পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/২৫১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


88 প্ৰবাসী—শ্ৰাবণ, ১৩২৪ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড পাৱে নাই । যে গড় হইতে চানি হইত, সে গড়ে যাইতেছে দেশী ৪ কোটি ও বিদেশী ২ কোট মণ, মোট খন আর চানি হইতেছে না ; চানির দর কমাইয়া চানি ও কোটি মণ চানি ৩০ কোটি লোক খাইয়াছে, ভাগে খাওয়া বাড়াইয়াছে। এ দেশের লোক গড় শী পরিত্যাগ সের মাত্ৰ বস্ততঃ আরও কম দ্বিয়ে না ; কিন্তু, যদি গঢ় অপেক্ষা চানি সন্তা হয়, চানি ধরা হইয়াছে। অন্য দেশের তুলনায় বছরে ৮ সেই তাহা হইলে বাণিজ্যের গতি পরিবর্তিত হইবে। পূৰ্বে কিছুই নয়। ইং ১৯১০ সালে তামেরিকার এদেশে মীচ দ্বীপ হইতে বোম্বাইতে চানি আসিত । এখন ও ইংলণ্ড জনে জনে ১ মণ, অষ্ট্ৰেলিয়াতে ১ মণের উপয়, (ইং ১৮৯২) মৰীচ দ্বীপ, জৰ্মানী, চীন, ব্রিটিশ দ্বীপ, মালয়, জৰ্মানীতে ১৯ সে, যাক্ষে ১৭ সের, অীিয়া হঙ্গেীতে ১২ অীয়া হইতে আসিতেছে। ইং ১৮৯২ সালে ২৬ কোটি সের থাইয়াছিল আমাদের এই চিরকালের গড়ের দেশে টাকার বিদেশী চীন আসিয়াছিল ৮ কোটি টাকার গড় ৮১° সের খুব কম বলিতে হইবে বিদেশী চীন পাৱন্ত, আরব, এডেন ও তুরস্কে গিয়াছে। কোন যুগ হইতে আমরা আগ-চাষ করিয়া সরকারী কাগজে দেখা যায়, ইং ১৯১২ সালে দেশে কে জানে অন্ততঃ তিন হাজার বছরের, কম না কোট মণ গড় উৎপন্ন হইয়াছিল। ইহাতে কুলায় নাই, তারপর কতকাল গিয়াছে । চীন আগের আম্মাদ পাইয়াছে বিদেশ বইতে ২ কোটি মণ চানি আসিয়াছিা । নীচ দ্বীপ মুসলমানের অনুগ্ৰহে ইয়রোপ ঘুরে মুখ দেখিয়াছে হইতে ১২ লক্ষ, জাবা দ্বীপ হইতে ৪১ লক্ষ, আর অষ্টিয়া চাৰি শত বৎসর হারাপ চানি থাইতে ওজধানী হইতে বীটের চানি ১৫ লক্ষ মণ। ইহার দাম ১৪ আমাদেরই দেশেৰ আখ দ্বীপদ্বীপান্তরে লইয়া গিয়া মানুষকে কোটি ৩০ লক্ষ টাকার উপর । ইং ১৯১৩ সালে ১৫ কোটি ‘দাস’ কবিয়া আখচাদে উঠিয়া পড়িয়া লাগিয়াছে। এখন টাকায় আসিয়াছিল। অতএব হাৱাহারি অামাদের জদে চানি করিতে এমন শিথিয়াছে যে আমাদেরই শর্বরা ‘ শখা ’ জন ট আনার বিদেশী চানি খাইয়াছে । এদেশের নামে আমাদিগকেই থাইতে দিতেছে ! আজিক, আমদানির মধ্যে কাপড় ৬ কোটি টাকা, ধাতুপ্ৰব্য ২২ আমেরিকা, অষ্ট্ৰেলিয়ায় বিস্তীৰ্ণ অথবাড়ী করিয়াছে ফোট টাকার ; পরেই টানি ১৫ কোটি টাকার । ব্যাপারটা ইয়রোপে যে দেশে আথ জন্মে না, সে দেশে বিশেষতঃ সাদা নহে ; কোটিতে হিসাব ; হাজারে নহে, সাথেও অষ্টিয়া, শিয়া, ও জৰ্মানীতে বীট-পালং শাগের কি নছে। কোনো একটা প্রদেশের সাধ্য নাই, আখ চাব দ্বারা হইতে চানি বাহির করিতেছে। ধীটের শিকড়ে মিষ্টৰ কো কোটি টাকার ীনি উৎপাদন করে । দেশে তন্ত গড় অধিক ছিল না। … শতভাগে চারি পাঁচ ভাগ উৎপন্ন হ ইতেছে, তাহার সঠিক সংবাদ পাওয়া অসম্ভব। গতি । কিন্তু বুদ্ধিবলে ১৮ ভাগে তুলিয়াছে থাদি উপরে দেী ৮ কোট মিণ গড় ও বিদেশী ২৫কোটি গু-বৃক্ষ আথে এত পাই না : জৰ্মানীতে বিধায় - মণ চানি ধরিলে বুধি, এখন আখ চাষ মত অাছে, তাহার চানি, গড়ে অন্তত ৩ মা জাইতেছে । আহা মুনি স্তুতঃ অৰ্দ্ধেক না বাড়িলে আমদানি বহু হইবে দিয়াও এক দণ চনির পতা ৫ টাকা মাত্ৰ করিয়াছে কারণ ২ কোট মণ 5ীনি পাইতে অন্ততঃ ৪ কোটি মণ গ যে নগ্ন যে কমে বিদ্যাবৃদ্ধি ও শিক্ষা চাই । অতএব এখন যেখানে s বিবার সব আছে, তখন সে কৰ্মেই আমরা ব, বহু বুৱে পড়িয়া আহি বিবার দরকায় হইবে। কিন্তু যে চাষে লভ্য কম, সে এসব কিছুই লাগে না, এককথায় যেখানে আমরা মা চাৰ এত বাড়িতে পারে না। । আখের জাত ভাল হউক, করা ভাল হউক ; তখন আগ-চাষ বাড়িতে পাৱিবে । আমরা ঠিক ধাড়াইয়া আছি। যদি আৰ্থ-গাছ বনে জামাদের গড় ও চানি খরচ এমন বেশী নহে । হাট আখের বড় বড় অরণা থাকিত, তাহা হইলে হত গা সাহেৰ জন-প্ৰতি ১৪ সে ধরিয়াছিলেন গড়ে ১৪ সেৱ, কাটিয়া গড় করিয়া থাইতে পারিতাম তাহাতেও সঙ্গ সের মাত্ৰ । এ হিসাব যাগের এখন দেখা আছে। দেশে বড় খেজুর গাছ কত আছে, কে সংখ্যা] ৪১৫ লৰ কৰিতে পায়িবে না। না দেয়, যার ফল প্ৰায় আরবিশেষ । মদ-পানে পাপ হয় ; সে কথাছড়িা দিলেও বয়সে গাছ বদ ও বিধায় হইতে আৱদ্ধ কৰিয়া পশ্চিমে ম্যালিপালা নিরবির অন্য উপায় আছে। কাজী বাটদক্ষিণে মাদ্ৰাছ পৰ্থ আপনি জমিতেছে। কিন্তু, ফরিতে গেলে যে চিটা ও শোট জমে, যােহা মানুষের খাজা দণ্ড মহীশূর ছাড়া অকারণ জমিতেছে বঙ্গের ও সব তাহাতে মদ্য কৰিলে গড়-বাবারের চিন্তায় একটা কাল খেজুৱা গড় হয় না। যশোর, খুলনা, নদীয়া ও সহজে দূরীভূত হয় বস্ততঃ গোরকে খইল শেয় জেলায় হইতেছে হগলী জেলায় এমন পরগণা তাহার গোবরে জমির সার-সঞ্চা যেমন যুক্তিযুক্ত, আছে বেখানে খেজুর-গাছের রস গ্ৰহণ পাপের মধ্যে গণ্য । তেমন গুৰু-সেৱৰে খল— ড়ের পক্ষে যেটা অনাবশ্য আছে, , যেখানে সেখানে জরিতেছে বন্য, কেহ বা তারা কোহল করাই বুদ্ধিমানের কাজ। কেবল মত্ততা কাটিয়া মেথি থাইতেছে, হাড়ী কদাচিৎ পাতায় তবে কোহল নহে, নানা কলার কোহল লাগে, তাহার টাই বুনিয়েছে, লোকে কদাচিৎ পাতায় আন উপায় চাই। তবে একথা স্বীকাৰ্য, খেজুংগাছ খা বা কৰিতেছে। গুচিৰায় খেজুর হল দূরে থাক, গাছ ইলে অপেক্ষা দরিদ্রের তাড়ী করাও ভাল। কারণ কোন কোৰ কে প্ৰায়চিত্ত করিতে হয়। আরও বিচিত্ৰ কথা লাক মদ্যপান কবিয়েই । ই যে, লোকে জানে খেজুৱা-গাছ সরকারের, নিজের জমি এখন খেজুর রস দেখিবার কথা । কিন্তু এমন দেশে বীতে জন্মিলেও কাটার হুকুম নাই। কারণ সরকারের ছি, যে দেশে খেজুর রসে কেবল তাড়ী হয়, একারণ মে রসে তাড়ী হইতেছে। এই মিথ্যা-প্রচার তাড়ী, খেজুর রস বলে জাতি হাৱাইতে হয়। গত কানা অক বটে ; কিন্তু এটা ঠিক, বহু পূর্বকাল হইতে, ব, কী কিছু রস পাইছিলাম, কিন্তু ভাষা দিল্ল বাইশ শত বৎসর হইতে, মাত্ৰাজে তালের সে হইতেছিল। তাড়ী-গন্ধ ছড়িতেছিল, শাদাও আ । বই দী হইতেছে। পূর্বকালে তালের গড় হইত না, তালী— গিয়াছিল। তথাপি করিতে গিয়া বুঝিলাম গাখেদ গাড় তা হইত। আমরা তালী দদা নাম থেষ্ণুৱেও লােগাইয়া হইতে খেজুর রদ ভিন্ন । আখের বসে যত গাদ, খোৱা-লে । লেয় আমসত্ব বলিতেছি । ত নাই; আখের রসের গান কাল, খেজুর রয দ ও তালের সে তাৰী কবিয়া দেশের ধনের শাদা। যে গুড় হইল, তাহা কেলাসিত হইল না বটে, যোগ করিতেছি উত্তনকে অধমে বিনিয়োগ নৈৰ্মলা : বৰ্ণে আখের গুড় অপেক্ষা ভাল। খেয়া গড়ে কাঠ না আলিয়া দি পোড়াইয়া আগুন গন্ধও প্ৰায় ছিল না । এই একটা পরীক্ষা হইতেই বুঝিলাম, সেৱ শৰ্কাৰ বিনিময়ে কোহল লইতেছি, বঙ্গদেশে যে খেজুৱা-গুড় হয়, তাহা গুড় নয়, পোৱা কোবাই মাদক কিন্তুকোহল অস্ত্ৰ নহে, যাহা থাইলে ও আঠ । আখের গুড় পুড়িলে প্ৰথমে সাল, পরে কা ইহে জীবন ধারণ ও দেহপোষণ হইতে পারে ; শৰ্করা হয় ; কিন্তু, আপ ড়া ও প্রচুর পাওয়া যায়। কিন্তু বে দায় হইল একৰি এক আপোড়া খেজুৱা গড় দুৰ্লভ হইয়া হিয়াছে। কেন এমন জ হার এক িবপদ বৰ্ণৰ কহেিতছিলেন । বিপৰা ইয়াছে ? কেন নিৰ্মল সু-বৰ্ণ খুড় হয় না ? কেন আগে গড়ের সমান হয়ে খেজুৱা গড় বিক্রি হয় না ? লোকে বলে তাহা তিনি জানিতেন না বেশী দিন ভাল থাকে না, নুতন মুক্ত দুৰী গ্ৰাম হইতে পয়সা দিয়া এক . পান । এক অত্ৰ ত ইয়ছে; খেয়া গড় বিকাইতে না পারিলে বাশারীর ক্ষতি হয়। এ খন তিনি এই থ উৎপাত বলিতে সস্তায় বিক্রি হয় । ভাল না থাকারই কথা। কিন্তু কেৰ তখন তাহার বিপদ বোকা সাব্য হয় নাই। বিপদ কোথা, ভাল থাকে না ? জিজ্ঞাসা করিবার পর বুদ্ধিলাৰ পোৱা শণে সাত অামার বিশ্বাস ব্লুস ধরার ও রাধা দোষে জানে কখন দৈবাৎ কাহার খেজুৱা গড়ের দুৰ্গতি হইতেছে । রসে জৈব খল অৱ ; সুতরাং