পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৩৬৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৬ষ্ঠ সংখ্যা ৫৭৫ প্ৰবাসী—অশ্বিন, ১৩২৪ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড ছে, অন্ধকার ঝড় বড় বেগে চলিয়াছে, সথে পথ দেখা জিরা গেীর করো প্যারে হিন্দু বী নামে ইহাদেরই সম্প্ৰদায়ের একজন চরিতা ‘বিড় শ্যাম মিলন কে নাহী” যার না—প্ৰবল শব্দে কেবল ধারা করিতেছে ) প্ৰভৃতি গান মতো আৰ্য্য কহাতে হেী জামে । উল্লেখযোগ্য গান তার নাই অপনে পী কারণ বনবাসীরে, ইহার পরই জলেশ্বর। ইনি পান-বিক্ৰেতা লোকপ্ৰিয় কাশীর ছুঢ়ত পিয়া মিলা ঘটী মে নহি হিং-মৰ্হি ভ্ৰমন দিয়ে নামক স্থানে থাকেন। হার রচনায় কেবল ভঈ জিউ মে' বেহদবাসী । কবি মসুরাম জাতিতে শুড়ী ( কলার ) । গাজীপুরের কহে ফি ক্যা কহলাতে ীে ॥ ব্যক্তিগত কুৎসা । কাশীর নগরের যত বিষ সব ইহার ( প্ৰিয়তমের জন্য বনবাসী হইলাম, কিন্তু হারানো অন্তৰ্গত সৈয়দপুর নিবাসী। ইনি অশিক্ষিত কবি । তবে পণ্ডিতদের রচনায়ু ৰে শুচিতা মেলে না, এই শিক্ষাহীন হে প্ৰিয় হিন্দু, একটু চিন্তা কয়, তুমি তো আৰ্য্য চনায় মেলে : ইনি বিষের প্রতিকারের অন্ত লেখেন তো আর মিলিবাের নহে—খুজিতে খুজিতে এই জীবনে বলিয়া পরিচিত ; হিন্দুও নাও বনও নও, বল তৰে তুদি কি মাই, ঐসব ভূণিত প্ৰসঙ্গই ইহঁর রচনায় সৰ্ব্বস্ব। এই জাতীয় মধ্যেই তাঁহাকে পাইলাম, এই জীবনের অনন্তের বে নিয়শ্রেণীর কবির মধ্যে তাহা আছে। ইহার দেওয়া সুর বলিয়া পরিচর দিবে ? বিলাম ) অতি চমৎকার—দুঃখের বিষয় তাহা তো লিথিয়া বুঝান লোকের ইনি খুব প্ৰিয় কিন্তু তাই বলিয়া ইনি যে শুচিতায় পক্ষপাতী তাই যখন ইনি সহজ প্ৰাকৃতে লেখেন তখন বেশ হয়। কিব ধা না। ইনি কৃষ্ণলীলা সম্বন্ধেই বেশী লিদিয়াছেন জলেসুর আর-একজন কবিকে উৎসাহ দিয়া আসরে নহে। ইহা লেথা বৃঙ্ক অশ্লীল । ইহার রচিত নাসাইয়াছেন। ইনি হবীবনের শিষা শিবমুল্লত। লোকটি যখন “পাক্তিতা” পাইয়া বসে তখনই বিষম ব্যাপার। বা বার গানও চমৎকার। ইহার "জুনিয়া ছমক ছমক পগ ধকে পণ্ডিত। ফারসীয় প্রভাবই হার রচনায় অত্যন্ত বেশী সােথত দরুণ অতিশ ফুকত tা সাৱন কা বাহার, পাণী বসৈ বারবার” নাজ নখরা দিথলাতী হৈ ।” তাকত নস্ত সবুী রামা লক্ষিত হয়। জলেসরের লোক হইলেও ইহঁর রচনা ( শ্ৰাবনের বাহার অসিল, বার বার বৃষ্টি সুরিতেছে মুন্সী গোদ বা তু জোয়দ প্ৰভৃতি গান উদ্ধত ক করা বা অনুবাদ করা অসম্ভব । তবে খুব মুম্বী বলিয়া ইহায় লেখায় ক্যা তাহ হয় যারা স্বামী ॥” প্ৰতি গান সুরে ও কথা জমাট । ধন্না একজন ওস্তাদ । ইহঁার দেওয়া বহু ছন্দ ও বহু জরীর সে হাঝা চাল নাই। নিজ গুর পরিচয় দিয়াছেন কবি মুনীশ্বর ও অযোধা নিতান্ত মামুলী রকমের রচ ইত্যাদি পাণ্ডিত্যের উৎকট রচনা । দুঃখের বিষয় পণ্ডিতমহলে সুর আছে । ইহার শিষ্যও বিস্তর । শিবারা বলেন কাছতে শিধরত পরসাদ তা। অযোধ্যায় গুর ‘গঙ্গাধ ও গদাধর ) । খুব ওস্তাদ এইসব নীরস কোলাহুলেরই আবার বেশী ধনু ধল্লা নে জো ছন্দ লাগোহীকো গঢ় ডালে । হীষন থে মেরে ওস্তাদ” তবে তার সুরের বাহারই বেশী সিকবিহারী কৃষ্ণস্ত কবি । লোকটি অ্যাত কাজী ( ধনু ধয়া বিনি- লাথো ছন্দ গড়িয়াছেন । শিবমুকুত প্ৰসাদ বলেন হবীবন আমার গুদু ছিলেন । কবি “গ” অশিক্ষিত, কিন্তু তার গানে বেশ গভীরতা রচয়িতা । হার রচনার শ্ৰাবণ, মেঘ ও অন্ধকারের বেশ শিবনাথ ধরার শিষ্য। ইনি রচনায় অত্যন্ত শুদ্ধ কচি । ইনি জাতিতে লালা । নিজ রচনায় প্ৰায় “মুম্বী আছে । একটি গান দিলাম জমাট সুর পাওয়া যায় নিগুণ “সতাধৰ্ম্ম অহিংসা’ প্ৰভৃতি ’ বিয়ে ইহার ভণিতা দিয়াছেন । বোধ হয় হার স্নায় এত চিন কোনো “বদরা বেরি বেরি কে অৱৈ দিল্পনা বারোনা ভয়া অংজোর মোরী নদী। রচনা । তবে রচনা নিতান্ত মামুলী—বিশেষত্ব নাই। কজয়ী কবির ছাপা হয় নাই। প্ৰতি দোকানেই হার রৈন অংধেী কারী মা পৈঠল বা মহলিয়া মে’ প্যার মোরী নদী ॥ মহেশ, হরিদাস, সিউদাস, সুধাকর, মোতি, হুমান চনা ছাপা মেলে। ইনি “মুখী বলিয়া বিষৎসমাজে হাঃ দামিন দমক দমক রী সো ব্ৰহী বেখবর নীল মে’ তনিক সুথ চুনরিয়া রে । নারায়ন, ছন্ন, বিহারী, সিনাদ প্ৰভৃতি কৰিও ঐক্লস চপলা চমকত স্থায়ী না । ন মালুম কেহি তিসে আরা খোলকে মেরী লেখা খুব আদর পায় । ইনি কৃষ্ণলীলাই অনেক লিথিয়া কেড়িয়া রে মামুলী । ইহাদের গান কাশীতে বেশ চলে, কিন্তু বাহিয়ে হে মায়ণের গানে— ( বাদল ধিনিয়া থিরিয়া আসিতেছে রাত্ৰিকাল অঞ্চ গরোসিন সব সুন সুন অাৱৈ হারে দরৱালা পরিচয় দিবার মত কিছু, নহে তবে বৰ্ষার রস সকলেট সখিয়া ক হম খুব দেখে এক সাবর কার, দামিনী কেবল কেবল চমকাইতেছে। দুৰে দুয়ে স দরবাজেকা বনা হৈ সংদির তঁহা স্নার বিরাজা কিছু কিছু দিয়াছেন চপলা, প্ৰকাশ প্ৰদীপ আনিস না, ও ননী, জোছনা হইয়া গিয়াছে দেবীদাস নামে একটি কবি আছেন—ইনি কয়ীয় সখীরা বলেন খুব দেখিলাম—একটি শ্যামল অপরটি এইসব গানের পুব অাদ অাছে । ইহঁর আমার এই মন্দিরে প্ৰিয়তম প্ৰবেশ করিয়াছেন, ও নদী । ছন্দে না লিখিলেই ভাল হইত। হার দধ্যে বৰ্ষার বা গোঁর গান খুব প্ৰচলিত মেঘলা ঘুম ঘুম ব রসাৱৈ ছাৱৈ বদরিয়া সাৱন মে ’ অচৈতন্ত শুইয়াছিলাম-একটু যেন বঞ্চিত মেঘের কোনো রস নাই- ইনি বৰ্ষার গানের দুই একটি দেহতত্ত্ব ও প্ৰাণ-পাৰ্থীর গানও ইহার মামুলী কমের ( শ্ৰবণে বাদল ছাইতেছে । মেঘ খুরিয়া মুরিয়া বা ষ্টীয় দেখিলাম । মা জানি কোন উপায় এই হৃদ্ধ ব্যৰ্থপ্ৰয়াস করিয়াই বৰ্ষায় কাজরীর সুরে বসন্তের গান আছে৷ ইহঁায় বারমাস্যাণ্ডলি মন্দ নহে। ইহার তেছে —প্ৰভৃতি গান, খুব বৃষ্টির দেিন তরুণীয়া মহা উৎসা ন্দিরের বা পুলিলেন।. প্রতিবেশিনীরা শুনিয়া শুনিয়া গাহিয়াছেন। ইহার “চেতি ভাণ্ডা”—বৰ্ষার সুরে চৈতেন্ম তাদেী নৈ ভয়াৱন লাগৈ উঠে কলেজ পীর। হিদোলায় বুলিয়া গান করেন স্বামীর দরজা আসিলেন—কিন্তু প্ৰিয়তম যে দশম্বারের গান। অদ্ভুত। অসঙ্গতি ধরিবার মত কান ইহার নাই ভারে রাত্ৰি ভয়ঙ্কর বোধ চয়, হৃদয় ব্যথা করিয়া বমন কবির গানও মাঝে মাঝে না যায়। ইহঁৱে মন্দিরে গিয়া িবরাজ করিলেন । ) কবি মনোহরণাল—মিৰ্জাপুরাসী । ইনি, “দিলদার লহর কাকোরে পুৱা হবা অ’াধী হৈ বড়ী জো ৱে।। কী সুখ্যপ্ৰসাদ চিকিৎসা ব্যবসায়ী পণ্ডিত লোক নামের নিতা দিয়া গান রচনা করেন। কাজীর একটু ইনি মাঝে মাঝে কৃষ্ণলীলা গান করিতে করিতে আত্মার অাগে পংথ } পড়তা পানী বসৈ সোর রে । ৰামী হীরাপুৱায় তা বাড়ী তিনি অৰ্য্যে-সমাজের উপর ইতিহাস ইনি বেশ লিখিয়াছেন। কিন্তু ী লেখায় পুট্‌ মধ্যে কৃষ্ণকে দেখেন ( তরঙ্গ ভাহিয়া ভাটিয়া পড়িতেছে, পুৱাবা হাওয়াচলি দেখাইতে পারেন নাই। লোকটি পণ্ডিত—কিন্তু কৰি নন। । ।