পাতা:প্রবাসী (পঞ্চম ভাগ).djvu/৭৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


'(? o প্রতিভাশালী বৈজ্ঞানিক এমিল ফিশার উহাদের আশা সফণীভূত করিয়াছেন। ওহ্লরের অন্যান্য আবিষ্কারের কথা এই প্রবন্ধেল স্বল্প আয়তনের ভিতর বর্ণনা কয় দুঃসাধ্য। অনেকে বোধ হয় জানেন না যে, আমরা বিবাহ ও অন্তান্ত মঙ্গলোৎসবে বে সকল এসেটেলীনল্যাম্প (Acetyline lamp) ব্যবহার করি, তাহার উপাদানীভূত ক্যালসিয়ম কারবাইড ( Calciam carbide ) ওহ্লর কর্তৃক প্রথম আবিষ্কৃত হয়। মৃত্তিকা হইতে উৎপাদিত লঘুভারবিশিষ্ট রজতসভি আলুমিনিয়মৃ ধাতুর পাত্রাদি আজকাল সৰ্ব্বত্র ব্যবহৃত হইতেছে। তিনিই এই ধাতুর প্রথম আবিষ্কৰ্ত্তা। ইউরিক য়াসিড প্রসঙ্গে অধ্যাপক এমিল ফিশালের নাম উল্লেগ করিয়াছি । ইহার গবেষণাগুলি আলোচনা করিলে বিশ্বরে অভিভূত হইতে হর। যে বিষয়ে ইনি হস্তক্ষেপ করিয়াছেন, যতই কঠিন হউক না কেন তাহাতেই সম্পূর্ণরূপে সিন্ধিলাভ করিয়াছেন। প্রথমে অটো ফিশারের সহযোগিতায় ইনি ম্যাজেন্ট এবং তৎসদৃশ কতকগুলি পদার্থের বিষয় গবেষণা আরম্ভ করেন। ইহাদের মূল পদার্থ নীল হইতে অধঃপাতন প্রক্রিয়া দ্বারা উৎপন্ন করা যায় বলিয়া ইহা আনীলিন নামে খ্যাত হইয়াছে। ১৮৫৭ অব্দে পার্কিন অশোধিত আনিলিনের সহিত অক্সিজেন সংযোগে ( Oxidation ) করিয়া ম্যাজেণ্টা প্রভৃতি উৎপাদন করেন। কিন্তু কিরূপ প্রণালীতে এই সকল বর্ণোৎপাদক বস্তু প্রস্তুত হয় তাহ কেহই নিদ্ধারণ করিতে সমর্থ হইলেন না। পরিশেষে ১৮৭৮ অকো এমিল এবং অটো ফিশার ম্যাজেণ্টা প্রভৃতির witson (Molecular constitution) offios করিয়া এ বিষয়ে সন্দেহ তিরোহিত করিলেন। ষ্টহীর অব্যবহিত পরেই ইউরিক র্যাসিড এবং তৎসদৃশ আণবিকগঠন বিশিষ্ট যৌগিক পদার্থগুলি অধ্যাপক ফিশারেল মনোযোগ আকর্ষণ করে। এই পদার্থটি সূত্রের সঠিত সুস্থ অবস্থায় শরীর হইতে নিৰ্গত হইয়া যায়। বাত এবং অশ্বর প্রভূত রোগে ইহা শরীরের স্থানে স্থানে জগিয়া থাকে। মানসিক পরিশ্রম দ্বারা অ্যালবুমেন্‌ প্রভৃতি শরীরস্থ পদার্থ সকল ইহাতে পরিবর্তিত হয় বলিয়াও শারীরবিজ্ঞানবিদ্যুদিগের পক্ষেও ইঙ্গ কৌতুহলোদ্দীপক। লবি, ওহ্লব, বেয়ার প্রভৃতি মনীষিগণ যথাসাধ্য পরিশ্রম করিয়াও ইহার আণবিকগঠন প্রমাখ প্রবাসী। করিতে পারেন নাই । বিংশ বৎসরব্যাপী পরিশ্রম করিয়া । ফিশার ইহার আনবিকগঠন প্রমাণ ও কৃত্রিম উপায়ে ইহার প্রস্তুতপ্রণালী উদ্ভাবন করিয়াছেন। শুধু ইহা করিয়াই গান্ত হন নাই, প্রায় ১৪৬টী সদৃশগঠনবিশিষ্ট পদার্থ নিজ রসায়নাগারে উৎপন্ন করিয়াছেন। চা ও কাফির প্রধান উদ্ভিজ্জ উপক্ষার কেফিন, ইউরিক এসিডের স্থায় গঠনবিশিষ্ট। নরমুত্রের সার ইউরিক এসিড়ের সহিত চা ও কাফির বীৰ্য্যের সম্বন্ধ যে এত নিকট তাহ শুনিয়া অনেকে বিস্থিত হইবেন, অনেকে বোধ হয় এই সকল সুথসেবা পানীয়ের পতি বীতশ্রদ্ধ হইতেও পারেন। ফিশার । শর্করা, শ্বেতসার, তুলা প্রভৃতি পদার্থ কাৰ্ব্বোহাইড্রেট নানগ্রহণপুৰ্ব্বক অঙ্গারক রসায়নে এক প্রধান স্থান অধিকার লাভ করিয়াছে। প্রাণিগণ ও উদ্ভিদগণ এই শ্রেণীর পদাথকে থাপ্ত ও শরীরাংশ (tissues) নিৰ্ম্মাণের জন্য ব্যবহার করে। অপর কোন ব্যবসায় অপেক্ষ এই সকল বস্তুর ব্যবসারে অনেক অধিক পরিশ্রম ও অর্থ বায়িত হয়। ইগু-শর্করা, বীট-শর্কর, শ্বেতসার, শ্বেতসায় ও অন্তান্ত পদার্থ - হইতে উৎসেচিত মৃদ্ধ, কাগজ প্রভৃতির বাবসায়ের উল্লেখ করিলে যথেষ্ট হইবে । কিন্তু এত অত্যাবশ্যক নিত্যব্যবহার্য্য বস্তুগুলির আণবিকগঠনের বিষয় ২৫/৩০ বৎসর পূৰ্ব্বে কিছুই জানা ছিল না। ফিশার যখন এই কাৰ্য আরম্ভ করেন, তখন কিলানি এ বিষয়ে অল্প কাৰ্য্য করিয়া ছাড়িয়া দিয়াছেন, অধিক দুর অগ্রসর হইতে সমর্থ হন নাই। স্বল্প . দিনের মধ্যে কিশার দেখাইলেন যে, দ্রাক্ষা-শর্কর শ্রেণীতে ২৪ট বিভিন্ন প্রকারের শর্করা উৎপন্ন করা যাইতে পারে। তন্মধ্যে ১৬টা বাসায়নিক প্রক্রিয় দ্বারা প্রস্তুত করিয়াছেন। " ফল-শর্করার আণবিকগঠন ইহার সঙ্গে সঙ্গে প্রমাণ হইয়া গেল, [ ৫ম ভাগ । ৩য় সংখ্যা । ] l | s কমিউপায়ে উৎপাদনও স্বল্পায়াসে সাধিত হইল। ইক্ষ্ম, যব ও দুগ্ধ হইতে উৎপর শর্করাদিগের আণবিকগঠন এখন আমরা অতি সহজেই বুঝিতে পারি। তিন হইতে নবম সংখ্যক অঙ্গারাদুবিশিষ্ট অনেকগুলি নূতন শর্কর আবিষ্কৃত হইয়াছে। প্রকৃতিতে যে সব বস্থধ অস্তিত্ব নাই তাছাদের নিৰ্ম্মাণ করিয়া প্রকৃতিকেহার যানাইয়াফিশার প্রভূত খ্যাতিলাভ করিরাছেন। সম্প্রতি তিনি যাহা আবিষ্কার করিয়াছেন তাহ আরও অদ্ভুত । ‘stofro Hogja (space arrangement) of: যে রাসায়নিক প্রক্রিয়া সকল পরিচালিত হয় তাহা তিনি বিভিন্ন প্রকার শর্করার উপর ভিন্ন প্রকায় ঈষ্টেল (yeast) ক্রিয়ার দ্বারা স্পষ্ট প্রমাণ করেন। আণবিকগঠন সমান হইলেও সকল প্রকার শর্করার উপর একই জাতীয় ঈষ্টের (yes) সমান ক্রিয়া হয় না। যেমন সকল চাবিতে সকল কুলুপ খোলে না সেইরূপ সামঞ্জস্ত না হইলে # (yeast) শর্করার কোন পরিবর্তন সাধন কবিতে পারে না। সম্প্রতি দিশার স্ট্রাবশরীরস্থ (albumen) ডিমের লাল সদৃশ বৰ্ত্তন প্রস্তুতপ্রণালী পরীক্ষা কবিতেছেন । ইহ সংযাধিত হইলে বিজ্ঞানের যে জয়লাভ হইবে, তাহ বর্ণনার অতীত। পূৰ্ব্বে যে আনিলিনের কথা উল্লেখ করিয়াছি তাহা বর্ণোৎপাদক বস্তু সকলের প্রধান উপাদান বলিলেও অতুকি হয় না। ১৮৩৫ অন্সে রুণ নামক জন্মান পণ্ডিত বার্লিননগরীতে ইহার প্রথম আবিষ্কার করেন। কিন্তু নীল হইতে ইহা উৎপাদন কর আয়াসসাধ্য ছিল এবং বহু পুল বলিয়াও ইহার বহুলপ্রচারে বিশেষ বাধা ছিল । হনুমানি, (Hofman) witutos, (Mansfield) মিট্‌মালিক, (Mitscherlich) fos-IT (Zinin) প্রভূতি রাসায়নিকগণ বই সাধনার ফলে আলকাতর হইতে সুলভ মুলো অনিলিন প্রস্তুত করিবার প্রণালী আবিষ্কায় করেন। ম্যানফেীল্ড আলকাতরাকে অধঃপতন প্রক্রিয়া দ্বারা বিভিন্ন প্রকার পদার্থে বিগ্নিঃ করিবার প্রণালী যতদূর সম্ভব উন্নত কলিয়া গিয়াছেন। • উাহার শোচনীয় অকাল মৃত্যুতেই এই ব্যবসায়ের অনেক ক্ষতি হইয়াছিল। হফম্যান এবং তাঙ্গার ছাত্রের আনিলিন হইতে উৎপন্ন বিবিধ রংয়ের সৃষ্টিকৰ্ত্তা বলিয়া খ্যাত আছেন। হনুমানি যদিও জন্ম কিন্তু তিনি যৌবনের প্রারম্ভ হইতে বিশ বৎসর প্রবাসী বাঙ্গালীর দ্বিতীয় পত্র ।

  • f, *otoq Royal College of Chemistryū ost-sonte forz fĚtna 1 (Abel) attan, (Armstrong) অর্ম#9, (Crookes) RM, (Delarue)fso, (Mansfield) minēts, (Nicholson) frenor, (Perkin) olifén, (Reynolds) রেনল্ডস প্রভৃতি খ্যাতনামা ইংরাজবৈজ্ঞানিকগণ ইহার ছাত্র ছিলেন। হফম্যান বিদেশী হইয়াও ছাত্রদিগের কিরূপ প্রিযুপাঞ্জ হইয়াছিলেন, তাহা তাহার স্মরণার্থ লণ্ডনস্থ রাসায়নিক সভায় যে সব বক্তৃত হইয়াছিল, তাহ পাঠ করিলেই অনুমান কয়া যার । সার ফ্রেন্থরিকৃ আবেল বখন তিনি হফম্যানের সহকারী ছিলেন সেই সময়কার কাৰ্য্যপ্রণালী এই উপলক্ষে বর্ণন করেন । দুই ক্রোশ পথ অতিবাহিত করিয়া প্রাতঃকালে ৯ নয়টার সময় তাহীকে কলেঞ্জে আসিতে হইত। বৈকালে ৫ পাচটার সময় বিবার পাইতেন । ষাটতে ফিরিতে ৬টা সাড়ে ছয়টা বাজিত কিন্তু তবুও তিনি সন্ধ্যার সময় অদম্য উৎসাহে কলেজে ফিরিয়া আসিয়া কাৰ্য্য করিতেন । এত পরিশ্রম করিয়া **as otfotrio & Ali “But the life, although somewhat arduous, was a thoroughly happy one ; who would not work and even slave for Hofmann To he his pupil was to become attached to him.

(Griess) গ্রী ও (Martius) মার্সিয়ুস নামে দুই জন goiţă of six Hofmano offloo Royal College of Chemistryতে কিছু দিন কাৰ্য্য করিয়াছিলেন। তাহারা বিশেষতঃ গ্ৰীজ বর্ণোৎপাদক বস্তুর রসায়নে কনেক অভিনব তত্ত্ব আবিষ্কার করিয়াছিলেন। যদিও ইংলণ্ডে সৰ্ব্বপ্রথম এইরূপে বর্ণোৎপাদক বস্তু সমূহের আবিষ্কার হয়, ইংলও বছ দিন এই ব্যবসায় রক্ষা করিতে পারিল না। পার্কিন ও নিকলসনের মত লোক আর জন্মিল না এবং ব্যবসায়িগণ স্বেচ্ছানুসারে অনুমান করিয়া কার্য চালাইতে লাগিলেন, ইংরাজ রাসায়নিকদিগকে কোন উৎসাহ দিলেন ল।. ১৮৯৮ অম্বে জৰ্ম্মানি হইতে উৎপাদিত বর্ণোৎপাদক অঙ্গারক বস্তুর মুল্য প্রায় ৬০ লক্ষ পাউণ্ড নিদ্ধারণ করা বাইতে পারে। আমাদের দরিদ্র ভারতজননী ইহা হইতে প্রায় ৫ পাঁচ লক্ষ পাউণ্ড মূল্যের জিনিষ প্রতি যৎসর ক্রর እÖ እ .