পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/২৫৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৩২৪ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড তোয় জেদ কলি তাই ভিজিট কবি - দুই তার রাখলাম। তাতে আমার এমন কি দোষ বল ? বীরেন তাহার দিকে মুখ ফিরাইয়াও চাহিল না, হাদেবী বীয়েনের বাড়ীর মধ্যে গিয়াই যেমন করিয়া দেবীর পায়ের উপর নত হইয়া বসিয়া হিল, চোখ দিয়া ৰামের পুল আগুন-অঁাচে ইয়া পঢ়ি গলিয়। ২া তাহার টপটপ করিয়া জল করিতেছে তেমনি অস্তে আস্তে বলিয়া মাটিতেই ইয়া পঢ়িলেন গুণময় ব্যভাবে বলিলেন—যা হয়ে গেছে তার অৱ চাৱা নেই এখন আয়, মায়ের সৎকার কবি এবং অচেতন হইয়া গেলেন । ধীরেনের প্রতিবেশিনীরা -তোর মায়ের এ তারি অন্যায়, শেষকালে আমা চোখে মুখোজল দিতে লাগিল, হাওয়া করিতে লাগিল নিমিত্তের ভাগী করে রেখে গেল পঞ্চানন ডাক্তারকে ও গুণময়-বাবুকে থব পাঠাইল বীয়েনের মা গলায় দড়ি দিয়া মরিয়াছেন এই খবর বীরেন অনুভব কলি তাহার মা মরিয়াজিতিয়াছে পাইয়াই গুণময় অত্যন্ত ভয় পাইয়া দুটাছুটি তাহার মোট এই গৰ্ষিত অত্যাচারীকেও অবনত বিয়াছেন । ধীনে শীয় লইয়া পাইতে হাঁপাইতে আসিতেছিলেন। পথে উঠিয়া মায়ের সৎকার করিতে গেল । তাহার কাছে খবর পৌছিল যে দদাদেবীর যুদ্ধ হইয়াছে । বীরেন যখন মায়ের সংকার বাড়ী ফিরিল, তখন সাবিয়া মৱ তাড়াতাড়ি চলিবার চেষ্টা করিয়া আরো ছাপাইতে দয়াদেবীর জ্ঞান হইয়াছে, কিন্তু ৬াহার উঠিব৷ শক্তি নাই। লাগিলেন । তাহার মনের মধ্যে কেবলি হইতেছিল— কাচা-গলায় খালি পায়ে যান মুখে দীন বেশে যখন ধীনে আমা হতে এতগুলো শ্ৰীহত্যা হল তাহার শব্যার শিয়ার আসিয়া দাড়াইল তখন তঁহায় । গুণময়ের মনের মধ্যে তা অমিয়া উঠিতে লাগিল। দিয়া অধারা গড়াইয়া পড়িতে লাগিল । সে এক্ষে পুল দয়াদেবীকে বিবাহ করিয়া আনিয়া তিনি তাহার প্রথম তায় ছেলেমানুষ, ঘরকার কিছুই জানে না ; এখন যি তাহার মা তিনি শয্যাগত ; ধীরেন নিজেকে অত্যন্ত যি জীকে হত্যা করিয়াছিলেন । ধীয়েনের মায়ের জমিজমা লোতে তাহাকে হত্যা করিলেন । হয়ত বা দয়াদেবীরও ও অসহায় বোধ করিতে লাগিল । দয়াদেবী ধীনে মৃত্যুর কারণ তিনিই হইতেছেন । তাহার গা সমস্ত কেমন একটু কিছু খাওয়াইবার জন্ত ব্যস্ত হইয়া উঠিলেন, কি । ছমছম কৰিতে লাগিল, মনের মধ্যে কেমন একটা শীত- পরের বাড়ীতে কোথায় কি আছে তাহা তিনি জানেন থ খ্ৰীত বোধ করিতে লাগিলেন। মনে হইতে লাগিল তাহার উপর আবার নিজে উথানশক্তিরহিত । তি এইসব অপঘাত মৃত্যুর বিভীষিকা যেন চারিদিক হইতে কাহাকে অনুরোধ করিবেন দেখিবার জন্তু একবার ঘৰে অধ হাঙ্কে বিরিয়া হার দম বন্ধ করিয়া তুলিতেছে চারিদিকে চাহিলেন, দেখিলেন গুণময় আসিতেছেন গুণময় ছাপাইতে থাপাইতে আসিয়া পঞ্চানকে তিনি চোখ বুজিয়া আড়ষ্ট হইয়া ছিলেন। গুণময় ঘরের দরজার কাছে আসিয়া ইঙ্গিতে বলেন , দেখিয়াই তৰ্জন করিয়া বলিয়া উঠিলেন –পাচুদা, এপৰ কী কাণ্ড ঘটালে দেখ দেখি ! ডাকিয়া ইহা একটু তাতে গিয়া বলিগেন-গিরি কেমন আনে ? পঞ্চানন বুবিল বাবুর মনটা সুস্থ নাই, সে তিয়া বীৱন নি র বিরক্ত ভাবে জবাব নিয়া নীরবে মাথা নত কলি হছে গুণময় জিজ্ঞাসা করিলেন-বীরেন কই ? গুণময় একটু আমতা-আমতা করিয়া দশ ৰাৱো জনে বলিয়া উঠিল—বাড়ীর ভেতর । এখন উনিই তোর মা নাম উনি তোকে ছেড়ে য গুণময় বান্ধীর ভিতরে গিয়াই আবেগ-ভরে ধীরেনের যাবেন না বলেছেন । এখন ওঁর কে-রকম শরীরের ই হাত চাপিয়া ধরিয়া বলিয়া উঠিলেন—ধীরে, তার মা তাতে ওঁকে জোর করে ত কিছু বলা চলবে না, ই এমন কেন করলে ? আমি কি সত্যি তাদের পথে বা একটু বুজিছে বলিল শুনতেও পাবেন হত ৪ৰ্থ সংখ্যা] বীরেন দৃপ্ত ভাবে বলিল— আচ্ছা আমি বলছি গিয়ে । বীরেন চলিয়া যাইতেছে দেখিয়া গুণময় তাড়াতাড়ি বীরেন মনে করিয়াছিল দয়াদেবীকে তাহা নিযে বললেন—তুই বলিস যে তুইও সঙ্গে যাবি বাড়ীতে পোছাইয়া দিয়াই সে চলিয়া আসিবে কিন্তু বীরেন ফিরিয়া ছাড়াই বলিল-আমি যেতে পাৰ বাড়ীতে দিয়াই দয়াদেবী আৰাৱ মুদ্ধিত হইয়া পঢ়িলে এবং এবার হার চেতনা হইতে অত্যন্ত বিলম্বাই গুণময় অপ্ৰতি হইয়া বীরেনের হাত ধরিয়া বলিলেন— তাহার চেতনা হইবা মাত্ৰ তিনি চোখ, লিঙ্গাই চালিগে । হলে কি তুই ওঁকে বাঁচতে দিবিনে ? এধানে মুখ-পৰি চাহিয়া ক্ষীণশ্বরে জিজ্ঞাসা কহিলেন—ীরেন ই জাতি হবে কি কবে ? উনি ত তোকে ছেড়ে যাবেন বীরেন তাহার শিরের কাছে ছিল, আগাঁইয়া বলিল- এই যে মা আমি বীরেন থমকিয়া চুপ করিয়া দাড়াইয়া ভাবিতে লাগিল দয়াদেবী অত্যন্ত মিনতির স্বরে তাহার হাত ধীি একটি ছোট মেয়ে আসিয়া ডাকিল-বীরেন দা, বলিলেন—আমাকে ছেড়ে তুই চলে যাসনে বাবা । তোমাকে দয়া-মাসী ডাকছে । বীরনের মনের সঙ্কল্প তিনি বোধ হয় সন্দেহ কান্ধিয়া বীরেন একবার গুণময়ের দিকে চাহিয়া ঘরের মধ্যে ছিলেন " সেই মিনতির পর ধীরেন আর পলাইতে পারিন দয়াদেবী ধীরেনকে দেখিয়া বলিলেন – বাবা বীরেন, তথন সে মনে করিল দয়াদেবী একটু সুস্থ হইলে কঢ়ি গাজকে ত আর-কিছু খেতে নেই, একটু সরবৎ করে কাতায় পড়িতে যাইবার নাম করিয়া এ-বাড়ী ও । কোথায় কি অাছে নিজে উঠে দেখে শুনে করে হইতে চিরবিদায় লইবে সে বলিল—না ,আদি কৰ্ম্মে যে দেবে। সে শক্তি তোর মায়ের নেই । তোমায় ছেড়ে অার কোথায় বাব ? কলেজ খুললে একজন প্ৰতিবেশিনী, বলিল- তুমি ব্যস্ত হয়ে না যাৰ দিদি, আমরা বীরেনকে খাওয়াছি। মিছীর পানা আমরা মায়া মায়ের গলা জড়াইয়া ধরিয়া জিজ্ঞাসা করিল এনে রেখেছি ধীরেন- দা কি আমাদের বাড়ীতেই থাকবে ? বীরেন সরবৎ পান কবিয়া অনেকক্ষণ চুপ করিয়া সম্মাদেবী উচ্ছসিত অশ দমন কৰিয়া লিলে । তারপর হঠাৎ বলিয়া উঠিল—এ বাড়ীতে মায়া উলিত হইয়া বলিয়া উঠিল—বেশ হল থাকতে ইচ্ছে করছে না মা, তুমি আমাকে তোমার রোজ বীরেন--দার কাছে গল্প শুনব বাড়ীতে নিয়ে চল দয়াদেবী সেই যে শয্যা লইয়াছেন আর উঠিতে পাি দয়াদেবী উৎসুক দৃষ্টিতে একবার বীরনের মুখের দিকে লেন না। ডাক্তার বলিয়াছে দুৰ্ব্বল শরীরে অতি উত্তেজনা ছিলেন । তিনি ভাবিলেন মাৱে স্মৃতিতে-ঘেরা এই হৃদয় পীড়িত ইয়াছে ; অরেই হৃদহের ক্ৰিয়া বদ্ধ হইজ বীতে থাকিতে তাহার বোধ হয় কষ্ট হইতেছে, মারের বাইতে পারে মন খুব শাস্ত থাকে এমন ব্যবস্থা নিজে আপাত মৃত্যুর কথা মনে হইয়া বালকের মনে বোৰ হয় পাবিলে কিছুদিন বাঁচিলেও বাচিতে পারেন । হইতেহে ; তাই তিনি ধীয়েনের প্রস্তাবে অন্তায় কিছু ধীরেন সেই শব্যাগত দয়ামীর সেবায় আপনাকে দেখিলেম না ; বরং তিনি খুশী হইলেন যে নিজের ঘরকার এমন করিয়া নিযুক্ত করিয়া দিল, বে, তাহার আৱশ । বোধিয়া পড়িলে তিনি সহজে ইচ্ছানুক্লপ বঁীরেনের য শোক করিবার অবকাশ ছিল না। কিন্তু সে বড় যি পাতিৰেন। তিনি বলিলেন—তবে আমাকে ধরে গম্ভীর স্বল্পবাক হইয়া উঠিল পঞ্চানন চাণক্যনীতি আওকাইয় গুণময়কে বল বীরেন বলিল পাখী এসেছে । ভার, গণের শেষ আগুনের শেষ, বাধির শেষ আ ক্ৰ স্থা বহিল।