পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/২৫০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8১২ প্ৰবাসী—শ্ৰাবণ, ১৩২৪ [ ১৭শ ভাগ, ৯ খণ্ড পত্নী অন্ধ, বম্বস ৪৭, দ্বিতীয়ার বয়স ৩৫ কনিষ্ঠ ২৫ বৎসরের যাত্ৰা করিয়া যথাসময়ে ৪টি তাবু দেখিতে পাইলাৰ া তারই গৰ্ভজাত একটি মাত্ৰ সন্তান । তিব্বতের নিয়ম আবার কুকুরগুলি আমার অভ্যর্থনার জন্তু চুটিয়া আসিলা ং জন পুরাধের একমাত্ৰ পত্নী । অতান্ত দরিদ্ৰ হইলে ৪ এমন অভ্যর্থনা তিক্ষতে সৰ্ব্বত্ৰ মিলিয়াছে । সেস্থান হয়ে জনজীর এক জনের সহিত বিবাহ হইয়া থাকে । শ্ৰীযুক্ত একদিনের পথ অতিক্ৰম করিয়া এক ভীষণ নদীর তীরে কৰ্ম্ম তিব্বতী ব্যবস্থার সম্পূৰ্ণ বিপৰ্যায় করিয়াছেন দেখিলাম । আসিলাম, নদীর নাম “তামচোক খানবাব’ –এখানে কৰ্ণেৱ” তাবুতে দুদিন বিশ্ৰাম করিলাম, ধৰ্ম্ম গ্ৰন্থ পাঠ ব্ৰহ্মপুত্রের মান্ত । এ-নদী পার হওয়া আমার সাধ্য নয়, করিলাম, নুতন পাদুকা কিনিলাম, তৎপর আবার মাত্ৰ অথচ প্রচুর পুরস্কার দিয়াও একজন সঙ্গী পাইলাম না কৰ্ম্ম মহাশয় দয়া কবিয়া ভারবহনের জন্য অামায় একটি নিরাশ হইয়া বসিয়া মাছি, এমন সময় এক কথা শ্ৰীণা ষা ৷ মেঘ দিলেন । মেঘটি কিছুদূর গিয়াই গৃহের দিকে ফিরিয়া আমার নিকট আসিয়া বলিলেন “আমার বড় কঠিন শীলা চলিল। কোন মতেই আর এক পা অপ্ৰসৰ হইবে না। বড় কষ্ট পাইতেছি, বলিতে পার কাবে অামার মৃত্যু হইবে ? আমিও ছাড়িবার পাত্ৰ নই, শেষে কি মেষের নিকট পরাজয় অনুরোধ মন্দ নয় দেখিয়াই বুঝিলাম, বৃদ্ধার ক্ষাবো স্বীকার কবি। তা মেসেরই জয় হইল, সে আমাকে হিন্ত হইয়াছে, বাচিবার আশা নাই, তবু বিজ্ঞ চিকিৎসকের ব্য হিত করিয়া টানিয়া কৰ্ম্মের ঠাকুতে হাজির ক:ি এবার নানা উপদেশ দিলাম, একটু ঔষধও দিলাম। বৃষা ? আমি দুইটি ভাল মেব কিনিলাম, তাহাদের পৃষ্ঠে বোঝা সন্তুষ্ট হইয়া লিলেন “তুমি আমার এত উপকার কজিলে, চাপাইয়া সুখে যাত্ৰা করিলাম । তোমার মত সাধুর কি উপকার আমি করিতে পারি? আমি ও সুযোগ বুধিয়া নদী পাের করিবার লোক চাহিলা উনবিংশ অধ্যায় । বৃদ্ধা সকল ব্যবস্থা করিয়া দিলেন নদীটি অত্যন্ত প্ৰশ তিব্বতের সাৰ্ব্বাপেক্ষা বড় নদী । জ্বল বরফের মত জল স্থানে-স্থানে ৭/৮ ইঞ্চি মাত্ৰ, ফি ভাবার যাত্ৰা করিয়া বেলা প্ৰায় ৩টা সময় একদল বালুকা ভিতর মাঝে-মাকে কোময় পৰ্য্যন্ত বসিয়া যাইয়ে লোকের সহিত সাক্ষাৎ হইল। দলের সদার যিনি তিনি লাগিল অনেক কষ্টে গোড়া মেব মানুষ সবাই পাৱ সেই অঞ্চলের হৰ্ত্তা-কৰ্ত্তা-বিধাতা । ভদ্ৰলোকটি অামায় হইলাম কঠিন মৃত্তিকার উপর চরণ রাখিয়া ৰাচিলা ডাকিলেন । তার সহিত চাচিক্ষের মিলন ইবামা সঙ্গের লোকেরা উত্তর-পশ্চিম দিকে এক গভীর গিৰি বধিলাম লোকটি আমায় সন্দেহের চক্ষে দেখিতেছে। সমূহ দেখাইয়া বলিল ঐপথ পার হইয়। ১৫১৬ দিন ক্ৰমাগ ৰিপদ গণনা করিয়া মনে-মনে নানা ফনী আঁটতে লাগিলাম জনমানবিহীন পথে যাত্ৰা করিলে মানস সরোকয় তাহার বিশ্বাস উৎপাদন করিবার জন্য সাধু গিলং রিপোচির পাছিবে । পথে ক্ৰমাগত মন্ত্ৰ জপ করিও ; সকল বিঞ্চ প্ৰসঙ্গ উগাপন করিলাম । সাধু নাম করিবামাত্ৰ লোকটি হইতে রক্ষা পাইবে । জয় হইয়া গেল। যখন তালার নিকট পুঙ্খানুপুরাপে সাধু বিংশ অধ্যায় । সহিত অামার সাক্ষাৎ ও তার অনুগ্ৰহের বণনা করিলাম, ঘোর বিপদে তথন সহসা আমার অদৃষ্ট পুলিয়া গেল । লোকটি আমাকে এগাপুত্ৰ পাৱ হইয়া প্ৰায় সিকি মাইল গিয়াই আৰা তায় নিজের তাঁবুতে নিমন্ত্ৰণ করিয়া বসিলেন, আমার এক বিস্তীৰ্ণ ঢেউখেলান দেশ দৃষ্টিগোচর হইল। উত্ত , সেবার জন্য তৃত্য নিযুক্ত হইল। লোকটির নাম “ওয়াং পশ্চিমে যাত্ৰা করিয়া হিমালয়ের বিরাট মূৰ্ত্তির সী ওয়াংডক আমার একটি অশ্ব দিলেন । তার একজন হইলাম। এখানে মেষ দুটিকে চরিতে দিয়া বিশ্ৰামেৱ জয় লোক আমার সঙ্গে ৬ মাইল গিয়া আমাকে বলি, এখানে বসিলাম । হিমালয়ের অভ্ৰভেদী শুলশিখর দিগঙ্গা একরাত্ৰি বাস করিয়া কিছুর গেলেই আবার পথিকদিগের পর্বতমালা দেখিয়া চিন্ত প্ৰসঙ্গ হইল। আনন্দে আত্মা সহিত সাক্ষাৎ হইবে । লোকটু বিদায় লইল । পরদিন হইয়া কবিতা রচনা করিলাম । নেপাল কিম্বা দাদিলি গৃড়ের উদ্ভব হইতে হিমালয়ের যে তুষার-কিীটের শোভা দেখিয়াছি আজিকায় এই বিরাট সৌন্দৰ্য্যের নিকট তাহা কত তুচ্ছ গড়ের উদ্ভব ইয়া গেল। মহান হিমাচলের এমন মহা সৌন্দৰ্য্য কল্পনার ও দেশের আখ-চাষ কমিয়া গিয়াছে। বিলাতী চানির স্বয় ত। অামি যে অসাধ্য সাধন করিয়াছি, মানবের সস্তা হওয়াতে কমিয়া গিয়াছে । ইং ১৮৯৪ সালে সরকারে অগম্য দেশে আমি যাত্ৰী, আমার এই স্বাভাবিক আনন্দের নিযুক্ত এদেশের অৰ্থ-নিবেদী (Economic Reporter) উদ্ধা, আজ আর বৃদ্ধ হইবার নয়। বিশামের পরে ব্লাট সাহেব লিথিয়াছিলেন (Rºtor of India) কাবা মাত্ৰা করিলাম জা কেবল দপূৰ্ণ- ছোট “গোড়াতে ব্রিটিশ রাজনীতি এদেশের শর্করার ব্যবসায়ে অপরা: টার সময় এক বৃহৎ অনিষ্ট করিয়াছে । কোম্পানীর আমলে কেম্পিানী নিজে জলাশয়ের পাম্বে পেীডিয়া সেখানেই রাত্ৰিবাস করিলাম শৰ্করা ও রেশমের বাণিজ্য করিতেন। কেবল ৰঙ্গদেশ অগ্নি চাই—কিন্তু এ দেশে ইন্ধন কিছুই নাই, চমরী হইতেই শৰ্কৰা রপ্তানি করিতেন । কিন্তু ব্রিটিশ মীরা ফীষ পৰ্য্যন্ত ই—ঘোড়ার শুধ দল দিয়া একটু আমেরিকা হইতে প্ৰেতি শৰ্করা অপেক্ষা বঙ্গ হইতে আগুন করিলাম। কি প্ৰচণ্ড শীত ! নিদ্ৰা হইল না প্ৰেতি শৰ্করার উপর অত্যধিক ঝ সাইয়া তাদেশে পরদিন দ্বি হয়ের পূৰ্ব্বে ১২ মাইল পথ অতিক্ৰম আমদানি প্রতিরোধের চেষ্টা করিলেন । কোম্পানী কহিয়া এক বিরাট তুষারাচ্ছন্ন পৰ্ব্বতশিখর দেখিলান দেখিলেন, রানিতে পোষায় না কালক্ৰমে ইলেণ্ডে বুলিাম তাহা পার হওয়া অসাধা ব্যাপার । ধ্যানস্থ হইয়া মতি পরিবর্তন হল, ইংলণ্ড ও স্কটলাণ্ডে চানিয়, ফাখালী আমার গন্তব্যপথ নিরুপণ করিলাম যেদিকে যাত্ৰা খোলা হইল, বিদে হইতে সেদেশে গড় রপ্তানি জায় করিলাম পিক্‌ ঠিক বটে, কিন্তু পথ যে ভীষণ ভাতা আর হইল তখন বঙ্গের স্থান মাত্ৰাজ অধিকার কমি। লিবার নয় ২৭ মাইল পথ অতিক্ৰম করিলাম, একবিন্দু, ইহাতেও দেশের ক্ষতি হইত না । ইংরেজী ১৮৪৫ অল কোথাও দেখিলাম না। জলাশয়পূৰ্ণ দেশ হইতে এ কোন হইতে এ দেশের শৰ্করার রপ্তানি কমিয়া আসিতেহে। বারিবিহীন দেশে আসিয়া পড়িলাম। সারাদিনের পথশ্ৰমের রপ্তানি দূরে থাক, এ দেশে বিদেশী শৰ্করা অামানি আয় পাকবিন্দু জল পাইলাম না। পিপাসায় প্রাণ ওষ্ঠাগত ! হইয়াছে । কিন্তু, আমদানিহেতু এ দেশের অক্ষা একটু সবুজ তৃণ নাই যে শ্ৰান্ত মেব দুটি ভক্ষণ করে না কমিত, এমন নহে অপর দুই কারণ অথর! না পানীয় চা পান করিতে পারিলাম না। ইয়ুরোপের বীটের চানি ভারতবর্থের রপ্তানি বন্ধ দি মানুষের সহশক্তি কি অসীম এত কষ্ট সহ করিয়াও ( ) এথো চানি অসম্ভব সস্তা বইল, এ দেশে নিদ্ৰা বাঘাত হইল ন পরদিন প্ৰভাতে যাত্ৰা করিবার করিল। ইয়রোপের ধীটের চানি অন্ত দেশে রপ্তানি তে পূৰ্কে চারিদিকে চাহিয়া দেখি— অনুমান ৭ মাইল দুৱে এক লাগিল, এ দেশেও আসিল । বিদেশী এখোচনি না স্নোতম্বতী বহিয়া যাইতেছে । জলপান করিবার আশায় ছিল, ধীটের চানি আরও সস্তা হুইল এখন ঐ দেশ দুটাম—গিয়া দেখি, শুদ্ধ বালুকাময় কোন পাৰ্ব্বত হইতে গড় বায়ু কন্তু তাহার চানি ধরিলে মত চীন ধা নিৰ্বহিনীর গৰ্ভ । তথনকার কষ্ট অবশনী যেন তাহা সাত গণ অালিতেছে মন্দের ভাল একটা কথা কোন দেবতার অভিশাপে, নদীর জল আমার সম্পৰ্শমাত্রে এই যে, বিলাতী চীন সন্তা হইলেও থাবার গড় ফাইতে ইয়া গেল ! কি দৈবের নিগ্ৰহ! পিপাসায় প্ৰাণ ত * Had the repre British Gorer ! কাতর হইয়া চারিদিকে ডাকাইলাম-দূরে আর ment in imposing a very much higher impor duty on একটি স্নোতম্বী দৃষ্টিগোচর হইল। চুটিয়া গিয়া েদখি-নদীর lintº the enslatile as all that on গৰ্ভ, জলের চিচ্‌ মাত্ৰ নাই । একি আমার প্রতি west Indian sugar not existed, it is probable Bengal would have taken a very high place in the world সৈরে িনর উপহাস we tেion of the