পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/৫৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


- - দেখিতে পাওয়া যায় যে, অতি শৈশবাবস্থায় বিবাচিত হইয়া কিছু দিন পরেই বিধবা হইয়াছে, এরূপ বালিকাকে ও চিরজীবন সমস্ত স্বশ্বে জলাঞ্জলি দিয়া কাটাইতে হয় । যে কতদূর হৃদয়বিদারক দৃগু এবং হৃদয়হীনতা পরিচায়ক এক যুগে বলিয়া শেষ করা যায় না। কি পাপে যে বঙ্গবিধবাগণেব প্রতি এরূপ কঠিন ধণ্ডের ব্যবস্থা হইয়াছে, তাই বঙ্গ-সমাজই বলিতে পায়েন। এরূপ শোচনা अथ मम। সৰ্ব্বদা চক্ষে দেখিয়াও বঙ্গপুরুষগণ বিধবাদের ছুঃখমোচনে কিরূপে যে অবহেলা করিতেছেন ইহাই আশ্চয্যের ৪ দুঃখের বিষয়। অসহ বৈধব্যযন্ত্রণ সহ করতে না পাপ্লিয়া কত বাল-বিধবা যে লোকলঙ্কায় জলাঞ্জলি দিয়া পাপে পৃথিবী কলুষিত কয়িতেছে, তাহ কে না জানেন । ইঙ্গ কি বঙ্গসমাজের বড়ই গৌরবের বিষয় ? এরূপ বাল-বিধবাগণের জীবন চিরদিনের জন্য অমর্থী ও সমাজ কলুষিত না করিা পুনরায় তাষ্ঠীদের বিবাহ দিয়া তাহাদিগকে দুঃখ হইতে বিমুক্ত করা কি বঙ্গ-সমাজের কওঁধ, নচে । এ বিষয়ে সম্প্রতি কলিকতালিবাসী কোন সম্বাস্ত বংশীয় ব্রাহ্মণসন্তান নিজের বিধবা বালিকাকতীয় বিবাহ ধিয় বঙ্গসমাজে অক্ষয় কীঞ্জি স্থাপন করিয়াছেন। তবে এরূপ মচৎ কার্যা করিয়াও তাহাকে সমাজচ্যুত হইতে হইয়াছে, ইহাই পরিতাপের বিষয়। বড়ই আক্ষেপের বিষয় যে “কনসেন্ট বিল" পাস হইবার পরেও বার বৎসরের মুনিবয়স্থা যালিকার বিবাহপ্রথা এখনও বঙ্গ দেশ হইতে তিরোচিত হয় নাই। এ প্রকার শিশুদিগকেও আজন্ম বৈধব্য যন্ত্রণায় নিপীড়িত করা কি বঙ্গ সমাজের গৌরবের বিষয় ? অার এক কথা এই যে, বাঙ্গালী জাতি স্বভাবতঃ বড়ষ্ট সৎস্ত প্রিয় । মাছ না থাকিলে বাঙ্গালীর তৃপ্তিপূর্বক আগবই ভর না। অতএব এরূপ BBSBB BBBBB SBBBBBB BBBB BBB করিয়া যে কত দূর ক্লেশ দেওয়া হয়, তাত বলিতে পারি না। বয়স্থ যিধবার যদিও এ কষ্ট বিশেষ বোধ করেন না বটে ; কিন্তু বাল-বিধবাগণের জন্য ষ্টত অতিশয় কষ্টকর ব্যবস্থা, তাহাতে কিছু মাত্র নলেই নাট। আবার একই BBBBBB BB BBB BBB BBB BBB BBBB তারতমা করির বিধবাদের বিশেষত: বাল-বিধবাধের মনে সদা সৰ্ব্বদা বৈধৱ্য দশা মনে করাষ্টয়া দেওয়া ও শেলবিদ্ধ - έει প্রবাসী । - [ ৫ম ভাগ । । - - করা একই কথা । কোন পিতা, মাতা, দাতা বা স্বজন আছেন, যিনি ইহান্তে মৰ্ম্মান্তিক যন্মুখ না পান ; বা আমার কথার অঙ্গমোদন না করিবেন ? এমন অনেক দ্রষ্টান্ত । অবগত আছি যেখানে কেবল এক্ট যক্ষ্মণ সহ করিতে ন৷ পারিা পরিযারন্থ সকলেই আমিষ তাগ করিয়াছেন। স্বামীর মৃত্যুর পর জীবনধারণ করা বিড়ম্বনামার জানিয়াই পৰ্ব্বকালে বৰ্মণীর স্বামীর সহিত সহমৃতা হইতেন। কিন্তু ক্রমে ঐ প্রথা লোকাচার মধ্যে গণ্য হওয়ায় যে সকল বিধবা সহমৃতা। হইতে অনিচ্ছুক ইষ্টতেন, তাহাদিগকে বলপূৰ্ব্বক সহমৃতা | করান চইত। যাঙ্ক ইউক, আঞ্জীবন অসহ যথণা ও কষ্ট | ভোগ করবার জন্ত জীবিত থাকা অপেক্ষ পূৰ্ব্বকালের । সক্ষমরণ প্রথা সচত্র গুণে ভাল ছিল। বিধবা-বিবাহের নাম শুনিলেই বঙ্গ-পুরুষগণ কেন যে শিহরিা উঠেন, তাছা বুঝিতে পারি না। বিধবা-বিবাহ প্রচলিত করা অর্থে বিধবাগণ ইচ্ছা করিলে পুনরায় বিবাহ করিতে পারেন, এরূপ উপায় করা বুঝিতে হইবে। অন্যথা, বলপুৰ্ব্বক বিপবাদের বিবাহ দিবাঃ অধিকার কাহারও থাকিবে না । বিধবা-বিবাহ সমাজে প্রচলিত হইলে যে সকল বিধবাকে বিষাৎ কবিতেষ্ট হষ্টবে এরূপ নহে। ইংৰাজসমাজে বিধবা-বিষাই প্রথা প্রচলিত অাছে, কিন্তু তা বলিয়া কি সকল মিপবালাষ্ট বিবাহ কবিয়া থাকেন ? বিধবা-বিবাহ প্রচলিত থাকা সত্বেও কত ইংরাজ রমণী বিধবা অবস্থাতেই জীবন কাটাইয়াছেন ও কাটষ্টতেছেন। এরূপ পৃষ্ঠা প্রায়ই দেখিভে পাওয়া স্থায় । আমাদের স্বৰ্গীয়া মহারাণী । ভিক্টোরিয়া ইহার প্রধান দৃষ্টান্ত । তিনি বিধবা হওয়ার পর মনে করিলে অনায়াসে আবার বিবাহ করিতে পায়িতেন । কিন্তু তিনি, ইত লিম্পয়োজন বোদ করিয়া চিরকাল বৈধবা গণার কাটাষ্টয়াছিলেন। মাতার এই দৃষ্টাস্তুেধ অল্পবৰ্ত্তিণী গুইয়া হার বিধবা কছারাও কেতই বিবাহ কয়েন নাই । অতএব বিধবা-বিবাহ সমাজে প্রচলিত হইলে সকল বিধবাগণকেই যে পুনরায় বিলাহু করিতে হুইবে এরূপ কেই খেল মনে না করেন । কেবল বাল বিধবা ও নিঃসহায় বিধবাগণের জ্বশ্লেষ্ট এ প্রথা প্রচলিত করিবার প্রয়োজন। তাতীত । যে সকল মহিলা বিধবা হুইবার পর পুনরায় বিবাচ্চ করতে । - ইচ্চা করবেন, গুগল বিষাহ কলিতে পারবেন। r - - | ২য় সংখ্যা । ] - - --- বঙ্গ-বিধবাগণ মূর্ধিমতী দুঃখের আধায় বষ্ট আর কিছুষ্ট উষ্ঠাদেব তপ্ত অশ্ৰুজল ও হৃদয়ভের্দ দীর্ঘ নিশ্বাসষ্ট স্বাঙ্গালী জাতির তুঙ্গশীর অন্ততম কারণ। যত দিন পর্যাস্ত বঙ্গ বিধবাগণের কেশ দুন না হইবে ততদিন বঙ্গসমাজের কিছুতেই মঙ্গল হুইবে না । অতএব হে বঙ্গ-পুরুষগণ, যাহাতে বালাবিবঙ্গে একেবারে বহিত হইয়া বয়ঃস্থ কঙ্কার ধিবাহু প্রথা প্রচলিত হয় এবং বিধবা-বিবাহ প্রচারিত হয়, প্রাণপণে সকলে তাতার চেষ্টা করুন। যদিও এ ব্যবস্থা সমাজে অবাধে চলিতে এখনও অনেক বিলম্ব আছে ইহা আমি প্রবন্ধের প্রারম্ভেই বলিয়াছি ; কিন্তু তাই বলিয়া বঙ্গপুরুষগণের এ বিষয়ে নিশ্চেষ্ট পাকা উচিত নয়। এতষ্ঠ্যতীত একাদশার দিন নিৰ্জ্জল উপবাস না করিয়া যাহাতে বঙ্গবিধবাগণ ফল মূল, দুগ্ধাদি পাষ্টতে পারেম ইহারও বিধান করা উচিত। হায় । চিরন্ত:পিনী বঙ্গ-বিধবাগণের অঞ্জল মুছাইবার কি কেহই নাই ? শ্ৰীমতী ফুলকুমারী দেবী । মহেল । Rough willilihai moutes lullal, &c. P. H. Shetter. তীব্র ঝঞ্জা স্থান ও আবেগে যেন্ধন মৰ্ম্মদাহিনী— বৃটিক থের মেদাবাবে ঘঘল সারা যামিনী ! ক্ষুব্ধ বায়ুর আশ্ৰ বুথায়, রিক্ত হরর সিক্ত শাপায়, লিঙ্গন সিন্ধু, নিজন গুহায়, বিথার ধাথার কাহিনী । মন তু শুদম্ তু স্বল্ব দি মনতদ গুস্তু স্থা গুf ও কস্ ন গোয়েদু বাদ আজি মূল গিবন্ধ তু গিরী । অমিষ খণ্ড । প্রবাসী বাঙ্গালীর কথা । তুমি ইয়াছ আমি, আমি হ’য় তোমাতে বিলয়, । 〉○○ - -- --- - - - - তুমি আত্মা, আমি দেই, একপ্রাণ, অভিন্ন হৃদয় । শেন প্রিয় প্রিয়তম নোদের এ অপুৰ্ব্ব মিলনে তুমি আমি ভিন্ন ইহা নাহি যেন বলে কোন জনে । - - ইন্দ্রীলঙ্গ নয়ন দুখময়ুজেন, ইত্যাদি । - কলিজাস । লয়ল দুগল নীল উৎপল শ্ৰীমুখ কমল তায়কুন্দেতে ধশন পল্পৰ নৃত্তন নিন্দিত অধরাভায় ! অল্প শুকোমল চম্পকের দল । বুঝিবা বিধি গড়িয়— বল দেখি, প্রিয়া, গড়িল কি দিয়া বজ্ৰলেপ তত্ব হিয়া ? ঐধীরেশ্বর গোস্বামী । - - - - প্রবাসী বাঙ্গালীর কথা। রাওলপিণ্ডি । রাওলপিণ্ডি পঞ্চাবের একটি প্রাচীন সহর, শিক্ষিত ব্যক্তি মায়েই তাহ অবগত আছেন । পঞ্চাৰী ভাষায় গ্রামকে পিও বলে । তজ্জন্ত ইহার নাম ত্রাsলপিণ্ডি হুইয়াছে। ইহার অর্থ স্লাগুল নদীর নিকটস্থ গ্রাম। ইংরাঞ্জ অধিকারের সময় ৪ইতে দিন দিন উন্নতি লাভ করিয়া ও সৈনিকদিগের অবস্থান বলিয়া ইহা এক্ষপে বৃহৎ সহর। এখানে চাকরী উপলক্ষো বাঁধা চষ্টয়া ও এখানকাল স্বাস্থ্য ভাল বলিপ্পা ইদানীং অনেক বাঙ্গালী এথানে জাসিয়াছেন । বাঙ্গালী মহাশয়েরা মিলিটারী পে-আফিসে কৰ্ম্ম লইয়াই প্রথম এখানে আসেন। উপস্থিত এখানকার বাঙ্গালীর সন্থা প্রায় তিন শত । এখানকার ডাক্তার, একৃসিকিউটিক এঞ্জিলীয়ার, কলেজের অধ্যাপক, স্কুল-মাষ্টার, কেরাণীবৰ্গ প্রায় সকলেই বাঙ্গালী। এখানে বাঙ্গালী কর্তৃক দুষ্টট লাইব্রেরী স্থাপিত হুইয়াছে। একট লাইব্রেরীর নাম প্রোবোনো পলিকো লাইব্রেরী। ইহা সদর