পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/৭০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রমাণ । উভয়হস্তপ্রয়োগপটুতার জন্য বহু শত বৎসর হইতে চেষ্টা চলিতেছে এবং ফলবতীও হইয়াছে, কিন্তু ইহা কৰ্ম্মক্ষেত্রের বিশেষ বিশেষ বিভাগেই আবদ্ধ আছে। এক্ষণে ইহার অনুশীলন সাধারণ, বিজ্ঞানসন্মত এবং নিখুঁত হয়, ইছাই উভয়বাহুদক্ষতায়শীলন সমিতির উদেশ্ব। অনলগ বোপে, যথায় কর্মর প্রতিশব্দই (hand) হস্ত, যথায় কাজের অস্থ নাই, যথায় চার হাতে কাজ করিতে পারিলে লোকে বঁচে, তথায় ডাক্তার গেীল্ডের স্থায় বিরুদ্ধবাদীর তীব্র সমালোচনা হওয়াই স্বাভাবিক। কিন্তু এ দেশে, যথায় কাজ পাইলে তবে হাত বাড়াইতে হয়, যেখানে কোন প্রকারে "দক্ষিণ হস্তের ব্যাপার” সমাধা করিতে পারিলে লোকে কিছু করিতে চাহে না, এমন কি যে দেশে ৭২ লক্ষ • অকৰ্ম্মণ্য লোকও অন্ন পীয়, তথায় এক হাতেই কুলাইয়া যায়। এজন্য ভারতে একবাহুদক্ষত সম্বন্ধেই লোকে এক প্রকার উদাসীন। কিন্তু জীবনসংগ্রাম ক্ৰমেষ্ট কঠোর হইতে কঠোরতল হইয়া আসিতেছে। সুতরাং যথায় সহস্র বাছপও কল্পনা হইতে পারিয়াছে, সেই ভারতে দশভূজার সন্তানগণ সবে মাত্র দুইবাহুদক্ষতা লাভ করিতে আর বিলম্ব না করেন, ইহাই বাঞ্ছনীয় । - ঐজ্ঞানেন্দ্রমোহন দাস। - পালি না । যখন নিউটন এই কথাগুলি বলিয়ছিলেন, বিজ্ঞান তথন শৈশবের সীমা অতিক্রম করে নাই । তিনি চক্ষ কর্ণ প্রভৃতি । বাহ ইন্দ্রিয়গুলিকে সম্পূর্ণ সজাগ রাখিয়া, সম্মুখে যাহ পাইয়ছিলেন, তাঙ্গকেই আঁকড়াইয়া বিয়া দেখিতে আরম্ভ করিয়া ' ছিলেন । তার মনে হইয়াছিল, জীবনটা যদি অনন্তকালস্তান্ধী হইত, তবেই বুঝি সবগুলিকে নাড়িয়া চড়িয়া দেখিবা সুযোগ পাওয়া ঘঠিত। নিউটনের মৃত্যুর পর অনেক বৎসর চলিয়া গিয়াছে। যে সকল প্রাকৃতিক ঘটনাব কাৰণ আবিষ্কারেথ উপযোগী সময় না পাঠ্য নিউটন্‌ ক্ষুণ্ণ ইষ্টরছিলেন, এই সুদীর্ঘকালের মধ্যে একে একে তাঙ্গার অনেকগুলির স্বব্যাখ্যা পাওয়া গিয়াছে। কিন্তু তিনি যে পথ ধরিয়া প্রাকৃতিক রহস্তের উদ্ভেদ সম্ভবপর। মনে করিয়াছিলেন, পরবর্তী পণ্ডিতগণ সে পথ অবলম্বন করেন নাই । নিউটনের সময়ে পণ্ডিতগণ চক্ষুকৰ্ণাদি ইন্দ্রিয়েব কীে অযথা বিশ্বাসস্থাপন কবিয়া, ইঞ্জিয়ের স্বাভাবিক জ্ঞানকেই সৰ্ব্বোচ্চ আসন দিয়াছিলেন। কিন্তু আধুনিক পণ্ডিতগণ । সেই নয় ইঞ্জিরের কার্যাকে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান-বাপারে - একটা অতি নিস্তানে বসাইন রাপিয়াছেন। মনে হয় আধু । নিক পণ্ডিতগণ ইন্দ্ৰিয়-জ্ঞানকে এত নীচে নামাইয়াছিলেন বলিয়াই আজ বিজ্ঞানের এত উন্নতি । প্রকার প্রাকৃতিক বৈচিত্রোব খুটিনাটিগুলির মন্মগ্রহণ করিতে গুঞ্জনের জিনিস হাতে করিব মাত্রই সেটার যে গুরুত্ব আছে তাহা তৎক্ষণাৎ বুঝিয়া ফেলি। সুতরাং দেখা যাইতেছে আমাদের ইন্দ্রিয় অতি লঘু জিনিসের ভার অনুভব করিতে সম্পূর্ণ অনুপযোগী। জিনিস কতটা ভারি হইলে যে, আমরা তাহার ভার বুঝতে আরম্ভ করি, তাছার সীমা স্থির করিবার জন্য এপর্যন্ত অনেক চেষ্ট হইয়াছে, কিন্তু অনুসন্ধানে কোনও নির্দিষ্ট সীমা পাওয়া যায় নাই। বোধ হয় গুরুত্ববোধের সীমা মানুষ যাত্রেই এক নয়। যে পরিমাণ ভারি হইলে আমি কোন জিনিসের অস্তিত্ব বুঝিতে আরম্ভ করিব, সেইঞ্জিনিসটাই অপর লোকের হাতে দিলে সে হয় ত তাহার গুরুত্ব বুঝিতে পরিবে না। দুইটি জিনিসের ওজনের পার্থক্য স্থির করা, আমাদের ইঞ্জিয়ের আর একটি কার্য। এই কাজেও ইঞ্জিয়ের অযোগ্যতার অনেক প্রমাণ পাওয়া গিয়াছে। ভেষের (Weber) নামক জনৈক বিখ্যাত জৰ্ম্মান পণ্ডিত এই বিষয়টি লইয়৷ অনেক অনুসন্ধান করিয়াছিলেন । ইহার অনুসন্ধানে জানা গিয়াছে, প্রত্যেক লোকেরই ওজনেয় পার্থক্যজ্ঞানের এক একটা #fni ( Dillerence ihreshold ) cgo zig i zirgs së সীমার মধ্যকার ওজন গুলির পার্থক্য যেশ আন্দাজ করিতে পারে, কিন্তু সেই সীমার বাহিরের ওজনের পার্থক্য বুদ্ধ তাহার পক্ষে খুব কঠিন হইয়া পড়ে । যিনি তিন সের ও চালি সেরেল মধ্যকার পার্থক্য আন্দাজ করিতে পারেন, তিনি ইন্দ্রিয়ের অপূর্ণত । - - $ల్ని প্রবাসী । [ ৫ম ভাগ । ৩য় সংখ্যা । ] రిరి - - - - - - -- ... . - -, -, -, - - SSMSSSMSSSMSSSMSSSMSSSMAMMMMMS MMMSSMSMSMS MMS MS - . হস্তই যে সুতরাং অভ্যাসের সমান বশ ইহা ভাঙ্গারই একটা গুলিকে নিঃশেষে আহরণ কৰিতে পারে K DDDSS SDDSSSSSSS BBB BB BBB BB BS BB BBBBB BB BB BBBB BBBBB B BBBBB BB BB BBB হয় না। কোন জিনিসকে আঘাত দিয়া বা অপর কোন প্রকারে প্রতি সেকেণ্ডে এক হইতে নয় বার পর্য্যন্ত শব্দ করিলে, আমরা শব্দগুলিকে বেশ পৃথকৃ পৃথক শুনিতে পাই । কিন্তু শব্দসংখ্যা সেকেণ্ডে দশ বা এগার বার হইয়া দাড়াইলে, আমরা তপন আর সেগুলিকে ছাড়া ছাড়া ভাবে শুনিতে পাই না। হারমেনিয়ম বা শস্থের শব্দের ছায় তাহা একটা অবিচ্ছিন্ন শব্দ হইয়া দাড়ায় । আমাদের দৃষ্টিশক্তিরও ঐ প্রকারের একটা অক্ষমতা আছে। এক ইঞ্চিকে হাজার ভাগ করিয়া, তাহার একভাগ লইলে যে অতি ক্ষুদ্র দূরত্ব পাওয়া যায়, সেই প্রকার দূরত্বে কতকগুলি বিন্দু কাগজের উপর অঙ্কন করিলে, আমরা তখন সেই অতি নিকটবর্তী বিলুগুলিকে আর বিলু বলিয়া চিনিতে পারি না। সেগুলিকে স্পষ্টই গায়ে গায়ে লাগা দেখা যায়। কাজেই কতকগুলি বিন্দুর স্থানে, আমাদের চক্ষু একটা অবিচ্ছিয় রেখা দেখিতে থাকে। আমাদের ইন্দ্রিয়ের উল্লিখিত ছৰ্ব্বলতাগুলি মাংসপেশীর কার্য্যতৎপরতার ক্রীতে উৎপন্ন হইয় থাকে বঞ্চুি আজকাল অনেকে মনে করিতেছেন। বাহির হইতে কল বল সাহায্যে আঘাত উত্তেজনা দিয়া আমরা মাংসপেশীকে সেকেণ্ডে পঞ্চাশ যাইট্‌ বার স্পদিত করিতে পারি সত্য, কিন্তু স্বাভাবিক কারণে সেকেওে দৃশ এগার বারের অধিক মাংসপেশী পন্দিত হইতে পারে না। এই কারণে কোন অক্ষরকে কেবল চক্ষু কৰ্ণ - ইন্দ্রিয়ের অপূর্ণত | অনেক দিল হইয়া গেল, বিজ্ঞানাচার্য নিউটন তাহার দিব্যচক্ষু সাহায্যে জলমৃত্তিক আলোকবিড়াৎ ও গ্রহনক্ষত্রে প্রকৃতির অনন্ত লীলা প্রত্যক্ষ করিয়া অবাক হইয় পড়িয়া সেকেণ্ডে দশ বা এগার বারের অধিক উচ্চারণ করা অসম্ভব হয়, এবং মনে মনেও আমরা সেটিকে দশ বার বারের অধিক গণিতে পারি না । সুতরাং যে শব্দ ও যে আলোক মাংসপেশার স্বাভাবিক স্পন্দনের সীমাকে অতিক্রম কল্লিয়া ইঞ্জিয়ে উeাদের দ্বিগুণ গুজন অর্থাৎ ছয় সের ও আট সেরের তফাৎ বেশ বুঝিতে পারবেন। কিন্তু সাত ও আট বা ছয় ও সাত সের ইত্যাধি এলোমেলে ওজনের পার্থক্য স্থির করা তাহার পক্ষে অসাধ্য হইয় দাড়ায়। নাসিকাদির স্বাভাবিক শক্তির উপর নির্ভর কবিয়া খসিয়া থাকিলে, নিউটনের সময়ে জড়-বিজ্ঞান দে স্থানে ছিল, । আজও তাঙ্গকে বোধ হয় সেই স্থানেই থাকিতে হইত। যে সকল অক্ষরতার জন্য ইলিয়ের স্বাভাবিক শক্তি । ছিলেন । নিউটনের অসাধারণ প্রতিত ছিল, এবং উচ্চলেরও সীমা ছিল না। কিন্তু যখন সেই অনন্তসাধারণ ক্ষমতার অধিকারী হইয়াও তিনি প্রাকৃতিক রহস্তগুলিকে আয়ত্ত্ব করিতে পরিলেন না, তখন তাঁহাকে হতাশভাবুে বলিতে হইয়াছিল,—প্রকৃতিববাজা—অনস্ত সমূদকুলের ছায় বিশাল ; বালকের দুর্বল হস্ত যেমন সেই বেলাভূমিবিক্ষিপ্ত শিলাখণ্ড

  • Census of India, 1991.

- . * - ----------------------سميe--ے আমরা বৰ্ত্তমান প্রবন্ধে তাহারি ই একটিব বিধা আলোচনা করিখ । - একটা নির্দিষ্ট গুরুত্বের সীমানা পার না হইলে আমর যে কোন পদার্থের ওজল বুঝিতে পায়ি না, এই ব্যাপারট. বোধ হয় প্রথম জ্ঞানেন্মেষের সহিত মানুষ বুঝিরছিল। লালুকাল কয়েকটি ক্ষুদ্র কণা চাৰে লইলে, আমরা সেগুলির আজকাল বৈজ্ঞানিকগবেষণার সম্পূর্ণ অতুপযোগী হইয়াছে, | . নর্দেশ করা চলে না। এই প্রকারের অক্ষমতা আমরা প্রত্যেক ইন্দ্রিয়েরই কাজে দেখিতে পাই। তাপালোক স্বাদগন্ধ স্পশ শ্রবণ প্রভৃতি সকল ইন্দ্রিয়জ্ঞানেই ঐ প্রকার এক একটা সীমা আছে। কতকগুলি ইন্দ্রিয়ের ক্ষমতা ব্যক্তিবিশেবে অধিক বা অল্প ইষ্টতে দেখা যায়। কাজেই সেই সকল ইন্দ্রিয়জ্ঞানের সীম কিন্তু কয়েকটি প্রধান প্রধান ইন্দ্রিগ্নে কায্যের সীম মজুম্মাত্রে একই দেখা যায়। মামুষের . . . . . আঘাত দিতেছে, সেগুলিকে যে মাংসপেশী ও স্বায়ুমণ্ডলী যথাযথ ভাবে বহিয়া লইয়া দাইবে না, তাহাতে আর আশ্চর্য কি ? শরীরের কোন অংশে আঘাত দিলে, আমরা তখনি সেই আঘাতজাত বেদন অনুভব করি। আঘাতপ্রাপ্তি ও ষেদন অমৃভূতির মধ্যে যেন কোনই সময়েরবাবধান নাই বলিয়া মনে হয়। কিন্তু বস্তুত একটা বাপ্ৰধান আছে। পরীক্ষ দ্বারা