পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/২৪৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৪ৰ্থ সংখ্যা] তিৰুতরাজ্যে তিন বৎসর ~ ~ ~ ~ ~~ ~ ~ জানিতেও চাহি না । তিনি আমার মহোপকার করিয়াছেন, অষ্টাদশ অধ্যায় । ন্ধিনে আশ্ৰয় দিয়া আমার চিরকৃতজ্ঞতাভাজন হইয়াছেন । দোৰাট সম্প, ৬০টি চমী, ২০ টি দেয় তাহার প্রধান নানা অবস্থায় । সম্পত্তি, তভিয় এই পৰ্বতী ভাৰ্য্যা। সামাৱ পত্নীও পতির আলচু লামার নিকট হইতে বিদায় লইয়া সাৰকে প্ৰতি অতিশয় অনুরাগিণী । লামার সুথসোঁতাগ্য যথেষ্ট । ব্যবসায়ীর সঙ্গে উত্তরাভিমুখে যাত্ৰা করিলাম । জামাদের ই অপেক্ষা লামার ঐহিক প্ৰাৰ্গনীয় জার কি থাকিতে সঙ্গে ছয়জন ভাৱবাহী লোক ও কতকগুলি ঘোড়া ছিল । পারে? কিন্তু সেই দিনের এক মটনার নামার সৌভাগ্য পথে তখনও চারিদিকে কিছু কিছু বরঞ্চ আছে দেখিলা—- সম্বন্ধে আমার যে ধারণা হইয়াছিল তাহা ভাঙ্গিয়া গোল । সবুজ সবুজ ঘাস সৰেমাত্ৰ গঙ্গাইয়া উঠিতেছে । অপৃষ্ঠে জানি নিমন্ত্ৰণ থাইয়া ফিরিয়া আসিয়া ঠাকুর বাহির হইতে ১৪ মাইল গিয়া “কাংচু ” নদীর পাড়ে উপস্থিত হইলাম । বিষম কোলাহল শুনিয়া বুঝিতে পারিলাম যে ভিতরে বিশ্ৰাম করিবার অন্ন ধৰ্ম্ম গ্ৰন্থ পুলিয়া বসিলা । উত্তর দাম্পত্যকলাঞ্চে অভিনয় পুরাদমে চলিয়াছে । ভিতরে পশ্চিমের ভ্ৰাতুষারাচ্ছন্ন পৰ্ব্বত হইতে ফাংচু নদী কিয়া দেখি সুন্দরীর মুখ কি ভীষণ আকার ধারণ করি নামিয়া আসিতেছে । নদীটি ৪৫০ গজ চওড়া- সীস্থিানে ছে। হায় কোথায় বা সেই কৃপ, কোথায় বা সে লাবণ্য— ৬০ গজ হইৰে- সেখানে দুই ধারের খাড়া পাহাড়ের ভিতর একেবাৱে অগ্নিবৰ্ণ, এবং ক্ষণে-ক্ষণে ভীষণ অকুটি ও দিয়া গৰ্জ্জন করিতে-করিতে নামিতেছে। নদী পার হইবার দিতে তায় ৰূপান্তর হইতেছে । আমি পূৰ্ব্বে কথন পূৰ্ব্বোই আহারের উদ্যোগ হইল। বিদায়কালে লামা অতি কোন রমণীর এমন প্ৰচণ্ড ক্ৰোধ দেখি নাই । সুন্দরী সুন্দর চাউল দিয়াছিলেন। তিৰুবতে চাউল বড় ছমূল্য অৰ্দ্ধনগৰ্জ্জন করিয়া স্বামীকে অকথ্য-কুকথা বচন শুনাই কতদিন অন্নগ্ৰহণ করি নাই । সেদিন সফলকে অস্ত্ৰ লামা গম্ভীর শাস্তভাবে সন্ত করিয়া যাইতেছেন। কিন্তু বিতরণ করিলাম । সকলেই পরিতৃপ্তিপূৰ্ব্বক আহাৱ নদী তাহাকে জন্তু জানোয়ার প্রভৃতি সুমিষ্ট সম্বোধনে কলি । সন্ধাৰণ করিত্বে লাগিল তখন বোধহয় অামায় দেখিয়া এখন নদীপার হওয়া। ঘোড়াগুলির উপর বইতে মোহিত মহাশয় আসান বজায় বাধিবার জন্তু পীকে বোঝা নামাইরা তাহাদেৱ পার করা হইল। লোকেরা প্ৰায় করিতে গেলেন; সে যথাৰ্থ প্ৰহা, না প্ৰহারের অতি সমুদায় কাপড় খুলিয়া অল্পে-আৱে জিনিষগুলি পাঁর করিল, নৱৰাত্ৰ বুৰিলাম না—যাহা হোক লামার পক্ষে এ-কাৰ্য্য ঠিক আমরাও কাপড় খুলিয়া পার হইলাম। জল বরফগলা, হা নাই। এখন কোথায় গেল তৰ্জ্জুনগৰ্জ্জন, আর কোথায় মাঝে-মাকে বরফের চাই ভাসিয়া আসিতেছে ; সেগুলির গেল সেই ভৈরবী মুদ্ধি। চীৎকার করিয়া স্বামীর পায়ের আঘাত হইতে আৱক্ষা করিয়া কোনমতে পােৱ ইলা । পৱ পড়িয়া, সুন্দরী ‘আমাৰ মেরে ফেললে’ আমিগেলাম তখন রেী ছিল—রেীদ্ৰে বসিয়া আমরা শীতল জলে লোমা বলিয়া চক্ষু কৰ্ণ দ্বিত করিয়া ভীষণ আৰ্ত্তনাদ অবগাহনের ক্লেশ কিঞ্চিৎ লাঘব করিলাম। আৰাৱ যাত্ৰা জা করিল। আমি অনেক কষ্ট শাস্তিস্থাপন করিলাম। আরম্ভ হইল। উত্তর-পশ্চিমে ১৫ মাইল গিয়া জাৰায় স্নায়সে ত্ৰি অঙ্গ তাতে আশ্ৰয় লইলে সুন্দরী যাযাবর তিকতীদের কয়েকটা ভাবু দেখিতে পাইলা । শয়া ব্ৰহণ করিল। যাহোক বৌদ্ধ পুরোহিতের কোঁমাধ্য- সেই ভাবুগুলির মধ্যে সৰ্ব্বাপেক্ষা বড় তাটিতে আশ্ৰয় ব্ৰত ভঙ্গেয় শোচনীয় পরিণাম দেখিয়া ভঁাহার প্রতি আমার ইলাম। ভাবুর অধিকারীর নাম “ক” । আমি আল ভীম কণার উদয় হইল। হা, লামার সুখ সৌভাগোর লামার নিকট হইতে আসিতেছি নিয়া আমার পরম সী নাই বটে। সমাদরে গ্ৰহণ করিলেন । শ্ৰীযুক্ত কৰ্ম্ম মহাশয়ের বয়স ৫০ বৎসর হইবে। যাহা তিফলতে কথন দেখি নাই তাহা তাকায় গৃহে দেখিলাম অর্থাৎ কৰ্ম্ম মহাশয়ে তিন খ্ৰী—প্ৰথা 8১১