পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/১৪৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


// সংখ্যা নাচলার পক্ষে আমাসে যে-সব পরম তাশ আছে বেদ চাহা প্ৰধান। কিন্তু দ্বারা অনেক সময় জানিনা কেৱল গতি বা কেবল স্থিতি প্ৰাণের ধৰ্ম্ম নহে । ‘বাণ এই বেদ কি ভাবে প্ৰাণের গতির ও প্ৰচণ্ড ৰোগ দিকে পরম গতি, আবার অল্পদিকে ধ্ৰুব স্থিতি যশোগান করিয়াছে। যে বেদকে ভাকিয়া জাম্বৱ ধবদেৱ প্ৰাণ-কে আছে—প্ৰাণচক্রের পরিধি নিতা- পড়িয়া থাকিতে চাই, তাহার এক একখানি া ণ wল, নিত্য-সৃষ্টি তাহাতে জানান, কিন্তু সেই চক্রের জ্যোতিতে উৱাসিত। মিনা -ব, তাহ আচঞ্চল। এই জুইয়ে প্ৰাণ পরিপূৰ্ণ - এমন এক সময় ছিল যখন তায় ব্ৰাহ্মণ ঘোষণা পরিধি নিত্য ভুবনত্ৰী, চক্ৰে মেদি গৰ্ত্তীয় গুহায় করিয়াছেন চল, দালায় । তাছাই জীবন, তাহাই নেৰিবহন ১১,৯, ২২ ) তিগতির সাম্য হইলেই প্ৰাণ সম্পূৰ্ণ হয় ? নিশ্বাস হাসের স্নায় যাওয়া-আসার দ্বৈত প্ৰাণে আছে । অথৰ্ব - “যে বিচরণ করে শুধবশতঃ তাহা কি কাঞ্জি বিকশিত পুষ্পের লায় সুষমানীয় উঠে, তাহাঙ্গা, কেয়ী প্ৰাণ-সুক্তে ( ১১, ৩ , ) প্রাশের স্বরুপ অতি সুন্দর

  • নিত্য বৃহৎ হইতে থাকে, এবং সে নিত্যই হয়ে বলা

ণে ব্যৱ হইয়াছে করে। যে পথ সম্মুখে নিত্য উন্মুক্ত তাহাতে বেছি নমস্তে প্ৰাণ ঠিতে, অ্যাসীৰাৱোত তেওঁ নমঃ । করে, শ্ৰমেয় দ্বারা হতবীৰ্য্য হইয়া তাহার সকল পাপ র ইয়া পড়ে লিতে তুমি তোমাকে নমস্কার, যাইতে যে প্ৰাণ তোমাকে নমস্কার । তুমি ( গমনে উন্থত অতএব ) দণ্ডায় তোমাকে নমস্কার ; তুমি (স্থির অতএব ) উপবিষ্ট “যে চলিতেছে সেই সমুলা করিতেছে, যে চলিতে মোকে সমস্কার সেই অমৃতময় লাভ কহিয়েছে, সে হুয়ে | পাপীনায় তে না প্ৰীীনায় স্তে মঃ . হে প্ৰাণ, তুমি নিশ্বাসে প্রবহমান হইয়া আসিতো, এই যাত্ৰা িনজেই অমৃত যুদ্ধ, নিজেই অন্ত ক মোকে দন্ধা । তুমি প্ৰশ্বাসে প্রবহমান হইয়া ৰাইতেছ, যাত্ৰাতেই সূৰ্য্য-চক্ৰ-তারা জ্যোতি, ধাৰাই তৃপ্তি, তোমাকে নমস্কার । তুমি চির প্রাচীন, তোমাকে নমস্কার ; দীপ্তি । ধি নিত্য নবীন, তোমাকে নমস্কার । অথৰ্বণ প্ৰাণে, , যাবে বিয়া িচরদিনই মীয় মানবের ও মানবজাতির মধ্যে দেখা যায় প্রায়ই গান করিয়াছেন। এই স্তবগান যাহার, সে সনাতন চলায় দিকে কোকে, অন্যদল নাচাৱ দিকে দীক্ষিত তধারী শান্ত স্থিয় নিশ্চল ধীয় মায়ুৰ নহে । । আমাদেৱ-দেশে এখন আমরা মাচলারই দিকে । চুৰ্ণ করিয়া, সমস্ত বাধা লিসাৎ করিয়া, সমস্ত দ কে দেৱী জড়ের স্নায় মাথা পাতিয়া দিয়াছি, আমাদের অগ্ৰাহ কবি, সনাতন শাস্ত্ৰ বিধিকে দুধকারে উড়াইয়া বাপ দিয়া সমস্ত জগতের জীবক গীলার খচক্ৰ মানুষ যাত্ৰা করিয়াছে। তাণ্ট হুইটম্যান যেমন সীমা খে যাত্ৰা করিয়াছে। কিন্তু চিরদিনই আমরা নিয়মীন Vagabond এর বংশগান কৰিয়াছেন, দ্বিগ্নতার ও তারই উপাসক ছিলাম, ইহা মনে ।লেইক্লপ হাতে ঘপোগান তিশয় ভ্ৰম করা হইবে এ স্নাত্য কোনো বিশেষ সাক্ষ বিশেষ শিক্ষাৰ্থীক্ষায় ৩—৩