পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/২৭৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৪৫৬ প্ৰবাসী-ভাদ্র, ১৩২৪ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড প্ৰদীপ পরিধার করে রেখে, তোমাদের দিকের সিড়ির কাছে পুরের চেহারা বদলে গেছে ? কোথাকা কি যে কোথা৷ হয়ে গেছে, তা গোনা , কত ঘর বাড়ী বাগান যে ধ্ব গেলাম হেঁট হয়ে খোলা চুল নিয়ে আমি যখন সিড়ি ধুলো মুছছিলামতখন প্ৰদীপের অালো অমাৱ চুরি যায় না। অামার ও সব সেদিন ধ্বংস হয়ে গিয়েছে কি না আঁচলায় লেগে চক্‌চক্‌ করে উঠতেই বোধ হয় সে দিকে জানি না। সেদিন থেকে তোমায় ত ৩ দেখিনি পথ :ে তোমার চোখ পড়েছিল : সেদিন আমি গোলি জবির সবার দিনে তোমায়ু সব বলে, পাড় আর আঁচলাদার একথান কাপড় পরে দ্বি তুমি এগিয়ে এসে আমার আমন ভাবে দেখে বললে, “সুনন্দ, যাৰ সেই আশাতেই বা মে নিজেকে বাঁচিয়ে রেখেছি এত রাত্ৰে ঠাকুরের সিডিতে মাথা পেতে পড়ে পাষাণের যদি না পাধি তবে এই আমার লিপি রইল, যা বলবার তা তবে এক নাম ছিল –তোমায় নিজে অাছে কিসের টানে ? ইন ! হছিল, সত্যি কথাট বলি। কিন্তু আমি যে গণ মুখে বলে যাব ; তোমার মুখে আনন্দের হাসি দেখে, আমিও করেছিলাম, যেদিন তোমার সঙ্গে অামার শেষ ৰেখা হবে, করা অনন্দেই হেসে যাবদুঃখের জোৰ-হাসি সেদিন সেই দিনই আমার মনের কথা বলব ; তান আগে বলে ত’ আগ হ’সব না । গোপন পুথিবী থেকে বিধা হব, সেদিন চলবে না। তাই বাম, “ঠাকুরের টানেই ঠাকুরের দরজায় আমার এই অশ্ৰুসাগরে ওই একটি দিনের স্থতি শ্বেতপথের পড়ে আছি।” মত টাটা কবে ? কিন্তু সে মুখ কি আমার হবে ? আমার উত্তর না শুনেই তুমি হঠাৎ বলে উঠলে, “এ অভাগিনী সুনন্দা । শান্তা দেবী । কি, তুমি চুলের গোছা দিয়ে পিাড়ির ধূলো কুচ্ছে ? কে এমন ভাগাবান যার পায়ের ধূলো তোমার মাথার চুল স্পৰ্শ জমীর মালিক করবার সম্পা রাখে ?” আমি হেসে বল্লাম, "পৰ্ব্ব কেউ রাখে না । তবে আমার যে প্ৰিন্থ তার পায়ের ধূলো আমি আপনি সগেীয়বে ( মুলে এ-টি রাজপুতানার না মীনা জাতির মধ্যে প্ৰচলিত। মাথা তুলে নি দয় রাজটাকা। পাৰি: মীনাবাই নিজের অঙ্গু অন্ধকারে তোমার মুখ দেখা যাচ্ছিল না মনে ? নিয়ে থাকে গলার স্বরটা যেন একটু ভারী-ডারা শোনাল । তুমি বঙ্গে, ধানা প্ৰাণ ! দিই তোমাকে “দে তোমায় কি যিয়েছে, যে, তার এত মান ? থানা তোমার পাওনা, “সে কি দিয়েছে সেই জনে, আমি ধভখানি ধিতে তার বেল তার চাও দি তো পারি দিয়েছি ।” বল সোজা—“বাও না ।” দেশের মাট মোদের ধা “আর কার জন্যে বুঝি এক কণাও রাখনি । আমি বেশ স্থির ভাবেই বাম, “না।” মীর মালিক অমূল৷ তুমি বয়ে তবে সত্যিই আমার সব মোদের হাতেই পাথ সামা আশা বৃথা হয় হে ঈ-কাৱা । আমি বল্লাম, ‘ওমা, তোমার আবার আমার কাছে ছ’ভাগের ভাগ নাওনা তুমি,— পাওনা বা তাই নাওনা কিসের আশা ?” তুমি কথা কইলে না ; চলে গেলে । আমিও উঠে খাজনা বাজার, নৰ্মী প্ৰজার—- বাড়ী গোলাম এই আমাদের গাওনা । শ্ৰীসত্যেন্দ্ৰনাথ দত্ত পরদিন ভোরে উঠে দেখলাম, এক রামের বড়ে মাধব

সাহিত্যের পাকা শড়ক ৱিশিল্পী যুক্ত গগনেন্দ্ৰনাথ ঠাকুর মহাশয়ের মৌজন্তে