পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/২৩২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


When প্ৰবাসী-শ্রাবণ, ১৩২৪ জনম হল ” এবং “কহে চণ্ডীদাস কে আমি কে তুমি ইহা না বুয়ে কেহ অনাদিকাণ হইতে এই কে আমি কে তি কৈতৃদিবস দিবস কৈ তি বিতে দাবি তোমার ীিতি । তুমি’ এই দুজনের হতে দুজনে মজিয়া আছে, বাস্তবিক চণ্ডীদাসের এ-সৰ কবিতা অতি বিস্ময়কর ইহা পঢ়িলে বাণসের সেই পংক্তিগুলি কি মনে পতে বৈষ্ণবকবিতার মধ্যে একা চণ্ডীদাসেৱ কতক-কতক কবিতারই বিশ্বসাহিতো স্থান হইতে পারে এবং বিশ্বাপতি eep { dream W hen t wr lk I'm cerie, দু-একটা পদেরও হইতে পারে লেখা গোল Seep I can get are জ্ঞানদাস, বলরামদাস বিন্দদাস, রায়শেখর প্রকৃতি For thinking on my dearie পদকৰ্ত্ত বিগ্নাপতি ও চণ্ডীদাসেরই ছায় তাদের কিন্তু রকমের যথেষ্ট পদ চণ্ডীদাসে নাই। আমি -একটা পৰ খুবই চমৎকার এবং চিরকাল, পূৰ্বেই বলিয়াছি যে বড় জোর দশট কি পনেরটি পদ পাওয় যোগ মেন জ্ঞানবাসের “প লাগি আঁখি যাইতে পারে । তার বেশি নয় । বাকি সমস্তই কামোদ্দীপক মন ভোর পদট। কিথা বলরামদাসের “তুমি মোৱ খি পদাবলী ; সাহিতা-হিসাবে তার মূলা কিছুই নয় রাই তুমি মোত্ৰ নিদি পদটি— যাহাতে সেই চমৎকার বি বাবু বহুপূৰ্ব্বে তার সমালোচনা” আঁন্থে বিদ্যাপতি পংক্তিটি আছে হিয়ার ভিতর তৈতে কে কৈল বাহির । জাখিকা আলোচনা ও চণ্ডীদাসের রাধিকার তুলনামূলক কিন্তু কথা এই যে, এই দুচারটে কবিতাই কি দ্বিী চণ্ডীদাসের রাধিকাকে সেটিরই মত চণ্ডীদাসেই কবিতাৰ প্ৰাণ ও বাংলাসাহিতোৱ আদৰ্শ” ইয়া গোল insfigured life বা পান্তরিত জীৰন বলিয়াছিলেন বৈষ্ণবকবিতা যাে-জাগা আছে তার চেয়ে বাংলাসাহিত চীদাসের বাধিকা যে চণ্ডীদাস নিজেই এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই—অবশ্য যেখানে যেখানে চণ্ডীদাস আপনিই মত চেনা “কোন দেশেরই সাহিতো আজ পৰ্য্যন্ত পদার গভীরতর ব্যক্তিত্বের কথা বলিয়াছেন। চণ্ডীদাসের হয় নাই” ইহা সত্য হয় তবে তো সেইয়াবিহার প্ৰেম আবেগে অধীর, অথচ সুখদুঃখ জন্ম অত্যন্ত দেখিতেছি। অথচ দুৰ্দ্ধশা পৃথিবীর মধ্যে স্বাতীত। প্রেমের সেই আবেগে বেদনায় তিনি শ্ৰেষ্ঠ প্রেমের কবি, যেমন দান্তে বা শেলি বা দুই এক হৈয়া পোষাইল হিয়, পাৱ ধসিয়া তাদের কারো সঙ্গেই কোন বৈষ্ণৰ কৰি কোন বি গেল এবং খসিতে বসিতে সকলি খসিল নিৰ্ম্মন হইল দিয়াই তুলনীয় নন্‌ সমস্ত বৈষ্ণব কবিতা দেহ । কারণ চণ্ডীদাসের এ প্ৰেন অন্যান্য বৈষ্ণব কবির রিলেও শেলির একখানা এপিসাইকিডিয়নের মূল কাম নয়, কামকে ধ্বংস করি। তবে ইহা প্ৰতিষ্ঠা । উঠিয়ে না । বৈঞ্চ অা যদি বিশ্বসাহিত্যের সভায় তিনি বলিতেছেন – কবিতাকে হাজির করিতে হয়, তবে তার পনেরো মলে সহিতে করিয়া পিয়তি লালসামলক পদাবলী টাইম ফেলিলে বান্ধী এক গান থাকিব স্বৰূপ অ্যাশে ঞ্চি সিকি আনা যে পদগুলি অবশিষ্ট থাকিবে, তাঞ্জন্ধি স্বৰূপ হইতে ওলাপ পাইব কহে ডি চীবোলে।” পৃথিবীর শ্ৰেষ্ঠ প্ৰেমের কবিতার সঙ্গে সমান আসন প্ৰ করিতে পরিবে ? কোন নতেই নয় " চণ্ডীদাস লিখি চণ্ডীদাসের এ প্ৰেন নানা সম্বরে তিত দিয়া গেলেও সকল বগকে ছাড়াই আহে। কারণ, এ প্রেমের প্রতি লেন যে "দিবস রজনী ছিল না যখন তখন গণেছি যা অৰ্থাৎ গণ সম্বন্ধের অন্ত কোন অনাদি কালে কোন খণ্ডকালে নয়, সে একেবারে অনাদিকালে । তাই তায় বলিতেছেন, দিবস বামনী না ছিল যখন তখন আমরা যদি মনে কৰি েয এমন কথা চণ্ডীদাসের পূৰ্জে, পেছাদা এবং শ বাপ জন ছিল যখন আমার পরে দেশে বা অন্যদেশে কেউ বলতে পাবেন না [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড ৪ৰ্থ সংখ্যা] যাব-কবিতা তবে সেটা কি ঠিক সত্যকথা হয় : রবিবার ‘অনন্ত প্ৰেম স্বাধীনতা আনন্দে মানুষ যে গান গালি যে গান ত চেয়ে বড় জিনিষ। ব্ৰাউনিংএর Evelyn Hope" বা একেৰাৱেই অপুৰ্ব্ব ও নুতন। তখন এক তন পাৰ্থ ritin” এর চেয়ে ঢের বড় জিনিষ । ক্ৰিষ্টিনার হইল এবং নুতন নুতন ছন্দে মাৰ সেই প্ৰদেয়। বলিতেছে— আনন্দকে ভাষার লীলাৱিত করিয়া তুলিল। বৈষ্ণ Age past the soul exi পদাৰলীতে ভাষা ও ছন্দের অপুৰ্ব্বতার কারণই ভাই । Here an age 'tis resting merelyএ সাহিত্যের পিছনে একটা প্রকাও ভাৰ ৰিয়াৰে ধতিহাস And hence fleets again for age, W itle the ute end sole and single হিয়াছে, একথা সৰ্ব্বদাই মনে রাখা দরকার । ops here for it, this কিন্তু যিনি গাই বলুন, এটা ঠিক জানি যে, ভাৰী বাংলা With some othe soul to ningle কবিতার ধারা আর রাধিকার নব নব “ৰূপান্তরণ ঘটানো মুগা পূপে আত্মা ছিল—এইণে এখানে সে নিযুক্ত থাকিবে না। তিিনই যত দিব ক্ষে দেখুন না কেন, কেবল বিশ্ৰাম করছে—আবার যুগগারে দিকে সে ধাবিত বৈষ্ণবকবিতার পুনরাবৃত্তির কাজে বা পান্তর সাধনে কিন্তু এই যে এখানে সে থামল এর একটিমাহ বাংলাকবিতা কোন কালেই মাগিবে না। উদেশ্য হচ্ছে এই নে, এই প্রোমের পথষ্ট বের করা, কাব্যসাহিত্যের মধ্যে এখন বিশ্বসাহিত্যের হাওয়া হিয়াছে। এক আত্মা আর-এক আবার সঙ্গে সেই পথে মিলবে বাংলাকবিতা এখন আর সেই বৃন্দাবন পুরাণটাকে আঁকতিয়া পড়িয়া থাকিতে পারে না। এখন ভাৱ বিষয় চণ্ডীদাসের প্ৰেম আবেগে নিবিড় বটে ; কিন্তু সমস্ত –মানুষের বিচিত্ৰ জীবনলীলা, বৃন্দাবনলীলা নয়। জীবনের বিচিত্ৰ সুখদুঃখ, পাপপুণ্য, ঘাতপ্ৰতিঘাতের ভিতর - স্বৰ্ণনী রাসমণ্ডল—সমস্ত বিশ্বের সমস্ত বিশ্বমানবো বা সে প্রেমের বিচিত্ৰাপ ত গোটে নাই। সেই নন্য তার বিবৰ্ত্ত-বিলাস তা যুগল প্রেম শুধু মধুর রসে অাৰম্ভ একতারার একটি তারের সুরের মত—তাতে নানা নয়, শুধু নীপকুঞ্জে তার অভিসাের নয়-জীবনের বিচি নানা সুরের হানি নাই । তারপর চণ্ডীদাসকে বাদ ঋজুকুটিল পথে তার অভিসার, কত সংশয় দ্বন্দ পাপের যে বৈষ্ণবকবিতায় ত আর কিছুই থাকে না। সুতরাং ধারা তার অভিসার, কত উথানপতন জয়পরাজয়ের ভিতর ইটা-চাৱাট কবিতার মহিমা-কীৰ্ত্তনে এত ব্যস্ত যে দিয়া তার অভিসার-যাত্ৰা ! এ গ্ৰেমেৱ নৱ স জীবনে অল্প কোন কবিতার মহিমাই তাদের চোখে পড়ে বিচিত্র সের মধ্য দিয়া তৰে শুদ্ধ বুদ্ধ মুক্ত হইবে। এই ৰামনে ধরে না, তাদের এই অন্ধতা কিম্বা একদেশ- বিচিত্ৰতাকে জোর করিয়া অস্বীকার করিবে এত শিতা কোন কারণই আমি বুজিয়া পাই না। বৈষ্ণৰ জীবনটাকে দূরে বাগিয়া তবে ব্লসের খেলা হইবে ? হায় কবিতায় যাহা গাওয়া যায় অনন আর কোথাও পাওয়া চোখ আছে, তিনিই দেণিতে পান যে বৈষ্ণবকবিতা না—একথা কি সব সাহিত্য নাডিয়া চাড়িয়া তারা এই ধারাকেই পূৰ্ণতর করিয়া বীন্দ্ৰনাথ তার অমর কাব্য না এটা তাদের কাল্পনিক বিশ্বাস মাত্ৰ ? গুলি চিগাছেন । বৈষ্ণবকবিতা যে জীবনবিমুখ, তাহা অৰ প্ৰাচীন বাংলাসাহিত্যের ইতিহাসে বৈষ্ণৰ যে জীবনের কবিতা নয়, তাছা সোনার তীতেই কৰি দ্বিতীয় স্থান সৰ্ব্বোচ্ছে—কাৰণ শাক্তযুগের মঙ্গলকাব্য উপলদ্ধি করিয়া তাহাকে জীবনের সঙ্গে মিলাইয়া পাইবা কি অন্ধ খেয়াল ও ভীষণক মানুষের মনকে প্ৰস্তাব করিয়াছেন। বৈষ্ণব কবিতা” নামক কবিতা পীড়া দিয়াছিল, সেই শক্তিকে না বলিয়া কতকটা তিনি প্ৰহ করিয়াছেন, আদায়ের চেষ্টা মানুষ করিয়াছিল। তারপর সঙ্গীত রসায়ানহে মিটার বা সেই কাশক্তিকে, যখন প্ৰেম বলিয়া ঘোষণা দীনম্যবাদী এই নরনারীদেৱ প্ৰতি হজমী অার প্রতি দিবসে লি, তখন সেই প্রেমের অধিকার সেই প্ৰেদেৱ