পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/২৫২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


এ বিষয়ে দাড়া আখের রস অপেক্ষা শ্ৰেষ্ঠ । খেজুর রস ও ধারণই দুধর হইয়া উঠে তখন গাছ প্ৰায় নিীৰ । খেয়াগ পোড়াইহা ভয় করিতে গিয়া বুদ্ধিাহি, পাবি কোমল-পত্ৰ পাছীয়ে কামবিয়া যায়, শীতে ভাট হয়। অতএব লের ভাগে আখ ও খেজুর রস প্ৰাৰ সমান, কিন্তু আখের গ্ৰীষ্মকালে রসের লোভ কৰিলে গাছ মরিয়া যাইতে পারে সে 'পটা ফার আয়, খেজুর রসে অধিক । আখ, খেজুর আরও দেখা যাইতেছে, দক্ষিণ বঙ্গের ক্ষা সা মাটিই দে গাছ প্ৰকৃতির দেহ মৃগ সূক্ষ্ম কোধে নিৰ্মিত। কোষের রসের মাটি। পশ্চিমবঙ্গের অ-কাট শাখনা মাটিতে কিংবা তিরে রস থাকে সে বসে শৰ্করা বাতীত লালীনাদি ও বনে পাথর্যে মাটিতে খেজুরগাছ ভাল জন্মে না। বঙ্গে পাবি দ্রব্য থাকে । আখ পিবিলে মাড়িলে কোষগলা বাহিরে মধ্যভারতের খাণ্ডোয়াতে কয়েক বৎসর হইতে চিয়া ছিছিয়া যায়, কোস্থিত যাবতীয় দ্রব্য নিৰ্গত হয় শ্ৰীযুক্ত হরিদাস চট্টোপাধ্যায় খেজুৱা গড় করাইতেছেন খেৱ-গাছের কোষ ছোচা ছোড়া পড়ে না। গাছের সংবাদপত্ৰে পড়িয়াছিলাম ইন্দোতেও অনেক ছ। কাছে সাখার নীচে-হাতখানেক চাচিয়া এবং তাহাতে দুই এক স্থান এবং সেখানেও খেজুরা গড় বরিবার চেষ্ট হইতেছে । বোধ কাটিয়া দেওয়া হয় । ইহাতে কোষ কিছু কাটা পড়ে , শিরা হয়, বাণী খেজুৱা খুঁড়ের আবিষ্কারক। তাহাকেই প্রদেশে কাটা পড়ে। সেই কাটা মুখ দিয়া রস নিৰ্গত হয় । কোবের প্রদেশে খেজুৱা গড় প্রচার করিতে হইবে তি দিয়া, এক কোষ হইতে আরটায়ু, সেটা হইতে সুখের বিষয় খোৱা গড়ের প্রতি সরকারের দৃষ্টি আটা, এইপে কাটা মুখে বল আসে । ইহাতে কোষের পড়িয়াছে । ১৯১৩ সালে সরকারী কৃষিবিভাগের মধ্যস্থিত লালীনাদি, জৈব তত আসিতে পারে না। রাসায়নিক আনেট সাহেব যশোরে গিয়া খেজুৱা গড় বাৰা কালীনাদি প্রব্যের ধৰ্মই এই স্থা ছিদ্ৰ দিয়া সহজে গলে না সুসন্ধান করিয়া অনেক তথা ও পরীক্ষা প্ৰকাশ কবি পরে বিরণ দেখ । ) কিন্তু, শর্করা সোপ নহে, সে ছেন ইহাতে দেখিতেছি বঙ্গদেশে ৩৫ লক্ষ মণ খেয়া বীভূত পাখিৰ ও সেরাপ মহে । এই কারণে খেজুর-সের গড় হয়। ইহা নাকি আথের পুত্বের ৮/আনা । যশোতেই গাদ কয় ; কিন্তু, গাদের তুলনায় পাৰ্থিব বেশী । দেখা ধারালা দা’ দিয়া গাছ চাচা কৰ্তব্য । নতুবা এ বিষয়ের একটা চমৎকার দৃষ্টান্ত জানার চোখে পঢ়িছিল বিশ বৎসর হইল জৈামালে আমাদের প্রামের পাশে এ কাৰ ছিক্তিয়া যাইবে, ক্ষত স্থান পটিয়া যাইবে, রসও বিকৃত একটা যে গাছ দিৰাবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ইয়া পঢ়ি, মিম্বি সঙ্গে সঙ্গে উঠা নাইত লোকে দেবতার শুর মনে কহি গাছটির বদ ১।১৫ বৎসর হইবে । একটা ছোট চোবার চালু উদ্ভিদবিদ্যার সাহায়ো সম্ৰাব সম্বন্ধে আরও কিছু ছ , চোখা দিকে হেলিয়াঠি পূজা কবি মাথা ঠা লিতে পারা যায় কাতিক অগ্ৰাহা মাসেই সাবের অগ্নিগাছিল । গাঢ় সত্ন ইতা, টান মাটির । জল নীচে । এটি খ্ৰীষ্ম, অশুদিকে মাটিতে সের মুনতা। আমাদের দেং হইতে ছে সময় । মাটিতে সাকিবে, বায়ু শীতল হইবে, কিন্তু, মাটি সৰ্বদা যদ্যনিৰ্গত হইতেছে, প্ৰাই বাপাকাৱে নিৰ্গত হইতেছে, গাছে গরম থাকিবে । শীতের প্রারম্ভেই এই-সব ঘটনা সম্ভব দেহ হইতে বিশেষতঃ পাতা হইতে সেইপ জলাভাবে গাছ হই। পতি, মাথায় পাতায় বোঝা বহিতে পাতি না । স্নামে বোধ হয়, বা থামিলেই “কুস দেওয়া” আরম্ভ করা যাইতে শীতল হইলে মাটির অল্প রসই বংশষ্ট হইত, শিকড় টান পারে । এই কূপে ছয় মাস রস পাওয়া যাইতে পারে কারণ বাড়ামাই গাৱে তাৰ ; পরে আর উঠা গ্ৰীষ্ম পঢ়িলে মাটির রস কমিতে থাকে, গাছের জীবন শীষ দৃষ্টি হইলে কি কলিত বলিতে পাৱা বাহ বা দিন সংবাদপত্ৰে পৱিাছি, ফরিদপুর জেলায় একটা থেৰা স্বদে র দিনে কেহ কেহ শীটের চাঁশি পরিত্যাগ করিয়া উঠিত ; দিনে পড়িত ডাঃ গুর জগদীশ বা মহাশৰ এই গাই কোন্‌টা বীট, কোনটা আরে, তাহা শাদা বৃতান্ত নাকি অবগত হইতাছেন আমি যে গেম্বুর-থাছ টেরাসিতে বটগ জে, বীট নির তমে ‘পটাশ-র বেশী এই হেতু এই নি আখের নির মতন পুড়িা শ্ৰী হয় না। খেয়া গড়ে এই দুই লক্ষণ আছে। এক, গন্ধ ; তুই, সহজে পুলি৷ শাপাশ হয় না। বস্তু এই পাশের প্রায় অধোক 'পটশক্ষার যোগ ক্ষে যে গঙ্গ, তাহা অধিকাংশ পোকারে কহিছিলাম ।

  • The Date sugar Industry in Bengal Merit

the Dept. of Ag lিy প্ৰপদে খান এই পুস্তক দেখিতে পাই নাই। এখন ৰাখিনি যাই তেছি, সং এই পুস্তক হইতে লইলাম গাছ আছে । তারপর ফরিদপুর ও বাখরগঞ্জে কোথাও কোথাও আথে ও পুড়িয়া নহয় বটে, কিন্তু সল, ঢাকায় ২০ লক্ষ গাছ আছে। সব গাছ হইতে সেটা বঙ্গদেশে তত সাধারণ না ; আমি মনে কবিতা ৰ মাসে সব রাৰে সমান রস পাওয়া যায় না। বেশী খেজুৱা গুৰু নামে আমরা আপোকা খাই, আসে ইলে সেৱ পৰ্য্যন্ত পাওয়া যায় মোটের উপর রসের সাহেব উৎপন্ন গড়ের ভাগ নিৰ্ণয় করিয়া তাহাই দ্বি কয়েক মাসে প্ৰতি গাছ হইতে হাৱাহারি ১ মগ ২৫ সের করিয়াছন । … তাহার . পরীক্ষা হইতে জানিছে, স, এবং সে রস হইতে ১০ সের গড় পাওয়া যায় উত্তম গড়ে মধ্যম গড়ে বিধা প্ৰাই ৮টা গাছ করা হয় । অতএব বিষায় ২২৩ ইক্ষুশর্করা ৭৩—৮ হয় । আনেট সাহেব আয়-বায়ের একটা হিসাব উন শৰ্করা দিয়াছেন । বিঘা ১১৬টা গান্ধ, ৩মণ গু, এবং ২০ তিনি শত শত, শত শত কেন হাজার হাজার, বিমান ( dee টাকা মণ ধরিয়া উৎপন্ন ৮২ টাকা ; জমির খাজনা গাছী করিয়াছিলেন । কিন্তু এত বিমানের মধ্যে মূল থাই হাসাইছিলেন বলিয়া মনে হয় যে খোরাক-পোষাক প্ৰতি সব খরচ ৫৯, টাকা গাছে দ্বাৰতঃ কত রস ও কেমন সে আছে, (২) সত ২৩টাকা। প্ৰথম গাছ করিৰার ছয় বছরের খরচ ও কেমন ব্লস পাই । ঘৰ প্ৰয় দুহ সন্দেহ নাই; কারণ আ খৰে টাকা এই ২৫ ২৫ বছর রস পাওয়া যায় বছরে মতন খেজুৱা-গাছ কাটরা ব্যাস nalysis নাহ । জীয়ন্ত গাছ-ইতে স সংগ্ৰহ কবিয়া জানিতে হইবে । টাকা চারাইয়া দিলে লভ্য ২ টাকা হয়, কিন্তু প্ৰগের নিমি গোটা দশেক গাছ ধৰিলে, ো ড়ীতে গাছের মাঝে মাকে কলাই তিী প্ৰতি পাছ মাস বিমান করিলে, বোধ হয় ব্যবসায়ের ভালম বিতে ৰী ফসলও হয় আখ চাবে লভ্য এইরুপ ; কিন্তু খরচ হইলেণ্ড, স্নান প্ৰত্য, জ্ঞানকে বিয়াৰ বিখ্যা লিতে পায়ে ৰৈ, ঝড়বৃষ্টি রোগ পোকা শিয়াল প্ৰভৃতি হইতে রক্ষা অবশ্য জানাও ভাল করিয়া স্নানা গেল। বৰাদোকাটা সা প জিয়ান’ রস তাল ও বেশী । এই 'তোটা অপেক্ষা দোকা নিতে না পাৰিলে লভ্য হয় না অতএব বেসে লোকের প্ৰথমে ও শেবে রস কম, দ্বাবে বেশী; গল্পৰ তেমন আখ চাব অপেক্ষ খেজুৱ-চাষ ভা কম শরা তত বেণী ; মোটা গাছে সবে দেয় ; এক-একট মোটা বা হইলেণ্ড ৰেণ দেয় ; মেঘলা কিংবা কোয়সা রাখ আখ দুই পাচ কাঠাও করিতে পাৱা যায় ৱা হয় ; ইত্যাদি । একটা কথা ন জানিতেছি । লোকে যত ৱে করিতে গেলে পোষাইবে না প্ৰত্যহ রস পাক, গঢ় মনে করিত, বস্তুতঃ তত নয়। কিন্তু, এখানে এটা কি অল্প রস হইতে গড় করা, কম অসুবিধা নহে। বোধ উঠে, কোন গাছকে প্ৰমাণ tandard ) ধরা যাইবে ব্যকৰী জানিতে লো--সপ্ৰাব, বতঃ শঙ্কাৰবাড়াইতে পাৱা যায় খেজুৱা গুড় অধম হইবার কারণ এই । বস্তুতঃ খেজুর না পাঁচ মাসের শর্বরা দুই এক মাসের মধ্যে পাওয়া ধাই ৷ খেজুর গড় তুলনা করিলে রসসংগ্ৰহের ও গড় সে যাহা হক, হার কৃত তিনটা খেজুৰ ষের বিষা শাকের দোষ ব্যক্ত হইয়া পড়ে । খেজুৱ-বসে স্বভাবতঃ হইতে একটা মোটামুটি ভাগ জানিতেহি। হুসের বিবরণ দেওয়া নাই শাৱা প্ৰায় নাই । আরও চমৎকার এই যে, এই ব্লস উন শ ব অন্ত জৈব স্বাবতঃ স্কার । কিন্তু, কলশীর রসে রাদের মধ্যেই উন সারা বৃদ্ধি হয়, এবং এক এক ব্লসে বেলা ৭৮টাকে ৪৫ অৰ্থাৎ রসের ইক্ষুশর্করা এইপে শরায় পরিবর্তিত হইতে দেওয়া হয় । সে রস হইতে খেজুর রসে আয় দিলে কাৰন জিসি গেল উঠে উঠে । যে সে উনশরা ৬০ ভাগ ছিলতাহ লি ৰে হইবে, তাহাতে মাতের ভাগ বেশী হইয়া পড়িবে। হয় আয় হইয়াছিলআখের রস অপেক্ষা খেজুৱা উৰণীয়া কহিৰার সময় রস স্নাল দিতে দিতে মণকে যায়াহারি হৈবে ও পাধিৱে ভাগে ভাল, কিন্তু জলের ভাগে ও পাখিৰে ৫ সের গড় পুড়িয়া নষ্ট হয় আখের স আল দিবার অাম-একটা কথা জানিতেছি । ইহাতে চামি ১ সহ ইক্ষুশর্করা প্ৰায় এই পরিমাণে উনশকরা পরিণত ভাগ । অতৰ বোৰ হয় লোনা মাটির গাছ, কিংবা লোৱা যাবে বাহা হউক, পরীক্ষা কৰা। বিশেষ থে এফ হিসাবে সেটা ক্ষতি, কিন্তু গড় থাকে । বাড়ী জল পাইয়া ৰস থাকত , গ ১৩—১