পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/২৮৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


88 প্ৰবাসী-ভাদ্র, ১৩২৪ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড ভোজন-ব্যাপার - এমন তৃপ্তিপুৰ্ব্বক তিধ্বতে আর এক কিছু দূরে গিয়াই এক দে পড়িয়াছে—আবার সে দিনও আহার করি নাই হইতে বাহির হইয়া অন্ত দে গিয়া মিশিয়াহে। পরে এই চিরস্মরণীয় ভোজন-ব্যাপারের পর, আৰাৱ সেই শুনিলাম ইহা ব্ৰহ্মপুৱে এক উপনদী। এ নদী পাের ইন্ধে মঙ্গদেশে যাত্ৰা করিলাম। প্ৰায় তিনটার সময় হঠাৎ ভীষণ হইবে, আৰাৱ তুষার শীতল জলে অবগাহন- কিন্তু তার মঞ্চ আরম্ভ হইল। জাপানে এমন গুড় কেহ কথন দেখে নাই । প্ৰায় ৯টার সময় সেই নদীর তীরে গেছিলা নাই। যেমন অকুল সমুদে ভীষণ বড় উঠিলে উত্তাল দেখি কিনারায় বহু পুং হইয়া জৰিয়া হিয়াছে— গলা পৰ্যা অপেক্ষা করিতে হইল। এই অবসরে প্রায়া তরঙ্গের উপর তরঙ্গ আছাড়িয়া পড়ে—আজ প্ৰমত্ত বাতাসে বালির ঢেউ উঠিয়া আছাড়ের উপর আছাড় দিতে লাগিল, গাত্রে উত্তম:প তৈল মদন কবি এক স্থান বইতে বালুর রাশি তুলি অন্য বালুর পাহাড় অবগাধনের উদ্যোগ করিলাম মেষ দুটির স্বন্ধে ৰোত্মা ফরিয়া দিতেছে, আবার এক আছাড়ে তাহা ভাঙ্গির দিয়া তাদের পাৱ করিব সংকন করিলাম। কিন্তু অবাধ উপাড়িয়া বালুরাশি লইয়া পাগলা বাতাস চুটিগা চীৰ গুটি কিছুতেই আমার প্রস্তাব রাজি হইল না । অগ্রসর হইবার সাধা নাই—স্থিৱ হইয়া ছাড়াইবার দা ধৰি চানাচানি কারণ দলে নামাইবা কত ক্ৰী সাধা নাই—চক্ষু খুলিয়া দেখিবার সাধ্য নাই—যদি একবার করিলান, তাহারা কিছুতেই শুনিবে না। তখন ভাবিয়া, ৭াড়াই তবে বালুকাসমাধি প্ৰাপ্ত হইব একৰা এদিকে হাত অবোলা গানোজারের কে নিকপ বোধশক্তি থাকিবে, টি স্বায়ু একবার ওদিকে চুটি । কণ্টকের স্নায়, তীরে জণ হয়ত গভীৰ, চুৰিয়া বিধা ভয়ে দলে নামিতে স্নায় বালুকা-কক্ষর শরীরে বিদ্ধ হইতেছে, সমুদায় হে তখন তাতাদের ধোৱা নামাইয়া দুইটার গলার ঢ়ি বালুময়, বছে স্কে, বাপুকা প্ৰবেশ করিয়াছে দেহ কড়া জল বাস্তবিক গভীর—আৰু ৱিা জলে নামিলাম দিতেছি, আর এদিক ওদিক দুটিতেছি, মুখে আমার অধি হইল, তুষার-শতণ, স্নোত প্ৰবল, গলায় দড়ি না খালি রাম ইষ্টমন্ত্ৰ ধ্বনিত হইতেছে । সহসা প্ৰকৃতির তাণ্ডব, তাহারা কোণায় ভাসিয়া যাইত যাহোক তোর অবসান হইল। যেমন আরঙ, তেমনি ‘শষ পার হইলাম মেষ টিকে বাধিয়, সমুদায় বহু বি বোধ হয় এই ঝড় একঘণ্টাত্মাণ ছিল। এক মাঠের বােধে কাইতে দিয়া উলঙ্গ অবস্থা জিনিবগুলি আনি জন্য আবার জলে নামিলাম পার হইয়া জিনিষগুলি দুট মধ্যে সহ শান্ত হইয়া গেল। আমি ছাপ ছাড়িয়া ধাচিলাম । আবার সমুখে যাত্ৰা করিলাম। প্ৰায় ৫টার সময় যে স্থানে পোটল করিা মাথায় লইলাম আবার তৃতীয় দফা পুং আসিয়া পৌছিলাম, সেখানে “অল্প-অল্প সবুজ ঘাস দেখিতে হওয়া এবার আমাৰ হাত পা অসাড় হইয়া আদি পাইলাম । একপ্ৰকার কোপ-কোপ কঁাট--গাছ দেখিতে মা পথে গিয়া গভীর জলে পড়িা জোতের মুখে ভাসিয় পাইলাম, তাহাৰ পাতা সবুজ নয়, যেন পোচ কালো— যাইতে লাগিলাম--তখন মাধৱে বােকাও হবে বি ছত্তীতে কি এমন বৰ্ণ হইয়াছে জানি না সেখানেই ভাসিয়া বাইতে লাগিল। একবার ভাবিলাম জিনিষ বাচাইবা চেষ্টা করিলে প্ৰাণ, ত্ৰিবাস করিলাম। অগ্নির জন্য কাঠের অভাব হইল চাইতে পানি না অতএব জিনি যায় যাক, প্ৰাণ বাচাই । পৱ ৰ্ত্তে স্মরণ হইল, জনা না। চমৎকার আগুন করিয়া পরম সুখে নিদ্ৰা গেলাম । কতদিন যে আমি মুদাই নাই—বড় সুথের সেদিনকার বিহীন দেশে আরও ১ ২ দিন আমাহ যাত্ৰা হইবে প্ৰাণ খাচাই কি অনাহারে শীতে মরিব বলিয়া , পরদিন, এই হইয়া এক খাড়া কাটাযোগের েদশ পায় তার েচয়ে বিয়া ময় অনেক সুখের। মারি ত বেন্ধ সম্মুখে সেই পাহাড় অতিক্ৰম করা পাহাড়ের আসিলাম । নিয়া বি তখন এক হাতে টরি ধরিয়া এফালে ছাড়া নাই। অৰ্ষপথ আসিয়াছি, এমন সময় সম্মুখে পাতায় দিতে লাগিলাম। ক্ৰমে আমার দেহ অবশ হুই৷ এক পাৰ্ব্বত্য নিবা দেখিলামঅপূৰ্ণ েস দৃশ্য । নীট আসিতে লাগিল তখন মৃত্যু নিশ্চিত অনুভব করিয়া আমাৰ সংখ্যা ] তিৰুতরাজ্যে তিন বৎসর ৪৭৫ শেষ প্ৰাৰ্থনা বলিলাম। “দিকদশে যত বুদ্ধ আছ বৰ্ষণে তুষার-পাত আরম্ভ হইল। ক্ষুদ্ৰ এক জলাশয়ের তীয়ে শয়তোমাদের চরণে প্ৰণিপাত—মানব-জাতির শ্ৰেষ্ঠ গুঙ্গ পোছিয়া সেইখানেই রাত্রিযাপন কবি ভাবিবাদ । আঞ্জ যান . শাক্যমুনি বুদ্ধের চরণে প্ৰণিপাত !— বনের স্বালানো বা চা পান করা একেবারে অসন্তা-খাও আমার অসমাপ্ত ছিল, পিতামাতা-আৰ্যীয় স্বজনের দুৰ্যোগ। দেখিতে দেখিতে প্ৰবল ঝড় উঠিল। বঙ্গেয় কাকতি, লবাসার প্রতিদান দিতে পারিণাম না , প্রায়, আবার যেন বিছাতের , কমকি, বাতাসের হুহুঙ্কার, প্ৰবলায়ে বা - পৃথিবীতে জন্মগ্ৰহণ করিয়া আমার জীবনের কাজ শেষ পাত আরম্ভ হইল—এ যেন পৰুভূত তাল কিয়া যুদ্ধক্ষো যাইতে পারি।” এই প্ৰাৰ্থনা করিতে কবিতে হঠাৎ অবতীর্ণ। পূৰ্ব্বদিন অত কষ্ট যাহা শুকাইয়৷ ইয়াছিলাম, প্ৰস্তরে চরণ ঠেকিল, প্ৰাণে সাহস আসিল, আমি সব ভিজিয়া গেল । পুর দিন আবার তাহা শুকাইতে চেষ্টা দেখি যে গুণ আমার বুক পৰ্যন্ত । চাহিয়া দেখি করিলাম। সে চেষ্টা মাত্ৰ -প্ৰকৃতি তখনও সম্পূৰ্ণ শান্ত হয় মুখে ৪০ গজ চলি আসিয়াছি । অতি কষ্টে তীরে নাই । সে দিনও আগুন করিতে পারিলাম না, চা সিলাম । জিনিস কিন্তু ছাড়ি ই, অতিকষ্টে তাহাও হইল না—কিছু শুষ্ক কিসমিস খাইয়া দ্বিপ্ৰহরে যাত্ৰা কমি নিয়া তুলিলাম। শরীর অসাড় অবশ, গতিশক্তি নাই, লাম তখনও জানি না কি বিপদ আমার জন্য অপেক্ষা ঙ্কের অঙ্গুলির কোন স্পৰ্শশক্তি নাই । সেই আসা হন্তেই করিতেছে। উত্তর-পশ্চিমে যাত্ৰা করিা কিয়ং গিয়া দেখি নিজের বুক সিতে লাগিলাম শরীরে রক্তের স্বাভাবিক ভেলী এক হিমগিরি আমার পথরোধ করিয়া দাড়াইয়া চল হইতে প্ৰায় একঘণ্টা লাগিল গাটরি হইতে আছে । এ পৰ্ব্বত অতিক্ৰম করা ছাড়া অন্ত উপায় দেখি ধৰি হোটন বাহির কবিয়া সেবন করিলাম প্ৰাণ লাম না। সেই পৰ্ব্বত-শিখরের নাম কনগুইকাছি টিন সেবন করিতেই ভীষণ কম্প আসিল -তিনঘণ্টা ২৪৫০ ফুট উচ্চ । সেই তুষারাচ্ছন্ন পৰ্ব্বতে উঠিতে স্নায় প্ৰান্ত কম্পভোগ করিলাম ৫টার সময় যখন সূৰ্য্যাস্ত করিলাম। বৈকাল ৫টার সময় ১০ মাইল আন্দাজ খাড়াই ছে তখন কম্প থামিল। চাহিদা দেখিলাম দূরে আমার উঠিয়াছি, এমন সময় হঠাৎ এক প্ৰবল ভূধাৱৰা দেখা নিশ্চিন্তু মনে চরিতেছে অবোধ পশু জানে না দিল, তথন অনন্তোপায় হইয়া হত নামিতে আয় iায় প্ৰভু আজ কি দুৰ্গতি । অতি কষ্ট হামা দিয়া করিলাম তখন স্বৰ্য্যও বিয়া গেল। বড়ে, প্ৰকোণও বোঝা লইয়া মেধন্থটির নিকট উপস্থিত হইলাম। বৃদ্ধি পাইল। আমার চেষ্টা পৰ্ব্বতে যাইলে যদি আশ্ৰয় পাই । মেজার অগ্নি আলিবার সামৰ্থা হইল না, অ্যাভিজা কোথাও মাখা রাখিবার স্থান নাই। অজস্ৰ তুষারপাত মুড়ি দিয়া কোন প্রকারে রাত্ৰি কাটাইলাম হইতেছে—সেদিকে দেখি শুভ্ৰ তুষার। দেখিতে দেখিতে দ্বাবিংশ অধ্যায় ১২ ইঞ্চি গভীর তুষারপাত হইল। তবু আমি প্ৰাণপণে অগ্রসর হইতেছি । কিন্তু কষ্টের উপর কষ্ট, আমার বেষ্ট ২৬৫ ফুট উচ্ছে আর কিছুতেই অগ্রসর হইতে চাহে না— অতি কষ্ট কি প্ৰাতে উদল দিন দেখা দিল আমি আমার ধরিয়া টানিয়া কিছুদূর লইয়া গেলাম, তখন তাহারা স্তকাদি শুকাইতে ব্যস্ত হইলাম কাক একেবারে বসিয়া পড়িয়া হাঁপাইতে লাগিল। আজ বেলা ১টার সময় আবার যাত্ৰা করিবার জন্তু প্ৰস্তুত দিন তাহারা অভুক্ত পশুর প্রাণে কত সৱ ! ভয় হইল লাদা| তখনও আমার শরীর অনু, বগুলি অদ্ভদ । মেষ দুটি সেই রাত্ৰেই মারা পড়িবে। আমি আজ নিতান্তই করা আমার পক্ষে সমীচীন হয় নাই । কি কুক্ষণেই নিঃপায়,-যেদিকেই যাত্ৰা কবি, কোথায়ও লোকালয় ঘাইলাম। ভাবিলাক যতটুকু পাতি গবা পথে মিলিবে না। আশ্ৰয় কোথায়ও নাই। অদৃষ্ট বা থাকে থাক, লাঞ্জাই ভাল। পূৱে বোকা অসম্ভ হইতে লাগিল। সেখানেই রাত্ৰিবাস কৰিব, িদ্বগ্ন করিলাম। কম্বল বাহিকরিয়া দি মাইল পথ অতিক্ৰম করিলা । ন প্রচুর গায়ে জড়াইলাম,---কম্বল পুতিয়া বরফের উপর বসিলাম ।