পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৩১৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৫২৬ প্ৰবাসী-ভাদ্র, ১৩২৪ { ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড ৫ম সংখ্যা ]] সাংখ্যদর্শনের প্রথম পৈটা হইতে যাত্ৰা চৈতন্তের বুদ্ধিপ উপাধি অবিদ্যা-মাত্ৰ—ভ্ৰম-মাত্ৰ ; সা প্ৰবোধয়িতা ৷ দুইটি আত্ম-বৃক্ষ পরস্পরের কাছ ঘেঁসি নহে। কী তবে সংযোগের পরিচয়-লক্ষণ ? সূৰ্য্য করিলে আমিও নিৰুত্তর ?-শুধু তাই না— মাধ্যাকৰ্ষণের দৰ্শনে বলে যে, আভাস চৈতন্তের বুদ্ধি-উপাধিও যেমন, বিয়াছে দেখিলে তুমি কি বলে যে, বৃক্ষ দুই এক ি হইতে শতকোটি যোজন দূরে অবস্থিতি করা সত্ত্বেও আদি গুহ নিউটনকে জিজ্ঞাসা করিলে তিনিও মিস্ত যায়, সেই উপাধিটির প্রকৃতি-জননীও তেছি, দুই বাস্তৰিক আর-একটির সহিত সং যুক্ত রহিয়াছে ? আমি তো তাহ থা একটুও মিথ্যা নহে যে, পৃথিবী স্বৰ্বোর সহিত বে—ানের মাত্ৰা বেশী নাচড়াইয়া—সাহসে ভয় কীি পদাৰ্থ সাথ্যের অন্তঃকরণাদি উপাধিও অচেতন—বেদান্তের বলি না। রহিয়াছে। কী সূত্ৰে পৃথিবী সূৰ্য্যের সহিত সংযুক্ত এই পৰ্য্যন্ত বলা যাইতে পারে যে মাধ্যাকৰ্ষণ— আদিতেীতি অাকরণাদি উপাধিও অচেতন ; প্ৰভেদ বোহা জ্ঞাসু । অামার কথাটার ভাব আপনি যদি ইণ্টা হিয়াছে ? অবশ্য-আকৰ্ষণ-স্বত্ৰে ইহাতেই অ্যাক , এবং আধাছিকের মাঝামাতি একপ্ৰকার চক্ষে এই যে, সাথ্যের উপাধি প্ৰকৃতি-মুলক বাস্তবিক পদাৰ্থ, বোলেন, তবে মানি নাচার আদি বলিতে চাই শুধু এই জিতে বুঝিতে পারা যাইতেছে যে, ইবস্তুর মধ্যে গানে-গোচর বঙ্কনের টান ; সাদা কথায়—এক প্রকায় বেদান্তের উপাধি অবিদ্যা-মুলক ভ্ৰমপদাৰ্থ । যে, একটা নী, ( অৰ্থাৎ নিরেট ) বন্মের অন্তৰ্নিহিত কৰণের বন্ধন-সুত্ৰ বিদ্যমান থাকাই সংযোগের একমাত্ৰ গুণ যাহাই হোক না কেন —অাপামা-সাবা অংলোঁহের উপমা সাথে এ বেদান্তু উ য় যেমনধাব-ভাবে পরস্পরের গাথেসিয়া অবস্থিতি বিচা-বক্ষ এটা একটা দেখা কথা যে, টান দুই শ্ৰেণীতে বিভক্ত- (১) নোয়ই ভাষ্যকারেরা প্ৰায়শই তপ্ত লোঁহের সহিত করে, তেতিধারা অবাহিত ভাবের ( অৰ্থাৎ ব্যবধান জিজ্ঞা । আমার এই ৰূপ ধারণা যে, মাধ্যাকৰ্ষণ, সন্মি বলে টান ; (২) প্ৰাণের টান। দুই অচেতন বস্তু যখন সৈাপধিক চৈতন্তে উপমা দিয়া থাকেন। উভয় শ্ৰেণীৱই থিত ভাবে ) সংশ্লেষের নামই সংযোগ (attraction of cohesion ), মধুনাকৰ্ষণ (chemical পরম্পরকে আকৰ্ষণ করে, তখন দোহার মধ্যবর্তী তৈজস আচাৰ্য্যদিগের মতে নিপাধিক চৈতন্য অগ্নির সহিত এাবোৰগ্নিতা । এটা তুমি দেখিয়াও দেখিতেছে না যে, aেction), চুণাকৰ্ষণ ( জলদি চুমিয় লওয়া aেpillary বল- জ্ঞকুত টান পড়ে ; আর, অচেতন পদাৰ্থ যখন উপমেয় ; অন্তঃকরণাদিরুপ অচেতন-ভাৰ উপাধি-অনুক. নীরো ভকের ব্লাহ —নী, বা নিতান্তই একটা action) প্ৰতি কম গুয়ারি আকৰ্ষণ-প্ৰকৰ্ষণের চেতন পদাৰ্থকে আকৰ্ষণ করে, তখন দোহার মধ্যবৰ্তী স্বভাবলোঁহের সহিত উপমেয় ; আর, সোপাধিক চৈতন্য ছাড়া বন্ধ ; তাহান তো—ন ভৰিধাতি । এই কারিতা া --রাজ্যের সুপরিচিতি সাধার মধ্যেই প্ৰাণতত্ত্ব-জানো চৈতস অন্তঃকরণ-ব্লতে টান পড়ে তলোঁহগত অগ্নির সহিত উপমেয়। এই গেল বোস্তবাণী ছাকা কানিটা যদি সত্যসতাই মীর হই, তাহা হইলে পরন্তু পুৰুষ চেতন-পদাৰ্থ, প্ৰকৃতি অচেতন- পূৰ্ব্বোৰু-প্ৰকার টান'কে বলা বাইতে পারে বলে এবং সাংখ্যবাদীর উভয় সাধারণ মত এতদ্ব্যতীত, সাংখা ইহা দিয়া আমার ছাকা অসম্ভব হই ৩ এখন হয় তো, লাখ তেলে-কলের অ-নিবনাও উ--—শেষোক্ত-প্রকার টানাকে বলা হইয়া থাকে বাদীর বিশেষ মত এই যে, উপাধি এবং উপস্থিত চৈতন্য তুমি তোমার স্ন স্বীকার করিয়া বলিবে যে, “আমরহাবা তাৰা, প্ৰকৃতির সহিত পুঙ্কসের সংযোগ ঘটিৰে যে, প্ৰাণের টান । দুই বাস্তবিক পদাৰ্থ , বেদান্তের বিশেষ মত এই যে কানিটা ব্লগ সংকুল ( অৰ্থাৎ কাকরা-পারা ১ ঘটে।” তাহা হয়ে কেমন কলিয়, তাহা আমি বুঝিতে পারিতেছি ন আপনার প্রতি আপনার টান চেতন-বস্তু মায়েই উপহিত চৈতন্তই বাস্তবিক পদাৰ্থ—উপাধি ভ্ৰমপদাৰ্থ । যদি বলে, তবে তোমাকে জিজ্ঞাসা করি -এই বিশাল বিশ্ব প্ৰবোধতি ॥ আকৰ্ষণ লিতে ো ধে তুমি কী ? স্বভাব-সিদ্ধ ধৰ্ম্ম । তাই, প্ৰকৃতি যখন ষ্টা দৃষ্টা সমাপ্ত ব্ৰথা:৩য় কোন বট ব্লক্ষে, .ে সমাকীর্ণ নহে? পৃথিবী বিজ্ঞাসু । অাকৰ্ষণ বলিতে বুৰি আমি—আর কিছু পুৰুষের সম্মুখে বুদ্ধি-দুপণ বাগাইয়া ধরে, জিলা সাংঘাচাৰ্য্যো কাহাকে বলেন প্ৰকৃতি সংকুল বণি পৃথিবীর রোম হোমে দণ প্ৰবেশ কৰিতে টান মাত্ৰ তখন সেই বুদ্ধি দৰ্পণে আপনাকে প্ৰতিবিদিত দেখা কারণে পুৰুষের সংযোগ, তাহা আপনি আমাকে পাখী পা পথ পা ; জল-সংকুল বলিহা জলের রোমে প্ৰবোধিরতা । টানের একটা দুষ্টান্ত দেখাও ৈপূহষ বুদ্ধির সহিত প্ৰাণের টানে বাধা পঢ়ি যায়। তো কষ্ট স্বীকার কবি য়া যতদূর বুঝাইতে হয় তাহা প্ৰবেশ করিতে পথ পায়, এবং জল-বা-মৃত্তিকা প্ৰতি জিলা। লাখী ব্যক্তি কণ্ঠে া ধা জলপূৰ্ণ বুদ্ধির প্রতি এইপ প্ৰাণের টানই পুষের সহিত প্ৰকৃতি বাইলেন দি কিন্তু তবুও উহারা সংযোগ-শব্দের যোগ সমস্ত ো লা ( ponderable) বস্তু ময় বলিয়া ঈশ্ব পাইতে টানিয়া তুলিবার সময় লগাছিতে যে সংযোগে’গোড়ার কথা, আর, তাহাই পুৰুষের বন্ধহেতু। এাকৃত্ৰিম অৰ্থ লো-শো করিয়া গটাইয়া ১াড় করাইয়া, { imporderable টান পড়ে— হাকে টানের বেশ একটা দৃষ্টান্ত জিজ্ঞা । স্বীয় বুদ্ধিগত প্ৰতিবিয়ে টানে পড়িয়া বুদ্ধি ছেন তাহাতে আমার মন কিছুতেই প্ৰবোধ মানিতেছে না । বিয়া গ্ৰহণ করা বাইতে পারে । জগৎ, সমস্ত তোলা-বস্তুর মধ্যে পু নুপুরপে প্ৰবেশ সহিত দ্রষ্টী পুজবের সংযোগ ঘটে কিপ—এতক্ষণ ৱিা প্ৰবোধবিতা সংযোগ বলিতে তুমি কী বোঝে৷ করিতে পথ পায় প্ৰবোমিতা । তুমি ও ল৷ আমিও বলি যে, সূৰ্য যা বাহাই আপনি বুঝাইলেন ; পর, প্ৰকৃতির সহিত পুজবের জিজ্ঞাসু সোজাসুজি সবাই বাহ বোঝে আমিও জিজ্ঞাসু ॥ কি সৰ্ব্বনাশ ; কেঁচো খুঁড়িতে খুঁড়িতে আকৰ্ষণ করে —পৃথিবী এবং সুৰ্য্যের মধ্যে সংযোগ ঘটে কি প—সেইটিই আমার জিজ্ঞা ; এক্ষণে, তাহাই বুকি বাহির হইয়া পড়িল যে সান প্ৰবোধবিতা আমার বা হইয়াছে। সাথে ক্ষম বন-বন্ধু আছে কি ? শেষোক্ত বিষয়টি আমাকে বুঝাইয়া দি’ । সংযোগ শব্দের অৰ্থ তুমি কিরুপ বোকো আপনি কী বোঝেন, সেইটি এখন পবিধা হিজ্ঞা তাহার একটা দৃষ্টান্ত আমাকে দেখাও। প্ৰবোধবিতা : এটা তো তুমি মানো যে, কোনো একটি কোনো-না-কোনো প্রকার বন্ধন-দু জিলা—হাত যোড় করিয়া । এই দেখুন-ইহাকেই করিয়া ভাঙিয়া বলিয়া পক্ষী কাটাল-বৃক্ষ হইতে আদ্ৰ-ক্ষের শাখায় উড়িয়া সিলে নিবার, সংশয়ের আবৰ্ত্ত হইতে আমাকে পথে টানিয়া তুলুন প্ৰবোধিতা । তােহা আধিভৌতিক বন্ধন-ব, না আমি বলি দুই হস্তেৰ সংযোগ । তাহারই নাম আহ্ম-বৃক্ষে উড়িয়া বলা ? এটাও তেজি তোৰায় প্ৰবোধতি ॥ এটা যখন স্থির যে, দুই বস্তু পরস্পন বিক বন্ধন-রখ ? প্ৰবোধবিতা । তুমি কি বলিতে চাও—কাছ খেসিয়া * সাংখামতে বুদ্ধি জড় -বগণের মধ্যে সৰ্ব্বপ্রধান । তাৰা নীচে থাকার নামই সংযুক্ত পাকা ? সহ গা-ঘেঁৰিয়া থাকিলেও শুধুই কেবল দোহার সেইয়া দিচাং । আপনার প্রশ্নটি ভীষণ মূৰ্ত্তি দেখিয়া হস্তাৱ : তাহার নীচে মন । তাহার নীচে দশেদি এবং তাত্ৰ গাসে। অবস্থাকে সংযোগাবস্থা বলা যাইতে পাৱে জিজ্ঞাসু । আমার অ্যাক্লা'র কোনো অপরাধ নাই । মুখে বাকা জিতেছে ন আমি নিরন্তর কলের নীচে পঞ্চভুত। এইরুপ দেখা যাইতেছে যে, সাংখাম বুদ্ধি হইতে পঞ্চভুত পৰ্যন্ত সমস্ত প্ৰাকৃত বই জড়পদাৰ্থ সুতরাং বেিৰ দেশ সকল লোকেই বলে তাই তখন কাজেই বলিতে হয় যে, সারিধা-মা সংযোগের পচি ৰোধিতা । আমার ঐ প্রশ্নটি খামাকে জিজ্ঞাসা বেণীকুল-আন্ধাৰুণীয় বিষয়শ্ৰেণী । । ।