পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/২৭৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্ৰবাসী-ভাদ্র, ১৩২৪ 88 [ ১৭শ ভাগ, ১ম থ খুব যে কিছু বুঝেছিলাম, তা বলতে পারি না । সেই অশ্ৰণ- খাট অঁাকড়ে ধরেই আমি কদিন পড়ে টোয় অভিনয় যে কতক্ষণ ধরে চলেছিল, তা আজ আর নাইতে খেতেও আমি সহজে উঠতাম না। বৃন্ধ ভাল করে মনে পড়ে না, িকন্তু যখন সেই করণ কোমল করে নিজের হাতে তুলে আমায় খাইয়ে িদতে এলেও আদি ধাত দিয়ে ঠোঁট এমন জোরে চেলে পুৰ ভাৱ নিজ হাতে আমাকে মায়ের বুক থেকে কেড়ে মুখ শূলতাম না দিলেন, তখন আকাশ অন্ধকার, পথে পথিকের চলাচল ধরে থাকতাম যে ঠোঁট কেটে রক্ত বেরিয়ে আসত, তা অকমুখী মা আমার তখনি ছুটে দরজার কাছে আমার জন্ম ছাতাম না ঘণ্টার পর ঘণ্টা বৃদ্ধ ভাতে গিয়ে দাঁড়ালেন, ভয় হয়েছিল বোধ হয়, পাছে আনার লো কোলে করে মান মুণে বসেই আছেন । আমার এড়াতে না পেরে আবার আমার ক্ষুদ্ৰ বাহুর ডোরে বাঁধ জেদের জন্তে কত বেণী বোধ হয় তার মুখেও দুটা পড়ে যেতে হয়। সেইখান থেকেই মাড় ফিরিয়ে অামার ওঠেনি। আমার মানভঞ্জনের জন্তে স্নাশি -রাশি খেল একটা আশীৰ্ব্বাদ করে মা চিরবিদায় নিলেন সেই এসে বিছানায় ক্ষা হতে লাগল ; বাগানের ফুলের গাছ আমার মাকে শেষ দেখা। তার পরিচয় আমি জানি না , একটি কুঁড়ি অবধি বাকি রইল না, সবই আমার রো তার শেষ আশীৰ্ব্বাদ-বাণীও আমার মনে নেই। মনে তারপর খুসের লোতে পাড়ার যত থোকালীও এসে আছে কেবল তার শেষ দান বা তার আশীৰ্ব্বাদ-ৰূপে ফুটতে লাগল চরকাল ওদের সঙ্গ-থেকে বঞ্চিত বলে বিষ্কারে দিনে আমার মাথার উপর শত ধারে করে পড়ে ওদের উপরেই আমার ছিল এ ছিল। বিশ্বে আমার আপনার বলতে যে একজন ছিল সাধাধনাতেও বৃদ্ধ আমার মুখে যে হাসিটি ফোটাতে ও জামায় দিয়ে পেল শুধু অশ্ৰুজল তাই মাথা পেতে পারেননি, এই তরুণ মানবকদের সাহায্য নিতেই সে হাদি সেই ছান নিয়েই আমি আমার জীবন-যাত্ৰা সুহ্ম করলাম আপনা হতেই ফুটে উঠিল। তারপর ক্ৰমে এই মূল সেইদিন থেকে অন্নে জ্বলে আমার হৃদয়ের গোপন কক্ষটিতে পরই আমার চিরপুরাতন হয়ে উঠল । শামুপ্তি সেই আমায় এই অমূল্য সম্পত্তি সঞ্চয় করে আসছি। মূলধন অজানা বৃদ্ধকে আমি দাদামশা বলে ডাক্ত করে জামার মাছের ধান । দিলাম । নানান সম্পৰ্ব্ব পাতিয়ে অতিদুঃখের মাঝখানে বুকভয়া অভিমান নিয়ে আমি জন্মেছিলাম, কিন্তু একটু সুশের হাওয়া এনে ফেললাম। দাদামশাই ভাষা বিমান কৰা লোক ত আমার কেউ ছিল ৷ মে নাম রেখেছিলেন সুনন্দা তার আগে কি নাম ছিল সে ত শুকতারার মত ভোরের অ্যালো ফুটতে-না- তা জানি না। মিলিয়ে গেল। দীৰ্ঘ দিনটা পড়ে রইল শুধু আমার আরো বছর পরে দাদামশায়ের কাছ খা দুচার জে। তাই আমি আমায় ভাগ্যের উপর, দুঃখের উপর পুজো করতে শিখলাম ওতেই আমার ছিল সয়া আৱে আমার ভাগ্যদেবতার উপরই অভিমান করলাম দাদামশায় বলেছিলেন, ঠাকুরের কাছে সব গবান আমাকে বাদতেই সৃষ্টি করেছিলেন, কিন্তু আমি নিবেদন করা যায়, সব কারা কাদা যায়, সব কিছু চা

  • ার বিধানকেও উণ্টে তবে ছাড়লাম সেই যেদিন যায় মানুষকে কিছু দিতে হ’লে এক তিনিই পালে

অচেনা সেই নিচুর হিতৈষী আমাকে মায়ের ধূক থেকে অতিবড় দুঃথও তার আশীৰ্ব্বাদে সয়ে যায় কথা ছিনিয়ে এনে এই জগৎসংসারের মাঝখানে লোক-সমুদ্ৰ আমার খুৰ মনে ধরেণি ত্ৰোজ সন্ধা ঠাকুকে প্ৰণা সহায়ভাবে ফেলে দিলে, সেদিন থেকে আমি আর করতে গিয়ে অামি আমার মনের সকল কথা নিঃশেষে চরণে অঞ্জলি দিয়ে আসতাম। মানুসের কাছে জয়, প্ৰথম কদিন সেই অজানা পুীয় একটি লোকের সঙ্গেও মুখ অনেক দিনই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তাহায্য আদি কথা বলিনি। সেদিন রাত্ৰে আমার অভিভাবক ছিল ভাষায় পঞ্জ ; তাই আমার বাইরের জিনিষ হাঢ়ি আমায় যে খাটের উপর গুইয়ে গেঁথে গিয়েছিলেন, সেই শুধু তাদের জন্তে রেখেছিলাম। কিন্তু আমার অব সংখ্যা ক য়া ছিল, সে ত পরের কাছে ফাদা যায় না, তাই মশায় মাধবপুরে দেশের মাটিতে মাথা রেখে বিশ্ৰাম দিছে । ভাষার যে আপনার সেই ঠাকুরের কাছেই আমি আমার চান । মাধবপুরের আমবাগানে বসন্তেয় দূত আমগঞ্জী র দিব ঘোমটা খুলে ফেলে নিজের আশল ৰূপে দেখা আবিৰ্ভাবের সঙ্গে-সঙ্গে বাগানের মাঝখানের লালা তান । দাদামশায়ের ঘরে আমার আদরের অভাব থানাতে আমাদেরও উদিত হতে হ’ল হল না, কিন্তু সাধারণ মানুষের সঙ্গে আমার যে একটা শূন্য সেই নিৰ্জন বাড়ীর চারধারে লোকজনের চিৰঞ্চ পাণ্ড শিব প্ৰভেদ ছিল, সেটা মানি সেখানে ও অক্ষণ পদে মায় না শুনেছি এককালে ঐ বাড়ীতেই লোফল অনুভব করতাম তিনি অমং নিজের হাতে ন উৎসবে আনন্দে সারা বছরের মণ্যে বাড়ীখন ইয়ে দিয়েছেন , কিন্তু মাঘের রাত্ৰেও যদি কোনো দিন একদিন বিশ্ৰাম পেস্ত কি না সন্দেহ । অন্দরমহল, বৈঠক তার কি পূণার আগে আমার তে হয়েছে থানা, নাটমন্দির, দেবালয়, কিছুরই অভাব নেই; কিন্তু হ’লেই স্নান না করে নিস্তার নেই । আমি পাছে সবই এখন শূন্ত ছে কেবল বোলয়ের নিত্য পূজার বাণা পাই, কি সামানু্য পাট। লক্ষ্মী যেদিন সামান্ত কোন অছিলায় দাদামশায়ে তাই আমার সম্বন্ধে সমস্ত আচার-বিচারে দাদা প্ৰতি প্ৰথম বাম হন, সেদিন থেকে একে-একে সবাই শাহ আমাকে খুব লুকিয়ে চলতেন। কি আনন্দ যাব তার প্রতি বাম’হ’তে সুব্ধ করলে। শুনেছি ধরা চাখে পৰ্দা হয়ে আড়াল করে নেই, তার উপর অফুরন্ত ছিল, কিন্তু শেষকালে একটি মাত্ৰ পেী সাধা । দাদামশায় ধরা পড়ে দোঁহিতে গিয়ে ঠেকুল তার মায়াও কাটানেলেই টুকু হয়ে যেত, চোরের মত পালিয়ে বেড়াতেন পাছে তিনি দেশের ঘরবাড়ী ছেড়ে বেরিয়ে পড়েছিলেন যিার এ ভীষণ অপরাধে কোনো কৈফিয়ৎ চেয়ে মরণ যখন নিয়ে এল, তখন তার বংশের শাল তাকে নি। কিন্তু তিনি জানতেন না যে আমার ঠাকুর লোকের নিজের কোলে ডাক দিলে । দাদামশায় বাণী ফোৰা াছে চাইবার কি বলবার জন্যে আমার আর কিছু রাখেন দিনে বলেন য মাটিতে একেএফ বুকেয় নি। আমার বা কিছু নাশি সেই একজনেই ক’থানি হাড় বিসৰ্জন দিয়ে এসেছি, এ ভাঙা া থালা আসামী দাদামশায়কে আমিই এগিয়ে গিয়ে আর তার কাছ থেকে বাঁচিয়ে নিয়ে কি সুখ পাম? যাই, সিমুখে মুক্তি দিতাম তায় কিন্তু আমার দিকে চোখ তবু তাদের শ্মশানে মরেও যদি জুড়োতে পারি। যে তুলে চাইতে অনেক দেরি হ’ত পাড়া লোকে অনেক মরণের লোভে এখানে এসেছিলেন, সে মায়ণ ত অসন্তে যে এসে দেখত আমি দাদামশায়ের তুষার-শুভ্ৰ চুলের ভোলেনি, কিন্তু হাড় তার জুড়িয়েছে কি না কে জাৰে আঙল চালিয়ে চালিয়ে কত-রকম হাসি গল্প করছি এই শ্মশানপুরীর সেই প্ৰদীপ তোমায় যেনি প্ৰায় হয়ে থাণিকক্ষণ তাকিয়ে থেকে কেউ কেউ জিগোষ দেখি, সে অনেক দিনের কথা . তোমার কি মনে আছে। “ঠাকুর, উমা মা কি আপনার সরে এসে বাধা পড়ে তোমালে র বাড়ীর ঘাট যথন বাধানো হয়েছিল, তখন বোধ ?” কথা নে দাদামশায়ের মুখ শাবা হয়ে যেত হয় নদীর গতি অন্ত-রকম ছিল । তার পর কত আমার কি যে পরিচয় দেবেন ভেবে কুল পেতেন না । নদীর মুখ ফিরে গেছে, , কিন্তু পাথরে-বাধা ঘাট সেই তার ীি হেসে বলতাম, “আমি দাদামশায়ের কুড়োনো নাতনী, চির-পুরাতন কোণটিতেই অচল হয়ে অাছে ! সম্বে না, মাও না ।” দাদামশায় ক্ষীণ হাসি হেসে ঘাড় যাওয়াতে ঘাটের শেষ সিড়ির পরেও অনেকখানি পাছে তেন, মুখ দিয়ে কথা বেরোত ন হাটা পথ সাপের মত একে-বেঁকে নদীর ভিতর গিয়ে বয়সের সঙ্গে-সঙ্গে দাদামশায়ের ক্ষীণ দেহ আরো ক্ষীণ পড়েছে । তার উপরে ত্ৰিভঙ্গ হয়ে একটা বড় বটগাছ উঠতে লাগল একদিন মাযের শেষে শুনলাম, নদীর উপর কুকে পড়ে কালো জলের বুকে কতকাল ধৱে থাকা আর আমাদের চলবে না শেষ বয়সে দাদা নিজের ছায়াই দেখে আছে । নদী আর করে তার