পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/২৩৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্ৰবাসী---শ্ৰাবণ, ১৩২৪ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড থানকয়েক শহরের মধ্যে কেবলমাৰ গভমেন্ট-সংক পাওয় আদালতে পিছন থেকে ইরাবতী-নদীর বাড়ী আর B ও C বাস্তার সারে বড় বড় দোকানে দাসে কা। পাহাবে ষ্ট্ৰে বেগতে বা সুন্দর সুন্দর সুদ ইমারতগুলি ছা শহবের আর সক, বা লোকে বলে স্কে পাস দেশী বাজাদের আমলে সাবেলায় কাঠের, প্ৰচুৰ কাক কাৰ্বাচিত দেখো বেগুলি স্বাগতগ ই পাচে গায়ে স্থানে স্থানে মণিৰাণিক সেনা জলে’ দেশ পরাধীন গঠত । বাড়ীগুলি সব চানো চড়ানে ; তবে চারিলি একটা । এয়ার পর নি:স্ব হয় দেশের সেই মান দীপ্তি নিতে তেঁতুণ-গাছের কোপ আর ঘানে-ও ম হা পীড়াগােঁয়ে ভাব মনে তা নগুলে টেনিঃ স্কুলে গেছে বাড়ীটি দেখবার মতন— বড় বৃশ স্বাম শতবে প্ৰধান প্ৰধান সশর জায়গায় হাব ও হোটে দ:িন, প্ৰাণনাশের ভরে বাগবী হাতত সাহিরে বাইতে পাতিতে ন - ষ্টেসন থেকে কয়েক কদম গেজেট ইলেকট্ৰিক টান আছে এবং অতিক্ষপে গণস্বচ্ছলো বেশ সুৰদোৱস্ত পাওয়া যায়, এবং সরকারি অাপি আদালত পতি আছে । টাং ৷ এখানকার তিন বাসিন্দা সংবা পুণ বেড়ে চলেছে । সেন থেকে কোট হাউস পৰ্যন্ত পোনে এক মাইল, মণিপুধ ও পশ্চিমবঙ্গ থেকে অনেক ব্ৰাহ্মণকে পুরোহিত জাগিয়ে বা বস্তুবাজার পর্যন্ত পোনে এক মাইল, ষ্টিারে বা ৰৈছে । কবরে অর্থে এদেশে মানা হয়েছিল । ঘাট পৰ্যন্ত আড়াই মাইল, এবং আরাকান-পাগো। পা তাদের এদেশে পো প্ৰাণ বলে—ণোগা বোধ হয় তিন মাইল । বাম ছাড়া নানাবিধ গাড়ী পাওয়া হয় পণ্ডিতের অপভ্ৰংশ তারা দেশী হয়ে ো নেই বসবাস শহরটা বড় আর ছড়ানে বসে’ স্বাস্তায় গান্ধীঘোড়া লোক, করছে । হবে যেমন হয়ে থাকে, মণ্ডলের জনের ভিড় কম । রাস্তাগুলির প্রায় সবই পাকা । শহরের বাসিন্দাবা প্ৰায় সৰ্ব্বদেশী । ১৮৮১ সালে গড়ের মধ্যে ছ । সকল পাড়াতেই পাগোডা ও কিং’ মন্দিরে টু । দেখতে হাজার আর গড়ের বাহিয়ে বিশ গজার গথ লোকে ৪ৰ্থ সংখ্যn ] ।

দাস ছিল ; এবং বাসিন্দার সাণ রেনের চেয়ে ঢেল কোলানো পুণ ছিল ; এখন সেপানে পাকা সঁাকো বেঁধে ‘‘‘বেশী ছিল । কিন্তু ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রচারের সঙ্গে সঙ্গে রাস্তা করা হয়েছে । কোয়াট উচু ইটের দেয়াল দিয়ে ঘেরা রেমুন বন্দা-হিসাবে প্ৰধান হয়ে উঠে, ভারত সামায়ের দেয়ালের পিঠে মাটির ঢিপি, যেন কামানের গোলা তৃতীয়স্থানীয় বন্দর হয়ে উঠেছে এবং এখন কেনে ? গোল কুড়ে প্রাসাদে গিয়ে না পড়ে । কেল্লার ফটকের বাসিন্দা সংবা ২ লক্ষ ৯৩ হাজার ৩১৭, তার মাগুলোতে ছে দেয়ার মাথায় একটা কুঁড়ে-ঘর আছে, সেখানে মা ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ২৯৯ জন লোক বাস করছে পাহারাদার বসে বাটী-মোহড়া গলাতো । গড়টির কে রেলষ্টেসন থেকে উত্তর-পূৰ্ব্ব দিকে তা মাইল দূরে সব মাইল । চারদিকে চারটি ফটক । গড়ের মধ্যস্থলে কোট ডাফরিন বা ডাফনিন-কে । এই কেল্লার চারিধারে বা প্রাসাদ, তার নাম বিশ্বকেন্দ্ৰ। পূৰ্ব্বে এই প্ৰাসাদ গড়খাই কাট । এই খালের ললে প্রচুর লঙ্ক ফল-পাকুড় তিন ফাল চোকা প্ৰাচীৱ আৱ খুটির বেড়া দিয়ে ঘেরা জা এবং সমস্ত জলাটা গাছের পাতায় ছাওয়া । এই ছিল ২০° কুট করে সম্বা গোল গোল কাঠের খুঁটিত্ব খালে স্বতন-নদী থেকে জ্বল আসে, তেন নদী মণ্ডলের মাথায় প্ৰাসাদের ছাদ ; দেয়াদের গাৱে অৱ প্ৰাসাদের উত্তর-পূৰ্ব্ব দিকে তার তীরে একটি রাজপ্ৰসাদ আছে কাণিশে চুড়ার কাঠের সূক্ষ কাৰুকাৰ্য্য সোনায় খচিত হয়ে হা সপরিবারে কোর বিকা পালে, বায় চড়ে অতি সুন্দর দেখা। প্ৰাসাদটি অনেকগুলি কক্ষে বিভক্ত গড়খাই দিয়ে যতন-নদীতে গিয়ে জলবিহার করে পো ব্লাজারাণীদের ও তাদের দাসদাসীদের থাকবার বর ও তেন । নদী থেকে গড় পর্যন্ত কাটা গালের ধারে-কে রবার-ঘর, খেলার পার ঘর, বোবার ও হাজার হুকুম রাজপারিদ ও স্বামীর মাহে নাবার দেীড় ঘর বা হল ? ঘরগুলির চৌকাঠ খুব উচু মিগুলিকে বাগানে পরিণত করে তুলেছিল, এবং সেই উচু—পে তুলে ডিঙিয়ে ডিঙিয়ে চলতে গিয়ে হোচট খেতে সব বাগানের ফল পাবু সাঙ্গী বৰ্তী দুঙ্গীদের দান কৰা হয় । ঘণ্ডলি এখন খালি গড়ে আছে। রাজা বিবায়ু হত। আগে কোয় বাবা জন্ধে গলের ওপর একটা সিংহাসন এখন কলকাতার মিউজিয়ামে কৌতুহলী-দৰ্শকদের