পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/২৭১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


888 প্ৰবাসী-- ভাদ্র, ১৩২৪ ত্যাগী কৃতী কুলীনং সুশ্ৰীকো ৰূপীেবনোৎসাহী গ্ৰহণ করিতেন, দরিদ্র অবস্থায়ই কাণা ফুলওয়ালী ধনিপুত্ৰ শচীন্দ্ৰনাথ পীপে গ্ৰহণ করিতেন, তাহা হইলে উচ্চ জাতীয় ব্ৰাহ্মণ, কাছে রাজপুত বা শ্ৰেষ্ঠ বুদ্ধিতা, ইংরেজী বালা, King Cophet and তাহার গ্ৰছের নায়ক ( পুকুন্দর শ্ৰেষ্ঠ প্ৰাচীন Beggar-maid এর পুনরভিনয় হইত ; কিন্তু তাহা ত বাঙ্গালা সাহিত্যের ধনপতি সদাগর প্রভূতির অম্বু ঘটে নাই । তাই বলিতে হয়, বঙ্কিমচন্দ্ৰেৱ আখ্যাকি ) কোথাও মোগল-সেনাপতি মানসিংহের পুত্ৰ ও বলিতে নৰধারার সন্ধান পাওয়া যায় না মৰা কলু খাৱ ভ্ৰাতুপুত্ৰ তবে টের আধায়িকাবলিতে যেমন অভিজাতশ্ৰেণীয় পাঠান সেনাপতি যথাক্ৰমে থায়িকার নায়ক ও প্ৰতিনায়ক, কোথাও মগধরাজপুত্ৰ নায়ক-নায়িকার পারিপাণিক-ভাবে ইতৱশ্রেণীর লোকে মূল আখ্যানের এবং নবদ্বীপাধিপতির মহামােত্য প্ৰধান সহৃদয়তাপূৰ্ণ চরিত্ৰ-চিত্ৰণ আছে বমিচন্তের আধায়িকা আখ্যানের নাত্মক ; রাজসিংহ, সীতারাম মুকুটধারী রাজা বলিতে সেপ দুষ্টারে নিতান্ত অভাব নাই । তিখাষ্ট্ৰীয় মহেন্দ্ৰ সিংহ জমিদার ‘রাজা” দেবেন্দ্ৰনারায়ণ ওরফে মেয়ে গিরিজার, দাসী হারাণী, বাদী কুলসম, বিশ্ব ত্য ী কুমার, নগেন্দ্ৰনাথ, গোবিন্দলাল, ” শচীন্দ্ৰনাথ, দিগ বিজয় ও রামচরণ, ইহার উদাহরণ। পূর্কোই বলিয়ছি, অমরনাথ, উ-বাবু, সকলেই ধনী বা ধনীৰ সন্তান ; ব্ৰাহ্মণ এক্সপ পাও পা প্ৰাচীন প্ৰথায় প্ৰতিমার পাৰ্থে সম্পূৰ্ণতার মাকুমার ও ব্ৰজেশ্বরও ধনী বা ধনীর সন্তান জন্ত স্থানলাভ করে শেখ, প্ৰতাপ, সত্যান, জীবানন, ভবানন্দ, এই যতদূর বুধি, তাহাতে মনে হয়, ইংরেজী সাহিত্যে যে জন ধনী নহেন । তবে চন্দ্ৰশেখর নিজে ধনী না হইলেও সিওয়াৰ্থ এই নবধারা-সঞ্চারে অগ্ৰণী, তেমনি আমার বাঙ্গালা, বিহার, উড়িষ্যার নবাবে জ্যোতিষ শিক্ষক সাহিতো ‘এলিয়ার রাজকবি রবীন্দ্ৰনাথ এই নবাবে, দি এই আদৰ্শব্ৰাহ্মণ ধনের অকাজা করিতেন তাহা নৰৰূচির নবধারার, নব সাহিত্যকলার প্রবস্থিত। হইলে তাকার অপ্ৰভুল হইত না প্ৰতাপ লাঠি জোরে কবিতা ও ছোট-গল্পে তিনিই এই নুতন আদৰ্শ প্রতিষ্ঠিত ক্ৰমে একটি ধনী জমিদারবংশের পত্তন করিতেছিলেন করিয়াছেন । কবির খেয়ালবৰ্ণনার সময় তিনি বলিয়াছে জীবানন্দ প্ৰভৃতি ভাগ পুকৃষ্ণ ব্যক্তিগতভাবে নিৰ্দ্ধন হইলেণ্ড বােট সন্তান-সম্প্ৰদাৱে “কমিকে জাল ফেলে প্ৰভূত গুপ্তধন ছিল পরন্তু হাৱা শ্ৰেষ্ঠ ব্ৰাহ্মণ, সুতরাং অভিজাত-শ্ৰেণীয় কাজ কি আমার বের হাট প্ৰসাদপুয়ের বীভৎস ঝাণ্ডের পর গোবিন্দলালের মারিয়া, অমরনাথ-তৃক রজনীর দাবী উথাপনের পর কিন্তু তিনি ইহা জানেন যে ‘মধুর কু? না হইলেও না শচীন্দ্ৰনাথের আসয় দারিদ্র্য, রাধারাবর ও হিরণীর পিতৃ কু’ কবির কাৰো অযোগ্য নহে, এই সামান্ত (?) বিরোগের পর যার দায়িতা—পূৰ্ব্বোক্ত সমালোচক ব্ৰালির মহৰ আৰত্যাগ ‘বাজা মহারাজার গৌরব অপেক্ষা মতানুসারে আমাদের হৃদয় বিগলিত করে বটে, কিন্তু যদি উত্ত তাই তিনি উলিত-কণ্ঠে গারিয়াছেন,—- দরি অবস্থায়ই রাধারাণীকে ‘রাজা দেবেন্দ্ৰনারায়ণ পীপে ওই কে বাচায়ে নকশিয় মুক সবে,-চানমুখে লেখা শুধু শত শতাৰ্থীর কাত ত বলিতেছেন, “আমার আ, ই লক্ষ টাকা বেদনার কণ কাহিনী ; তে যত চাপে তায় ইহাৱই আৰুে গোবিন্দলালের প্রাপা শেষ উইলে যখন গোবিন্দ বহি চলে মন্দগতি, যতক্ষণ থাকে প্ৰাণ তা, লাসে ভাগে শূন্ত পঢ়িল, তখনও তিনি শীলাদের পিতা রাসায় দিয়ে স্থায় আসয় দারিত্ৰে দিীলিকা দেখিলেন না ; নিজ নামে দুটি অর পুটি কোনমতে কষ্টহিষ্ট প্ৰাণ সম্পত্তি ছিল—াহ গোনে বিত্ৰ করি অৰ্থসক কৱিনে রেখে দেয় চাইবা । সে যখন কেহ বাঢ়ে, কামীরকাছি মূল্যবান বস্ত যাহা নিজের সম্পত্তি ছিল—তাহা বিজয় সে প্ৰাণে ভাষাত দেয় থকা নিষ্ঠ অত্যাচারে, । এইপে প্ৰায় লক্ষটাকা সংগ্ৰহ হইল |” এই খনশালী সায়েকই বঙ্কিমচয়ে আখ্যায়িকালীতে’ typical বা বাইতে ও

  • And

What i [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড, it s তারাধা ব্যবসা, think ৫ম সংখ্যা] 8৫ নাহি জানে কার স্বারে দাড়াইৰে বিচারের আশে, প্তিরে ভগবানে বাৱেক ভাকিয়া দীৰ্ঘশ্বাসে মরে সে নীৱৰে ! এই সব মুঢ় চান মুক মুখে দিতে হবে ভাষা, এই সব প্ৰাপ্ত শুক ভগ্ন বুকে মাধবপুর গ্রামের একেবারে শেষে নদীর ঠিক কোলে জ্বনিয়া তুলিতে হবে আশ। কাছে প্ৰকাণ্ড বাগানের মাঝখানে মাখা ৱে যে লাল চিত্ৰা— বোর ফিাও মোরে ইচ্ছা করে অবিরত বাড়ীখানা দাড়িয়ে আছে, তারি চারি পাশে পাথরের গল্প লিবি একেকটি করে নক্সাকাটা কোলানো বাৱাৰাগুলিতে প্ৰায়ই একটি মেয়েকে ছোট প্ৰাণ, ছোট বাধা ছোট ছোট থকা দেখা যেত নিতাই সহজ সরল ভোর বেলা সে স্নান কয়ে পূৰ্ব্বদিকে সহস্ৰ বিতিরাশি প্ৰত্যহ যেতেছে তালি বাৱান্দায় তার পকেলির মত হাত দুখানির উপর মুখখানি নাছি বৰ্ণনা ট রেখে প্ৰায়ই নদীর দিকে চেয়ে দাঁড়িয়ে থাকৃত ভোৱে ঘটনার নাটা নাহি তত্ত্ব, নাহি উপদেশ আলো তার অমন তুষারের মত শাদা মুখেও একটু রঙের সোনার তী-বৰ বাপন ) ছোপ ধরিয়ে দিত। সেই গৌরী সুন্দরীটিকে শুধু তঙ্ক তিনি শুধু কবিজনস্থলত উদ্ধাসের মুখে এই কথা বলে ঠিক বোঝানো যায় না লগাই গান্ত হন নাই, অনেকগুলি কবিতা ও ছোট তার ভাসা-ভাস ধূসর চোখ দুটির গভীর দৃষ্টিতে বেন তিনি এই ইচ্ছা পূৰ্ণ করিয়াছেন, “জগতের শত শত শতাব্দীর দুঃখ মাখানো । গতি তার প্ৰৌঢ়া মত মছ, সমাপ্ত কথার কিছু কিছু আমাদিগকে শুনাইয়াছেন, কিন্তু অতিক্ষীণ তলতাখানি কিশোরীর সরল সতেজ হেছ স্বাগত জীবনগুলার বাথায় কিছু কিছু অংশ আমাদিগকে ষ্টির মত কমনীয়। সুৰ্য্যোদরের আগে প্ৰথম পাখীর ডাকে নয়ছেন। তাহার ‘বাঙালিন, “ব’, ‘পুরাতন ভূত, সঙ্গে-সঙ্গেই তী সুনা য খন মান করে নদীর ষাটের ই বিধা জমি' প্ৰকৃতি কবিতায় এবং কাবুলীওয়াল সিাঢ়ি দিয়ে ভিজে কাপড়ে ভিজে চুলে পায়ে পায়ে জলো থাকা বাবু, পোষ্টমাষ্টার, শান্তি, “আপদ, “অতিথি ছাপ ফেলে ঘাট থেকে বাণী পৰ্য্যন্ত একটি জলের লেখা তি ছোটগলে িতনি সাধারণ শ্ৰেণীর মানবমানীয় দুখ- টেনে ধীরগতিতে কোনো দিকে না চেয়ে উঠে চলে যন্ত মধয়া িচত্ৰ, মনুষ্যত্বদেহের চিত্ৰ আমাদের চোখের সামনে তখন তাকে দেখে যদি কেউ কোনোদিন চিয়ীেবন | কেষ্ট, রাইচরণ, কাবুলীৱাল, চন্দ্ৰা, রতন, জলদেবী বলে ভ্ৰম করত, তা হলে তাকে নেহাৎ স্নাথ ত্ৰিবালক নীলকা ও তারাপদ, প্ৰকৃতি চিত্ৰ যেমন উজ্জল, দেওয়া যায় না ভাৱ সৰ্ব্বাঙ্গ দিয়ে জল করে কয়ে পক্ষ ইসব চিত্রের অন্তনিহিত কৰুণাসটুকুও তেমনি মধু আর চোখ দুটি দেখে মনে হতে সমস্ত সাগরে জল জারি আলাদের বিষয়, এই নুতন হয়, এই নৃতন হল কোলে অভ্ৰ হয়ে টলটল করছে। মৃণালের মত ভাৱ যায়, ক্ৰমে আমাদের সাহিত্যে কিসক গােল েকামল হাত হানিতে কালো লৱ বাণ শৈবাদে হান্বিত্বলাভ করিতেছে, এবং কালিদাস-কুমুদ মত জড়ানো। পাতলা ঠোট খানি রক্তের উদ্ধাসো হে ভাৱ তৰুণ কবিগণের ‘কৃষকের বাথ, ‘কৃষাণীর নয়, বিকের বুকের মত স্বচ্ছ উল গোণালী কুঙ্কান, নোটন, ‘হাগতে, চণ্ডালী, ‘আলি ভোৱে হালকা হাওয়ায় তার গায়ের পক্ষপে শাদা কাপ সিক বাগদি প্রভৃতি কবিতায় এই সুৰ ত থানা সমুদ্রের বুকের শুভ্ৰ ফেলার মত হলে চলে উদ্ধ । ও বেদিয়, ভূটিয়া, পাহাড়িা, তুলিয়, জেলিয়া, গতি কিন্তু তার ঢেউয়ের মত চঞ্চল নয় ; গভীর জলে ওয়াল, ‘মাটাওয়ালী, চুড়ীওয়াল, ‘অৰ্জ্জুন ডোম মত স্থির গায়ের রং তার শখের মত শাহা ; ভোয় দ ঠাল, চিকু ৰাগী, নিধিরাম খানামা প্ৰতি লেশ তাতে বড় দেখা যেত না। কোন গোপন গভীর থে লোক’কে কেন্দ্ৰ করি ছোটগল্পে বিকাশ ও বিস্তাৱ এই জলদেবী তার রহস্যময় জল-বাজোয় বুকে তি ললিতকুমার বন্দোপাধ্যায় থেকে উঠে এয়ে নিস্ত ধীর এই নিরাল কোটিতে