পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/৪৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


సa প্রবাসী । -- মতষ্ট কারখান দেখিতেছি। কিন্তু উপস্যাসেও স্বণ সম্মিলনটা প্রায়ই কোনও না কোনও উপায়ে সংঘটিত ৪টা যায়। এক্ষেত্রেও কি তাঙ্ক হইবে না ? তাহার পর স্বন্দরলাল অনেক কথা বলিল । সকল কথাই তাছার প্রণয়িণীর যম্বন্ধে। সুন্দরলাল স্পষ্টষ্ট বলিলপ্রণয়ের আবেগট সমস্ত তাহার তরফ হইতে। বালিক। সম্ভবতঃ ভালমন্দ কিছুই জানে না। তাঁহার জানিবাল - বয়সও নহে, সুযোগও ঘটে নাই। বাড়ী ফিলিয়া জাসিয়া, রাত্রে আমার স্ট্রীকে সকল কথা - বুলিলাম । । তুতীয় পরিচ্ছেদ । ইহার পর আর মাস হুই কাটিল । হইয়া আসিতেছে । না কোন পক্ষে আমি নিযুক্ত থাকি । ফিরিয়া গিয়াছে । ইতিমধ্যে কয়েকবার স্বনারগালের সহিত তাঙ্গদের গ্রামে গিয়াছিলাম। সুবেদার অযোধ্যানাথের সহিত সাক্ষাৎ ৰুরিয়া আসিয়াছি। দুই হইতে অতর্কিতে আমার বন্ধুর মনোহারিণীকেও দেখিয়া আসিয়াছি । মেয়েটি বেশ সুন্দরী বটে। তাহাঁকে ভালবাসিয়াছে বলিয়া সুন্দবলালকে রোধ দিতে পারা যায় না। প্রথম যে দিন পাটােলি হইতে ফিরিয়া আসিলাম, আমার স্বী সৰ্ব্বাথে জিজ্ঞাসা করিলেন—“পায়াকে বেথলে ?” "দেখলাম বৈ কি ৷” “কেমন দেখতে গে৷ ?” জ্ঞানী জনের ঘলিয়া থাকেন, নিজের স্ট্রীর সমক্ষে অঙ্গ কোনও স্ত্রীলোকের রূপের কখনও প্রশংসা করিও না । করিলে বিপদ সম্ভাবনা আছে । তাই সাবধানতা অবলম্বন করিয়া বলিলাম---“দেখতে মন কি।” - স্বী বলিলেল—“তত্ত্ব কি রকম দেপতে, কি বক্ষম রঙ, মুখ চোক কি রকম " - বলিলাম--"তা— ভালই।” আমার উত্তরে আমার স্ত্রী সন্তুষ্ট হটলেন না। জিজ্ঞাসা করিলেন—“খুব সুন্দরী ? আমার বেশ পণার এথন প্রত্যেক বড় মোকদ্দমায় কোন সুনীরলাল পাটনায় aw "মালার [ ৫ম ভাগ । পৰ্ব্ববৎ সাবধানতা অবলম্বন কবিয়া বলিলাম—“কি জানি মত বুঝি শুনিনে।" গৃহিণী বলিলেন—“আঙ্গ কথার প্রদেখ। কচি থোকা কি মা—কিছু বোঝেন না -আচ্ছা, একটা কথা জিজ্ঞাসা করি। ভূমি যদি স্বন্দর লাল হতে, তা চলে তুমি ভালবাসতে কি না ১" আমি দুষ্টামি করিয়া বলিলাম—“কাকে ? তোমাকে " প্রীমতী রাগিয়া বলিলেন “গী আল করে কথা শুনে। পাল্লাকে—পাল্লাকে ৷” "আমি যদি সুন্দর লাল হতায় ?” “ই গো হা। একটা কথা বুঝতে পার না এত পাস করলে কি করে ?” এরূপ প্রশ্নের উত্তলে কি বলিতে হুইবে জ্ঞানীজনের তাঙ্গার কোন ও নির্দেশ করেন নাট। সুতরাং কপাল ঠুকি বলিলাম—“ত বসতাম বোধ হয়।” কপাল ঠুকিয় বারুদের বক্সেতে দিয়াশলাই ধরাষ্টয়া দিলাম না কেন । ফল ইহার অপেক্ষ গুরুতর হইত না। অনেক কষ্টে মান ভাঙ্গাইলাম। মানাস্তে তিনি পাল্লায় পরিঞ্জনাধি সম্বন্ধে বে সকল প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিলেন, প্রায় সকল গুলিরই সন্তোষজনক উত্তর দিতে সক্ষম হইলাম। সুবেদারজি লোকটি বড় ভাল। ঐ কস্তাটি তাহার সৰ্ব্বশ্ব বলেন, ইচ্ছা করিলেই এখনি তাঙ্গল বিবাঙ্গ দিতে পারেন, কিন্তু মেয়েটিকে পরের হাতে সমর্পণ করিয়া দিয়৷ কি লষ্টয় পাকিবেন ? আজীবন তিনি যুদ্ধ বাধসাদ করিয়া কাটাইয়াছেন, তাঙ্কার অনেক গল্প করিলেন । অtষাঢ় মাস। রাত্রে গভীর নিদ্রীয় মগ্ন ছিলাম। সঙ্কস কি একটা শব্দে নিদ্রাভঙ্গ চইল । কাণ পাতিয়া হচিলাম । দরজার বাতির ইষ্টতে শঙ্ক আসিল-“বাঙ্গালী বাৰু--এ বাঙ্গালী বাব ।” জামায় নাম এথানে অল্প লোকেষ্ট জানে। সাধারণ্যে DB SBBB BBBS BBK SBBB BBS BBBD পরিচিত । পুনশ্চ শব্দ ইষ্টল—“যাঙ্গালী বান্ধু—এ বাপুঞ্জা ।” আমি “কোন চায় ?” বলিয়া বিছমান্থ বসিলাম। " উঠিয়া ২য় সংখ্যা । ] “ছাঁর বাহুর তো আইয়ে ।” আমাপ গ্ৰীও জাগিয়া উঠিলেন । অমঙ্গলেল টেলিগাম এসেছে বুঝি।” বাতি জ্বালাষ্টয়া, চটিজুতা পারে নিয়া বাছির ৯ইলাম। জ্যোৎস্ন রাত্রি-কিন্তু আকাশে অল্প মেঘ ছিল,—তষ্টি SBBB BB BBBBBBS S BBBBB BB BBBBH HHt সন করিয়া বাতাস বহিতেছে। উঠানের পাশ্বে টগরগাছে একগাছ ফুল ফুটিয়া রহিয়াছে। সদর দরজা খুলিয়া মেপি একটি অপরিচিত ব্যক্তি *াড়াইয়া আছে। জিজ্ঞাসা করিলাম, “কে তুমি ” লোকটি বলিল-“মোহাক্কেল ।” "এত রাহে কেন ’ে “একটি বৃদ্ধ মৃত্যুশয্যায় শায়িত। উইল করিতে হইবে । এখনি না গেলে লয়। ভোয় অবধি তাerয় নিঃশ্বাস থাকিবে কি না সন্দেহ ।” “কত দূর যাইতে হুইবে ?” ললিলেন—“কোন গু “বেশ নয়। এখান তইতে দুই তিন ক্ৰোধ মাত্র।” “যাইব কি করিয়া ?” “ঘোড়া আনিয়াছি।” শফজ আনিয়াছ ” “অনিয়াছি। কত লাগিবে ?” “এই রাত্রে আমি একশত টাকার কমে যাইব না।” “এষ্ট লউন ৷” বলিয়া লোকটি তাহার চাদরের প্রান্ত eষ্টতে টাকায় নোটে একশত টাকা গণিয়া দিল । আমি তাঙ্গাকে কিঞ্চিৎ অপেক্ষা করিতে বলিয়৷ বাটী ভিতল প্রস্তুত হইতে গেলাম , টাকাগুলি ধান্সে বন্ধ করিতে কলিতে আলিপুর বারের সেই নিরশ্ন দিনগুলির কথা মনে পড়িল । সেই এক দিন আর এই একদিন । তখন সারাটা দিন কাছারিতে হত্যা দিয়া পড়িয়! থাকিয়াও মক্কেলদেবতার দর্শন পাওয়া যাষ্টত না ---স্তার এখন সেই দেবতা ষ্ট

  • প্রহর রাত্রে আসিয়া হাকাষ্টাকি করিয়া ঘুমটুকু নষ্ট করিয়া

দিল । গুfeণীকে অভয় দিয়া, ভূতগণকে জাগাষ্টয়া, প্রস্থত হষ্টয়া বাহির হইলাম। অশ্বারোহণ করিতে করিতে জিজ্ঞাসা করিলাম “বুদ্ধটি কে ” স্বর্ণ সিংহ । আমার সঙ্গী বলিল—“সুবেদার অযোধ্যাপাথ।" “কুবেদারঞ্জি তাঙ্গালষ্ট আসন্নকাল উপস্থিত ?” বলিষ্ঠ আমি দুঃখে মৌন হুইয়া রহিলাম । এষ্ট যে পনেরে দিন চষ্টল তাহার কাছে বসিয়া কত যুদ্ধকাহিনী শ্রবণ করিয়া আসিয়াছি । বণ্ট খানেক আশ্বারোহণের পর আমার সেই পুৰ্ব্বপরিচিত গ্রামটিতে গিয়া উপনীত হইলাম । সুবেদারঙ্গী জামাকে বলিলেন-“বাৰু আসিয়াছেন ? শাসন-বহুন। আমি ত চলিলাম।” আমি বলিলাম—“ল সুবেদারক্তি । গু কথা কেন বলেন ? আপনি ভাল হইবেন । আবার আপনার কাছে কত যুদ্ধের গল্প শুনিব।” শুনিয়া সুবেদারজির মুখে একটু ক্ষীণ হান্তরেথ দেখা দিল । বলিলেন—“রামঙ্গীর ইচ্ছ। তাতার স্বাগ ইচ্ছা হইবে তাহাষ্ট হইবে। এখন আমার একটি কাজ করুন। অনেক রাত্রে আপনাকে কষ্ট দিয়া আনিল্লাছি।” "আমি বলিলাম—“আজ্ঞ করুন।” প্ৰবেদীরজী বলিলেন,—“আপনি জানেন বোধ হয় আমি নিঃসন্তান । আমার একটি মাত্র পুত্র ছিল, সে বীরের ৱায় যুদ্ধক্ষেত্রে প্রাণ দিয়াছে—স্বর্গে গিয়াছে। হতভাগা আমাকে রোগশয্যায় প্রাণত্যাগ করিতে হুইবে । রামজীয় ইচ্ছ। আমার সেই পুত্রের একটি কম্ভ আছে । তাহাকে বুকে করিয়া আমি জীবনের শেষভাগ কাটাইলাম। আমার একটি ভ্রাতুষ্পুত্র আছে, সে পঞ্চাবে চাকরি করে। আমার যাহা কিছু সম্পত্তি আছে, তাঙ্গকে এবং অস্থিার পৌত্রীকে কটন করিয়া দিতে ইচ্ছা করি । আপনি এই মৰ্ম্মে একটি উইল প্রস্তুত করুন। আমার একটি স্বণ-নিশ্মিত সিংহ আছে । আমি যখন বৰ্ম্ম-যুদ্ধে গিয়াছিলাম, সেই সময় রাজবাট লুট করিতে গিয়া আমি সেটি পাট । সিংতটি ওজনে ত্রিশ সেয়ের উপর। সোণাটার দাম প্রায় পশ্চাশ হাজার টাকা হইবে। আমার পৌত্রীকে যে বিবাহ করিবে, সে ঐ সিচঁটি যৌতুক স্বরূপ পাইবে। আমার লোহার সিন্ধকটিতে ঐ সিংহ বক্ষিত আছে। এ খবরটি এতদিন কেঞ্চ জানিত না । জানিলে ডাকাষ্টতের আসিয়৷ সিংচটি লষ্টয়া যাইত। লোহার সিন্ধকে আমার এক হাঙ্গৰ ఫి 3