেখক একবার ছপুর বেলা পোৱাগাছ হইতে পড়িা গিয়া বিশ্বে আঘাত পাইছিলেন, লোকে বলিয়াছিল তুঙ্গে ফেলিয়া দিয়াছে।