পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৩৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্ৰবাসী—বৈশাখ, ১৩২৪ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড ১ম সংখ্যা . জাতসম্বন্ধীয় মতবাদের সমালোচনা জীদার-পী জিজ্ঞাসা কৰিলে,--“আচ্ছ ‘হয়’ নয় । তখন সকলে হাল হাড়িয়া দিয়া বলিল—“তবে আর নিধু কথা কহিল না, ডাক্তারের দিকে ফালফাল নিধু মাথা নাড়িতে লাগিল, বলিল—“না মনে টেলিগোপ করবে কাকে করিয়াগাছিয়া হিল, তারপর আত কমে একটুখানি পড়াচে না । দারের শিশুকনা দ্বিতীয় ভাগের বানান মুখস্ত, করা একটা নিছক বিহু হাসিল । তাৰপৰ বহল হাত দুখানা উপর দিকে বুলিয় মাত্ৰ বৰপুষ্কোই দেশ বজায় লোকসাধারণ নিমজিত হইয়াছিল । ণের জীদার-বাবুর অসছ ইয়া উঠিল । তিনি টেবিলের কবিতেছিল, সে উৎসাহিত হইয়া চেঁচায় উঠিল—“বাবা! ধৰিয়া সে ীে ভোঁ কবিয়া বান্ধীর িদকে ছুটিল। সে কীট , সমস্ত একাকার হইয়া গিয়াছিল । পৃষ্ঠায় যুগের সন্তাধিক খুব মই উপর একটা বিরাট সি মারিয়া চীৎকার কবিয়া উঠিলেন, অ দাবা ে নয় ত ” যেন হাকে পাগলা কুকুরে তাড়া করিয়াছে। বৎসর পূৰ্ব্বে, একতা অতি হইয়াছিল। কেবল, যুক্তি নামই যদি তো মনে নেই তবে অামায় মালাতে সি সকথা শুনির বড় গুঃখে ও মীদার বা হাসি পাইল নামটা মনে পড়েছে , মনে পড়েছে—বলিয়া বিশেষজের কৃপায়, জাতের ব্যবস্থাটা উহােৱ মধ্যে ভেদে ছিলি কেন লে কাটা মনে সা সহ ক’ ত ন পল বিয়া বাবু প্ৰচার করিলেন আনন্দে চীৎকার কবিতে কবিতে নিকুঠাকুর হনু করিয়া ঠিক নাম দে লিতে পারিসে তারাকে পাঁচ টাক পুরস্কার বীজ নিক্ষেপ করিতে সমৰ্থ হইয়াছিল । তা ছাড়া জাত বাবুর বৈঠকখানা গিয়া হাজির ৷ “sাক্তাহেব কলালে গুলা একটা সুনিদিষ্ট ও অকাটা শূলা অনুসারে পরি নিযু ঠাকুর ধীরে ধীরে বাহির হইয় গেল। নীলা-বাবু নিবেন নামটা মনে পড়েছে ? নামটা হচ্ছে গোফোরাম। খোড়ে- দুইহঁতে ই গাৱ চাপি ধৰিয়া আৰ্ত্তনাদ কবিয়ে করিতে ড়ে বাষ্ট্ৰীয় ঠাৰ বােক হাম সৰ্ব্বারের নামে এখুনি টেলিগোৱাপ পাঠিয়ে দিন, এক্ষুনি কি শ্ৰমশিন, তাং বিভাগেই মানব-জীবন উতির পথে ইয়াছিল ; সেই একই শৃঙ্খলা যে বা অনুসারে কি ধি উঃ ভগবান নিধু ঠাকুরের পশ্চাৎ পশ্চাৎ রিয়া বিয়া নান-প্ৰকার, না তেয় ব্যথা সেরে যাবে অগ্রসর হয় ; এইসকল পৰ্য্যায়ের মধ্যে যে পৰ্য্যায়ের যেপদ চোখে আর কি দে গ পা প্ৰস্তাব কবিতে লাগি বাবু তাৰিলোর সহিত বলিলেন—“থাম্পা বোকা গৌরব নিৰ্দিষ্ট আছে, তাহার অবলম্বিত ব্যবসায় বা কৃতি ধুনীর সন্ধব বাগানে গিয়া আকাশে নে ? ইগ, তখনো নাম’ দিয়া পাওয়া যায় নাই য়াৰ সদার কোণাকার তই নেই, তা আৰাৱ দাতের ঠিক সেই পদগাঁৱৰ লাভ করে । বিগ ষ্টাস্পো-বিক্ৰেতা না স্ত্ৰণ কবির অক্ষম চেষ্টা বাকি জীব হইল, চুলিয়া চুলিয়। অবশেষে সকলে শু ই ব্যথা এই প্ৰকাৱেই কাব শ্ৰেণীয় জাতদিগের কৰিতে লাগিল, গেল, তা আৰ পাঠানো হইল ন মধ্যে, নেসফিল্ড সুরেশচন্দ্ৰ ধন্দোপাধ্যা টি বড় । কমের বিভাগ দেখিতে পাইয়াছেন :- প্ৰথম বিভাগষ্ট বিবি কবি দে বলিতে সালি সাল চোখে ধু নাই, তিনি সারারাত পারি ক কিছুতেই মনে পড়ে ৮া বিলেন নাটৰ সময় ‘পাচক-সৰ্ব্বারের শয়ন শোধনশিল্পের পূৰ্ব্ববী যে-সকল শিল্প সেইসকল কিছুক্ষণ পরে বাবুর কাছে আবার তবে পড়িল, ‘নি ক্ষে থাবে আধা দিয়া গ্রিাসা করিলে জাতসম্বন্ধীয় মতবাদের শিল্পের অনুপ,—ইহাই নিহত বিভাগ; দ্বিতীয় বিভাগ জিজ্ঞাসা করিলেন—“মনে পড়েছে কি ? অপেক্ষাকৃত সমূহত— নাণ্টা মানে পড়ল ? “তুরঙ্গ’ নয় ত ?” বাবু তখন ধারশোধন নিধু মাথা চুলকাইতে চুলকাইহৈ বলি-“আগ্নে কিংবা যে সময় ঐসকল শিল্প বিকাশ লাভ করে সেই ইচ্ছা হইতেছিল সমালোচনা নিধু দীৰ্ঘনিশ্বাস ফেলিয়া বলিস - আঙ্গে না হত সমরের বিভাগ । সাদৃশ্য-আভাস-মূলক ভিত্তির উপর ভর ( Emile Seanart ফরাশী হইতে ) বাড়ীর সকলে যে যেখানে ছিল নামট কি হইতে পারে “আচ্ছা রণশক্তি যা হোক নিতে বসেমি সাধারণ জাতিতত্বের মতামত নেসফিজের উপর বিলক্ষণ দিয়া তিনি এক অদ্ভুত কমেয় নৈপুণ্য খরচ, রিয়াছেন তাহার মতে, প্ৰত্যেক ঘাতে আপেক্ষিক অগ্ৰগণ্য ছোট বড় মাকারি নানান রকমের আধিপত্য বিস্তাৱ কৰিছে ; বে সময়ে তিনি সমস্ত গোঁড়ামি নাম আর তো মনেই পড়ে না ঘোড়া : ননী জাতের ঘোড় ; তাহদের সাজ ও হইতে বিবিয়া আদিয়াছেন, ঠিক সেই সময়েই তিনি আবার দ্বিনিষ্টি কবিয়া দিয়াছে। এইপে-কার, মাছধয়া, যেমনট এখন আছে- উহা ্ থা পূৰ্ব্ব হইতেই নাম—এক কথায় ঘোড়া সম্বন্ধে যাহা কি হইতে পারে পরদিন প্ৰভাতে দাতো ভাক্তারেল আবার ডগ এন্ধা অবিচলিত ভাবে কতকগুলি স্থিরনিষ্টি শ্রেণীর উপর সকলে ভাৰিয়া ভাবিয়া সারা হইয়া বের মধ্যে, পড়ি । বাবু বলিলেন—“নিন, তুলে ফেলুন, আর ো বিশ্বাস স্থাপন করিয়াছেন ৭ে তাহাতে বিদিত হইতে হয় । গো-মহিষ চানো, ভুমধিকার স্থাখি, হস্তসাধ্য ব্যৱসায়, বাণিজ্য, দাঙ্গতি, পৌরোধিতা—এই সকল কৰ্ম্ম অনুসারে বাগানের মাঝে, চাকবাকিরের আগুনা, ঘনশালা তিনি যে-সকল সিদ্ধান্তে উপনীত হইয়াছেন তাহা সহ ভয় না।” সকলেই মাথ চুকাইতেছে আর ভাবিতেছে, নামটা কি ডাক্তার বেদনাদায়ক ততটা তুলিয়া ফেলিলেন । সম্পূৰ্ণদ্বপে নিৰ্দ্ধোধ ও সুস্পষ্ট —যদিও তিনি এই এক জাত আর-এক জাতের উপরে অধিষ্ঠিত । তাছা সুস্পষ্টতা কালের মধ্যেই সাথী কমিয়া গেল, বাবুও হাঞ্চ ছ ব বাক্ষা করিা চলেন নাই। কিন্তু ভাষার গমস্থান সমস্ত জগতে, মানবজাতির প্ৰমশিয়ে যক্ৰমোহতি পৰিলক্ষিত নিজের ব্যবস্থাত বাক্যগুলি এই —“কেবল ভাস্কতে নয় একজন বিজ্ঞাসা করিল ওহে, চিলেন । কি লষ্টয়া ডাক্তার গাড়ী চড়িয়া রওনা হইলে যে কোথায় তাহা তিনি ঠিক্‌ বুণ্ডিয়াছেন। মাস্তাবল নয় তো ?” ঘটক পাৱ হইয় মাঠে নিধুর সঙ্গে দাখা হয়, প্ৰত্যেক জাত সেই ক্ৰমোহুতির এক এক ধাপ অধি তাহার বিবেচনার কৃতি-সামাই জাতের মূল-ভিত্তি নিবিরক্ত হইয়া বলি-না-না ! ধারে মাষ্ট দিকে চাহিয়া গভীর চিন্তায় নিমগ্র ছিল কার করিয়া আছে সেই কে বহি চারিদিকে জাট গড়িয়া উঠিয়াছে। জাতসোপানের নিজ ও উচ্চ ধাপে ডাক্তার নিকট আসিয়া বললেন—“ওহে ঠাকুর অপর একজন জিজ্ঞাসা করিল — ‘কোচমান’ ’ নয় ? শ্ৰশিয়ে বেঙ্কপ উন্নত অবস্থা বা অম্বু তো উৎপতির জার কোন কারণ তিনি স্বীকার করেন না । তদনুসায়ে প্ৰত্যেক শিল্পব্যবসাীি-জাতের পদমৰ্য্যাদা নিৰ্দ্ধারিত আদিম অব সদ্ধানে কোথাও গুড় আছে ? ইদানী চাষীদের কাছ খে তিনি ইচ্ছা কবিয়াই, বংশের প্রভাব, ধৰ্ম্মে প্ৰভাব, উহ হব । এইক্সপে নিধু বলি—“না হে না ।” কিনছিলুম, দেখলুম কোনো কাজের নয় ।” ন কবিয়াছেন। তাহাৰ মতে,—ভারতে, জাৰ্য্য , মানব-মশিয়ে প্ৰাকৃতিক ইতিহাস হইতেই পদমৰ্য্যাদার সোণামারের চাৰি পাঞ্জনা যায় এবং