পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/২১৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ৰাগ-শ্ৰীৰ, [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড মাদের ভক্তি শ্ৰদ্ধা চলি যাইতেছে পড়াশুনা এখন অামাদের দেশে পূৰ্ব্বকালে অধ্যাপক বৰ্গের সমাজে মেরুপ বল পরীক্ষায় উৰ্ত্তীৰ্ণ হওয়ার জন্য প্ৰকৃত বিদ্যার সন্মান ও প্রতিপত্তি ছিল, আজকালকার শিক্ষকবৰ্গে অাদর নাই। আমরা ে কেহই এ শিক্ষা-প্ৰণালীর উপর তাহার কিছুই নাই এইৰূপ শিক্ষকের সন্মান জ্বাস হওয়া সন্তুষ্ট নই। এমন কি শিক্ষা-বিভাগের ডিরেক্ট নহোদয় দেশের রাষ্ট তাহাতে কোন ও সন্দেহ নাই আমাদের গকে কি কখনও স্বীকার করিতে বাধা হইয়াছেন যে আমাদের স্কুলের অবস্থা বাণি দি অন্যান্য বুলি স্নায় লাজনক হইতে পারে শোচনীয়। স্কুলগৃহে ছাগংগা বেশী হওয়ায় স্থান । কাছেই যদি চানক্সা চু ও চরিত্ৰী বেতনে শিক্ষক মহাশয়েরা কে দুই সন্ধু নহেন বিদ্যাদানের বিধা অামাদিগকে ৰূপ অমনোযোগী করি। শিক্ষকবৃত্তি অবলম্বন ধু কথা কবিনে তাহা হইলে দোই হইবে, সমাজ শিক্ষকের ইলে চলিবে না। ইহার উপর আমাদের জাতীয় জীবনের মাৰ্থিক দৈন্ত যাতে শিশ্ন দিগেরে গানের প্রাচুৰ্য ধারা ঢাকিয়া দিতে সক্ষত লঙ্কা ভবিষ্যৎ নিৰ্ভর করিতেছে অধৰ্কষ্ট দুর হয় তাছার জন্য সকলের চেষ্ট করা উচিত আমাদের খুলের দুরবস্থা লের সংখা যাহাতে আরও বৃদ্ধি পায়,শিক্ষা কাহাতে আরও বিশেষ করিয়া জনসাধারণের অনাগল হইয়া উঠে প্ৰতি দেৱ গভমেণ্টে নজর পডিয়াছে। শিক্ষা তার দ্য েচষ্ট করা আমাণে প্রত্যেক শক্ষিত ব্যক্তির বিভাগে টাচির জন্তু তারা মনােনেিবশ কবিদে কৰ্ত্তব্য । পুরাকালে অধ্যাপকের যেৰূপ মনে সল্পষ্ট তবে আমাদের ভাগের কথা এই অনেক সদাই । থাকিতেন, এখনও যে তাহারা তাহাতেই সন্তুষ্ট থাকিবেন থে মায়, মাছিয়ানা কিম্বা সংখ্যা বৃদ্ধি করা শিক্ষকের তুহা আশা করা অল্পায় । সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে অপেক্ষা ইন্সপেক্টরে, সংগ৷ পৃদ্ধি করা বেন মামাদের জীবন যাপনের প্রণালীর যথেষ্ট পৰিবৰ্ত্তন ভমেণ্ট মনে করেন । তাহাদের মতে ইয়াছে। অনেক নুতন নুতন আকাং আ উপযুক্ত তথাবধানের অভাবে আমাদের স্কুলগুলিতে বৎসরে একদিন গতেছে । অভাব ও য়া চলয়াছে সুতরাং এপন আমাদের আশানুক্লপ গ লিতেছে না পারে আয় টাকায় তাহারও দিতে না । কি দুই দিন পুলটি পরিদৰ্শন রিয়া আসিলে কি অীয় সেৱা যোগী শিক্ষাকে ‘তবাবধান হয় তাহা আমরা বুঝি না । তাহা ছাড়া আশা করিতে পারি ন নিজেদের অস্তিার জন্তু যদি ইন্সপেক্টরের মন্তঃ প্ৰকাশ করেন তদনুধায়ী কাজ করা অত্র বিধৰ দুই-ই তাহাদিগকে তবে শিগাকো কি ৰূপে একাদশী করা সমান । কবি ব্যস্ত থাকিতে হয় ই, না করিলে গতি গেষ্ট প্ৰশান্ত ভাবে শিক্ষা-কাৰ্য্যে মনোনিবেশ করবেন । যে কাৰ্যে ইহাও আমাদের মনে রাখিতে হইবে যে প্ৰাগার ফলে হইছে এই সুলের কতৃপক্ষের মজা আজকাল কোন ক্ৰমে বাহিরে ঠাট বজায় রাধিয়া তাহারা বাপৃত আছেন তাহা অতি মহৎ কাৰ্য হইতেছে তা দি জাতির ভবিষ্যৎ ঠাহীদের উপর পকে ; ভিতরে থাগ কাজ কিরা পরোক্ষভাবে নিৰ্ভর তবে বৰ্ত্তমান ই কবর চতিয়াও দেখেন না। করিতেছে অর্থের দিক দিয়া সমাজে হাদের সম্মান কি আসন ঠিক কৰিলে চলিৰে না যে শুভার তাদের মহোদয় শিক্ষকমে যে ৩০ লক্ষ টাকা ব্যয় কবি উপর ন্যস্ত সে দিকে গামাদিগের দৃষ্টি থাকা চাই ; আমাদের বলিয়াছেন, তাহার ৯ লক্ষ শুধু বাঙ্গালার প্রাথমিক ধিত হইবে, যে, ইহার স্থায় মহৎ কণা আর নাই ও উচ্চ ইংরেজি খুলের শিক্ষকের অবস্থার উন্নতির বাহারা এই কাৰ্য্য মন প্ৰাণ ঢালিয়া দিয়াছেন, তাহারা বাহিত হইবে । ইহা অামাদের পক্ষে একটা আশা ক সকলে পূজা ও শার পাত্ৰ । আমাদের যথাৰ্গ যাহা প্রয়োজন তাহা বৃষ্টিয়া এই চাৰ্টি এই সম্পৰ্কে একটা কণার উল্লেখ করিতে হয়। পাচ করিলে বাংলার সাথেষ্ট লাভ হইবে ৪ৰ্থ সংখ্যা] শিক্ষাবিধক কয়েকটি কথা নসাধারণের শিক্ষার উন্নতিবিধান, জনসাধারণের দানবীর পাধি, ও মনী ঘোষের কথা আজকাল উপর বেশীর ভাগ নিৰ্ভর করে আমরা আমাদের জয় না জানে ? তাহালের দৃষ্টান্ত আমাদের অণক আদি যতটা কগ্নিতে পারি, অন্য কেহ কথন ও ততদুর করিতে স্বীপ হওয়া উচিত । পারে না। আমাদের ধৰ্মী ও শিক্ষিত লোকদিগের এদিকে পূৰ্ব্বে আমাদের দেশে ছেলেদের প্রথমে পাশা দৃষ্টি দেওয়া উচিত । আমরা বিবাহ, প্ৰাক্ষ, তীৰ্ণ পৰ্য্যটন পাঠান হইত, উদ্দেশ্য এই যে তাহারা পড়িতে লিখিতে ও অন্যান্ত কাৰ্য্যে অচল অৰ্গ অকাতরে বা করি অঙ্ক কবিতে ( ইংরেজিতে যাহাকে the three Rs. বলে ধৰ্ম্মের নামে কত টাকা যে দেবালয় ও মঠ, উৎসৰ্গীকৃত reading writing and arith হিয়াছে ও হইতেছে তাহার কে ইয়া কৱিবে । অথচ অনেকে তখন পাঠশালের পড়া শেষ করিয়া গৈ স্নামের স্কুলের উন্নতির অন্য চেষ্টা করিয়া অৰ্থ দোগাড় পশা অরন্ত কতি এথন জনসাধারশে মতে কিঞ্চি করা অত্যন্ত কঠিন লোক-শিক্ষার সহায়তা যে পরিবর্তন লক্ষিত হইতেছে । এখন প্ৰত্যেক পিতামাতা সাধনের একটি প্ৰদান অঙ্গ, তাহ সমাজের অনেকেই ইক্ষা করেন যে তাহার ছেলে বেশী লেখা পড়া শিক্ষা কারণ বেশী লেখা পড়া শিথিলে বেশী অৰ্যোপাৰ্জন কবি আমাদের ভার-এক দুৰ্দশার কারণ এই যে শিক্ষিত ধ হইবে এবং সুখে স্বচ্ছদে জীবিকা নিৰ্মা মধ্যে অধিকাংশই গ্রাম ছাড়া । যে পত্নীগ্রামে করিতে পারবে। এই জন্যই প্ৰবাদ আছে বে হায়া লালিত ও বন্ধিত হইয়াছেন, যাহার নিকট তাহার পড়া করে যে গাড়ী ঘোড়া চড়ে সে । এই গী, এখন মালেরিয়ার প্রকোপে ও অপাধেণের বাতিকে বিদ্যার মোহিনী মায়ায় আবদ্ধ হইয়া অনেকে পুত্ৰদি হাৱা কদাচিৎ সেই পীগ্রামে পদাৰ্পণ করেন তাহারা উচ্চশিক্ষা দিতে লালাহিত হন । সুতরাং উচ্চশিক্ষার ক্ষে একেবারে মায় কাটাইয়াছেন বলিলেই চলে অংশটুকু অৰ্থ উপাৰ্জনের সহায়তা করে কেবলমাত্ৰ সেই বাহারা সচরাচর পীগ্রামে থাকেন, তাহাদের মধ্যে শিক্ষার উপরই লোকের দুটি থাকে রাজকীয় উচ্চপদই প্রভাব সমাকরুপে হৃদয়ঙ্গম করেন, এই লোক খুব স্নার ভালী ওকালতাই বল, অৰ্থ উপাৰ্জনের প্রচলি তাহাদের জীবনের সমস্ত উদান স্কুল প্ৰতি ভাল পথে চলিতে হইলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাপযুক্ত ভিী বিষয় দিকে ব্যায়িত না হইয়া, দলাদলি এবং নিরর্থক টিকট চাই । যাহার গারে ঐ নিৰ্দিষ্ট ছাপ আছে তিনি আমোদপ্ৰযোদেই ব্যয়িত হয় স্কুলে প্ৰতি কাহারও অনায়াসে ঐ পথে অগ্রসর হইতে পারেন, যাহা নাই যথেষ্ট সহানুভূতি নাই । ইহাও স্কুলের দুৰ্দশার একটি তনি বিতাড়িত হইবেন এই জন্যই ি য় এত আদয়। যে-সকল কৃতী মান, গল্পী গ্রামে জন্ম ই ডিীর প্রতি অত্যধিক আসক্তিই আজকাল হত করিয়া শিক্ষালাভ করিয়া উত্তরকালে শম্বী ও ধনী নখের মূল হইয়া দাড়াইয়াছে এইদষ্ট পাঠ্যপুস্তকে ইছেন, তাদের ছোট প্রামের সুলের কথা লিয় স্থলে নোট-বুক বা অৰ্থ-পুস্তকের বেশী আদর, শিক্ষকে চলিৰে বিসয়ে া হাদের সময় ও ও ননের নিকট N otes বা টীকা আদায় করিবার জন্য যত নিজ নিজ আর পাঠ্যপুস্তক ছাড়িয়া দিয়া পুরাতন বৎসরের প্রত্নপত্ৰে হামের স্কুলের উন্নতির জন্য যদি তাহারা ভাবেন, তাহ যথাযথ উত্তর মুখ করিতে বাস্ততা দেখা যায়। প্রশ্নপত্ৰ ইলে তাসতেই আমাদের কাজ যথেষ্ট সহজসাধ্য হইয় চুরিও এই শতাধিক ডিগ্ৰী-ব্যাধির কুল। এ ই শিক্ষার ফলে লোকে সৰ্ব্বশায় পাঠ করিয়াও মুখ হইয়া থাকে র কথা এই অৰ্থে উদ্দেশ্য বিদাশিক্ষ, এই ভুল ধারণা আমাদেয় ওয়া বদলাইয়াছে । শিক্ষিত-সম্প্ৰদায় জনসাধারণের মন হইতে সম্যক ৰূপে অপসারিত না হইবে, ততনি ধাৰ্থ হিতসাধনের জঃ ভাবিতে আৱম্ভ করিয়াছেন প্ৰকৃত শিক্ষা জনসাধারণের নিকট পৌছিবে না । নৈতিক