পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/৭৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


28b লীবিগের বাবস্থা রসায়ন শিক্ষার পক্ষে প্রভূত মঙ্গলদায়ক द३झोप्क्नु । লবিগের সর্ব্বতোমুখী প্রতিভা কগন ৪ এক বিষয় লইয়া স্থির থাকিত না । অঙ্গারমূলক পদার্থের নূতন প্রকার বিশ্লেষণপ্রণালী আবিষ্কার করিয়া তিনি জৈব পদার্থের স্বরূপনির্ণয় অল্পায়াসসাধা কবিয়া দিয়াছিলেন । শারীরবিজ্ঞান (Physiology), $obiofol (Fermentation), oftধিজ্ঞান প্রভৃতি রাসায়নিক প্রণালী স্থার পরীক্ষা করিয়া তিনি অনেক নূতন তথ্য উদ্ভাবন করেন। ১৮৪৭ খৃষ্টাব্দে *Posso Chemisly in its elation to agriculture নামক পুস্তকে সারদিবীর উপকারিত। তিনি সৰ্ব্বপ্রথমে প্রদর্শন করেন । অনেক বৃক্ষ জমি হইতে বিভিন্ন প্রকারের লবণ আকর্ষণ করিয়া নিজ দেহের পুষ্টসাধন করে । এই সকল লবণের অভাবে জমির উৰ্ব্বরতা হ্রাস পায়, তাহ লাবিগ, প্রথম প্রমাণ করেন। তিনি গণনা দ্বারা দেখাইয়াছিলেন যে, আলু চাষ করিলে প্রত্যেক একালে ৯০ পাউণ্ড ৪ বঁট চাষ করিতে ১৫০ পাউণ্ড যুবক্ষার ঘটিত লবণ (potassium salt) অবিশ্বক হয় । আজ কাল বীট হইতে উৎপন্ন শর্করা যে এত সুলভ হইয়াছে, স্বাসায়নিক প্রণালী মতে চাষ করাই তাহার একমাত্র কারপ। উনবিংশ শতাব্দীর প্রারম্ভে উৎপাদিত বটমূলে শতকরা ছয় ভাগ করিয়া শর্করা থাকিত। কিন্তু লবণমূলক সার দিবীর গুণে আজ কাল তাহ শত করা ১৪ তাঁগে ধাড়াইয়াছে। ইক্ষুতে শর্করা শতকরা ১৮ তাগ আছে। কিন্তু তাহ সত্ত্বেও বৈজ্ঞানিক প্রণালীর অভাবে ইক্ষু হইতে উৎপাদিত শর্কর নিজের জন্মভূমিতেও প্রাধান্তলাভ করিতে পারল না। শর্কর বিক্রয় করিয়া ১৮৯১ খৃষ্টাব্দে জৰ্ম্মানি ৮৭লক্ষ পাউণ্ড উপাৰ্জ্জন করিয়াছিল। যুবক্ষায়ঘটিত লবণের যখন উপকারিতা সম্প্রমাণ হইল, তখন চারিদিকে ইহার খনির অমুসন্ধান পড়িয়া গেল। ষ্টাসফট { stassfurt ) নামক নগরীতে সৈন্ধব লবণের খনি ছিল। বৈজ্ঞানিকগণ ভূগর্ভস্থ স্তর প্রদর্শন করিয়ু দেখাইলেন যে, আরও নিয়ে সৈন্ধবলবণ ও যুবক্ষারঘটিত লবণ প্রচুর পরিমাণে প্রোথিত থাকিবার সম্ভব । গভর্ণমেণ্টের এ বিষরে মনোযোগ আকৃষ্ট হওয়াতে খননকাৰ্য্য অরন্ধ হইল। প্রবাসী । পৰ্ব্বপ্রথম স্তরে মাগ্নেসিয়মঘটিত তিক্ত লবণ পাওয়া গেল। তথন ইঙ্গ কোন কাজে আসিত না। মৃতয়া বাজপুরুষগণ অনর্থক প্রচয় ব্যয় করাইবার নিমিত্ত বৈজ্ঞানিকদিগকে " গালাগালি দিতে লাগিলেন। কিন্তু আরও নিয়ে পনন করিয়া | আপন উৎক্লষ্ট লবণের স্তর পাওয়া গেল, তখন বৈজ্ঞানিকদিগের । কথায় যাথার্থ প্রমাণিত হইল। লিশ বৎসরের ভিতর | কোটি ১৫ লগ পাউণ্ড মূল্যের লবণ খনি ইত্তে উদ্ধৃত হইয়াছে। ভূগর্ভপ্রোথিত এই রত্ন উদ্ধালের নিমিত্ত জৰ্ম্মানির o তাহাব রাসায়নিকদিগের নিকট কুতজ্ঞ থাকা উচিত। নাইট্রোজেন ও ফফরাসঘটিত পদার্থের সার প্রয়োগ ব্যবহায় ৪ লীবিগ প্রথমে আবিষ্কার করেন। পাথুরে কয়লা কষ্টতে গ্যাস প্রস্তুত করিবার সময় যে অ্যামোনিয়াযুক্ত তরল পদার্থ পাওয়া যায় তাহা হইতে আমেনিয়ীমূলক লবণের প্রস্তুতকরণ এই সময় হইতে আরব্ধ হয় । চিলি এব: ভারতবর্ষ হইতে উৎপন্ন বিভিন্ন প্রকালের সোরাও কৃষিকাৰ্য্যের নিমিত্ত ব্যবহৃত হয়। বিচার অঞ্চলে পুরাকাল । হইতে পচা জৈব পদার্থ হইতে সোব স্বতঃ উৎপাদিত হইত। - বারদ প্রস্তুতের নিমিত্ত ব্যবহৃত হইত বলিয়া চিলির সৌর অপেক্ষ এই সোরীরই বেশী আদর ছিল । কিন্তু ১৮৫৭ অব্দে দেখা গেল যে, রাসায়নিক প্রক্রিয়া দ্বারা অতি সহজে চিলি সোরাকে তারতীয় সৌরাতে পরিবৰ্ত্তিত করা যাইতে পারে। সেই সময় হইতে ভাপতবৰ্ষীয় সোরীর রপ্তানি অৰ্দ্ধেক কমিয়া গিয়াছে। শারীরবিজ্ঞান বিষয়েও লাবিগ, অসাধারণ ক্ষমত প্রদর্শন *falls& St.82 of fosa Organic chemistry in its relations to playsiology and pathology of পুস্তক প্রকাশ করেন। ইতিপূৰ্ব্বে কেহই শারীববিজ্ঞান রসায়ন শাস্ত্র অনুপ্রবিষ্ট করিতে সাহস করেন নাই। লবি ৷ প্রথমে এই মহৎ কার্যোর অনুষ্ঠান করেন। শ্বেতা " (starth ) ও আহমেন প্রভৃতি বিভিন্ন প্রকার থা যে আমাদের শরীর পোষণের নিমিত্ত প্রয়োজনীয় তার তিনিই প্রতিপাদিত করেন। রক্ত, পিত্ত, মূত্র, মাঙ্গ নিষ্পের্মিত রস হইতে তিনি অনেক প্রকার অঙ্গারমূলৰ যৌগিক পাণ আবিষ্কার করেন। অসংখ্য রোগী পঞ্জি'কর্তৃক প্রস্তুত স্বরূয়া, শিশুর খাদ্য ও মাংসনিৰ্য্যাস সেন্ম ৩য় সংখ্যা । ] করিয়া উপকার পাইয়াছেন। একজন লোকের আড়ম্বরবিহীন পরিশ্রমে ও অদম্য উৎসাহে জগতের কত দূর কল্যাণ সাধিত হষ্টতে পারে, লীবিগ্‌ তাহার জাজ্জ্বল্যমান উদাহরণ। আলেক্‌জেণ্ডার ও নেপোলিয়ান বস্নাতকে শোণিতধারায় প্লাবিত করিয়া কত রাজ্য স্থাপন, কত রাজ্য বিনাশ করিয়া গিয়াছেন। কিন্তু আজ সে সব রাজত্বের অস্তিত্ব কোথায় ? মহাপুরুষেরা মানসিক-জগতে রাজত্বস্থাপন করিয়া যে মহামুকুট পরিধান করেন তাত অবিনশ্বর, মৃত্যুও তাহ অপহরণ করিতে পারে না । বেয়ার। লবিগের নামের সহিত আর একট ক্ষণজন্ম বৈজ্ঞানিকের নাম চিরকাল সংশ্লিষ্ট থাকিবে। ওহলার তাহার অভিন্নহৃদর বন্ধ ছিলেন। ইহাদিগকে হরি-হর-আত্মা বলা যাইতে পারে এবং ইহার একত্রে অনেক কাজ কবিয়াছিলেন। ওছলর বাল্যকাল হইতে জ্ঞানপিপাসু ছিলেন। যখন তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষালাভ করিতেছিলেন, তখন তাহার ভগ্নীর সহযোগিতায় ডেভি কর্তৃক সেই সময় আবিষ্কৃত পেটাসিয়ম ধাতু রন্ধনগৃহের অগ্নিকুণ্ডের উত্তাপে প্রস্তুত করিয়াছিলেন । শহাব ভগ্নী অগ্নি প্রক্ষ্মলিত করিবার নিমিত্ত হাপর চালাইতেন । কিশোয় বয়সে কয়েক জন বন্ধুর পরামর্শে তিনি সুইডেমদেশবাসী রসায়ানাচার্য স্বনামধন্ত বার্জেলিয়সেল নিকট শিক্ষার্থ হইয়া গমন করেন । গুরুগৃহে তিনি কিরূপে প্রবেশ ও শিক্ষালাভ করিয়াছিলেন তাহার * বর্ণনা অতীব কৌতুহলোদ্দীপক । ষ্টকূহলে বার্জেলিয়সের গৃহসমীপে উপস্থিত হইয়া দ্বারে আঘাত করিব মাত্র দ্বারবানের মত সামান্ত বেশধারী একজন লোক দ্বার খুলিয়া দিল। ওহ্লর প্রথমে তাহাকে দ্বারবাম মলিয়াই অনুমান কবিয়াছিলেন, কিন্তু পরে জানিতে পাক্টিলেন যেইনি স্বয়ং বার্জেলিয়স। প্রবাসী বাঙ্গালীর দ্বিতীয় পত্র । >8> বার্জেলিয়সের নিজেল বাটতেই গুহার গবেষণা-গৃহ ছিল। গুহগুলি আজকালকার বৈজ্ঞানিক যন্ত্রাদির তুলনায় অতি সামান্ত উপকরণে সজ্জিত ছিল। আন নারী একজন পরিচারিক রন্ধনগুঙ্গের তত্ত্বাবধান করিত এবং পরীক্ষণ শেষে তাঙ্গদের পারাদিও ধৌত করিয়া দিত। ওহ্লর এখানে প্রায় তিন বৎসর কাল অতিবাহিত করেন। গুরুর সহিত ইংয়ে পর তাহান আর কখন সাক্ষাৎ লাভ হয় নাই ; কিন্তু তিনি চিরকালই বার্জেলিয়সের নাম শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সহিত স্মরণ করিতেন । স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করিয়া কিয়দিন পরে তিনিগটিঞ্জেনের অধ্যাপক রূপে প্রতিষ্ঠিত হন । এই স্থানেই ১৮২৮ অব্দে কুরিল উপায়ে জৈব পদার্থনিৰ্ম্মাণের প্রথম উদাহরণস্বরূপ যুগান্ত সংঘটনকারী আবিষ্কার সম্পন্ন করেন। মুত্র হইতে শ্বেতবর্ণ দান যুক্ত ইউরিয়া নামক এক পদার্থ পৃথকীভূত করা যাইতে পাবে। একজন স্বস্তকায় যুদ্ধাপুরুষের শরীর হইতে প্রতি দিবস মূত্রের সহিত প্রার এক ছটাক ইউরিয়া নির্গত হইয়া যায়। প্রাণিশরীর হইতে উৎপন্ন হয় বলিয়া ইহা একটা আদর্শ জৈব পদার্থ। ওহ্লর অ্যামোনিয়মৃ সীমানেটে উত্তাপ প্রধান করিয়া অল্পায়াসে দেখাইলেন যে, ইহা ইউরিয়াতে পরিণত হয় । চারিদিকে এক মহা আন্দোলন পড়িয়া গেল । আমাদের সময়ে স্বতঃজননবাদ লইয়া যেরূপ তীব্ৰবাদপ্রতিবাদ হইয়াছিল সেইরূপ একটা গণ্ডগোল হইল । সকলেরই বিশ্বাস ছিল যে, জৈব পদার্থ প্রকৃতিদত্ত জীবনীশক্তি দ্বারা গঠিত ; কৃত্রিম উপায়ে রসায়নাগারে ইহাদের নিৰ্ম্মাণ অসম্ভব। এখন সে অন্ধ বিশ্বাসের মূলে রূঢ় আঘাত লাগিল। মৃন্ময় মূৰ্ত্তিতে জীবনধান করা যেরূপ অসম্ভব ইহাও সেইরূপ অসম্ভব যেবে হইতে লাগিল। কেহ কেহ তাহার মত গ্রহণ করিল, কেহ বা অস্বীকার করিল। কিন্তু পরিশেষে তাহারই জয় হইল। বহুসংখ্যক মিশ্র জৈব পদার্থ কৃত্রিম উপায়ে উৎপাদিত হইতে লাগিল। লবিগ্‌ এবং ওহ্লর মূত্রেীভূত অন্ত্রের ( Uric acid ) বিষয়ে গবেষণাপূর্ণ প্রবন্ধের শেষ ভাগে লিথিয়াছিলেন যে, আশা করি শর্কল, ইউবিক স্নাসিড প্রভৃতি জৈব পদার্থের প্রস্থত প্রণালী অদূর ভবিষ্যতে অবগত হইতে পারা যাইবে । বলিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অসাধারণ _ட سـاعـلـحـ SSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSSAAAASSSAS