পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৩১৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৫৩২ প্ৰবাসী—ভাদ্র, ১৩২ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড না পৰ্য্যন্ত তখন জরায় নাই । ইহাতে বিদিত হইবার কি বলিয়া চাণাইতে চেষ্টা করে। ইহাই জাতের ব্যবস্থাপতি আছে ? ীেরোহিতি প্ৰভুত্ব ইহার অনুকুল হইতে পাৱে তাহারা বৰ্ত্তমান অবস্থাকে, অতীতের চিরাগত ঐতিহ্যে না, কেননা তাহা হইলে পৌরোহিতিক প্ৰভুৱে হ্ৰাস সহিত, সেই প্ৰাচীন শ্ৰেণীভেদপদ্ধতির সহিত মিশাইয়া ছিল পুরোহিতে প্ৰভুত্ব অতীব প্ৰবল ও দৃঢ়বন্ধমূল যে শ্রেণীভেদপন্ধ ত ৩াহাদেৱ প্ৰভুদ্ধের প্রথম পত্তনভূমি ছিল । উহ্য অভিজাত যো বৰ্গের প্র ক পদ্ম স্থাপন করে এবং মাহ৷ সেই অৰবি উত্তরোত্তর বৃদ্ধি কৰিয়া ফেলিয়াছিল । শক্ত ফলের-ে ট র মত দেশের পাইয়াংছ মধ্যে কোন একটা সংহত ক্ষেত ছিল না— যা। কছু ছিল স্বেচ্ছার-ও মনগড় দাবীদাওয়া ও প্ৰামাণিক তথ্য সমস্তই ভান্ত রকমের গোচারণের জীবন-প্ৰণালী, এই দুয়ের মিশ্ৰণ হইতে সমুহ এই পদ্ধতিটিও আবার অনেক দিন পৰ্য্যন্ত স্বকীয় ঐতিহ-সুলভ শান্তভাবটিকে একটা শক্তি হইয়া ধাড়াই খুব টার্তাটির সহিত রক্ষা করিয়া আসিয়াছে কান দেশের যে-সকল অংশ মাথোৱা একটু বিলম্বে আপনার কায় জীব কাজের ভাব আসিয়া উক্ত শাস্ত ভাবের করিয়া তুলিয়াছিল, শুধু যে সেইসকল অংশেই ব্ৰাহ্মণো উচ্ছেদ করিতে পারে নাই । জনসমূহ বিজিত ও মতো এই পদ্ধতিটাকে লইয়া গি স্নাছিল তাহা সংখ্যাৰহণ আৰ্যাগণ যাহাদিগকে আত্মসাৎ না কবিঃ দূরে নহে গণ- গুৰুর উপর অপরিসীম ভক্তি ঠেলিয়া রাখিয়াছিল ে সেই অাদিমবাসীরা সহ অৰ্য্যেদেব লোকের আচরণের জয়ের বীভূত হয় নাই, বরং তাধারা ধীরে ধীরে আধা উপরে একটা প্ৰতিক্রিরা একটিত তাত্বিক পুৱাহিত-প্ৰচারিত মত ও বিশ্বাসের স্বারা আক্ৰান্ত ও ধরণের আদশ কdঠ কতবানিয়মের মত নে লোকের বীত ইয়াছিল। বিশেষতঃ উহারা যেখানে বিচ্ছিন্নভাবে মনে ক্ৰমণ চাপিয়া বলি কিন্তু মতবাদের সহিত তথ্য পুখক স্থানে বাস করিত, সেখানে উহারা কেবল একটু আধটু সম্পূৰ্ণরণে কখনই মিশিয়া যায় নাই বদলাইৱা নিজের পুরাতন সমাজগঠনই অনেকটা ব এই প্ৰতিষ্ঠানটি স্বাভাবিক ভাবে বাড়িতে-বাড়িতে ণে মাখিয়াছিল । উহাদে সংখ্যাধিকা, উহাদের নিতান্ত অঙ্গুর পথ অনুসাণাঃ য়াছিল, এইটিই এখন আমি জানিবার জন্ত বস্থায় অবস্থিত প্ৰতিষ্ঠানাদির দৃষ্টান্ত, এবং ক্লেপ সহজে উৎ হুৰু অতএব আহি এইখানেই থামিতে পারি সকল প্ৰতিষ্ঠান আৰ্থসমাজ গঠনের সহিত শিয়া অামার মতে, জাতটা প্ৰাচীন আৰ্যা-প্ৰতি ইতে গতি- এই সমস্তু একটা প্ৰকৃত বাষ্ট্ৰত স্থাপনের অনুড়ি—একটা ‘নে দু' বুলিলেও হয়। ঐ প্রতিষ্ঠানগুলি ক্ষে প্ৰতিবন্ধক হইয়াছিল । তাই তখন রাষ্টের অব ভারতের বিশেষ-অবস্থা ও পরিবেষ্টনের মধ্যে পড়ি ও দুষ্ট হয় না ‘লাতে’র ছাচে বাহির হইয়া আসিয়াছে । এই ঐতিহে এই গোলযোগের মধে কেবল পুৰোহিতবৰ্গই পত্তনভূমিকে বাদ দিলে জাতের ব্যাখ্যা পাওয়া যাইবে না। প্তাংশে পরিণত হইলেও স্বকীয় দলের সুদৃঢ় একতার ভাব উঠাতে যে খাদ মেশান হইয়াছে, যে সব জিনিস উহাকে ক্ষা করিয়াছে । একমাত্ৰ পুরোহিতবৰ্গই সমস্ত নৈতিক বলের পাথরের মত কঠিন ক৷ি তুণিছে, সে সমস্ত বাদ দিলে অধিকারী, এবং সেই নৈতিক বলের কার্যাকারিতাও বেশ উহাকে ঠিক বুঢ় যাইবে না কটিত হইয়াছিল। তাহারা নিজ বিশেষ-অধিকারের আমার কথাট তা করিয়া বুঝিা দেখ আমি ও টীকরণ ও বিস্তাৱসাধনের জন্য , এবং তা ছাড়া নিজ এই কথা বলিতেছি যে, অগ্নিকার দিনে অং জাতাকে জাধিপত্যের অধীনে একটা শৃংখলা, একটা সুদৃঢ় যোগবন্ধন বেঙ্কপ ভাবে দেখিতে পাই—হার অসংখ্য উপবিভাগ, স্থাপনের জয় সেই বা নিয়োগ করে তাহারা তথ্যের উদ্ভাৱ প্ৰকৃতিগত ও উপাদানগত বৈচিত্ৰা- এইসমস্ত দেখিয়া অবস্থাকে তবে পরিণত ঋরিয়া, সংহিতাব কবিয়া, একটা আমার মনে হয়, প্ৰকৃতি অকাট্য নিয়মানুসারে উহা আদিম আদশত পদ্ধতি রচনা করে এবং তাছাই বিধিব্যবস্থা আৰ্য্য উপাদানের িন জৈবিক ধরণের একটা পরিণতি তি । ' সংখ্যা] ভারতের বর্ণভেদ-পদ্ধতি কিছুই নয়। ভিন্ন জাতীয় দল, পরিবর্তনশীল সমাজ নপোথিত স্বাধীন মণ্ডলীসমূহের মধ্যে ধীরে ধীরে সঞ্চারিত সকল সময়েই জাতের মধ্যে প্ৰবেশ করিয়াছে , হইয়াছে। আধাদিগের পারিবারিক ব্যবস্থাই পরবর্তী সমস্ত এখনওঁ তাহার সংখ্যাবৃদ্ধি হইতেছে ; সেই সব পরিবর্তনের কেন্দ্ৰ-কীলক । কারীর দল যাহাrদল পদাৰ্চিহে বিজয়-মাৰ্গ ভারতের অৰ্য্যেরা ও প্ৰাচীন রোম গ্ৰীশের আৰ্য্যো অস্থিত হইয়াছে ; সেই সব অদিমবাসী একই সুত্ৰ-স্থান হইতে যাত্ৰা করিয়াছিল, কিন্তু উভয়ের স্বকীয় বিচ্ছিন্ন বৰ্ব্বর অবস্থা হইতে বিলম্বে বাহির পরিণাম-ফল কত বিভিন্ন যাহাঁকে প্ৰকৃত তপে জাত বলা যায় সেই সব |াড়ায়, একই মণ্ডলীগুলি, একই মত ও বিশ্বাসের আকরিক গণ্ডাংশসমূহ, অথবা মিলিয়া নিশিয়া দ্বারা, একই আচার-ব্যবহারের দ্বারা পরিশাসিত। খ্ৰীশ কতকগুণি গুণী, এই সমস্তই হার অন্ত ক । ইটালি দেশে এই ক্ষুদ্ৰ মণ্ডলীগুলি একত্ৰ সম্মিলিত হইয়া, কিছু বেশী –এই সকল মিশ্ৰণ, বাহা বহু-প্ৰকার প্রণালীবদ্ধ হইয়াছে আপনাদের মধ্যে একটা আরও বদ্ধিত ইয়া, বৰ্তমানের জাতকে এমন সুপাৰস্থিত পদ্ধতি প্ৰতিষ্ঠিত করিয়াছে। প্ৰত্যেক গুণী মুখশ্ৰী প্ৰদান করিয়াছে বাহ সহসা চিনি ও পাৱ ধা স্ব-স্ব কাৰ্য্যক্ষেত্ৰ, সম্পূৰ্ণ স্ব-শাসনত বজায় রাখিয়াছিল ল নিশ্ৰণ যে অতি প্ৰাক্কালেই টিাছিল কিন্তু, যে উপরিতন সন্মিলিত-মণ্ডলী city পে গয়ি তে সন্দেহ মাত্ৰ নাই । পরে সুপরিঘাট আকার ধারণ উঠিথাছিল, সেই city সাধারণ স্বার্থের তত্বাবধান কতি, ও, এই মিশ্ৰণে কাজটা জাত-গঠনের অাব হইতেই সাধারণের কাথা নিয়মিত কবিত। শ্ৰীক্দের হন্তে, বিপুল । আমি পূৰ্ব্বেই বলিয়াছি, আবার বলিতেছি — আকারহীন জিনিসগুলা একটা আকার প্রাপ্ত হইল । সাধারণ সিদ্ধান্তকে একটা সংগিক সুরে ভিতর বিছিন্ন পদাৰ্থসকল একটা বৃহত্তর ঐক্যসূত্ৰে প্ৰখিত করিয়া বাগিলে, উহার মূলতত্বটি অতিরঙ্গিত বলিয়া হইল নাণে ইহা সফলতা লাভ করিল, সেই ইবার অাশা থাকে ; কোন একটা কথা ঠিক পরিমাণে উটার ভিতরে যে নুতন তত্বটি নিহিত ছিল সেই , বেশী ঠিকঠাক্ করিয়া বণিতে গিয়া কিংবা রাষ্টনৈতিক তত্বের একটা অক্ষু রেখাচিত্ৰ বাহির হইয়া র প্রলোভনে বেশী বাড়াইছা তুলিতে গিয়া,—মিথ্যা পড়িল । মতো সিটিও সাধারণ আমি ব্যবস্থান পড়ে। আমি এইরুপ বাড়াবাড়ি করিতেছি বলিয়া পদ্ধতি হইতে সংগ্ৰহ এই প্রকার ধৰ্ম্মসংক্ৰান্ত নিয়ম যেন সন্দেহ না করেন সে বিষয়ে আমি খুব ও একই ঐতিহের ছাঁচের মধ্য দিয়া, পৱ খেতিৰ প্ৰয়োজনের দ্বারা অনুপ্ৰাণিত হইয়া, এই সিটি এক সামার বিবেচনায়, --ভারতের অংগোরা বহিঃপ্রভাবের অভিনব, সমাজপতির তব উদঘাটিত কলি ; আ বৰ্ত্তী হউক না কেন, ঐতিহাসিক ঘটনাবিপৰ্য্যয়ে সম্প্ৰসারণে শক্তি ও নিদিষ্ট সীমা লাঙ্গনের সামৰ্থ্যও উহার বিচলিত হউক না কেন, জাতের প্রধান উপাদান . মধ্যে প্ৰকাশ পাইল । আরও কিছুকাল পরে, ঐ শক্তি তাহারা আপনাদের ভিতর হইতেই বাহির রুপান্তরিত হইয়া, আচার-ব্যবহার ও শাসনশক্তির বিপ্ৰৰ ছিল। ভারত যে পদ্ধতি অনুসারে চলিয়াছে তােহা শুধু নিত নূতন নুতন প্রয়োজন সাধনের পক্ষেও পৰ্য্যাপ্ত হইল । ব্যবসায়-ঘটিত অৰ্থনৈতিক ব্যবস্থা নহে , তাহা ভারতে জাত প্ৰাচীন আচার ব্যবহারেরই অনুসরণ বিদেশীয় শ তির একটা বার ধরণের করিয়াছে, অনেক বিরে উহা পরিপুষ্ট করিয়াও তুলিয়াছে লে কাণ্ড হে, তাহ৷ শুধু শ্রেণীগত সোপান-পরম্পরার কিন্তু যে আবেগ হইতে আদিম মণ্ডলীগুলি সমুৎপন্ন হয় সেই হে, পরস্থ উহা ঐ সমস্তেই শ্ৰিণ। কতকগুলি আবেগ ভারত কতকটা হারাইয়াছিল, এবং সেই ভাবটা ধারণা ও সংস্কারের দ্বারা নিয়মিত । গোড়ায় ভারতে আর নুতন করিা জাগিয়া উঠে নাই । যে বংশ গের যে গাৰ্হস্থা পদত ছিল, তাঁহারই প্ৰভাব তত্বের বন্ধনে আদিম মণ্ডলীগুলি আবদ্ধ ছিল, তাহার সহিত