পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৩১৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্ৰবাসী-ভাদ্র, ১৩২৪ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড অবস্থাতে , প্যাসিভ বা নিক্ৰিয় ছিলেন না । ইহাকে বিবিধ প্ৰসঙ্গ বাংলায় অধিক শক্তির প্রয়োগ বলা যাইতে পারে কোন দেশের গবৰ্ণমেণ্ট যদি এরাপ কোন আইন বা নিী অগ্নিক শক্তির প্রয়োগ । করেন বা হুকুম দেন, বাহা স্নায়সঙ্গত বা ধৰ্ম্মসঙ্গত নহে, আষাঢ়মাসের প্রবাসীতে বিবিধ প্ৰসঙ্গে লিখিছিলাম, আমা ভাবিক স্বাধীনতা ও অধিকার দিগকে স্বশাসনক্ষমতা না দিলে তার চলিতেছে না, লুপ্ত হয়, তপন সেই দেশের যেকোন লোক, আবার এইঙ্গপ অবস্থা না বাড়াইলে, অৰ্থাৎ ইংণ্ডের উপর থাকিলে বসিতে পারে অামি এই আইন, নিয়ম বা চাপ না পঢ়িলে, ইংলণ্ড আমাদিগকে হোম বা স্বপ্ৰাজ্য হুকুম মানিব না করিতে নিষেধ করা হইতেছে, দিবে না, ইহা নিশ্চিত সেপ অবস্থা গাড় করাইবার তাহা করিব ; ঘাই করতে আদেশ করা হইতেছে, তাহ প্ৰথম উপায়, আমাদের নিজেদের এই বিশ্বাস দৃঢ় ও পাসি রেজিষ্টাব্দের ইহাই মূলমন্ত্ৰ স্বাক্ষাবিক ওয়া, যে, মুক্ত মানুষই মানুষ দ্বিতীয় ভারতবরে যে সব লোক দক্ষিণ আফ্ৰিকায় বাস উপায়, বাহাতে আত্মমৰ্যাদার হানি হয় একপ কোন করেন, তাহাদের উপর অন্যা নিমে থারি হওয়া কাজ অগ্নিতে বা এক্সপ কোন অবস্থায় পড়িতে বা থাকিতে তাদের মধ্যে শত শত লোক শ্ৰীক্ত মোহনদাস কৰা রাজী না হওয়া।” “উপরে ইংলণ্ডর উপর চাপ পড়ার দ্ধি মহাশয়ের নেতৃত্বে নিয়ম অনায় করিয়া বারবার খেলে ন-প্ৰকারের দৈহি গিয়াছিলেন, এবং নানা প্রকার লাইন ও ক্লেশ ভোগ লপ্ৰয়োগ দ্বারা এই চাপ দেওয়া আমাদের অভিপ্ৰেত করিয়াছিলেন ; কাহার কাহারও মৃত্যু হইয়াছিল। তাহাতে নহে, তাহাতে সিদ্ধিলাভ হইবে না। । আমরা যে চাপে আংশিকভাবে তাদের কাৰ্যাসিন্ধি হইয়াছিল । ভারত কথা লিতেছি, তাহা মানসিক ও নৈতিক বলের উ বধের ভূতপূৰ্ব্ব া ট প্রকা বস্তু তায় তাহাদের এ যিনি নিকে কাহারও অনিষ্ট করিবেন না। অধিক বলপ্ৰয়োগ নীতির সমৰ্গন কবিয়াছিলেন । কয়েক কাহাকেও মাথাত কৰিবেন না, কিম্বা নিজের বা দেশের মাস পাশ থা। গতি বিহারে এহেপ্রকারে মনের হোৱ ও নান পক্ষে যাহা, অনিষ্টকর বা অপমানজন দেখাইয়া নিচের দি বজায় রাথিতে পারিয়াছেন লইয়া নিশ্চিন্ত থাকিবেন … । প্ৰকার ব্যক্তিগত গতি ও বিহাৱে ইংরেজ নীলকে দিগেৰ দ্বারা রায়তদের উপ বাধা সবেও ভাঙার প্রতিকারের চেষ্টা অত্যাচার হয়, ইহা বিহারের কোন কোন প্ৰধান লোকে সেই চেষ্টা করিতে থিয়৷ প্ৰয়োজন তইলে নিকট শুনিয়া তিনি চম্পাৱন জেলার স্বয়ং এ বিষয়ে । সৰ্ব্বপ্ৰকার দুঃখ সহ্য করিবেন এৰূপ মানুষই সন্ধান করিতে ধান তাহাকে মালিষ্টেট জেলা ছানি৷ এই প্ৰকার মানসিক ও নৈতিক বল প্ৰয়োগ করিতে যাইতে হুকুম করেন ; তিনি হুকুম আমার করায় ৩াৰ পানে সকাল দেশের সকল মানুষের সকল অবস্থাতেই বিচার হয় । তিনি আদালতে বলেন, যে, তিনি যে বা প্ৰকৃষ্ট উপায় কি, আমরা বিশেষ আগে । পালন করিতে চম্পারলে আসিয়াছেন, তাহা ত্যাগ কবি চনা’ না করিয়া বলিতে পারি না। ভারতবর্থের বর্তমান সাইতে পারেন না । মাণিক্টেরে থকুম অমান্ত করা যদি অবস্থা শ্ৰেষ্ঠ উপায় বলিয়া যাহা বুগিাছি, তাহাই মেলে যাইতে হয়, তাহাতে তিনি বাজি আছেন । বিচাৰক সেদিন রায় দেওয়া স্থগিত রাখেন পরে গণমেণ্ট আমরা এইযে শক্তির প্রয়োগের কথা লিখিছিলাম, মোকদ্দমা তুলিয়া লন । তাহার পর বিহারে স্নাতদেহ তাহাকে ইংরেজীতে Passive . Resistance ( প্যাসিভ উপর অত্যাচার হয় কি তাহার অনুসন্ধান করিবার রেজিট্যাগ ) বলে। এই নামটি সুনিৰ্ব্বাচিত নহে; কারণ জন্য এক কমিটি নিযুক্ত হইয়াছে ; গান্ধি মহাশয় তাহার হোৱা এইপ শক্তিয় প্ৰয়োগ করিয়াছেন, তাহারা সকল অন্যতম সভা । সংখ্যা বিবিধ প্ৰসঙ্গ—প্ৰতিবাদের অধিকার ভারতবর্থের নানা প্রদেশে কেহ কেহ এই প্ৰকার প্ৰতিবাদের অধিকার ত্তিক শক্তির প্রয়োগ করিবেন, বলিয়া বোধ হইতেছে নিজের উপর বা অন্তের উপর অত্যাচার হইতে দেখিলে ক্ষেত্ৰেই যে হাতে হাতে সিন্ধিলাভ হইবে, তাহা নয় সুস্থ প্ৰকৃতির মানুস মাত্ৰেই মুখ ফুটা মনের ভাৱ প্ৰকাশ হীনতা স্বীকার না করিয়া অাহেিক বল প্রয়োগ করাই করে ; শিশুরা পৰ্য্যন্ত করে । কুকুত প্ৰতি জরাও করে। ঠিক, তাহাতে কোন সন্দেহ নাই ; এবং সকলে অন্যায়ের প্রতিবাদ করিবার প্রবৃত্তি ও অধিকার স্বাভাবিক এই নীতি অনুসারে কাজ করিতে পাৰিলে শেষ প্ৰতি ও অধিকার । ইহা ব্রিটিশ গবৰ্ণমেণ্ট আমাদিগকে ইহাতে যে সিদ্ধি লাভ হয়, তাহাতে ও সন্দেহ নাই দিয়াছেন, তবে আমরা পাইয়াছি, কিম্বা ভারতবৰ্ষ ব্রিটিশ একজন মানুষ নিজের দায়িত্বে নিলে এ ই নীতি যখনই সাদ্ৰাজ্যক্ত বলিয়া এই অধিকার আমাদের আছে, নতুবা ফায় মনে করেন, অবলম্বন কহিতে পাবেন কারণ দি থাকিত না, ইহা সন্তা নহে । সুতরাং ব্রিটিশ, গবৰ্ণমেণ্ট জেলে যাইতে বা নিৰ্বাচিত হইতে হয়, তাহাকেই হুকুমের জোরে বা আইন করিয়া আমাদের এই স্বাভাবিক ইবে । কিন্তু দি কোন দলের লোকদিগকে এই অধিকার গোপ করিতে পাবেন, ইহাও সত্য নহে । আইন হয়, তাহা হইলে শান্ত ভাবে যেমনই হোক না, অতি-উচ্চপদস্থ রাজকৰ্ম্মচারীরাও বাছাই করা কীৰ্ত্তবা যে সেই দলের লোকদের মধ্যে হুকুম কক্ষন না, এই অধিকার আমাদের অাছে ও থাকিৰে রে সহিত যোগ খুব দৃঢ় কি না তন্নি, ইহা ও এই অধিকার রক্ষা করা মানুষমাত্রেরই কৰ্ত্তবা । কোন করিতে হইবে, যে, কোন আইন বা হুকুম সকলেই দেশেই বিনা রেণে এই অধিকার রক্ষিত হয় নাই করিতে পারেন, বা কোন টাকা সবাই দিতে ভারতবধে ও হইবে ন য় করিতে পারেন । কংগেস ও মসলাম নিৰ্বাসিত, অবরুদ্ধ বা নজরবন্দী শত শত বাঙালীয় কমিষ্ট ই নীতি অবলম্বন আবশ্যক ও সমীচীন বিনা বিচারে শ্ৰীমতী এনি বেসান্ট ও হার জন না, বিবেচনা করিয়া অক্টোবরে শেষ সিদ্ধান্ত সহকারীর স্বাধীনতা লুপ্ত হইয়াছে। কিন্তু তাহারা জেলে, দলের পক্ষে কিছু বিলম্ব অনিবাৰ্গা অল্প কয়েদীদের সঙ্গে বা নিৰ্জন কঙ্গে, আবদ্ধ হন নাই, বিলম্ব তাহা বলা যায় না কিন্তু এক-একজন বিশেষ কোন একটি শহরে থাকিতে বাধ্য হইয়াছেন । পক্ষে এতটা বিলম্ব অবশ্যক না হইতে পারে । তাহাদেৱ বৰ্তা করিবার বা কিছু লিথিয়া প্ৰকাশ কৰিবাৱ সাৰ সুত্ৰগণা আইয়াৱ ত এখনই এই পথের অধিকার সুপ্ত হইয়াছে। ভারতবর্থের সকল প্ৰবেশের হইতে প্ৰস্তুত এ অল্পকেও সেই পরামৰ্শ খবরের কাগজে ইতাৱ প্ৰতিবাদ ইয়াছে ও হইতেছে ; প্ৰকাশ্য সভায় ইহা প্ৰতিবাদ হইয়াছে ও হইতেছে। বাংলা জাকি বল প্রয়োগের সপক্ষে একটি কথা বলা দেশেও চার জায়গায় এরণ সভা হইয়াছে। কলিকাতাতেই যাহা বিদ্ৰোতে ভারতসভাহে কলিকাতার অনেক প্রধান লোক সমিলিত বল প্ৰয়োগ নীতি অনুসৰণ করিয়া কোন অাইন হইয়া ইহার প্রতিবাদ করিয়াছেন তাহার পর হ ধা হকুম অগ্ৰাহ করেন, তাহা বিবেচনার ভুল হইলে যে, টাউন-হলে এক সভায় প্রতিবাদ করা হইবে, এবং ঠিকেই ক্লেশ সহ করিতে হয়, গবৰ্ণমেণ্টে বা কোন তথায় বঙ্গের সব জেলার প্রতিনিধি উপস্থিত থাকিবেন । বীর কোন অতি হয় না গবৰ্ণমেণ্ট পথ হইতে মিঃ কানিং ও কলিকাতায় পুলি তবধে কেন এখন অনেকে এই নীতির অনুসরণ কমিশনার এই সভার কয়েকজন উদোক্তাকে কিয়া এই প্ৰয়োজন মনে করিতেছেন, তাহা সংবাদপত্ৰ-পাঠকেরা জানাইয়াছিলেন যে বাংলা গবৰ্ণমেণ্ট টাউনলে এই সন্তা আছেন হইতে দিবেন না ; কেবল, মাত্ৰাজ গবৰ্ণমেণ্টের একই কাজের প্রতিবাদ করিবার জন্তু গবৰ্ণমেন্ট সভা হইতে দিতে ।