পাতা:প্রবাসী (সপ্তদশ ভাগ, প্রথম খণ্ড).pdf/৩৯৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৬৮ প্ৰবাসী আশ্বিন, ১৩২৪ [ ১৭শ ভাগ, ১ম খণ্ড ৬ষ্ঠ সংখ্যা বিবিধ প্ৰসঙ্গ—ো ত্মহত্যা নেই যে রে ত্ৰিভুবনে, হিন্দু ঐতিহাসিকদের মনে রাখা কৰ্ত্তব্য যে হিন্দুরাজা একা কলিকাতার ৯, ১৭ জন অধিবাসীর লোকো ঢের বেশী পরিমাণে খ দের মধ্যেও খুব অত্যাচারী লোক ছিল ; মুসলমান ঐতি মধ্যে ১৯ জন পুৰুষ ও ৪ জন খ্ৰীলোক আহত্যা করিয়া- কাছে কারণ বঙ বাছি হয়ে যা রে লোকদের আত্মহত্যায় হায় পুৰুষদের ক্ষে হাসিকদের মনে রাখা উচিত যে মুসলমান রাজাদের মধ্যেও ছিল , অৰ্থাৎ এখানে শ্ৰীলোকদের আত্মহত্যার সংখ্যা গুণ, বিহার-চিৰায় দ্বিগুণ, কিন্তু আগয়া অযোধ্যায় প্ৰা মুসলমানী আমল সম্বন্ধে বহি খুব অত্যাচারী লোক ছিল । অল্পদিকে ইহাও যমে দেৱ দ্বিগুণেরও অধিক অথচ কলিকাতার তিন গুণ আমরা ছেলেৰেলা যে-সব ভারতবর্থের বা বাংলা রাখিতে হইবে, যে, সকল ধৰ্ম্মাবলম্বী বাজাদের মধ্যেই বাসিন্দাদের মধ্যে পুৰুষদের চেয়ে শ্ৰীলোকের সংখ্যা অনেক বাহা হউক, দেখা গেল, এই তিনটি প্রদেশে বো দেশের ইতিহাস পড়িতাম, তাহা হইতে সাধারণতঃ এইক্লপ শাসক দেখিতে পাওয়া যায় কম। এখানে প্ৰতি একহাজার পুষে বঙ্গে আত্মহত্যা প্ৰবৃত্তি প্ৰলত, এবং প্ৰতোক প্রদেশেই ৪৭৫ জন মাত্ৰ ধারণা দক্ষিত যে মুসলমানেরা এদেশে কেবল অত্যাচারই । সম্প্ৰতি কিছুদিন হইতে হিন্দু ও মুসলমান রাজনৈতিক লোক আছে। সুতরাং কলিকাতায় স্ত্ৰীলোকদের আত্ম পুৰ অপেক্ষা জীলোক বেশী আত্মহত্যা করে। বিমাছে, মাঝে মাঝে ২১ জন মাত্ৰ নবাব বাদশাহ জাল সংস্কারপ্রাণীদের মধ্যে বুঝাপড়া ও মিল হইয়া যাওয়ার হত্যার হার পুকৃষদের চারি গুণেরও অধিক । ইহার কারণ শুধু জীলোকদের বিষয়ই আলোচনা করা যা। যালোই কাজ কান্ধিয়াছেন। আজকালকার বিদ্যাল পাঠ্য ইতিহাসগুলি সম্ভাব দেখা যাইতেছে। তার আগে অনেক কাগজে কি ? শহরগুলি বাদ দিয়া সমগ্ৰ বঙ্গের লোকসংখ্যা ৪ ২১ লক্ষীলোকের মধ্যে ২০০৭, বিহার-ওড়িয়ায় ১৭ হয়ত এবিষয়ে কিছু ভাল। কিন্তু আরও উন্নতির প্রয়োজন প্ৰকারান্তরে এই কথাই বলা হইত যেন শুধু মুসলমানেরাই কোটি ২৪ লক্ষ ২১ হাজার ৯৯৬ । তাহার মধ্যে ১২১৬ জন লক্ষ ষ্ট্ৰীলোকের মধ্যে ১২১, এবং আগ্ৰা-অযোধ্যায় ২ আছে ভি ভি নবাব ও বাদশাহ বংশের আমলে এবং দেশের রাজনৈতিক উন্নতির একটা মস্ত অন্তরায় । অধ্য পুৰ ও ১৮৮২ জন নীলোক আত্মহত্যা করিয়াছে। লক্ষ শ্ৰীলোকের মধ্যে ১২ জন লোক আহত বরাবরই দেখা গিয়াছে যে সকল ধৰ্ম্মসম্প্ৰদায়ের মধ্যেই মোটের উপর মুসলমানী আমলে কোন কোন বিষয়ে দেশের বদের মোট অধিবাসী ৪.৫৩,২৯,২৪৭ জনের মধ্যে করিয়াছে। অৰ্থাৎ প্ৰতি দশ-ক্ষীলোকের মধ্যে কিকি উন্নতি হইয়াছিল তাহা পরিষ্কার ভাষায় প্ৰত্যেক অজ্ঞ, উদাসীন, ভীরু, স্বাৰ্থপর, চাটুকারিতায় অভ্যন্ত, সালে ৩১০ জন আত্মহত্যা করিয়াছিল। অৰ্থাৎ বিহার-ওড়িায় ৬০, এবং আগ্ৰা-অযোধ্যায় ৭২ জন ইতিহাসে লিখিত থাকা উচিত জা হুকুম বিস্তর লোক আছে প্ৰতি নিতে বা দশ লক্ষে ৭৩ জন আহত্যা করিয়াছিল আহত্যা করিয়াছিল। ইহা হইতে অনুমান হয় যে, ঐতিহাসিক মনের মধ্যে যে ভাৰ ইয়া ইতিহাস লিখিতে অনেক গৱে বহিতেও খুব অনিষ্ট করিয়াছে। এখনও এখন বঙ্গের এই আত্মহতার অনুপাতের সঙ্গে উহার বাঙালীর মেয়েদের মধ্যেই আবহত্যা প্ৰবৃত্তি এই জিন সেন, তাহা লেখার ভিতর দিয়া বাহির হইবেই। মনটাকে অনেক গল্পলেখক স্বদেশপ্রেমের উদ্ৰেক করিতে হইসে নিকটবৰ্ত্তী চুটি প্রদেশের অনুপাতের তুলনা করিয়া দেখা প্ৰদেশের মধ্যে প্রবলতম। ইহার কারণ কি ? সাম্প্ৰদায়িক-বিদ্বেষ - ও পক্ষপাতিত-শূন্ত করিয়া তবে কোন অতীত কালের একটা সত্য বা মিথ্যা ঘটনা অবলম্বন স্বাক্ । কেবল এক একটি প্রদেশের পুৰুষ ও নামে ইতিহাস লিখিতে হইবে। ইহা শক্ত কাজ ; যিনি এ . রিয়া ভিন্নধৰ্ম্মী লোকদিগের অপকৃষ্ট চিত্ৰ অঁাকিয়া থাকেন। বিহার-ওড়িষার মোট লোকসংখ্যা আত্মহত্যার সংখ্যা ধরিলে দেখ চেষ্টা অন্তরে সহিত করিতে নারাজ, তাহার ঐতিহাসিক আগে ত একাজ খুবই হইয়াছে। এটা তাল পথ নয়। ইহাৱ মধ্যে ১৯১৬ সালে ৫৭১ জন পুৰুষ ও ১২১ জন হতরাং নারীর দুৰ্দশ সৰ্ব্বৰই পুত্ব হইবার সখ না হওয়াহ ভাল খ্ৰীলোক, মোট ১৬৯২ জন, আত্মহতা করিয়াছিল। অৰ্থাৎ দেয় দুশা অপেক্ষা বেশী। বঙ্গের পুঙ্কদের চেয়ে স্কজে ঙ্গে আত্মহত্যা প্ৰতি দশ লক্ষে ৪৯ জন আঘাতী হইয়াছিল। ইহাতে নারীরা দে গুণ বেশী আত্মহত্যা করে, বিবার- ও মুসলমান পরম্পরের শত্ৰু বা প্ৰতিদ্বন্দী এভাব বাছ ইয়া ইতিহাস রচনা করা অকৰ্ত্তব উভয় সম্প্ৰদায় এখন বাংলাদেশের ১৯১৬ সালেয় যে স্বাস্থ্য-রিপোট বাহি দেখা যাইতেছে যে বাংলা দেশ অপেক্ষা বিহার-ওড়িায় পুরুষদের চেয়ে তাকার নামীয়া দ্বিগুণ বেশী আত্মহত্য একই দেশের বাসিন্দা ও প্ৰতিবেশী । এমন কে দেশ হইয়াছে, তাহা হইতে দেখা যায়, ঐ বৎসর ১৩০৩ জন আত্মহত্যার হার কম । কিন্তু বঙ্গে পুৰুষদের চেয়ে দেড় গুণ করে, আগ্ৰা-অযোধ্যার পুৰুষদের চেয়ে থাকার মা যাহা কখনও কাহারও স্বায়া বিদিত হয় নাই ? প্ৰায় তিন গুণ বেশ আহতা করে। ইহা হইতে অ পুরুষ এবং ২০০৭ জন শ্ৰীলোক আত্মহত্যা করিয়াছিল বেশী হীলোক আহত্যা করে, বিহার-ওড়িায় পুষদের স ইস, সায়ন, ডেন, ন্যান, প্ৰকৃতিদের দ্বারা বিজিত বাংলাদেশে পুৰুষের চেয়ে খ্ৰীলোকের সংখ্যা কিছু কম, হয়, বঙ্গের পুকদের চেয়ে নীয়া বত হী, ৰিহা চেয়ে দ্বিগুণ বেশী স্ত্ৰীলোক আত্মহত্যা করে । যাহাই ইয়াছিল। কিন্তু ইংলণ্ডর ইতিহাসে সে-সব পুরাতন কথা প্ৰতি এক -হাজার পুঙ্কযে ৯১৫ জন কবিয়া জীলোক দে হটক, মোটের উপর ১৯১৮ ওড়িবার পুৰুষদের চেয়ে তথাকার নামীয়া তার চেয়ে বেশী । সালে বিহার-ওড়িা লিখিত হইলেও পুরাতন গড়াটা জাগাইয়া রাখিবার চেষ্টা আছে । আত্মঘাতিনী শ্ৰীলোকের সংখ্যা কিন্তু আত্মঘাতী অপেক্ষা পুৰুষ ও নারীদের মধ্যে আত্মহত্যা বেশী বঙ্গের দুঃখী, এবং আগ্ৰা-অযোখ্যার পুঙ্কৰদেয় চেয়ে থাকায় করা হয় না। স্কট্‌লণ্ড ও ইংলণ্ড কত ভীষণ যুদ্ধ হইয়া পুষের সংখ্যার দেড়গুণেরও অধিক । বে-সৰ পু পরিমাণে ইয়াছিল। বঙ্গে আত্মহত্য-প্ৰবৃত্তির অধিকতর নারীরা আরও বেশী দুঃখী ও কিন্তু এক একটি গিয়াছে ; কিন্তু এখন আর সে তীব্ৰ শত্ৰুতার ভাব উত্তর স্ত্ৰীলোক আত্মহত্যা করিয়াছে, তাদের মধ্যে কতজয় বলতার কারণ কি ? প্রদেশেৱ পুৰনায়ীর তুলনায় উত্ত দেশেৰ লোকদের মধ্যে নাই। ইহার একটা কারণ এই যে কোন ধৰ্ম্মসম্প্ৰদায়ের বা জাতির লোক, কিয়া আত্মানিী জাতির দুঃখ দুৰ্যশ বাহাই হউক, আমরা দেখিতেছি প্ৰতি আগ্ৰা-অযোধ্যা প্রদেশে ১৯১৬ সালে মোট অধিবাসী ইংল শ-লক্ষীলোকের মধ্যে আত্মহত্যা কয়ে ণ্ড স্কটল্যাণ্ডেও বহু শতাৰ্থীর বিজিত ও বিজেতাদের শ্ৰীলোকদের মধ্যে কতগুলি বিধবা, কতজন সৰবা । ৮,২০,৫৫৬ জনের মধ্যে ৫৯৩ জন পুরুষ ১৬২৬ ও জন সামাজিক মিশ্ৰণ’টিয়াছে। ভারতবর্থে হিন্দুসলমানে কতজন কুমারী, রিপোটে তার উল্লেখ নাই । সুতা খ্ৰীলোক, মোট ২১৯ জন, আত্মহত্যা করিয়াছিল; ৰঙ্গে অৰ্থাৎ অ প্ৰতি দশ -লক্ষে ৪৭ জন আত্মহত্যা করিয়াছিল। এই হার যোধ্যায় এক হইতে পারে নাই। কিন্তু তাহা সতেও উভয় তাহা জানিবার উপায় নাই বিহার-ওড়িষার সীতি ও মিল অসম্ভব নহে বাংলা এবং বিহার-ড়েষা অপেক্ষা কম। কিন্তু আগ্ৰা: অধিকাংশ বঙ্গের সমুদয় শহরের লোকসংখ্যা ২৯,৯৭,২৫১ সুতরাং এইসব প্রদেশের সমুদয় নারীর মা অযোধ্যায়, উক্ত দুই প্ৰদেশ অপেক্ষাই, পুৰুৱে তুলনায় তাহার মধ্যে ৮৭ জন পুষ ও ১২৫ নীলোক আত্মহত্য নারীদেরই দুঃ সকলের চেয়ে বেশী এবং ।