পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/১২৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


[ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড আসতাম, সারা সপ্তাহের ক্ষতিপূরণ ঐ দিনেই করতাম । কৰে গাল দিয়ে। কিরকম হলে যে ঠিক হয় তারও একটা এমন দুঃখে দিনে আমন চপ কট্‌লেটের মুখ দেখলে কায় নক্ষা একে দিতে সম্পাদক মশায় ছাড়েন নি, সেটাত না মন মজে যায় ? দ্বিতেই-এর ওপুধগুলো আর তার কিন্তু তার মস্তিরে অবস্থা সম্বন্ধে লোকের সন্দেহ হতে খাবারগুলো যে একই লোকের হাত থেকে বেরছে তা পারে এই প্ৰবন্ধগুলো নিতেই-এর বেজায় মনে, হয়ে কুবার কোনই উপায় ছিল না গেল । তিনি পায়ীর একখানা মাপ, কিনে, তার উপর খাবার নিমণ ও বাড়ীতে কেবল আমার একারই ছোট ছোট নিশান সাজিয়ে সম্পাদক মহাশয়ে নিৰ্দেশমত হত না । আব-একজনের থাবার জায়গাও রোজ আমার আপন মনেই খুব যুদ্ধ করে যেতে লাগলেন । কোন হত। দ্যিতেই-এর দোকানের প্রধান কৰ্ম্মচাৰী কথন এগোক্ষে, কে পেছছে, তা নিয়ে তার উৎসাহ কি ৷৷ আনাতোল, বিশো । তার বয়স কমই, তবে কাজ-কৰ্ম্মে তার জয়লাত যে কিরকম সুনিশ্চিত সে খবর ও তার কাছে ওস্তাদ , একহারা ছিপছিপে চেহারা, মুখখানা সব আমরা মাধে মাঝে পেতাম আনাতোলে যেমন কপা, সময়ই বিষ । অনেক দিন থেকেই বেচাৱা তার নিবের সে একদিন বলে বসন যে ওরকমভাৰে, যুদ্ধ চ লে মেয়ে পারবিদের কাছে হৃদয় হাবিয়ে বসে’ আহে, আর সে জিতবা নানা কিদিং কম। দিতেই ত একেবাৰে খবরটা মহিলাটিরও জানতে বাকি ছিল না। কাগিরি চটেই খুন। নানা মাঠে পড়ে কোনওরকমে তাদের শাস্তু যদিও এ সম্বন্ধে আনাতোলের সঙ্গে কোন কথাই হয়নি, কলাম, কিন্তু দিতেই তার প্রধান কৰ্ম্মচারীর ও হেন বাপাৰটা তারা বুঝতে পেরেছিলেন, তাদের যুদ্ধকৌশলে প্ৰতি অবিশ্বাস দেণে মনে-মনে দতও বিশেষ কিছু ছিল না ওর সঙ্গে বিয়ে গেল, লে, বরং ভালই, একমাত্ৰ মেয়ে, তাকেও দূরে পাঠাতে না, তা ছাড়া কারবারের সুবিধা ত অাছেই বই অার একটি নুতন অতিথি আবিৰ্ভাবে ব্যাপার আয় মে ভালর দিকেই এগোচ্ছিল, এমন সময় কোথা েথকে সদন হে ধাল । বিকেলে আমার ওদের খাদী। এই যুদ্ধ এসে হুটুল। আনাতোলকে দেশরণার জয়ে পোছতে একটু দেী হয়ে িগয়েছিল, থিয়ে দেৰি দিতেই ঘোচ্ছাসেবক সৈন্তাদের দলে যোগ দিতে হল, তাদের ধাউনি গৃহিণী গুণ দিকে, আমার কাম্বেনী জায়গায় একটা ক্ষে পল স্যা দেনিতে । নিজের বা কাজ তা সে ঠিকমতই অজানা লোক বসে ’ রয়েছে । মুখের ংি তার লাখ টকটকে কয়ে যেত, কোন জিনিষই বা সে বেঠিক কবে ? কিন্তু মস্ত বোন, খুব উচু গলা কথা বলছে যা কিছু বা কাজে তার কোন উৎসাহ ছিল না, মনে-মনে সে তার সবই তার নিয়ে কথ, তার কে দেখে কে। একই থের পথের কাটা এই অবরোসটাকে অভিশাপ দিত কাণ্ডেনের পোষাক তাৰ গায়ে, সেটাও এমনি অত্ব কখনও যদি কোথাও যুগের সমালোচনা আর হত্য ংে, দেখলেই মনে হয় কোনো গিয়েটারের সাজ-ঘরের অজানাতোল তাতে ভদ্ৰভাবেই গুচা কথা বলতে চেষ্ঠা দেওয়া জিনিস আৱে পারে তোরই বা কি বাহা করত, কিন্তু তার কথা কটা পবিধার ধরা এক এক টি এমন বড় যে তার তর একটি বা স্বচ্ছনে বলে থাতে পারে। বাক্তিটি যে একজন মন্ত বই একম ব্যবহারে দিতেই ক্ৰমেই আনাতোলের উপর পুথি, তা তাকে দেখলেই সবাই বুঝতে পারবে । চটে উঠছিল,—সে হল গিয়ে মহা দেশভক্ত তার উপর থিতেই পরিচয় করে দিলেন “ইনি হচ্ছেন ম্যাবি পায়ীৱ সৈন্তাধ্যক্ষ কোক্যির পদ বন্ধু । আর-একটা জিনিয় কোৰিয়া, কুসুধিভোস্কর নগর সৈন্যদলের কানে । মায়ে পড়ে, তার বাগ বাড়িয়ে দিলে। পারীর প্রধান আমি তখন মাংসের কোল খেতেই ব্যস্ত, ফে তু খবরের কাগজ লা তা । তাতে পরে-পরে কতগুলো কাপ্তেন সাহেবের সঙ্গে কথা বলে ? এই বীরপুঞ্জলি , প্ৰবন্ধ বেয়ছিল, যুদ্ধের বাকি ব্যবস্থা হয়েছে সমস্তকে খুব কাজ ছিল, সহরতলীর যত বাড়ী থেকে লোেক ো ২য় সংখ্যা] মাকাল ফল পালিয়ে গিয়েছে, সেইসব বাড়ীর জিনিষপত্র সরানো । কি পাশে বসে’ ঠাৱ জ্যোতিতে একেবারেই স্নান হয়ে গিয়েছিল। নি শৱ যদিই লোভে পড়ে, সেগুলো লুট করতে একে ত তার সৈনিকের পোষাকটা ভােৱ গায়ের মাপের জাসে ; আমাদের দাবাবে ভাগ বসাতে আসাতে আমি চেয়ে অনেক বড় হওয়াতে, তাকে ঠিক একটি কাপড়ের একটু চটে গিয়েছিলাম, বিতেই -গৃহিণীকে জিজ্ঞাসা করলাম পোলা মনে হছিল, তার উপর আবার একটু সন্ধির এই লোকটিকে ছোটলেন কোথা থেকে ? ” তিনি আমার মতন হওয়াতে তার চেহারা অল্প দিনের চেয়ে ঢের বেশী কথার উত্তরে উদিতভাবে এক লম্ব কাহিনী বলে’ ব্লাগা আর ফ্যাকাশে দেখছিল। কাপেন রেবিয়ার মাৰে , সকাল বেলা বুলার পোৱাসোনীয়ে এ লেতে মাঝে আচোখে তার দিকে তাকিয়ে ৰেশ দু’চারটা কথা দ্বিয়ে তিনি বাস্তায় পড়ে গিয়েছিলেন, ববক পড়ে' বাস্তা খোঁচা লগাছিলেন । বেঙ্গার পিছুল হয়ে ছিল । কাপেন নোবিধার তখন ঐ লোকটার কে আর সইতে না পেরে, আমি একটা স্বাস্তা দিয়ে যাছিলেন, তিনি দিতেই গৃহিণীকে তুলে ছুতে করে টেবিল থেকে উঠে গেলাম ; তাৰা, বাৰু কাছেই একু ডাক্তরেখানাতে নিয়ে গিয়েছিলেন কের দিন ত শেষ হয়ে এল, হতাগাটা বোধহয় সেখান থেকে বাড়ী নিয়ে এসেছেন কিন্তু দেখলাম বেশ ভুল করেছি। তেও ত তাকে বাটতে একবা খেতে বা উচিত ? বৃহস্পতিবারে গিয়ে দেখি সে দিব্যি জমিরে বলে’ আছে, গৃহিণীর কথা শুনে আমি একটু আস্ত স্থান পৰিবারেও সেই অবস্থা ! তারপর খনি যাই দেখি সে এই একবার বই ত , এর ৭ ধীরপুংখ নিজের পথ বা লোকদের সঙ্গে খেতে বসে গিয়েছে খেবেন এখন দিতে ই-পরিবাটি ত একেবারে তার গুণে । লেকেট মোটেই লোক। নয় তার নাকি একথানা দিতেই গৃহিনী ত তার রসিকতার আর সম্মান ব্যবহারে কালার জাহাঙ্গ আছে, তাতে করে ’সে সারা ইউরোপ ঘুরে একেবারে গলে গিয়েছেন, আর অত-বড় কাথেনে এসেছে। সমুদ্ৰাত্ৰা গল্প ও করা চেন্ন এখন যুদ্ধ মাপের উপর লাল নিশান নিয়ে যুদ্ধ করার আশ্চৰ্য্য তোক জা দু হাঙ্গানা পাঠীতে ফিরে এনেছে, দেশ দেখে বিতোইও বেদার খুনী হওয়াতে জানাতোল চোরা ক্ষার জন্মে সেটা দরকা এসব তযু পদে ছিল। কন্তু নগণ্য হয়ে উঠতে লাগল, কাপ্তেনই তার জায়গা দখল তার পর সে নিজের আর তার গল্পক্ষেী সৈন্যদলের যে করে নিল শরীরটাও তার খারাপ হয়ে গিয়েছে, সন্ধির সব বীরত্বের কাহিনী বলতে সুত্ব কলে, সেগুলো বিশ্বাস কুব যুদ্ধের পর নতোলে প্ৰতিপত্তিা দে দিয়েছে, তাদের মা কো ক্ষমতাই নেই । বাম ’ গোল সে নিজের কাজ প্ৰাণ দিয়েই রাবিয়ার সাহেব যদি নিজের নগর সৈন্যদলে মত ডানহাতখানা ও সঙ্গীনের খোঁচার একেবারে ঘালে । তায় সাহসী আর দৃঢ় প্ৰতি ৪ ডাল পাঁচ tা সৈন্য পান তা দিন দুই পরে খেতে এসে সে যুদ্ধের গল্পই করছিল, কেমন লে শক্ৰসেনাকে একেবারে পগা পলু করে” দিয়ে ক’ে তাদের সেনাপতি বেঙ্গ শেষ অবধি তাঁর নিজের আসতে পারেন, ইত্যাদি, ইতাদি । দিতেই-গৃহিণী বেশ জায়গা দাচিরে লতে লড়তে রেছেন, কেমন করে। ধীবাবেই গল্প শুনে বাছিলেন । ওগুলোকে বিশ্বাস তারপর সব হইতে লাগল, সবই সে বি নিৰুৎসাহ ভাবে করতে দিতেই-এর খুবই লোভ হছিল বটে, তবে যার ঘটে বলে’ যাছিল । কানে সাহেবের ধীরের রক্ত গরম হয়ে এক কেঁটোও বৃদ্ধি আছে সে আর কি করে ’ ওরকম ঘঁহাৰি উল, তিনি আর-একটু হলেই আনাতোলকে ভী কথা বিশ্বাস করে ? গাত্ৰি একেবারে চুপচাপ, ৰসে কাপু বলে গাল দিয়ে উঠতেন । নেহাৎ বাড়ী কৰ্ত্তা কানে সাহেবের গল্প সম্বন্ধে তার কোন উৎসােহই দেখা গিরি মুখ চেয়ে তা করলেন না, কিন্তু গোটাকয়েক কথা গেল না। আর অ্যানাতোল বেচাল্লা ত কাপ্তেন সাহেবের শোনাতে ছাড়লেন না । তার নগর সৈন্যদল দি