পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/২৭৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8৫৮ প্ৰবাসী--- ভাদ্র, ১৩২৪ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড ৫ম সংখ্যা ]] । জাপানের সুকুমার শিল্প মী এর অতি প্ৰণালী কোনো জীবিত চিকর অ্যাস করেন না । এই চিত্রকরদের মধো হোকুসাই সৰ্ব্বশ্ৰেষ্ঠ । ভাৰ-বাজনা ও প্ৰণালীর নিদৰ্শন পুরানো ছবির মধ্যে পাওয়া রচনার স্বাতাই তার বিশেষত্ব হয়। জাপানী চিত্রকলায় ‘প্ৰাচীন ’চিনের স্থান সৰ্ব্বাগ্ৰে । 'চীনা-বিগুলি কায়দাছুরস্তু, তবে তাতে খুঁটিনাটির তারপর ‘ঘরো অ’ বা কি: চিত্ৰ । এগুলি “নশ্বর বাহুলা— প্ৰাণের অষ্টাৰ, কেমন যেন আড়ষ্ট । সেগুলি জগতের ছবি ।” অৰ্থাৎ ঘ বাড়ী লোকজন পশুপক্ষা ; প্ৰধানত অধ্যাক এবং ঐতি হাসিক অধ্যাকি পৰ্বও পথিক ; শঙ্কভরা ক্ষেত্ৰ ; নদী সরিৎসাগর প্রভৃতি ; – ছবিগুলিতে ভারতবর্যের প্রভাব সুস্পষ্ট । চীনা-চিত্রের কথাঃ আমাদের চারিদিকে যে বিচি জীবন প্ৰবাহ এখন আর অাদর নেই । তোকিও ও কিওতোর চিত্ৰ তারই বাস্তব চিত্ৰ । কিছুকাল পূৰ্ব্বে জাপানী এই ছবি . করদের অঙ্কণ প্ৰণালীতে পাৰ্থক্য অাছে। তোকিও স্বাধুনিক ভাৰ্য্য কিণ্ডে’-চিত্ৰ লিকে অত্যন্ত অবস্থার চোখে দেখতো কারণ এগুলি চিত্রকারেরা আধুনিক-মতাবলম্বী ; তাদের রচুনার মধ্যে পেটের দায়ে এক বিদেশী শিল্পসংগ্ৰাহকের কাছে মাসিক কাইসেদে অস্থিত । বাস্তব প্ৰাচাঙ্গনে মন যে ক লোকে চিন্তায় সাহস ও শক্তির পরিচয় পাওয়া যায়। কিওতোর অাব ৩১. বেতনে কাজ নিতে বাধা হন। ওকাকুৱা তখন বিদ্যালয়ের পরিচালক । বিদ্যালয় পরিচালনা | পূৱ। সেখানে বাস্তবে স্থান কোথায় ? যে-ধৰ্ত্তিীর হাওয়া অন্য প্ৰকার , সেখানে এথনো আধুনিকতার প্রভাব সৌভাগাক্ৰমে এ ভাব অধিক দিন স্থায়ী হয়নি সম্বন্ধে তা সঙ্গে ক ক্ষে ঘটায় তিনি আরা মত পান করে” মানুষ হলুম তিনি তেমন পৌছান। জীবন … সেখানে সঙ্কোচভরা ঘুমন্ত অষ্টীয়ার প্লাজধানী ভিএনায় এক বিশ্ব পালশনীতে কয়েক কয়েকজন সহযোগীৰ সঙ্গে পদত্যাগ করে’ একটি আদৰ্ণ প্ৰাচাজনের কাছে তুচ্ছ নায় ছাড়া কিছুই নয় ; আর যা স্বপ্নাবিষ্ট ! সেখানকার ছবিগুলিও তাই সুস্থ সুকোমল, তার থানি জাপানী চিত্ৰ প্ৰদশিত হয় । ছবিগুলি প্ৰশংসা লাভ - জাপানী চিবিদ্যাণ স্থাপন করলেন । এই বিদ্যালয় এখন কোতীত, আমাদের অধিগমা, প্ৰাচজনের কাছে মধ্যে তেমন তেজ নেই। এই প্ৰসঙ্গে বলে’ বাথি যে দুই সেই প্ৰথম জাপানী থবৰ্ণমেণ্টের দৃষ্ট স্বদেশী আর নেই। তবে তার ফলে জাপানে এ না চিত্ৰক ৷ একমাত্ৰ কামা পদাৰ্থ । কিন্তু আজ পাশ্চাত্য সভ্যতার রাজধানীর মধ্যে এই যে তাৎ, এ যে কেবল শিৱে তা শিল্পের ওপর আকৃষ্ট হল । তবুও গুর আরো ছ’াত সাদারের উদ্ভব সম্বৰ হয়েছে । তারা পাশ্চাত্যদিহের । আলোকদীপ্ত জাপানে জীবনের প্রতি সে রাঢ় অবজ্ঞা আর নয় ; অন্যান্য প্ৰচেষ্টায়ও তা বৰ্ত্তমান । বছর ধরে’ তাদের প্রথম-প্ৰতিষ্ঠিত কুমার শিল্প-বিন্যালয়ে ভালে তা প্ৰাণ করেন বটে কিন্তু স্বদেশী শিল্পের বিশেষ নেই, তাই এখন ‘বিওে :চিত্রের অাদর হয়েছে। কয়েকজন বিখ্যাত চিত্রকর । উজবেতনে অক্ষম বিদেশী শিক্ষক নিক্স করে রেখে নষ্ট করেন না । শিক্ষার বিস্তারের সঙ্গে-সঙ্গে চিত্ৰ দৈনিক মাসিক ও “কিণ্ডে’-সম্প্ৰদায়ের কয়েকজন বিখ্যাত চিত্ৰকরের ছিলেন সে যাই হোক, অবশেষে তারা নিজেদের চুল, বিভিন্ন চিত্ৰকৱ-সম্প্ৰদায় । সাপ্তাহিক কাগজ ও পুস্তকের সংখ্যা বেড়ে চলেছে । এইসব নান—হাকুসাই, ইতামারো, উতাগং প্ৰা তোয়োকুনি, ও দেখতে পেয়ে একটি খাঁটি জাপানী সুকুমার-শিল্প বিদ্যালয় স্থাপনেী চিত্ৰক শ্ৰদায়কে মোটামুটি তিনটি বড় তিরনার জন্তে ‘ঘরোতা’ চিত্ৰকরে ডাক পড়েছে। সেই কেইসাই এইসেন । তাগাঞ্জা কুনিয়াদাও চিত্ররচনা প্ৰতিষ্ঠা করলেন এবং কয়েকজন গুস্তাৰ জাপানী চিত্রকরকে শেণীতে ভাগ করা যেতে পারে : প্ৰাচীন, রোজা ও চীন tাকে অনেক ‘প্ৰাচীন’চিক ও ‘ঘরো অ’ ছবি একে কৱে’ যথেষ্ট শী হয়েছিলেন ১৭৩১ খৃষ্টাব্দে পুরানো সম্ৰাটর গৃহস্থালির শিল্প-সংগ্ৰাহকের কাজে নিযুক্ত করলেন । ই বিভিন্ন সম্প্ৰদায়ে রচনা-পতির মধ্যে যে কোনো বেশ পয়সা রোজাকার করছেন। ‘রাজা’ চিত্ৰ বচন বেদো ( তাকিও ) শহরের উপকণ্ঠে তার জন্ম হয় । তিনি দুৰ্ভাগ্যবশত এই বিদ্যালয়ের কায় বেশীদিন নিৰুপমাপে স্পষ্ট পাৰ্থক্য বৰ্তমান এমন নয় । ‘প্রাচীন’-সপ্তদায়ের ইলে এখন আবে তাদের মাথা হেঁট হয় নশ । “উকি’ে. ষ্টাগাও তোয়োনির শিখা , গুঙ্কর মৃত্যুর পর তার নাম চয়ে বাংলার শিল্প-ব’লাকদেব না। সুপরিচিত স্বৰ্গী কানো, তোলা, কোলে, মাক আম, শিনে’ পদ্ধতি অন ৪৫৯