পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/২৪০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


38 প্ৰবাসী শ্ৰাবণ ১৩২ গলায় তিতাকে বিয়া রাখেন নাই । ক্লাসিকের অা গাজী হইলে রাজনীতিও যেমন Icuple , 1 c, নাহিতও তেমনি ৰেষ্টিকের উচ্ছসিত প্ৰাদলতো, জ্ঞানিগুণিলনস্থলত মাতি তুলিতে হইৰে, Peºple Intelligentia । ইউরোপে যোগ ৰাবিড়াল ও ধী চিন্তাশীলতা, প্ৰাকৃতজ্ঞমেৱ দোলাচলচিত্ৰবৃত্তি যুগে অ্যাবরে রোমানিকের যুগে এইপ একটা বিপুল ৰক্ষণ বখাজি-কলের মধ্য নির হার সৃষ্টি সৰল গ ৪ents' উত্তৰ হইয়ালি । ধাৱোপন্ন েগাষ্ঠ সারিতাপী এই এক বিরাট মহাসাগর-তুল্য । শেণীয়ারের কবি প্ৰকৃতির মতনই সুবাদে অগস্ত্ৰগতিতে আপনাকে দুটাই বিমাণে নলিনীকান্ত গুপ্ত তাই তাহাতে এত বৈচিত্ৰ'তাই তা এত খ্ৰীবস্তু পতনি অৰি মিলটনের উপরেও তাই শেয়পীরের শেক্সপীরের ভায় দোলিয়ের কোন বিশেষ বা দেন নাই । তাহাত্ৰ প্ৰতিস্তায় চির উদার সার চোখের অালো লীলারিত হইয়া উঠিয়াহে । দ্বাধীনের সে পত্ৰিপাঠী আছিা পাই কেমন একটি কৰ্ণোই সে সৰ্ব্বোত মহীয়, তাহদের মধে ( ১ } সীতা । সেই চাই মালিয়েরকে হাদে ও উপরে স্থান সিতে নবাব বাড়ীর দাসী ছিল, তা সবাই বুকতে পারত না । কিন্তু জিনিসটার কি কাব্যস্তষ্টৰ মূল কথা এইখানে, অথান যে - প - যে মাথা থাকুক না, সকলের উপরে হতেছে কবি সে আসলে, আশা হবার কিছুই ছিল না ।" । নবাব বা ৰিপুচ আদিবাচনীয় শক্তি-স্নার পঃ ভিধান এই মূল অনেক কালে পুনে কি পাল্লা বেবি ভাইয়ের তিটির অাঁধা বে কবিতিনি সংহে হেসৰ্বল , মক, ঙ্গিমাই এক নৈসৰ্গিক মাণি ত; মণ্ডিত কবিয়া লিয়াছেন। বেড়াতে গিয়ে শুনলে, যে পাশের বাড়ীর হরিমতী ডোয়া ল রা মনে করি, বিয়ে এই মৌলিক উৎসটি মার: গি ছে আর তার ছোট মেয়েটিকে দেখবা কে বপন আমরা দূরে লিয়া যাইতেছি, মান এয়ার সে বালীন ই, তখন থেকেই চম্পার কপাল ক্ষিরে গোল বিহা প্ৰাঙ্গ সঙ্কুচিত হয়৷ আসি উপহু শুনি কবিরে ব্ৰাহ্মণবৰ্ণ রক্ষা করিবার নিমিত্তে বিশেষ অ্যাশ, রোগ, কালো, মেয়েটকে নিয়ে যখন পায়া মনিব" বিধিনিষেধ স্থাপন করিতে বা হ য়। উঠিয়াছি , তখনি কবি ফিরে এল, তখন দামীমহালে বেজায় হাসা হাসির ঘটা কে একটা বিশেষ প্ৰকৱণ য়িমি:ণ করিতে চেষ্টা পাইগুচি উদারতা প্ৰসারতা ধন ছাত্রাইতে বসিয়াছি কীি বিশেষ গণ । মাগো, অমন মেহের তার নাকি মানুষে সাধক অঙ্গকেই অতিকায় কবি তুলিয়াঢ়ি । সাগরের অনও বিস্তারের ন্যায় ? পাণ বার সাধ হয়েছে তা একটা না পৰুিৱে চাহিবাগ্নি শৈলশিখরের উক্ত হৈ, মারের দৃপ্ত শো সুন্দর দেখেই নে ! কি চিয়াচ নবাব-বাড়ীর তো। সেই জন্যই বোধ হয়, সত্বে হইতেও হোময় গীতা, তেওঁ বালীকি রীন কিন্তু ব্যক্তিগত হিসাবে বাহাই হাওয়ায় কাটিয়েও পায়ার মনের ভিতরে যে একটি টঙ্ক না, সৰগ একটি তির সাহিতা দি এইপ এ লুকিয়ে ছিল, সে ঐ রোগ মেয়ের ডাগর চোখের জাগামুখী হয়, তবে সে সাহিতা শুকাইয়াই উঠবে যে দিন মানুষের আগে পাইয়াছি ষ্টিতে জেগে উঠল। সংস্কৃত সাহিত্যেও ইহা গীটা তাকে আর পাল্লা কিছুতেই শিকে, যে দিন কেবল ভি-স্কৃতি পরিষদে ই কাব৷ ষ্টি পারবে না জিয়াছি, সেই নি হইতেই সংস্কৃত-সাহিত্য ন ম তলে । , পান্না ছিল বড় বেগমের ঘাস দাস৷ । তার আম্বর অন্তরাল হইতে আৱদ্ধ কৰিছে, অবশেষে পাঠিতো গার বা কম কাজেই চম্পার আদর-যয়ে হাৰ্থ কাব্য, মহীয় সাহিত্য, প্ৰ কমতি হল না। আর একটা তার লাভ হল এই যে ট কোন বিশেষ আদশকে সমূপে ব্লাগিয়া নয়, কালিদাস বাণীকি ৰ পথটি দেখাই। নয় ; কি কাতি নিচ সৰ বৈদিক কবি বেগমের মহলে না হয়ে ওঠাতে নবাববাড়ীয় সাঙ্গাত প্ৰতিস্তাকে প্ৰাচীন গ্ৰীসে মাসের হাওয়া ‘ কে অকালে শুকি দিলে না । যুী এইক্সপ ছিল কলেই তিটি -দেশটিই ছিল বাণীদেবীর জীবন্ত বিগ্ৰহ ক্ৰমেই অথৰ্ব্ব হয়ে পড়ছিল, তার নব কাজই এখন নাটক দেখিতে দলে ললে লোক—সাধারণ লোক সৰ—এখেগের নবাবে বেগম ও ত ক একটু মুঙ্গালয়ে তি। বৰ্তমান যুগে গল অপেরা দেখিতে খাবালবৃদ্ধ-বণিতার জগতের বনের একমাত্ৰ প্ৰতিনি যেমন শাহউৎসাহ, পতুিষ্টি, জাতিগোনা মেথিয়, ধীরে জনসা তেমনি উম্বেলিত হইয়া উঠিত, অপেক্ষা নাটরসের সান ঐ তরুণী মেহেটি তার আশেপাশে ঘুরে বেড়া, ভোগ দ্বিত । এীসের Intelligent n গুলিদাজ ছিল সৰ তার আগেকার দিনের লোকজন। বেগমের বা ঐকাতি শ্ৰীসের বহুবলম্বিত সাহিত্য প্ৰতিভার গা ধৰি বিপুল বিকাশ দেখতে বাড়ছিল, তাঁৱ মহলের স্তবতাও সেইসঙ্গে নিিব হাতে । সংখ্যা চোখের আলো নবাবকে এখন কালেভদ্ৰে এদিকে দেখা যায়, ৩ায় এসে দাড়াত সেখান থেকে নবাবজাদা মহল আসার দিনেই কেবল গল্পে-ধরে আলো জলে ওঠে, পরিবার দেখা যায় । ঐখানে দাড়িয়ে দাঁড়িয়ে সে একই জায় আড়াল থেকে রঙীন ওনার আভাস পাওয়া যায়, সেই আনন্দ-নিকেতনের দিকে তাকিয়ে থাকন্ত । ওখানোর টা করে সেতারের কারও কানে এসে বাজে অন্য বঁাশীর সুর ফুলের গন্ধ আর রঙীন আলো তাকে কেলি ন সব চুপচাপ আকুল করে তুলত প্ৰকৃতি-প্ৰাণীৱ মহলেও একদিকে টান ডুবে যায়, আর মরিয়ম আর গোলাপী কালেভদ্ৰে এক-আধবা পুরানো পুবের আকাশ রাজিয়ে দিয়ে সুৰ্য্যা উঠে আসে মনিব-বাড়ী বেড়াতে আসত বেগমের কাছে এ র তেমনি নবাববাড়ীর পুরানে মহলের অালো নিতে না ঘুরে এসেই তারা চম্পাকে নিজেদের এতকালের সঞ্চিত হতেই নবাবজাদার মহলে হাজার রঙীন বাতি জলে কাহিনী বলতে বসে যেত নবাবজাদা দেখতে কেমন, লি সেখানে আলো কোনোদিন নিবে অসে না, চি তার বেগমরাই বা কেমন, কার্য কি নাম, কার উপরেই বস্তু নিজের চুলের হাট নিয়ে সেখানে খাদা পড়েছে । গান বা তার টান ৰ -চেয়ে বেশী। আর তা ছাড়া নাচগানে জনা একদিনের তরে ও থানে না জরে আরও তালার-রকমের বিলাস-বিতনের কথা ত ছিলই নবাবজাদা হলে দাসীরা প্ৰজেন মেই বাড়ছিল। তাদের গল্পের ভিতর প্রত্যেকবাবেই নুতন যে কি থাক সব মহল খালি করে যত সুন্দরী পরিচালিকা ছিল সবই স্ত নয়, কিন্তু সম্পাসেই পুরানো কথাই মন্ত্ৰমুগ্ধের মত নে ই গিয়ে দুটছিল চম্পার মদিনী রিয়ম অার এই কথাটাই কেবল তার মনে ঘুরেফিয়ে যাজতে গালাপীও চলে গিয়েছে, সে-ই কেবল নিজের কুপের পাক নবাবজাদার মত ক্লপ কিন্তু আর কখনও চোখে ভাগ্য নিয়ে এই নিরানন্দ পুরীতে থেকে গোল । সারা দেখিনি ভাই, এ নবাব-বংশের যে এত ক্ষপের জন্তে নাম নটা তার নানা খোলেনি, বসরের সময়ে বেগম তাকে জ্ঞাক, কিন্তু এদের মধ্যেও এমনটি কখনও হয়নি ; সৰ বির কাজ শেখাতেন !ে ীেবন চলে বাবার সঙ্গে-সঙ্গে নবাবেরই ছবি ত দেখেছি তার স্বামীর মন ও তার কাছ থেকে সরে গেল, তখন চম্পা গেফার নবাবদের ছবি কথনও দেখেনি, কারণ ক এইসব কাজেই বেগম সারাদিন নিজেকে ডুবিয়ে চিত্ৰশাল টা এ মহলে ছিল না অবসর জিনিষটা তার কাছে বড় ভয়ের হয়ে দেখেনি। কিন্তু নিজের মনের চিত্ৰশালা একটি । তার তরণী পরিচারিকাকে নিজের কাজের সুকুমার ছবি সে কল্পনার বুঙে একে রেখেছিল, আয় সে দিতে তার একটা আনন্দ ছিল, সেও যে তালি ছবি যে অন্য সব নবাবের ছবির চেয়ে শ্ৰেষ্ঠ, সে বিষয়ে তার সন্দেহ নাত্র ছিল না। স দ্ধার পর আর বির কাজ চলে ন হঠাৎ একদিন বড় বেগমের মহলে সকাল থেকে ধুমধাম খাল তথন চোখের উপর নিলিয়ে আসে, রির সোনালি বেধে গে সেদিন কি শুভলং ছিল জানি না, নবাব ডোরা তার চেনা যায় না, আর মাসের বিফল অণুর নবাবজাদা নেই এ মহলে আসবেন । সমস্তদিন ণের চেষ্টা দেখে বিধাতার কৌতুক-হাসির মত ধরে কেবল উৎসবের আয়োজন চলতে লাগল। কাজে শের কালো মণমলের গায়ে তারার চুকি কিক্‌মিকিয়ে অার সেদিন চ স্পার মন যাচ্ছিল না, কিসের একটা আকুল চ। ৰেথম এই সময়টিতে নিজের ধরে জানলার ধারে আবেগ তার সমস্ত দেহ-মনকে চঞ্চল করে তুলেছিল । আজ করে বসে থাকেন, ঘরের সামনের গোলাপ-বাগান তার মনের ছবির সঙ্গে সত্য মানুষটির পরিচয় হবে। এই ন-জঙ্গল হয়ে উঠছে, সন্ধার মান আলোতে এই দুই সন্ধাটা তার জীবনে যে কি আপুৰ্ব্ব হয়ে উঠবে তারই পূৰ্ব্বা, শোভানীয়বে পরস্পরের দিকে চেয়ে থাকে। ভাষ সে যেন ভিতরে বাইরে অনুভব কয়ছিল । চম্পা বেগমের কাজ থেকে চুটি পেয়েই বাইরের বাবা সন্ধ্যার ছায়া, ঠিক সময়েই পৃথিবীর উপর ঘনিয়ে এশ,