পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/১৪২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্ৰবাসী-আষাঢ়, ১৩২৪ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড করিয়া খ্ৰীমতী গেীীকে অভিনন্দন করেন, এবং ত্ৰিবাড়ের বালিকাও অবশ্যশিক্ষণীয়া । এছাড়া, নারীরা তাহাকে একটি স্বৰ্ণপদক উপহার দেন। কোন কোন দেশীয় বাজো প্রত্যেক বালকের পিতা শ্ৰীমতী গোয়ী এম.এ পরীক্ষার জন্য প্ৰস্তুত হইতেছেন। মাতাকে তাতাকে প্ৰাপনিক শিক্ষা দিতে বাধা কৰা ) বাংলা দেশে কোন চি হাড়ি বা বাষ্ট্ৰী জাতীয়া নারী মহীসে আৰ্থিক অবস্থার উগতিবিমৰিণী যে মালোচনা বি.এ পাস কৰিলে পৰ্ম্মমহানগুলো তাহাকে অভিনন্দন সভার বাৰিক অধিবেশন হয়, তাহাতে এবংস অত্য চাৰক হইবে মহারাজাক কলেজের প্ৰিসিপাল এই প্ৰপ্তাৰ উপস্থিত পারস্যে নারীর অবস্থা । করেন যে হইতে ১০ বৎসর বয়স্ক মালিকাদিগকে :ীদে অবস্থা ও শিক্ষা সম্বন্ধে একজন শিক্ষা দিতে পিতামাতাকে বাধা করা উচিত । তিনি তীয় যে লোক বিলাতের পেল মল গজেটে বলেন মহীশূরের মহিলাসমিতিগুলি বালি বাদের এই একটি প্ৰবন্ধ লিপিছে বলা বাহুল্য, পারদেশের অবশুশিক্ষণীয়তাবিষয়ক আইনের সপক্ষে যে মিউনি কে সমা তিনি বলেন তথাকার নারীরা সিপাটি বালিকাদিগকে শিক্ষাদানের বাৰ্তবতা অবশ্য বারই বহু বিষয়ে শিক্ষা পাইতেন গত কুড়ি বৎসরে বিন্ধে মত দিয়াছেন, তাহারা বসিয়াছেন, বে, পুরে হোসের অবস্থার স পৰিবৰ্ত্তন হইছে । কুড়ি বংস ক্ষণশীলতা বশতঃ এক্ষপ নিয়মের বিরোধী বটে, কিন্তু ধৰ্ম্ম, কাব্য ও প্ৰাচীন ফারসী নারীরা ইহার ক্ষপাতী। এই প্ৰস্তাব লাইয় পূৰ্ব তৰ্ক বিতৰ্ক শেবে ইহার বিদ্ধপক্ষ অপেক্ষা একটি ভোট গীত সম্বন্দ্ৰে শিপা পাইতেন ভূগোল, ইতিহাস, বিজ্ঞান সপক্ষে আদি আধুনিক বিদ্যার কোন শাখার স্নান হাঙ্গেয় বেশী হওয়ায় ইহা গৃহীত হয়। সুসংবাদ । বাংলাদেশে অনেক প্ৰায় হইত না ; কিন্তু তাহাধের কাহার ও কাহার ও হাফিয়ে বিজ্ঞা শিক্ষিত’ লোকে বালিকা ও নাবীদের শিক্ষা অৰ্দ্ধেকটা মুখস্থ পাকিত, অনেকেই হয় ত সাদীর গুল খনও উপহাসের মনে করেন কেই হে অনেকখানি কতিতে পাধিতেন, এবং ফায়ী ভারেন, কথায় ও কাজে ইহার সমৰ্থন কৰা ব্ৰাগদেরই সাহিতা সম্বন্ধে হানের খুব জ্ঞান ছিল । কিন্তু তখ শোভা পায় । ৰহীশূল কিন্তু হিন্দু রাজা ; যে সভায় এই তাহারা প্ৰকাত্যে বাহির হইতেন না বলি লোকে প্ৰস্তাৰ ধাৰ্য্য হইয়াছে, তাহা তথাকার সরকার, পক্ষ হইতে তঁহাদের শিক্ষা ও শক্তি পরিচা পাইত না । পারসীয়া অীত ও সরকারী লোকের স্বারা পরিচালিত গত কুড়ি বৎসরে বেশ পত্রিকার করিয়া বুঝিতে পারিবাহে লক্ষ অধিবাসীর মধ্যে ে কেবল ৪৫ জন ব্ৰাহ্ম । মহীশূত্র সে জাতীয় উন্নতি মন্ত নারীর শি একান্ত অৰিক নারীশিক্ষায় বাংলা দেশের চেয়ে. খুব পশ্চাতে পড়িয় ফলে, প্ৰণামে ইউরোপীয় সীলোকেরা এবং পরে পাৱলীকেরা থাকায় অত্যুঃত বাঙ্গালীদের সমকক্ষ হইবার স্বত্ব তাড়াতাতি মনে নাৰাবিলয় স্থাপন কৰিয়ছেন। একমাত্ৰ তেহো ফরিতেছে, এক্সপ বলিবার ও যে না বাংলা দেশ শহরেই এখন ত্ৰিশটি বালিকা-বিদ্যালয়ে বিদেশী মানা হাজায়ে ১১ জন ষ্ট্ৰীলোক লিখিতে পড়িতে পারে, মহীশূর ভাষা, সঙ্গীত ও চিরাণ শিক্ষা দেওনা হয়, হাজারে ১৩ জন লোক পারে । খুব কম বাণিকা আছে যাহার, ফরাশ বা ইংরেজী ভাষা শ্ৰীমতী গেীী অামা । কথা বলিতে পারে না অনেকে সঙ্গীত জানে ছিৰামুড় ও মালাধারের একটি তথাকথিত “অদৃশ্য” নৈতিক বিষয়ে পারসীক মহিলাদের খুব আগ্ৰহ দেখা যায় জাতির নাম এজাভা । ত্ৰিবাহুড়ে শ্ৰীমতী গেীী অক্ষা পারস্তে প্ৰত্যেক বৃহৎ প্ৰচেষ্টায় নারীদের পুৰ হাত গে নায়ী এজাভা-জাতীয়া একটি মহিলা বি-এ পরীক্ষায় উত্তীৰ্ণ যায় দশ বৎসর আগে, গত রাষ্ট্ৰবিপ্লবের সময়, পাৱলী ইয়াছেন । তদুপলক্ষে ঐ রাজ্যের নারায়ণ-ধৰ্ম্ম-পর- মহিলাদের অনেক অন্তর সমিতি ছিল। তাহারা সে পালি-যোগ নামক স্বধৰ্ম্মনিট হিন্দুসমিতি, সভা আহান নিয়মত শাসন প্ৰণালী স্থাপনের জন্য প্ৰাণ দিয়া গ ৩য় সংখ্যা] বিবিধ প্ৰসঙ্গ-শিক্ষণীয়দিগের উৰ্দ্ধসংখ্যা খিম। এতদৰ্থে গুহা নিজ নিজ স্বামী ও অন্যান্ত না বাস্তবিক িশক্ষণীয়েদর উদ্ধসংখ্যা িনৰ্দেশ । । করা কঠিন শৰ্কীয় পুষদের উপর যতটা প্ৰভাব থাটে, তাহা প্ৰয়োগ কাণ প্ৰত্যেক মানুষের কত বয়স হইতে কত বয়স পৰ্য্যন্ত রিয়াছিলেন শিক্ষা পাওয়া উচিত বলা কঠিন বালিকাবিদ্যালয়সঞ্চলের কাৰ্য্য সুশৃঙ্খল করিবার বই, এই সব কথা আমরা ১৯১৫ সালের এপ্রিল মাসে পাজের শিক্ষামন্ত্ৰীসভা পূব চেষ্টা করিতেছেন । প্ৰতি মডাৰ্ণ রিভিউয়ে লিখিয়াছিলাম। তাহার পরও বৎসর এীয়ের চুটির পূৰ্ব্বে এই মন্ত্ৰীসভার প্রতিনিধিদের লিখিয়াছি। আমরা লিথিয়াছিলাম যে শিক্ষণীয়দের উৎসংখ্যা সমক্ষে পরীক্ষা স্কুলে লে মেয়েদের হয়, এবং যাহারা পুল শতক ১৫ জন না ধরিয়া শিক্ষাক্সিপোৰ্টসকলে কেবল রাশিত দেখায় তাহারা সাটিফিকেট পাগ তাহাদিগকে দেখান উচিত যে সমগ্ৰ লোকসংখ্যার শতকরা কত জন বক্তৃতা করিতে হয় গতসংস বাস্তবিক শিক্ষা পাইতেছে । সুখের বিষয় ভারতগবৰ্ণমেন্ট অনেকের বক্তৃতায় পারসীক মহিলাদের বাগিতার পরিচয় পাওয়া গাছিল। এখন আপনাদের ভ্ৰম বুঝিতে পারিয়াছেন ; । ভাৱতে ১৯১০ সেলাই, বুটকোণা, এবং অন্যান্য সুচী িশল্প বরাবরই ১১ সালের যে শিক্ষাবিবরণ ভারত-বৰ্ণমেণ্ট সম্প্ৰতি বালিকাদের শিক্ষার অঙ্গ ছিল, তাহার, আগে এই শিক্ষা প্ৰকাশিত করিয়াছেন, তাহাতে শতকরা ১৫ জন শিক্ষণীয় বাড়ীতে পাইত, এখন সুলে পয়ে উৰ্দ্ধসংখ্যার অনুমান ছাড়িয়া দিয়াছেন । এই রিপোঠে সমগ্ৰ ( লাকসংখায় কত অংশ শিক্ষা পাইতেছে, তাই শিক্ষণীয়দিগের উৰ্দ্ধসংখ৷ দেখান হইয়াছে আশা করি ভারত গবৰ্ণমেণ্ট প্ৰাদেশিক আমাদের দেশে শিক্ষাবিভাগের রিপোট-মূহে এইৰূপ ডিরেক্টরদিগকেও এইভাবে রিপোট দিতে আদেশ বয়বের বিদ্যা লঙয়া হইতেছিল, যে, যে-সব বালক বালিকা করিবেন। যুবক যুবতীর শিক্ষা পাইবা বয়স আছে, অৰ্থাৎ যাহার ই পৰিবৰ্ত্তনটি তুচ্ছ নহে। যদি ধরিয়া লণ্ডয়া হয় শিক্ষণীয়, তােহাৱা মোট লোকসংখ্যার শতকরা দেশের ১৫ অমুক গ্ৰামে ১৫ জন ক্ষুধিত আছে, তাহা হইলে তবে অৰ্থাৎ যদি কোন দেশের : নকে খাওয়াইলেও মনে হয়, যে, অধিকাংশকে তাহা হইলে তথাকার শিক্ষা পাইবার মত বয়সের সকল পাওয়ান ইত্ৰ অস্কার যদি ১০ জনকেই খাওয়ান হয়, তাহ বালকবালিকা ও যুবক যুবতীই দি পাঠশালা ও সুলকলেজে চাইলে ত কীৰ্ত্তব্য পুৱা মাত্ৰতেই করা হইয়াছে -বলিয স্নায়, তাহা হইলে তাছাদে সংথ হইবে পনের হা প্ৰসাদ লাভ করিতে পারা যায় । কিন্তু বাস্তবিক হত শিক্ষণীয়দের এই উদ্ধাসংখ্য, ধরিয়া লই, তাহাদে কত এামে আরও ক্ষুধিত লোক আছে। বিদাসম্বন্ধেও এই জংশ শিক্ষা পাইতেছে, অামাদের দেশের সব বুকাৰী বৰ্ণমোট বরিয়া লইতেছিলেন যে, যে জায়গায় মোট লোক রিপোটে তাহাই দেগান হই ন, সেখানে শিক্ষণীয় কেবল ১৫ জন । তাহার শিক্ষা রিপোট হইতে দেখা যায় যে এই উৎসংখ্যা ঠিক নয়। মধ্যে ৮ নকে গিাইলেও লন যে অধিকাংশ ষ্টান্তদক্ষণ আমেরিকার সম্মিলিত বাক্টের U. S. A ; টরোথ শিক্ষা পাহাতেছে । কখন ১৫ জনই শিক্ষা পাইলে ভাবিতে করা যাইতে পারে ; থাকার সালে শিক্ষারিপো:ে শিক্ষার সু যোগ সকলেই পাইতেছে মেধা ধায় যে ঐ বৎসর সম লাকসংখ্যা শতকর যাইতেছে যে অনেক সভ্যদেশে সমগ্ৰ লোকসংখ্যার শতকরা দশিক্ষা পাইতেছিল৷ কোন কোন রাষ্ট্ৰে ইহা অপেক্ষাও ১৫ জনের অনেক বেশী লোক শিক্ষা পাইতেছে সুতরাং অংশ শিক্ষা পাইতেছে । যেমন নগাঁ ক্যারোলিনাতে আমাদের দেশে যদি কথন ১৫ জনও পাইত, তাহা হইলেও স্থ লোকসংখ্যার শতকরা ১৭৭৪ জন শিক্ষ ইতেছিল তখনও অনেক বালকালিকা যুবক বৰ্তী শিক্ষা হইতে শতকরা ১৫ জনই যদি শিক্ষণীয়দের উদ্ধসংখ্যা হই, তাহা বঞ্চিত থাকিত এখন যে রীতি অনুসারে ছাছার কোন দেশেই ছাত্ৰধানীর সংখ্যা তাহার বেশী হইত অনুপাত দেখান হইবে, তাহাতে সভ্যদেশ-সকলের সঙ্গে