পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৩০৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্ৰবাসী—স্তাদ, ১৩২৪ { ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড মধ্যেও দেখি, রাজ্যশাসনের কোনো একটা ছিদ্ৰ দিয়া ভয় যদি বলি, নাই হইল কৰ্ত্তার ইচ্ছা, তবে নিমণ বন্ধ । কিলেই তারা পাশ্চাত্য স্বধৰ্ম্মকেই ভুলিয়া যায়,—যে এক অতিথিসৎকার নয়, অস্তোষ্টিসংক্ৰাৱ পৰ্যাণ্ড আচল আইন তাদের শক্তির এক নিৰ্ভর তারই উপর চোখ নিষ্ঠুর জবরদস্তিদ্বারা যাদের অতি সামান্ত খাওয়া-ছোৱা জিয়া কুড়াল চালাইতে থাকে তথন স্থা-রক্ষার উপর অধিকার পর্যন্ত পদে পদে ঠেকানো হয়, এবং সেটাকে ভরসা চলিয়া যায়, প্ৰেষ্টিজ রক্ষাকে তার চেয়ে যারা কল্যাণ বলিয়াই মানে, তারা রাষ্ট্ৰব্যাপারে অষা করে, এবং বিধাতার উপর টেকা দিয়া তাৰে চোখের অধিকার দাবি করিবার বেলােয় সঙ্কোচ বোধ করে ী জলটাকে গায়ের জোৱে আণ্ডামানে পাঠাইতে পারিলেই নে ? লঙ্কায় ধোয়াটাকে মনোরম করা যায় । এইটেই ত যখন আপন শক্তির মূলধন লইয়া জনসাধারণে বিবিধানের প্রতি অবিশ্বাস, নিজের বিশেষ বিধানের কারবার না চলে তখন সকল ব্যাপারেই মানুষ দৈবে প্ৰতি ভরসা। এর মূলে—ছোটো ভয়, কি ছোটো লোভ কাছে, গ্রহের কাছে, পরের কাছে হাত পাতিয়া ভয়ে তা কিম্বা কাজকে সোজা করিবার অতি ছোট চাতুৰী টায় এই ভাবটার বর্ণন যদি কোথাও খুব শী আমরাও অন্ধভয়ের তাড়া মনুষ্যধৰ্ম্মটাকে বিসৰ্দ্দন দিতে কপ্ৰিয়া ফুটয় থাকে তাহা বাংলার প্রাচীন মঙ্গল-কাৰো য়াজি। ব্যতিব্যস্ত হইয়া, যেখানে কিছু আছে এবং চাৰসদাগরের মনের আদৰ্শ মহৎ, তাই যে েদবতাকে নাই, সমস্তকেই জোড়হাত করিয়া মানিতে লাগিয়াছি নিকৃষ্ট বলিয়া কিছুতে সে মানিতে চায় নাই বহুগে তাই আমরা জীববিজ্ঞান বা বস্তবিজ্ঞানই পঢ়ি আর রাষ্ট্ৰ তারই শক্তির কাছে তাকে ছাত্ৰ মানিতে হইল। এই যে তয়ে ইতিহাসে পরীক্ষাই পাশ ক—ি“কৰ্ত্তর ইচ্ছা কৰ্ম্ম শক্তি, এর সঙ্গে জ্ঞান বা ন্যায়-ধৰ্ম্মর যোগ নাই। মানিবা এই বীজমন্তটাকে মন হইতে বাড়িয়া কেলিতে পারি পাত্ৰ যতই যথেচ্ছাচারী ততই সে ভয়ঙ্কর, ততই স্থায় না । তাই, যদি আমাদের একালের ভাগ্যে দেশে কাছে নতিস্থতি । বিশ্বকৰ্ত্তত্বের এই ধারণার সঙ্গে তথা অনেকগুলি দশের কাজের পদ্ধন, হইয়াছে তবু আমাদের কার রাষ্ট্ৰীয় করে যোগ ছিল। কবিকঙ্কণের ভূমিকা সেকালে তা গ্য সেই দশের কাজ একের কাজে হইয় তেই তার খবর মেলে অাইন নাই, বিচার নাই, জো উঠিায় জল কেবাল ঠেলা মারিতে থাকে কোণী যার মুলুক তার ; প্ৰবলের অত্যাচারে বাধা দিবার ফোমো হইতে খামা একটা-মা-একটা কা ফুয়ি ওঠে। তার বৈধ পথ নাই ; ঘুষাৰ দুৰ্ব্বলের একমাত্ৰ উপায় স্তবস্তুতি, একমাত্ৰ কারণ, যে-দশের কথা হইতেছে তারা ওঁঠে বসে এবং বশেষে পলায়ন । দেব-চরিত্ৰ-কানাতেও বেয় খায়-দায়, বিবাহ ও চিতারোহণ করে এবং পরকালে পিণ্ড সমালেও তেমন, বা তত্বেও সেইস্কপ লাইতে হাত বাড়ায় কৰ্ত্তার ইচ্ছা ; কিসে পাপ কিসে পুণ অথচ একদিন উপনিষদে বিধাতার কথা বলা হই কে ঘরে ঢুকিলে ’স্কার জল ফেলিতে হইবে ক' হাত ছিল, যাপাতথাতো’ান বাদগাং শাশ্বতীভাঃ সমাভা । অৰ্থা যেৱে কুষার জলে দান করা যায়, ভোক্তার ধৰ্ম্মরক্ষার তার বিধান থাতথ, তাহা এলোমেগো নয় এবং সেদ্বিধায় পক্ষে মারার হাতের চিরই বা কি গুণ দুটিই বে। কি তাহা নিতাকাল হইতে এক মেছের তৈরি মদেরই বা কি আর ক্ষেচ্ছের ছোয়া জলেরই জন্য বিহিত, তাহা মুহকে মৃত্যুতে নুতন নুতন খেয়াল া বা কি, কৰ্ত্তার ইচ্ছার উপর বরাৎ দিয়া সে-বিচার তারা সেই নিত্য বিধানকে আমরা প্ৰতোকেই জানের চিরকালের মত সারিয়া রাখিয়াছে। যদি বলি পানি-পাঁড়ে দ্বারা বুঞ্চিয়া করে ঘরো আপনা করিয়া লইতে পারি নোংরা ঘটি ডুবাইয়া বে-জল বাণিতিতে লইয়া ফিরিতেছে তাকে যতই পাইব ততই নুতন মু তন বাধা কাটাই সেটা পানের অযোগ্য, আর পানিমি-এ ফিলটার হইতে যে চলিব কেননা, যে বিধানে নিত্যতা আছে কোথাও যে জল জানিল সেটাই গুচি ও স্বাস্থ্যকর, তবে উত্তর নিব, একেবারে ঠেকিয়া যাইতে পারে না, বাধা সে অতিক্ৰ ওটা ত তুচ্ছ যুক্তির কথা, কিন্তু ওটা ত কৰ্ত্তার ইচ্ছা নয় করিবেই ! এই নিত্য এবং ধাতথ বিধানকে যথাতঙ্ক ৫ম সংখ্যা ]] কৰ্ত্তার ইচ্ছায় কৰ্ম্ম ৬৫ ৫১৩ মাই বিজ্ঞান। সেই বিজ্ঞানের জোরে যুরোপের মনে যে-বেটা সৰ্ব্বভুতকে যতদূর সম্ভব তাতে রাখিয়া না প্ত বড় একটা ভরসা জরিয়াছে যে সে লিতেছে চলিয়াছে তার ধোবা নাপিত বন্ধ,”—আর জ্ঞানী আসিয়া বিদায় কবিই, কোনো রোগকেই তার মাথায় পায়ের ধূলা দিয়া আশীৰ্ব্বাদ করিয়া গেল বাবা কিতে দিব না, জ্ঞানের অভাব অরের অভাব লোকালয় চিয়া থাক ?” এইজন্যই এদেশে কৰ্ম্মসংসারে বিচ ইতে দূর হইবেই, মানুধের ঘরে যে-কেহ জন্নিবে সকলেই জড়তা পদে পদে বাড়িয়া চলিল, . কাথাও তাকে বাধা দিায় হে মনে সুস্থ সবল হইবে এবং রাষ্ট্ৰত ব্যক তরে কিছু নাই। এইজন্যই শত শত বছর ধরিয়া কৰ্ম্মসংসা হেত বিশ্বকাণের সামঞ্জস্য "পূৰ্ণ তই উঠবে অামাদের এত অপমান, এত হার অধ্যায়িক অৰ্থে ভারতবৰ্ষ একদিন বলিয়াছিল, যুরোপ ঠিক ইহার উলটা । রোপের সত্যসাধনায় ম্যিাই বন্ধন, মুক্তি স্নানে ; সত্যকে পাওয়াতেই আমাদের গে, কেবল ক্লানে নহে ব্যবহারে । সেখানে রাজ্যে সমাজে ক্লিাব অসত্য কাকে বলে ? নিজেকে একান্ত বিছিন্ন যে-কোনো ৎ দেখা সায় এই সত্যের আলোতে সকলে রিয়া জানাই অসমত সৰ্ব্বভূতের সঙ্গে আধার মিল মিলিবা চার বিচার, এই সত্যের সাহায্যে সকলে বিলিয়া জানিয়া পরমায়ার সঙ্গে অধ্যাকি গটিকে জানাই তার সংশোধন এইজ সেই সত্য যে শক্তি বে-মুদ্ধি জানা এত বড় সত্যকে মনে মানিতে পাৱা যে কি দিতেছে, সমস্ত মানুষের তাহাতে অধিকার, তাহা সকল মাশ্চৰ্য্য ব্যাপার তা আজ আমরা বিতেই পারিব ন মাধকে কাশা দে, সাহস দেয়, -- তাহার বিকাশ অক্সয়ে এদিকে আপিভৌতিক ক্ষেত্রে যুরো সাধনা কুয়াশায় ঢাকা নয়, মুক্ত আলোকে সকলের সামনে তা তার ও মূল কথাটা এই একই। এখানেও দেখা বাড়িয়া উঠিতেছে, এবং সকলকেই বাড়াইয়া তুলিতেছে । বা অবিদ্যাই বন্ধন, সত্যকে পাওয়াতেই মুক্তি সই এই যে কৰ্ম্মসংসারে শত শত বছর ধরিয়া অপমান বৈজ্ঞানিক সন্তা মানুষের মনকে বিক্ষিমতা হইতে বিশ্ব সহিলাম সেটা আমাদের কাছে দেখা দিয়াছে রাষ্ট্ৰী বাদিকতায় লইয়া যাইতেছে এবং সেই পথে মানুষের বিশেল পরাধীনতা আকারে যেখানে ব্যথা সেইখানেই হাত ক্তিকে বিশ্বশক্তির সহিত যোগযুক্ত করিতেছে পড়ে, এইজন্যই যে-রোপীয় জাতি প্ৰভুত্ব পাইল ভায়ে ভারতে ক্ৰমে ঋষিদের যুগ, অৰ্থাৎ গৃহস্থ তাপসদের যুগ ব্লাষ্ট্ৰ-ব্যবস্থার দিকে ই আমাদের সমস্ত মন গোল লো ক্ৰমে বোঁ সন্ন্যাসীর যুগ আসিল ভাত বৰ্ষ যে আর-সব কথা ভুলিয়া কেবলমাত্ৰ এই কথাই বলিতেছি, ৰে, হাসত্য পাইয়াছিল তাহাকে জীবনের ব্যবহারের পথ হইতে শাসনতন্থের সঙ্গে আমাদের ইছাৰ যোগলান করিয়া দিল বলিল, সরাসী হইলে তবেই মুক্তির হোক,—উপর হইতে যেমনঃপুসি নিয়ম হানিবে আর জায়া৷ ধলা সম্ভবপর হয় তার ফলে দিশে বিদার সঙ্গে বিনা খুসিতে সে নিয়ম মানিব এমনটা না হয় । কস্তৃত্বকে বিধায় .একটা আপোস ইয়া গেছে ; বিষয়বিভাগের মত কঁাধে চাপাইলেই বোধ হইয়া ওঠে, ওটাকে এমন একটা উভয়ের মহল বিভাগ হই। মাঝখানে একটা দেয়াল উঠিল । চাকা ওয়ালা ঠেলাগাড়ির উপর নামানো হোক যেটাকে পারে তাই ধৰ্ম্মে কৰ্ম্মে আচারে বিচারে ও সঙ্কীৰ্ণত অামাও নিজের হাতে ঠেলিতে পারি ত লতা, যত মুঢ়তাই ঋক্, উচ্চতম সত্যের দিক অাজকের দিনে এই প্ৰাৰ্থন পৃথিবীর সব দেশেই জাগি ইতে তার প্রতিবাদ নাই, এমন কি, সমৰ্থন আছে উঠিয়াছে যে, বাহিরের কার সম্পূৰ্ণ একতরফা শাসন হইতে গাছতলায় বসিয়া জ্ঞানী বলিতেছে, “বে মানুষ আপনাকে মানুষ চুটি লইবে । এই প্ৰাৰ্থনায় আমরা যে যোগ দিয়াছি মধ্যে ও সৰ্ব্বভুতকে আপনার মধ্যে এক তাহা কালের ধৰ্ম্মে,—না বদি দিতাম, যদি বলিতাম রাষ্ট্ৰ রিয়া দেখিয়াছে সেই সত্যকে দেখিয়াছে , অমনি ব্যাপারে আমরা চিরকালই কৰ্ত্তাজা, সেটা আমাদের পক্ষে সংসারী, ভক্তিতে গলিয়া তার ভিক্ষার লি ভরিয়া নিতান্ত লজ্জার কথা হইত। অন্ততঃ একটা ফাটল বিয়া লি। ওদিকে সংসারী তার দরখালানে বসিয়া বলিতেছে সত্য আমাদের কাছে দেখা দিতেছে এটাও শুভলক্ষণ ১১১