পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/২৭৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


58 প্ৰবাসী—ভাদ্র, ১৩২৪ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড ম সংখ্যা ] আমার তা হ’ত যদি একবার তোমার কাছে আমার মদের আজ দি দিতে পারতাম, তবে কিন্তু দেখিহে কথাটি ধরা পড়ে যায়, যদি তুমি জানতে পােব, তোমাকে অকলুষ দৃষ্টি দিয়ে আমার এ পাপ দেহকে স্নান সকলের অধম হ’লেও একাজে আমায় বাধা দিতে কেট দিতাম খুঁটিনাট মনে রাখায় আমি তোমার কত আমি কতখানি দিয়ে ফেলেছি, তবে হয়ত শত অপমানের তিলে তিলে তার অণুপরমাণুকে পবিত্ৰ করে নেই। রোজ সন্ধায় নিজের চুলের পোছা দিয়ে আমি মুখে অমন অনেক কথা বলেও, বাইরে তোমাণ আমি আমার সমস্ত মন দিয়ে যো মাথায় করেও তুমি আমায় তোমার চিরসঙ্গী করে তাই অনুভব মন্দিরের ধুলো মুছে নিয়ে যাই । সেই যেমন তখনকায় এড়িয়ে হলেও, তোমার সকল কাজ, সকল অভ্যাস, । আর ভাবতাম তপস্যার শেষে সিভিলাভের দিন দিনে করতাম, আজও তেমনি করি । কিন্তু জ্বাজ সে নেবে। কিন্তু আমি তা হতে দেবো না সকল ধৰ্ম্ম ফেয়া, কথা বলা, সব ধাকে ছেড়ে দিয়েছে, যাকে অকুলে ভাসিয়ে দিয়েছে, তোমার আমাত মুখস্থ হয়ে গিয়েছি এগিয়ে আসছে। এ জন্মে তোমার দৃষ্টি তলে ধূলার এক কণাও মাথায় তুলে নেবার জৱে পড়ে নেই আমার সমস্ত সহধীি হবে সে কিসের পায় । দেহমানে তার সাক্ষা বাজত হয়ে উঠে পরজন্মে তোমাকেই লাভ করব এখন আমাদের মন্দিরে আর তেমন লোকের তি ভুল বোঝাবার জ্বলে আমি তোমার চলাফেরা দেখে একবার মনে করেছিলাম, তোমার কথাগুলো শুনে, দেখতাম না ; কিন্তু তোমার সমস্ত কাজের সঙ্গে নিয়ের জারভিক শব্দ আমার কানে মিলিয়ে যেত। নেই। কিন্তু তোমার মনে আছে ত তখন আতির সময় আমার বা বসবাৱ আছে বলে নি। আমি যে কিসের পঞ্চপ্ৰদীপের আলো কি ভ্ৰাণ আমার কোনো মন্দিরে লোক আর ধরত না মেয়ের ভিড় যত না হোক আমার কাজকৰ্ম্ম দিনে দিনে ঘড়ির কঁাটার মত নিদি কে সম্পৰ্শ করত না দায়ে । ঠেকে শব্দ, গন্ধ, ৰূপ, রস, সব তখন ছেলের ভিড় তার চেয়ে ঢের বেশী। গা ভেঙে ছেলো তোমাকেও বেদনা দিতে পেরেছি তা জানিয়ে হয়ে উঠছিল | কিন্তু মনে হ’ল আমি যদি তোমাকে এ দুঃখের ভাৱ তোমার সমস্ত কাজের সুবিধা অনুষিা তেই একাকার । আজও সে মন্দিরের হাওয়ায় প্রতি রোজ মন্দিরে এসে জুটত। তাদের আলায় আমার চলা দেখে আমি যে কেন তার দি, তবে তোমা বাবা এতকাল ধরে খই বাবে ; দুঃখ ভোলবার পথ আর আমি তোমাকেই অনুভব করে পুলকিত হয়ে ঘরে ফেরা ভার হয়েছিল। এলাম তা তুমি বুঝলে না হবে না । তাই ভেবেছিলাম, আমার না হয় ভয় ছিল বুধি আসি আপনি বিভপ হয়ে আষাঢ় মাসের শেষাশেষি সেই বেদিন ৰূড়ে আকাশ পাছে ধরে কেল, তা বলে তুমি কি এমনি অন্ধ হয়েছিলে তোমাকেও বিস্কপ করব । কিন্তু এখন দেখছি আমিই ভুল ঘরে এসে তার পর ভয় হত, দেবতার সঙ্গে ছলনা করে পাতাল তোলপাড় হয়ে উঠেছিল, সেই আমাৰন্তার দিনে ঘন যে এতদিনেও টের পেলে না ? বুলেছিলাম। এর চেয়ে সে দুঃখ ছিল ভাল যদি তোমার অকল্যাণ করে থাকি ? তবে তার মেঘের ঘটায়ু আরতির অনেক আগেই অন্ধকার নিয়ে পূজোয় সময় সেবায় যখন পাবনের ধারে তোমার সঙ্গে জানিয়ে তোমার তোমায় কাজ করা, কথা শেন শান্তি আর আমার কি হতে পাৱে ? আরো মনে এসেছিল। আম-বাগানের ক্ষত গাছ বে সেদিন ভেবেছিল, ভাষায় দেখা হ’, তখনই তোমার চোখে আমাদের সেই তোমার দেখা, আমার যত কমে আসতে লাগল, আন্ধালে পাষণে ঠাকুরের উপর ত তোমাৱ বিশ্বাস দেই, তবে নদীতে কত নেীকো যে বেছিল, নদীর পাড়ও যে কত সেটা ততই বেড়ে উঠল । কখন অবসর পুরানো স্থতির কথা ভেসে উঠল। তুমি ভেবেছিলে আমিও যে িকসের দিয়ে ও ছলনা করেছ ? যদি করে থাক তবে সে আমার জায়গায় ধসে পড়েছিল, তার ঠিকানা নেই। সেদিন সব আমার নখের আগায় গোনা ছিল। আমি জাৰ্ভাৰ তোমার মুখের দিকে তাকিয়েই সে সব কথা বুয়ে ফেলব । এতে আমার কোনো পা , সে পাপও আমারি । তখন আমি শিউরে উঠে প্ৰকৃতির প্রলয়কাও দেখে লোকের চোখের ঘুম কোথায় , কিন্তু আমি একেষাৱে নুতন মানুষের মতন বল্লা, “এখানে কি নেই, ধুধি আছে। তোমাৰ হামার মঙ্গলের জন্তে আমার দে ন সমস্ত মানত উড়ে গিয়েছিল। সারারাত ধরে কড়কড় কয়ে ৰাজ পড়েছে, ত দেখি এবার খুব পদ্মফুল ফুটেছে । নষ্ট এতে এক বিন্দু হবে না অায় আমারই বলে কাম। কুপকুপ করে নদীর পাড় খসে খসে পড়েছে, স’ সাঁকারে তুমি বলে, “কেন, সেই ো বোের তুমি আৰু হবে ? তুমিই ত আমার দেবতা ; গোপনে দেবতার পূজা দাদামশায় বলেছিলেন, মানুষের পাপ দেবতাকে স্পৰ্শ গাছপালা উপড়ে বন-বাদা ভেঙে দুটেছে, আর বম্ব সঙ্গে একটা মালা গেঁথেছিল আঁমি এক. কি পাপ আছে ? না, তাই আমি ঠিক করলাম মন্দিরে সেবাতেই বৃষ্টি ত সারায়ারি মধ্যে একবারও থামেনি । টেছিল - সব প্ৰতি সেবার কি কিছু কম দিয়ে ঠাকুরকে প্ৰণাম করতে আমি রোজ তোহেই আয়ার উৎসৰ্গ করব । শেষ দিন পৰ্য্যন্ত ঐ মন্দিরের জোরে ঝড় আরম্ভ হবার আগেই তাড়াতাড়ি কৰে তোম। তখন আমার সমস্ত সুখ-দুঃখ-ব্যথাবেদনার বেল ধরেই এ বাড়ীতে পড়ে থাকব ; তোমার ঘরবাড়ী আরতি হয়ে গেল। সকলে বেরিয়ে বাড়ী চলে গণ৷ আমি বাম, ও সে কৰে ছেলেবেলায় কি হয়েছিল, তাকে জানিয়ে আসতাম। আমি যে তোমারি - দাদামশায়ের হাজার কথাতেও নিতে পারিনি, আমি তখন বাড়ী গেলাম না, মনে হ’ল মন্দিরের কাজ শেষ আমার মনেও পড়ে না তোমার সঙ্গে ছলনা করেছি, নিজের সঙ্গেও করেছি , যাকেই আমি ফিরিয়ে দিয়েছিলাম। মন্দিরের কাছে করে গেলেই হবে, নইলে হয়ত আবার আসতে পাৱৰ না । বলে, সে কি, সুনা, এখনো যে বছর ঘোরেনি, কথাও বলতে স্থূলতাম না একখানি থর বেঁধে থাকবার আমার সাধ ছিল। তুমিও বে বাওনি, তা’ আমি জানতাম না, কিন্তু আমি যে এর মধ্যে তুলে গেলে ? কিন্তু বলে কি হবে ? তোমার জন্তে আমি ধেই কৈছিল ঐখান থেকে দেখব, তোমার ঘর আলো করে যাইনি তা তুমি জানতে মন্দিরের দাসীর কাজ আমি আমি একটু হেসে ৰাম, তা হবে হত, আমার দেবতার সঙ্গেও ছলনা করেছি। আজ মাথা ইট গৃহলক্ষ্মী তার শুভম্পৰ্শে সোনার সংসার সাহিয়ে কোনো দিন কাঙ্কর চোখের সামনে করিনি, এমন কি অত খুঁটিনাটি মনে থাকে না ।” অপরাধ স্বীকার করছি, চিরাগ্ৰত ঠাকুর দুঃখিনী অৰ চন কিন্তু সে সাধ আমােৱ মিটৰে কি না কে জানে ? পুজোৱী-ঠাকুরও আমার কাজ করতে কথন দেখেনি তুমি দুঃখিত হরে বলে, “আমার ওর চেয়েও ঢের ক্ষমা করবেন আরতির সময় হাত জোড জানি মিটবে না, কিন্তু প্ৰাণ ধরে ও-কথা বলতে আমি ফুল দিয়ে যাই এইটুকুই সে জানত, আর কিছু কেউ টনাট মনে আহে ।” মাথা নীচু করে রোজ সন্ধ্যায় যখন আমি শিবমন্দিয়েই তই পারি না। এখনও সেই আশাতেই তোমার ঘর জানত না । তাই বোধহয় তুমি আমায় থাকতে দেখে একটু আমি ভােলমানুষ সেজে বল্লাম, আমার ভাই, স্মৃতি- পাষাণ প্রতিমার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতাম, তখন কি লে সে আছি অবাক হয়ে আমাকে সঙ্গে করে নিয়ে বাবার ছে শটিা দিনদিনই যেন কোথায় যাচ্ছে, এর পর তোমার তার পূজা করতাম ? অামি তখন সৰ্ব্বাঙ্গ দিয়ে যা কতদিন ধরে রোজ তোরে দান করে মন্দিরের মন্দিরের পাশে দাড়িয়ে ছিলে । ফাছে মনে রাখা শিখতে হবে। তা, তোমাৰ ষ্টিত অভিষেক । তুমি েয তার দল সাজিযে, আনি টি িদয়ে আসছি। আমি সবাই চলে যেতেই আমি এদিকের লা ৰে হে তখন