পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৩২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


$8 রাঙ্গালীর সমগ্র প্রাণকেই জাগাইয়াছিল। এখনও আমর iাদের জাতীয় চরিত্রে তাহার সুফল সম্ভোগ করিতেছি। জীর একদিক দিয়া প্তাহার প্রভাব আমরা দেখিতে পাই। স্বামুয়ের জীবনে চিন্তা ও ভাব অপেক্ষা গভীর স্থানে থাকে স্বভাব। চিন্তাভাব ও অভ্যস্ত কার্য্যের ফলে প্রকৃতির স্থায়ী জাকার হয় তাহাই স্বভাব। চৈতন্যদেবের প্রভাবে যে শুধু কতকগুলি নুতন ভাব আসিয়াছিল তাহ নুতন একটি স্বভাবও বাংলাদেশে জাপিয়াছিল, সেটি মুকুরের স্বভাব। তৃণাদপি মুনীচেন এই শ্লোকটির দ্বার বিবর্ণিত হইয়াছে সেই স্বভাব। নগ্নতা, অভিমান মদ্রোহে, ঈশ্ব নির্ভরে, প্রত্নতার হ্রদ মিষ্ট এক সে সময়কার ভক্তগণও স্বভাবের উপর জোর দিয়া রছেন বলিয়াছেন, র্যাগকে দেখিলে আপনাআপনি মুখে ভগবানের নাম আসি পড়ে, তিনিই বৈষ্ণব। বাস্তবিক পরিবঞ্চন স্বভাব পর্যন্ত গিয়া ন পৌছায়, তাছা যতই দাদ উক, তাহ অপূর্ণ। মতি সুন্দরভাবের সঙ্গে সঙ্গে গুঞ্জবনে অতি কদর্ঘ্য স্বভাব মিশিয়া থাকে। এজন্ত মনে চৈতন্যদেবের প্রভাবের সর্বশ্রেষ্ঠ পরিচয় এই যে, সেসময়ে দেশে এমন একদল মানুষের আবির্ভাব হইল, যাহারা দিলেও রাগ করেন, যাহার প্রসন্নত ও ক্ষমা মূৰ্ত্তিমান । র এই মাদর্শ তখন দেশের লোকের কাছে নুতন বলিয়া রোধ হইতে লাগিল। এখনও আমাদের সৌভাগ্যক্রমে দেশ হইতে বৈষ্ণক अडद दिनूक्षु श्य नाई। 4श्वन3 4भन मीश्व आमती তে পাই। সঙ্গীর বিরূপ করিতেছে, বিষাক্ত বাকবাণ সঙ্গে কঙ্কাকহিতেছেন তাহণের তীব্র কথার উত্তরে কি স্বল্প ভাই ? বলিয়া আদর করিয়া কথা কহিতেছেন। সুশোকে ক্ষতিতেওঁ মুখ এমন প্রসন্ন যে, দেখের দিকে - ইছক্কিরে। ভক্তিভাজন পণ্ডিত শিবনাথ পাঞ্জ গুলির গ্রান্তর' উপন্যাসে শ্ৰীধর ঘোষ নামে গোৱিন্ধের প্রতি নির্ভরের এইরুপ একটি চরিত্র অঙ্কিত করিয়াছেন। "মুখটি সাবে ও ভক্তিতে যেন গদগদ, সে মুখ দেখিলেই কেমন দ্বার স্বভাৰতঃ তাহার দিকে মার্ক্স হইত। • • ভাব তালুর এমন স্বাভাবিক ঃ - | * ...a প্রবাসী-বৈশাখ, ১৩২৪ ' পুত্রটির কাল হইলে, তাহারই তিন চারিদিন পরে আপসের একজন লোক জিজ্ঞাসা করিলেন,—কি ঘোষজ মশাই, ৫ ছেলে ছুটাে মানুষ হচ্চে ত? ঘোষজ উত্তর করিলেন, আছে, দুটাে আর কৈ? এখন ত একটি ; কেবল বড়টিই আছে। প্রশ্নকৰ্ত্ত বিক্ষিত হইয়া বলিলেন, সে কি ? ছোটটির কি হলো ? গোষজ উত্তর করিলেন, ‘আঞ্জে, গোবিন্দ সেটিকে নিয়েছেন। ” আমি একবার গ্রন্থকার মহাশয়কে জিজ্ঞাসা করিয়াছিলাম, যে, পুত্রবিরোগে গোবিন্দ নিয়েছেন বলিয়া প্রসন্নমুখে উত্তর দেওয়ার কথাটি কি f কল্পিত, না কোনও সত্য ঘটনা হইতে গৃহীত? আমার । একান্ত ইচ্ছা হইয়াছিল, যে, সত্যকার মাছৰ হইলে একবার তাহাকে দর্শন করিয়া নয়ন সার্থক করিব। শাস্ত্রী মহাশয় । বলিলেন, “একদিন আমি শেয়ারের গাড়ীতে কলিকাতার } একস্থান হইতে অন্ত এক স্থানে যাইতেছিলাম। সেই গাড়ীর অপর আরোহিগণ সকলেই আমার অপরিচিত ; তাহাদের দুইজনের মধ্যে ঐক্কপ কথাবাৰ্ত্ত হইতেছিল। যিনি বলিয়াছিলেন, গোবিন্দ নিয়েছেন, তিনি এক গলির মোড়ে নামিয়া গেলেন। আমিও তাঁহাকে আর-একবার | দেখিব বলিয়া অনেকদিন সেই গলিতে বেড়াইতে গিয়া ছিলাম, কিন্তু আর র্তাহার দেখা পাই নাই।” - এই অমানী, অদ্রোহী, সদাপ্রসন্ন, বিনম্র, ঈশ্বরে । নির্ভরশীল, সুন্দর চরিত্র চৈতন্যদেবের প্রধান কীৰ্ত্তি। সেসময়কার প্রেমভক্তির সকল তত্ত্ব বিলুপ্ত হইতে পারে, কিন্তু যতদিন দেশে বৈষ্ণবচরিত্রসম্পন্ন একজন লোকও । থাকিবে, ততদিন ঐচৈতন্যদেবের চিহ্ন বিলুপ্ত হইবে না। তবে তাছার প্রভাব আমরা এই সকল বিষয়ে দেখি । তিনি এই নিরাশ-প্রবণ জাতিকে আশাশীল করি। তুলিয়া ছিলেন, মানুষকে শ্রদ্ধা করিতে ও সমসাময়িক ঘটনাবলীর মূল্য দিতে শিখাইয়াছিলেন। তিনি উন্নত, মুন্দর ভাৰসকল - বিকাশ করিয়া জাতিঙ্কৰকে কোমল ও উন্নত করিয়াছেন; f ধৰ্ম্মকে ক্রিয়াকৰ্ম্ম যাগ যজ্ঞ অনুষ্ঠান হইতে টানিয়া আনিয়া । সহজ নিৰ্ম্মল ভক্তির পথে ধাবিত হইতে শিখাইয়াছেন ; সূৰ্ব্বোপরি নম্ন মধুর ভগবানে নির্ভরশীল স্বভাবের আদর্শ এ জাতির সন্মুখে স্থাপন করিয়া, ধৰ্ম্মজীবন যে চরিত্রের বস্তু, I. ১ম সংখ্য ] এই মহৎ শিক্ষা দিয়া গিয়াছেন । જન এই সকল পরিবর্তন আনয়ন করিয়াছিল বলিয়াই আমরা তাহার প্রবর্ধিত ধৰ্ম্মান্দোলনকে 'ধৰ্ম্মবিধান’ বলি । পয়বিধানের লক্ষণ নিৰ্দেশ করিতে হইলে বলিতে হয়, নূতন চিন্তা, নূতন আকাঙ্ক, নুতন স্বভাব ও স্বাক্স যুগের ও সমসামরিক মানুধের উপর গভীর আশ । এ সকলের সঙ্গে নূতন ধৰ্ম্মমতের ও নূতন সাজপাতিব প্ৰবৰ্ত্তন থাকিতে পারে, BB BB BB BBBBBS BBBB BBBB gtttt পরিবর্তনেই ধৰ্ম্মবিধানের প্রকৃত পরিচয় । •. - শ্ৰীসতীশচন্দ্র চক্রবর্তী । উদয়পুর ভারতবর্ষ একটি বিচিত্র দেশ-শিল্পে, সাহিতো, সৌন্দর্যো, দৃশ্যে, মসুমাসমাজে এত বৈচিত্র আর কোনও দেশে আছে কিন সন্দেহ । শিল্পের দিক দিয়া দেখিতে গেলে দেখা যায় কত বিভিন্ন প্রকারের আদর্শের সমাবেশ তাহার মধ্যে হইয়াছে কোথায়ও দেখা যায় শত্রর আক্রমণ রোধ করিবার বিশাল দুর্গ, কোথায়ও মন্মরনিৰ্ম্মিত বিচিত্র-স্থ ক্ষ**কাণমিণ্ডিত মনোরম হয়, কোথায়ও অনিনিত , ཨ༩༥༡ কোথায়ও পৰ্ব্বতখোদিত বিশালমন্দির, উদয়পুর --SumitaBot (আলাপ) ০৪:২৯, ৩১ মার্চ ২০১৬ (ইউটিসি) --SumitaBot (আলাপ)--- উদয়পুরের জন্মমন্দির প্রসিাচ | এরূপ মনে হয় কিনা জানি না। উদয়পুরের প্রকৃতিদত্ত প্রবার সম্ভারের ব্যবহারে যে মুসলমান নৃপতিগণ অকৃতকার্য । হইয়াছেন তাহাতে দুঃখিত হইবার কারণ নাই, বরং মুখের এই সৌন্দর্য থাকিত না–হৃতরাজ্য নৃপতির মতই নিঃস্ব প্রতাসমান সৌন্দর্য যে গরিমা ছিল এখনও তাঁহাই আছে। এক-আধটুকু যে পরিবর্তন হয় নাই তাহা বলিলে মিথ্য বলী o ~------------------- --- * : চৈত্য ইআদি। এই সকল. বিভিন্ন হৰ্ম্মোর নিৰ্মাণ s সৌন্দর্যা-সমাবেশের প্রণালীতেও বা কত প্রভেদ। ভারতের এক নগরেই হয়তো উক্তরূপ নানাপ্রকার বৈচিত্র্যের সমাবেশ। কিন্তু প্রাচীন নগর উদয়পুরে ঐরুপ বৈচিত্র্যের মিশ্রণ নাই বলিলেই হয়। চারিদিকে পৰ্ব্বতবেষ্টিত একটি হ্রদের মধ্যে মৰ্ম্মর-হস্মোর শিল্পধারা জলপ্রপাতের স্থায় পৰ্ব্বত হইতে হ্রদের জলে যেন করির পড়িতেছে। এইটি দেখিলে । মনে হয় দেন ইহা বাল্যকালের চিন্তাপ্রস্থত পরীরাজ্যের প্রাসাদ উদয়পুরে আসিলে মনে হয় যেন এক অবাস্তব - পররাজ্যে আসিয়া পড়িয়াছি- ভারতবর্ষের আর কোথায়ও বিষয়ই বলিতে হইবে, কারণ তাহ হইলে আজ উদয়পুরে । হইত। শত শত বৎসর পূৰ্ব্বেও উদয়পুরের ষে । সামান্ত হয়, কিন্তু মনে হয় উদয়পুরে আসিবার পূৰ্ব্বে যিনি সবচেয়ে পরিবর্তন পছন্দ করেন তিনিও এখানে আসিয়৷ ... *