পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/৭২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


- - ১৩৬ SMMM S MMM S M M MMS MS MS পরিবর্ধন ঘটিয়াছিল। এই কারণ কোরাণের ব্যাখ্যা লইয়া মোসলেম সমাজে বিবাদের স্বত্রপাত হয়। মোহাম্মদের পত্নী হাফসার নিকট আবুবকবসংগৃহীত মূল কোবাণ বিদ্যমান ছিল । ওসমান বিভিন্ন স্থানের প্রচলিত সমস্ত প্রতিলিপি সংগ্ৰহ করিয়া তৎসমুদয় ভক্ষ্মীভূত করেন। ইহার পর তিনি কাফসার নিকট রক্ষিত কোরাণের প্রতিলিপি করাইয়া ইসলাম সাম্রাজ্যের প্রধান প্রধান স্থানে প্রেরণ করেন । যাঁহাতে ভবিষ্ণুতে কোন প্রকার রূপান্তর না হইতে পারে, তজ্জন্ত ব্যবস্থা অবলম্বিত হয়। অল্প পর্যান্তও পৃথিবীর সর্বত্র ওসমান কর্তৃক প্রচারিত কোরাণই প্রচলিত রহিয়াছে। কোরণের বিশুদ্ধ সংস্করণের প্রকাশ ও প্রচারেই ওসমানের সমগ্র সময় অতিবাহিত হয় নাই। তিনি পুৰ্ব্ববৰ্ত্তী খলিফান্বয়ের পন্থা অনুসরণ করিয়া বিদেশে মোসলমানের অর্ধচন্দ্ৰশোভিত বিজয়পতাকা উড়াল করিতে প্রবৃত্ত হন। তিনি খলিফার পদ প্রাপ্ত হইয়াই ইরাকের শাসন-কর্তৃপদে আবদুল্লাকে নিযুক্ত করেন, এবং উহাকে হিন্দুস্থানসংক্রান্ত তথ্য সংগ্ৰহ করিবার জন্ত আদেশ দেন। তদনুসারে আবদুল্লা জলালের পুত্র হাকিমকে হিন্দু স্থানে প্রেরণ করেন। হাকিম তথা হইতে প্রত্যাবৃত্ত হইয়৷ মদিনায় খলিকায় নিকট উপনীত হন । খলিফা র্তাহীকে হিন্দুস্থানসংক্রান্ত নানা কথা জিজ্ঞাস করেন। তিনি উত্তর করেন, “হিন্দুস্থানে জলের বড় অভাব, স্বমিষ্ট ফল দুৰ্ল্লভ। যদি অল্পসংখ্যক সৈন্য প্রেরিত হয়, তবে তাছারা শত্রুকস্তে পরাজিত হইয় প্রাণ পরিত্যাগ করিবে ; আর যদি বহুসংখ্যক সৈন্য প্রেরিত হয়, তবে তাহারা অনাগলে ক্লিষ্ট হইবে।” ওসমান জিজ্ঞাসা করিলেন, “তুমি কি যথাযথ বর্ণনা করিতেছ, না কল্পনায় আশ্রয়গ্ৰহণ করিয়tছ ?” হাকিম বলিলেন, “আমি স্বীয় অভিজ্ঞতালব্ধ বিষয়ই বর্ণনা করিয়াছি।” ওসমান তাহার উত্তর শ্রবণ করিয়া হিন্দুস্থানে সৈগুপ্রেরণ করিতে ক্ষান্ত হন । কিন্তু অন্তান্ত দিকে সৈন্য প্রেরিত হইয়াছিল।– SBB DD BBB Du BBBBt ttt BBBS SS SSS BBB S S BBBB BBB BB BBBB BBBBB BBBB শাসনকৰ্ত্ত নিযুক্ত করি? পাঠাইলেন। সমাট কনষ্টাণ্টাইন ইহা জানিতে পারিশ্ন মিশরের পুনরাদ্ধার শ্বস্ব বহুসংখ্যক রণপোত প্রেরণ করিলেন । প্রবাসী । [ ৫ম ভাগ । - - -- আলেকজেণ্ডিয়ার গ্ৰীক অধিবাদিগের সাহায্যে সম্রাটের সৈন্যগণ সেই BBB BBBB BB BBBS BBB BB BBB BBB BBBBB পূন: মিশরের শাসনকৰ্ত্ত নিযুক্ত করিয়া পঠাইলেন। আমরা তথা পৌছিলে ভয়ঙ্কর যুদ্ধ আরম্ভ হইল। যুদ্ধে গ্ৰীক সৈন্য অতুল সাহস ও বীর্যাবৃত্তার পরিচয় প্রদান করিলেও তিনি ভীষণ প্রতাপে আলেকজেণ্ডিয়ার পুনরুদ্ধার সাধন করিলেন। ইহার অল্পকাল পরেই খলিফা আবার আবদুল্লাকে মিশরের শাসনকৰ্ত্ত নিযুক্ত করিয়া পঠাইলেন । এবার আলফুল্লা শিক্ষণ সাহস ও ধীরত্বের পরিচয় দিলেন। তিনি চল্লিশ সংস্র সৈন্ত লই। টুপোলি আক্রমণ করলেন। ভয়ঙ্কর যুদ্ধে টপোলির শাসনকৰ্ত্ত৷ বহুসংখ্যক গৈঞ্চের সহিত নিহত হইলেন। টুপোলি রাজ্য আরবদিগের অধিকৃত হইল। তার পর আবদুল্ল কয়েকবার নিউবিয়া আক্রমণ করিয়া অনেক ধনরত্ন লাভ করেন । SBBB LSBB BBBB BBBBBS BBB BBB BBBBB সাহায্যে ভূমধ্যসাগরের পুঞ্চ ও পূর্বউত্তর প্রাস্তুের স্থানসমূহ আক্রমণ ও জয় করিতে লাগিলেন । তিনি সাইপ্রাম, এরেডাস, রোডল প্রভৃতি BBBB BB BBBS BB BBBB BSBSS BBB SBBS BBBSBBBBBB বন্দর পয্যন্ত আক্রমণ করিয়া লুণ্ঠন করিতে লাগিলেন।" ( ১ । কিন্তু আত্মকলই নিবন্ধন হঠাৎ যোসলমানের এই পররাজা জয় বন্ধ হইল । ওসমান ইসলান সীমাজ্যের প্রাদেশিক শাসনকর্তৃগণের নিয়োগ সম্বন্ধে সুবিবেচনার পরিচয় দিতে পারেন নাই। তিনি কুফ ও বশোরার শাসনকর্তৃপদে নিজের অযোগ্য আত্মীয়স্বজনীদগকে নিযুক্ত করিয়াছিলেন। ইঙ্গার ফলে মোসলেগ সমাঞ্জে অসন্তোদের বীজ উপ্ত হয়। বহুসংখ্যক কোরেশ স্বদেশ পরিত্যাগ পূর্বক কুফ ও বশোরায় বাস করিতে গমন করিয়াছিলেন । ওসমান এই সকল মোসলমানকে সন্তুষ্ট করিবার জন্য তাহাদিগকে কতিপয় বিশেয অধিকায় প্রধান করেন। এই কারণ তাহদের আত্মশক্তিবোধ ও গরিন বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় । ওসমান আরবদেশেও নানা কারণে ক্রমশ: লোকের অপ্রিয় হইয়া পড়েন। তিনি কৰা মন্দিরের চতুঃপাশ্ববর্তী উত্থানের আয়তন ও সৌন্দর্য্য বদ্ধন করিয়াছিলেন। কিন্তু তাহার ব্যবস্থার দেশে এই পুণ্যকার্য্যেও অনেক শত্র জুটিয়াছিল। এই সময় মদিনায় জুয়াখেলার প্রাছভাব ঘটিয়াছিল। তিনি এই কুপ্রথায় বিরুদ্ধে দণ্ডায়মান হুইয়াও অনেকের বিরাগভাজন হন। তিনি তীর্থদর্শন সম্বন্ধীয় নিরমাবলীর পল্লিবৰ্ত্তন করেন । এই পরিবর্তন হেতু মোহাম্মদকৃত ব্যবস্থার বিপৰ্য্যয় ঘটে। এই কায়ণ ওসপানের অপযশের সীমা ছিল না। তাহার ব্যবস্থার দোষে অনেক শক জুটিত ; কিন্তু লোককে স্বপক্ষাবলম্বী কল্পিবার শক্তি তাহীয় ছিল (১) যুক্ত আন্স ল করিম প্রণীত মোসলমান রাজত্বের ইতিবৃত্ত। - ــــــــــــــــــــــــــــــــتـــــــــــــــــــــ -- - - ৩য় সংখ্য। ] - - না। ওসমানের প্রতি লোকবিরাগের এই সকল সঙ্গতা সঙ্গত কারণের সঙ্গে কুসংস্কার যুক্ত হইয়া তাঙ্গাকে অধিকতর অপ্রিয় করিয়া তুলিয়াছিল। মদিলার এক ক্রোশ দূরে একটা কূপ খনিত হইতেছিল। একদিন ওসমান এই কার্য পরিদর্শন করিতে গমন করেন, এবং সেখানে উপস্থিত ছইঞ্জা লোকদিগকে অঙ্গুলিসঙ্কেতে কোন কোন কার্য সম্বন্ধে উপদেশ দেন। এই সময় তাহীর অঙ্গুলি হইতে পয়গম্বরের অঙ্গুৰীয়ক (আবুবকর এবং ওমরও এই অঙ্গুরীরক ইসলামের অধিনেতৃত্বের চিন্তু স্বরূপ ব্যবহার করিতেন ) হঠাৎ খুলিয়া পড়ির অংশু হয়। ওসমান উগর পুনরুদ্ধার সাধন জহু তৎক্ষণাৎ বহুমুদ্র পুরস্কাল দিতে প্রতিশ্রত হল , ওসমান এবং তদীয় অনুচরগণ তন্ন তন্ন করিয়া সকল স্থান অনুসন্ধান করেন। কিন্তু তাছাদের সমস্ত প্রাসষ্ট ব্যর্থ ইষ্টয়াছিল ; হজ্ববতেল অঙ্গুরীয়কের পুনরুদ্ধার নবিত হয় নাই । ওসমান হজরতের অঙ্গুরীয়কের অভাবে অতিশয় দু:খিত হন, এবং এই ঘটনায় গুরুতর বিপদের পুঞ্চলক্ষণ দেখিতে পাইয়া ম্ৰিয়মাল হইয় পড়েন । পূৰ্ব্বোল্লিখিত কারণপরম্পরায় ক্রমশঃ বচলোক ওমমানের বিরোধী হইয় উঠে। অবশেষে তাঁহার খলিফার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনয়ন কবে। (১) ওসমান ইসলাম সাম্রাজ্যের বিশিষ্ট রাজকৰ্ম্মচালিগণকে পদচ্যুত করিয়া তৎপদে আত্মীয়স্বজনীদগকে নিযুক্ত করিয়াছেন । (২) ওসমান মসজিদের বেদিকার মৰ্ব্বোচ্চ সোপানো উপবেশন করিয়া কৃষ্টতার পরিচয় দিয়াছেন। এই বেদিকার তিনটি সোপান ছিল । মোহাম্মদ সৰ্ব্বোচ্চ সোপানে, আবুবকর দ্বিতীয় সোপানে এবং ওমর প্রথম সোপানে উপবেশন করিতেন। (৩) ওসমান অনুগত ব্যক্তিদিগকে ধন বিতরণ কবিয়। রাজকোষের অর্থ অপচয় করিয়াছেন । . ওসমান একদিন উপাসনাত্তে সমাগত উপাসকদিগকে সম্বোধন করিয়া বুলিলেন, “আমি প্রথম সোপানে উপবেশন করিলে লোকে আমাকে গুময়ের সমকক্ষ ও দ্বিতীয় সোপানে উপবেশন করিলে লোকে আবকে আবুবকরের সমকক্ষ বলিয়া বিলোচনা করিত। কিন্তু আমি ঠাহাধের সমকক্ষ খোলফায় রাশেদিন । - き - ১৩৭ - --- নছি। এই জন্ত তৃতীয় সোপানে উপবেশন করিয়াছি। আমাকে কেহই মোহাম্মদের সমকক্ষ বলিয়া বিবেচনা করে না।” তষ্ঠার পর ওসমান বলিতে লাগিলেন, “বাঙ্গকোষের অর্থ ঈশ্বরের। এই অর্থ কি ভাবে বিতরণ করতে ইষ্টবে, তাহা নিদ্ধারণ করিবার অধিকার কেবল থলফারই রছিয়ছে। কারণ, তিনই মোহাম্মদের উত্তরাধিকারী।” ওসমালের শেষোক্ত কথার প্রতিবাদ করিবার জন্ত অমর যাশের নামক একজন সস্তান প্রাচীন মোসলমান বণ্ডায়মাম হইলেন। ওসমান ঠাহীর প্রতিবাদবাকো . ক্রুদ্ধ হইয়। তাঁহাকে প্রহার করিতে আদেশ দিলেন ; তদীয় অনুচরের প্রভুর আদেশে তাহাকে নিৰ্দ্দয়ন্ধপে প্রহার করিল। সময় ঘাশেরের স্থায় মান্ত ব্যক্তির লাঞ্ছনায় সমগ্র মোসলেম সমাজ স্কুদ্ধ হইয়া উঠিল । এই সুযোগে বিরোধিগণ ওসমান এবং তন্নিয়োজিত কৰ্ম্মচারীদের বিরুদ্ধে জনলাধারণকে উত্তেজিত করিতে লাগিল। তাহাণের উত্তেজনার ফলে বশোর হজতে দেড় শত, কুফা হইতে আড়াইণত এবং মিশর হইতে হয় শত প্রতিনিধি আগমন করিয়া মদিনার বহির্ভাগে শিবিরসংস্থাপন করিলেন । তাহার খলিফাকে পদত্যাগ করিতে অথবা তঞ্জিরোজিত কৰ্ম্মচারিগণের উৎপীড়নের প্রতিবিধান করিতে বলিয়া পাঠাইলেন । আলীর মধ্যস্থতায় ওসমান প্রতিনিধিগণের আনীত অভিযোগের অমুসন্ধান করিয়া তৎসমুধায়ের নিরসন করিতে প্রতিশ্রত হইলেন। তখন বশোরা ও কুফার প্রতিনিধিগণ প্রতিগমন করিলেন। কিন্তু মিশরের শাসনকৰ্ত্ত আবদুল্লাকে পদচ্যুত না করিলে সেপেশের প্রতিনিধিবর্য মলিন পরিত্যাগ করিতে অস্বীকৃত হইলেন । ওলমান নিরুপায় হইয়া আবদুল্লাকে পদচ্যুত করিয়া আবুবকরের পুত্র মোহাম্মদকে মিশরের শাসনকৰ্ত্ত নিযুক্ত করিলেন। মিশরের প্রতিনিধিগণ মোহাম্মণকে সঙ্গে লইয়া ধাত্র করিলেন। তিন দিনের পথ অতিক্রান্ত হইবার পর দৈবক্রমে তাহাঁদের হস্তে একখানি পত্র পতিত হইল । পত্রখানি খলিফার নামাঙ্কিত এবং তদীয় মুনশী মারওয়ানের হস্তলিখিত ছিল । এই পত্ৰখানিতে লিখিত ছিল, “হে মিশরের শাসনপতি আবদুল্লা, মোহাম্মদ আমার নিয়োগপত্র সহ উপস্থিত হইলে তাহাকে হত্যা করিও -