পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/১১৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৮৮ প্ৰবাসী—জ্যৈষ্ঠ, ১৩২৪ যথেষ্ট পরিম চলি না থাকিলে তাহা মোটেই পুষ্টিক ময় পাৱে এই ব্যবস্থা করিয়া প্ৰকৃতিকে তের উপর নুতন চমকা গঙ্গাই কিন্তু যে মাংস সিদ্ধ করিা বোলা তৈরি হইয়াছিল সে মাংস বার অবসর দেওয়া হয় ৰামৱা কেলি দিই বিশ্বাস পিতা । গত সেই মনের মধ্যেই গোড়াযায়ের পর হইতে পু ও মন্ত মচলা পর র কবিয়া ইয়া ফেলিয়৷ ই স্থান বৈদুতিক গৱম-হা-পোৱা যায়৷ শুকাইয় বারা যেসব ধামা খাই যাহা অনেকাংশে অামাদের অ্যাস, ো হয়, তারপর ঐ ক্ষতের উপর মিশ্ৰিত জন ও মোম গলাইয়া হয় দেশের রীতি ও সংস্কার দ্বারা নিদ্বিত যেমন আমরা বাঙালী মাছের অবস্থায় তের উপর পিচকারির কারি ফিয়া ফেলা হয় সম ও শাসীর যত পক্ষপাতী মাংসের তত নই। জাৰা শীতের দেশের ক্ষটির উপর একটি নারদ শাম্বা অ্যাকরণ পড়ে । উমা গঙ্গা পাকিতে লোকেরা, যেমন কোণীয়েরা, শাকলী মাথের চেয়ে মাংসেই অধিক থাকিতে হার উপর পাতা। পরে টুকরা সাইবা পুল পক্ষপাতী, জাতিগত ও ধৰ্ম্মত অভিজ্ঞতাও বিভিন্ন জাতি থা উপর ঐ গরেন এলে মাথাইরা দেওয়া হয় প্ৰলেপ শুকাইয়া আনিলে ৰিৱণে অনেকটা সহায়তা করিয়াছে তারপর এক একটা গণ্ডে সম্পূৰ্ণ থাটি একেবারে ঢাকা পড়ে, বাহিরে বাতাস আর তাৰ এক-এক যুগে এক-এক কম খাদা ব্যবহাৱে প্ৰচলন ছিল কহিতে পাৱে না। রন্ধনকুশলতায় উপরও আমাদের খাদ্য নিৰ্ব্বাচন নিৰ্ভর করে । দুৰ্নী ক্ষতের উপ প্ৰলেপটি বির বির করিা অতি স্থা বিৰুতে শাক ভালো দিলে আমরা মাছমাংস অপেক্ষা চাহাবই বিক পড়ে বলি বোণী কণ্ঠপোৰ হব ন দশ দিয়া বা কোনো পক্ষপাতী হইয়া পঢ়ি, অামার সাহাংস ভাদো ব্ল'ৰিলে শাক র প্ৰকায়ে প্ৰলেপ লাগানো অসম্ভব ইত । প্ৰলেপটি কেবল দে বাতা কথা মন দি না । তারপর পাৰা আহরণের সুবিধা, আৰ্গিক বহুলতা বদ্ধ করে তাহা নয়, তের দেনা ও জ্বালাও উপশম কু ৰা তাছায় ৰিপীত অবস্থা ইত্যাদির উপরও আমাদের পা নির্বাচন প্ৰলেপ ব্যবহাৱে সম্বর তার চাপ থংকে ৭ ডিগ্নি সেণ্টি, কম নির হে ম ডিমি কাৰ্ণহাইট । সুস্থ চামড়ার উপর এত গরম পহি উপরোক্ত বিষয়গুলি হইতে বুঝা যাইবে কোন বাদ্য দেশের পক্ষে দোঙ্কা পক্ষে । সেই জন্য প্রলেপ ব্যবহারের সময় পুৰ সাবধান হইতে পূ ৱ এচিন্তা আমাদেৱ থাপ্ত নিৰ্ব্বাচণে খুব কমই সহায়তা করে জামায়া যে পরিমাণ পৰিশ্ৰম ক রি, হে-পরিমাণ ীে বা হিম লাখাই প্ৰস্থ হইতে পারে, এত সহ চিকিৎসা প্ৰণালী কেন সক প্ৰচহ্যি আমাদের বয়স এবং দেহের কৃশতা বা লতা এসব কথা থাকা নিৰ্ব্বা- হ নাই। ইহার কারণ, দোম ও জনের মিত্ৰণ ৰুমত তৈর চনের সদয় আমরা কত কম মনে রাদি । এই দেখা যায় অতি ল বিশেষ কৰি সাপাৱ এই চিকিৎসা-প্ৰণালীর দাবি ফেল কায় ব্যক্তিও নিচিাৱে কিসিং পুষ্টিক পাৰা খাইয়া পাইয়। একজনকে উহা ঠিক প্ৰাধত কৰি শিপাইতে সক্ষম হইয়াছে অবশেবে পীড়িত ইহা একেবারে অকেজো হইয়া পড়িতেছে তাহার বাট বৎসর চেষ্ট পা ও তিনি বলেন মোম এবং জনের গুণ ও পক্ষে জাহায়ের পরিমাণ কদাৰো যে বিশেষ অবাক সে কথা তার বৈচিত্ৰ: সা পদ ও শিখিবা অনেক অ’ প্ৰাই মনে থাকে শা ী তে পা রে চিকিৎসাৰ জন্য এই প্ৰণালীর অনুপ অনেকে বলেন যে পাৰা ভালোৱকৰ হগ্ৰম করিা পুষ্টদেহ হইতে একটি প্রণালী প্ৰচলিত অাছে ইলে খাদ্য পুব মাছ হওয়া দরকা-লা আমরা পূব দি সহিত থাইতে পারি। এবাণী স্কুল, কারণ সেথা মিছে যে লোকে পরীক্ষায় হিসাবে অতি বিধাৰ অথচ পুষ্টিকর গাদা খাইৱাও বেশ হজম কৰিবাছে ; জীবন্ধকে জোৱ কহিয়া পুষ্টিকর অণ’ বিশ্বাস খান। হাওয়াইয়া অনেক সময় গুলো বই মন্দ wল হয় নাই কাশিতে শক্তি স্বয় বৈজ্ঞানিক ধরণে মাগব যেমন অী কে খাওয়াহঁতে আৱদ্ধ করিয়াছে মানুহকে তেমনি খাওয়াইতে স্নায় রিলে হক দলি এক মাৰ্শেন পীক হিসাব কবিতাৰে, রোগী পনের মিষ্টি যাৱই সাবনা । অয় একবার হিসাবে দশ বা কাশিয়ে তাহার যে শক্তিগত হয় তাহ তিনটি ডিম ও দুই মাস দুখ খাই যে পুষ্ট লাভ করা যায় অহা সমতুল্য। মাথুব সাধারণ বা বিশ্বাস কেলিলে বুৰু হইতে বাতা এক সেকেণ্ডে চাট হিসাবে বাকির হয়, কি খুব কাদির সময় ঐ ফুট পয্যন্ত হইয়া থাকে। সেই পোড়াগায়ের চিকিৎসা কাশি সময় বে-দ্বাৰা যি রচ হয় সমপরিমাণ পুষ্টিকর খাষা পাইয়াও সে শক্তি বিবিয়া পাওয়া যায় না, অধিরাম কালি কৃশ শু সারের কোনো অংশ লুঙ্গিা বিয়াখা হলে তস্থানে মূতন মাংস পল হইয়া পঢ়িবার একটি প্ৰদান কারণ, যদিও অন্যা কাদা জম্বাইবার-এক অতিনব উপায় হাঙ্গী চিকিৎসক ডাক্তাৱ বাধাদা আছে সেইজ কাশি বাড়িতে দেওয়া মোটেই ভালো নয়— আগেই সাধাৰ হইয়া সাইবা ফেলা উচিত ২২ বৎসর পরীক্ষার পর এই চিকিৎসা-প্ৰণালী তিনি আন্ত কৰিছে । দেহের অনেকখানি অংশ পূডিয়া গেলেও এই চিকিৎসায় আয়োখালাত করা যায়। এই চিকিৎসা-প্ৰণালী অতি ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড বাতাসে নানাপ্রকা রোগের বীজাণু থাকে। আলোচা প্ৰণালীত তোৱ উপরে যাতাস বাহাতে কিছুকাল কোনোমতেই না লাতি - ২য় সংখ্যা] বাঙ্গলা-দেশ ও তাহার কৃষির উন্নতির অন্তরায় ১৯১১ প্ৰদেশ, বুক্তাম্ৰাজ্য, বাঙ্গলাদেশ ; (২) লোকসংখ্যার তুলনায় বাঙ্গলার স্থান এই প— নি, যুক্ত প্ৰদেশ বাঙ্গলা-দেশ ও তাহার কৃষির বাঙ্গলাদেশ, মাত্ৰাজ, যুক্তসাম্ৰাজ, ফ্ৰান্স, বেহার-উড়িষ্যা, উন্নতির অন্তরায় বোম্বাই, (৩) কিন্তু অধিবাসীবৰ্গের ঘনত্বের তুলনায় এইৰূপ -- বাগলাদেশ, যুক্তসাম্ৰাজা, যুক্ত প্ৰদেশ, বেহার-উড়িষ্যা, বাঙ্গনা লোকসংখ্যা ও লিবাসী জন্মানি, মাদ্ৰাজ, ফ্ৰান্স, বোম্বাই । অৰ্থাৎ অধিবাসীবৰ্গের স্বত ১৯১০ সালের আদমসুমারীতে নিৰ্দ্ধারিত ইয়াছে যে ঘনত্বের তুলনায় যাবতীয় পাশ্চাত্য ও ভারতবৰ্ষীয় প্রদেশ মন্ত বাঙ্গলাদেশে নোট লোকসংখা ৪,২৩,৭৫,৬৪২ সমূহের মধ্যে (কেবলমাত্ৰ বেলজিয়ম ও নিজ ইংলণ্ড রয়ো সাড়ে তিন কোটি লোক কৃষিকাৰ্যা বাধা ব্যতীত) বাঙ্গলার স্থান । এবং যদি মনে রাখা যায় সৰ্ব্বপ্ৰথম বন যাপন করে। ইহার মধ্যে প্ৰায় তিন কোট প্ৰাণী যে এই বিস্তৃত ৮,০৯২ বৰ্গমাইল অথবা ৫৩৯৩৯৫৪ ফার অৰ্থাৎ পূৰ্ণ লোকসংগার দুইতীয়াংশ ভাগ সাধারণ চাদী, ভূমিখণ্ডের মধ্যে কত থগু নদ, নদী, পৰ্ব্বত, জলা স্নায় কেবল মাত্ৰ ১২ লক্ষ, অৰ্থাৎ শতকরা ৩ জন ব্যক্তি, অরুণা আদির দ্বারা আবৃত, তাহা হইলে বাঙ্গলার অধিবাসী; চাথোপযোগী জমির আর হইতে জীবন ধারণ করেন, অৰ্থাৎ বর্থের ঘনত্ব কত অধিক তাহা সহজে উপলদ্ধি হইবে । জমিদার, ভূস্বামী ইতাধি এবং যা ৩২ লক্ষ লোক অৰ্থাৎ বাঙ্গণা এই বহুল অধিবাসী, গ্ৰাম এবং গণ্ডশ্যাম বা শতকরা সাড়ে সাত জন জন মজুৱে কাৰ্যা করিয়া ছোট সহরে বাস করে বাঙ্গলার আধুনিক সহ-সকল কে । বাংলাদেশে কেবলমাত্র ৩৪,৪১ জন কোন কোন রেলওৱে ষ্টেশনের নিকটবৰ্ত্তী স্থানসমূহে উৎপাদক ব্যবসারে নিযুক্ত পাছে, তন্মধ্যে এক -চতুৰ্থাংশ প্রতিষ্ঠিত এবং বৰ্দ্ধিত হইতেছে। এইসকল সহ ক্ৰমশঃ তার ব্যবসায়ে নিযুক্ত। অতএব যে জাতির পূৰ্ণ লোক কুলিদিগের বাসস্থান, পখা অব্যের গুদামঘর, ফিরিওয়ালা ও ংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ ভাগ অঞ্জীবন কৃষিকাৰ্য্য ধারা প্ৰাণ রেলযাত্রীর উপযোগী দ্ৰব্যসামগ্ৰীৱ দোকান-আৱে ক্ৰমে থা করে, সঞ্চল কৃষিকাৰ্যা বে কতদূর সেই জাতির জর মৃত্যু বাড়ির উঠতেছে । বাগলার পুরাতন সহরগুলি প্ৰায় বৃদ্ধির ঘনিষ্ঠ কারণ তাহ সহজেই হৃদয়ঙ্গন করিতে পারা নদীর নিকটবৰ্ত্তী কোন সুবিধাজনক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হইত সরকারি সোস রিপোট প্রথম ১৮৭২ সালে বাঙ্গদার মাঠে মাঠে, ধানক্ষেতের মধ্যে, আম-কঁঠালকম্বলী হয় তখন হইতে ১৯৯০ সাল পৰ্যন্ত বঙ্গদেশে বৃক্ষের দ্বারা পরিবেষ্টিত, পরম্পর হইতে কিছু দূরে দুয়ে কি পরিমাণে লোকসংখ্যা বৃদ্ধি পাইথাছে তাহা একটু অবস্থিত চালাবরের সমষ্টিগুলিই বাঙ্গলার গ্ৰাম । গ্ৰামগুলির প্ৰদ হইবে বিবেচনা করিয়া নিয়ে দিলাম নিকটে কোথাও ধানের আড়ত, পাটের গুদাম ; কোন কোন গণনার বৎসর লোক সংখ্যা শতকরা বৃদ্ধির হাৱ স্থানে ধানের বা পাটের হাট বা বাজার বসে ; গৃহস্থের ঘর ১৮৭২ সাল হইতে শঙ্ক্যাদি সেই সকল বাজারে আসিয়া উপস্থিত হয় এবং ১৮৮১ সেখান হইতে পুনরায় রপ্তানির জন্তু বিদেশে অথবা অল্প ১৮৯১ কোথাও দেশের মধ্যে বিক্ৰয়ের জন্ম চালান হয় ২৮৮১৭ বাঙ্গলার চাষীসম্প্ৰদায় জাতিতে অধিকাংশ মুসলমান এবং নমঃপূঃ । ব্ৰাহ্মণ, কায়স্থ, বৈদ্যগণ নিজেরা চাবের স্থাপীয় ও ভারতবৰ্ষীয় অল্পায় দেশের সহিত তুলনা কাৰ্য্য কুত্ৰাপি করেন না। তাহারা আজকাল চাষের কাৰ্য্য কৰিলে দেখিতে পাওয়া যায় যে, ( ) ক্ষেত্ৰফলের তুলনায় “চাম্বার” কাৰ্য্য বলিয়া অবজ্ঞার চক্ষে দেখেন এবং বরং দেশীয় প্ৰদেশসমূহের মধো বাঙ্গলার স্থান এইক্ষপ – চাকরি, উমোরি, ভিক্ষাবৃত্তি অবলম্বন করিবেন তথাপি জানি, জাগ, বোম্বাই, মাম্ৰাজ, বেহার-উড়িষ্যা, যুক্ত চাষের কাৰ্য্য কবিবেন না … বাঙ্গলার এই চাষীসদায়ের ১৮৯ ৩৭ - ১৯৮৯